মালদা প্রতিদিন নিউজ : অবশেষে আশঙ্কায় হলো সত্যি, ভুতনিতে ভাংলো নদী বাঁধ, হুহু করে জল ঢুকতে শুরু করেছে নদীর তীরবর্তী এলাকায়। ইতিমধ্যেই ভুতনী উত্তর চন্ডিপুরের নদীর তীরবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রামে জল ঢুকতে শুরু করে। আবারো বন্যার মত ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে চলেছে ভূতনিবাসী বলে অনুমান। বিগত ২০২৪-২৫ সালে পরপর দুইবার ভয়াবহ বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ভূতনি জুড়ে। গত দুই বছর বন্যায় কয়েক মাস জলমগ্ন ছিল ভুতনি চড়ের তিনটি অঞ্চলের অসংখ্য গ্রাম। ভূতনি চরের এক দিকে ফুলহার ও একদিকে গঙ্গা নদী দিয়ে ঘেরা বসবাস করে কয়েক লক্ষ মানুষ তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত। বদলি মানুষের অভিযোগা শুখা মৌসমে কোন সরকার কাজ করে না। নদী ভাঙ্গন ও বন্যা থামতে ব্যর্থ প্রত্যেকবার সেচ দপ্তর। বৃহস্পতিবার ভোররাতে মূল বাত গঙ্গা নদীর তাও নদী গর্বের তলিয়ে যায়। সেচ দপ্তরের তরফে মূল বাঁধ থেকে কিছুটা দূরে একটি রিং বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল যাও বৃহস্পতিবার সকালে নদীর জল হু হু করে ঢুকতে শুরু করলে কেটে তলিয়ে যায়। আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে ভূতনি চর জুরে।
এমন পরিস্থিতিতে মানিকচক বিধানসভার বিধায়ক গৌরচন্দ্র মন্ডল জানিয়েছে সেচ দপ্তর এখনো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে গ্রামে জল না ঢুকে, রাজ্য সরকার সব সময় ভূতনী বাসীর পাশে রয়েছে, আমি রাতেই এলাকা পরিদর্শন করেছিলাম। বর্তমানে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।