
জাল দলিলে জমি লুট, কালো টাকা সাদা! ইডি-র জালে দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত প্রোমোটার
যাদবপুর থেকে গড়িয়া, সর্বত্র জালিয়াতির জাল - খোঁজে কেন্দ্রীয় সংস্থা_
ফের শহরে প্রোমোটার কাণ্ডে বড়সড় অভিযান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি)। জাল নথি বানিয়ে জমি প্রতারণা এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে দক্ষিণ কলকাতার প্রোমোটার অমিত গঙ্গোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করল ইডি।
কী অভিযোগ?
ইডি সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ কলকাতায় প্রোমোটিং ও রিয়েল এস্টেটের রমরমা ব্যবসা চালাতেন অমিত। অভিযোগ, জাল দলিল তৈরি করে জমি হাতিয়ে নিতেন তিনি। তারপর সেই কালো টাকা ঘুরপথে সাদা করতেন। এই সংক্রান্ত মানি লন্ডারিং মামলায় আগেই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল ইডি।
তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে যাদবপুর, বেহালা, টালিগঞ্জ, গড়িয়া এলাকায় তাঁর একাধিক প্রজেক্ট। সেখানকার জমি কেনাবেচাতেও প্রতারণা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রোমোটার-যোগ কাটছেই না
প্রসঙ্গত, কলকাতায় প্রোমোটারদের জমি জালিয়াতি নতুন নয়। চলতি বছরের এপ্রিলেই একই অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারকে। তাঁর বাড়ি থেকে প্রচুর নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছিল।
জয় কামদারের সূত্র ধরেই উঠে আসে কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর নাম। সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েই জয়ের হদিশ পেয়েছিল ইডি। ওই মামলায় কলকাতা পুলিশে কর্মরত এক পুলিশ আধিকারিকও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
তদন্তকারীদের অনুমান, দক্ষিণ কলকাতায় প্রোমোটারদের একটি বড় চক্র সক্রিয়, যারা জাল নথি, জোর করে জমি দখল এবং কালো টাকা সাদা করার সঙ্গে যুক্ত। অমিত গঙ্গোপাধ্যায়ের গ্রেপ্তার সেই চক্রেরই আরেকটি বড় পর্দাফাঁস বলে মনে করছে ইডি।