Public App Logo
Profile Picture

এবার বাঁধনছেঁড়া (EBC NEWS)

@ebcnews
2Followers
0Following
কলকাতায় আপাতত কোনো হকার উচ্ছেদ করা হবে না এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শহরজুড়ে 'নো-হকিং জোন' এবং বৈধ হকারদের চিহ্নিত করতে একটি নতুন সমীক্ষা (Survey) শুরু হবে। কলকাতা পুরসভায় (KMC) টাউন ভেন্ডিং কমিটির (TVC) গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট সম্প্রতি উচ্ছেদ অভিযানের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেওয়ার পরেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো।শনিবার পালাবদলের পর এই প্রথম কলকাতা পুর সভায় টাউন ভেন্ডিং কমিটির সদস্য, কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে এমনটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানালেন টাউন ভেনডিং কমিটির সদস্যরা।
কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ও কমিশনার স্মিতা পান্ডের নেতৃত্বে কলকাতা পুর সভার হকার সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানালেন হকার সংগ্রাম কমিটি সভাপতি শক্তিমান ঘোষ। বৈঠকে শহরের সমস্ত ফুটপাথের এক-তৃতীয়াংশ (১/৩) জায়গা শুধুমাত্র হকারদের জন্য বরাদ্দ থাকবে। বাকি দুই তৃতীয়াংশ পথচারী দের জন্য ছেড়ে রাখতে হবে বলে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন শক্তিমান ঘোষ। নিয়ম অনুযায়ী হকারদের সেই সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেটা মেনেই মেনে বসতে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।
বিগত সরকারের আমলে ৮৭২৭ জন হকারদের ভেন্ডিং সার্টিফিকেট প্রদান করার কথা হলেও এখন পর্যন্ত সেটা করে উঠা সম্ভব হয়নি। ফলে হাকর দের নিয়ে নতুন করে সমীক্ষা হবে বলে বৈঠকে সদস্যদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন টাউন ভেন্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও কলকাতা পুর সভার প্রশাসক ও কমিশনার স্মিতা পান্ডে এছাড়াও বিশেষ করে স্কুল, কলেজ বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ দ্বার-সহ যেখনে যেখনে হকিং জোন রয়েছে। সেই সব জায়গায় কোনো হকার বসতে পারবে না।
বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
Video 2
ফ্ল্যাট বা বাড়ি হাতে পাওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট নির্মাণ সংস্থার বিরুদ্ধে গোটা প্রকল্পে অযৌক্তিক বিলম্বের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবেন বাড়ির ক্রেতারা, এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট একটি ঘটনা প্রসঙ্গে স্পষ্ট জানিয়েছে, শুধু বাড়ি হস্তান্তর হয়ে গেলেই ক্রেতার ক্ষতিপূরণ চাওয়ার অধিকার শেষ হয়ে যায় না। নির্মাণ সংস্থা নির্ধারিত সময়ে গোটা প্রকল্প শেষ করতে ব্যর্থ হলে সেই বিলম্বের কারণে ক্রেতাদের যে আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি হয়, তার জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকার তাঁদের রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে তাঁদের দীর্ঘদিন ভাড়া দিয়ে থাকতে হয়, একই সঙ্গে হোম লোনের EMI-ও চালিয়ে যেতে হয়। এই অতিরিক্ত আর্থিক বোঝার বিষয়টিকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে আদালত।
বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ এনসিডিআরসি-র আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে এক ফ্ল্যাট ক্রেতার করা আবেদনের ভিত্তিতে এই রায় দেয়। ওই ক্রেতা ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে দিল্লির একটি সমবায় গ্রুপ হাউজিং সোসাইটির সদস্য হন এবং একটি ফ্ল্যাট পান। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ফ্ল্যাটের দখল পেতে বিলম্বের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি অবশ্যই প্রকৃত দখল হস্তান্তরের পূর্ববর্তী সময় থেকে উদ্ভূত হয়। আদালত গত ৪ জুনের রায়ে বলেছে, 'পরবর্তীতে ফ্ল্যাটের দখল প্রাপ্তি, শুধুমাত্র সেই কারণে কথিত বিলম্বের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবির নিষ্পত্তির আবেদন করার জন্য বরাদ্দগ্রহীতার অধিকারকে বিলুপ্ত করতে পারে না।' ফ্ল্যাটের দখল হস্তান্তরে বিলম্বের কারণে পরিষেবার ঘাটতির অভিযোগ এনে আপিলকারী জেলা উপভোক্তা ফোরামে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার ঘুঘুমারি বাজারে এক তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো এবং ডিম ছোড়ার (ডিমথেরাপি) চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পরবর্তীতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বই এগিয়ে এসে আক্রান্ত ওই তৃণমূল নেতাকে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (২৭ জুন, ২০২৬) দুপুরে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ঘুঘুমারি বাজারে। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর নাম ফজলু রহমান (স্থানীয় সূত্রে ফজলু হক বা ফজলু মিয়া নামেও পরিচিত)। তিনি স্থানীয় তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তিনি এলাকাছাড়া ছিলেন। শনিবার তিনি এলাকায় ফিরতেই স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে ধরে ফেলেন। এরপর তাঁর কোমরে দড়ি পরিয়ে ভরা বাজারে ঘোরানো হয়, মারধর করা হয় এবং লক্ষ্য করে অনবরত ডিম ছোড়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাঁকে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইতেও দেখা গেছে।উত্তেজিত জনতার হাত থেকে ফজলু রহমানকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। বিজেপির ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি আখিরঞ্জন পাল এবং অন্য কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করেন এবং তাঁকে সুরক্ষিতভাবে তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছে দেন। ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে নির্বাচনের আগে সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার, বাড়িঘর ভাঙচুর, তোলাবাজি এবং বিজেপি প্রার্থীর গাড়িতে হামলার একাধিক অভিযোগ ছিল। সেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকেই সাধারণ মানুষ এই কাজ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।বিজেপি নেতা আখিরঞ্জন পাল জানান যে, আক্রান্ত ফজলু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দাদাগিরি ও হুমকি চালিয়ে আসছিলেন। তবে আইন হাতে তুলে না নিয়ে বিজেপি কর্মীরা তাঁকে উন্মত্ত জনতার হাত থেকে বাঁচিয়ে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন।
কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদামঘর ধসে পড়ার ভয়াবহ দুর্ঘটনায় লোভনীয় মজুরির টোপ দিয়ে তাড়াহুড়ো করে বিপজ্জনকভাবে কাজ করানোর গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। এই ঘটনায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা শ্রমিক দেবাশিস দাস অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। সাধারণ দৈনিক মজুরি ৬০০ টাকার বদলে ১০০০ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে উত্তর ২৪ পরগনা ও অন্যান্য জেলা থেকে তড়িঘড়ি শ্রমিকদের নিয়ে আসা হয়েছিল। মাত্র চার দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল, যার কারণে সুরক্ষাবিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কাজ চলছিল।কলকাতা পুরসভার প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, স্বাভাবিক নিয়ম ভেঙে একতলা থেকে ঢালাই না করে সরাসরি তিনতলা থেকে লোহা ও কংক্রিটের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছিল।দুর্ঘটনার দিন সকাল থেকেই লোহার কাঠামোটি দুলছিল। ইঞ্জিনিয়ারদের নির্দেশে যখন শ্রমিকরা তা মেরামত করতে যান, তখনই হুড়মুড় করে পুরো ৩ তলা কাঠামোটি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।দুর্ঘটনার কবলে পড়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে যান শ্রমিক দেবাশিস দাস। মাথায়, কোমরে এবং হাতে গুরুতর আঘাত নিয়ে তিনি বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেবাশিসের স্ত্রী অন্নপূর্ণা দাস জানান, বুধবার বিকেলে হাসপাতাল থেকে দেবাশিস নিজেই ফোন করে তাঁর দুর্ঘটনার কথা জানান। পরিবারটি সম্পূর্ণভাবে দেবাশিসের উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বর্তমানে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
টলিউড অভিনেত্রী তথা বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং তাঁর একটি ছোট অস্ত্রোপচার (মাইক্রোসার্জারি) সম্পন্ন হয়েছে। মূলত তাঁর ডান হাতের মধ্যমায় গুরুতর সংক্রমণ (নখকুনি) ও পুঁজ জমার কারণে প্রচণ্ড যন্ত্রণা শুরু হয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেই শনিবার (২৭ জুন, ২০২৬) তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর সিদ্ধান্ত নেন।অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আঙুলের অবশ ভাব কেটে গিয়েছে।অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে আপাতত তিনি বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছেন। জায়গাটি কিছুটা টনটন করলেও তিনি দ্রুত পুরোপুরি ঠিক হয়ে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।টালিগঞ্জের বাসিন্দা হিসেবে পাপিয়া অধিকারী কোনো বেসরকারি হাসপাতাল বা বিদেশে না গিয়ে ঘরের কাছের সরকারি হাসপাতাল এমআর বাঙুর-কেই চিকিৎসার জন্য বেছে নেন। সেখানকার বিশাল অপারেশন থিয়েটার এবং চিকিৎসকদের অত্যন্ত যত্নশীল আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি।তবে একজন ব্যস্ত বিধায়ক হিসেবে হঠাৎ এই অসুস্থতার কারণে তাঁর দিনের বেশ কিছু কাজ বকেয়া পড়ে যাওয়ায় তিনি কিছুটা আক্ষেপও প্রকাশ করেছেন।
Video 7
তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ও আইনজীবী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) ব্যাংক একাউন্ট থেকে উধাও (Bank account scam) হয়ে যায় ৫৬ লক্ষ টাকা। ২০২৫ এর নভেম্বরে ঘটনা ঘটলেও বহুদিন অতিক্রান্ত। এর মধ্যে হয়ে গিয়েছে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল। অবশেষে বড় সাফল্য কলকাতা পুলিশের সাইবার শাখার।
সাংসদের একাউন্ট থেকে টাকা গায়েব করার মূল অভিযুক্ত মোকুলেশর রেজাকে অসমের রাঙাপানি এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের সাইবার শাখা। সূত্রের খবর, ধৃতকে আজই আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে। কলকাতার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের হাইকোর্ট শাখায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি একাউন্ট রয়েছে। অভিযুক্ত মোকুলেশর রেজা সুপরিকল্পিতভাবে বিপুল অঙ্কের টাকা একাউন্ট থেকে সরিয়ে ফেলেন।
উল্লেখ্য, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সময় তাঁর নামে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বিধানসভার উপ শাখায় একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ওই উপ শাখা SBI-র হাইকোর্ট শাখার অধীন। বিধায়ক হিসাবে পাওয়া তাঁর যাবতীয় ভাতা ওই অ্যাকাউন্টেই জমা পড়ত, আর সেই অ্যাকাউন্টেই ঘটে বিপত্তি। শ্রীরামপুরের সাংসদ হওয়ার পর থেকে বিধানসভার ওই অ্যাকাউন্টে দীর্ঘ দিন ধরে কোনও লেনদেন ছিল না। ফলে অ্যাকাউন্টটি ‘ডরম্যান্ট অ্যাকাউন্টে’ পরিণত হয়ে যায়। আর সেখান থেকেই জালিয়াতি করে চুরি যায় টাকা।
পুলিশ সূত্রে খবর ধৃত জালিয়াতি করে নেওয়া সেই টাকা দিয়ে বিপুল সোনা কেনা কিনেছিলেন। বর্তমানে ওই সোনাগুলি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আজই ধৃতকে আদালতে তোলা হবে। অন্যদিকে টাকা ফেরত পাওয়ার পর স্বস্তি পেলেও, ব্যাঙ্কিং সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে সরব হলেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর কথায়, সাংসদ বলেই টাকা হয়তো ফেরত পেয়েছেন তিনি। সাধারণ মানুষের সঙ্গে হলে কী অবস্থা হত, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকাররের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছিলেন।
Video 9
Video 10
নাগরিকদের পুর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সরাসরি সমাধান করতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নতুন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জুলাই ২০২৬ থেকেই শুরু করছেন এক অভিনব কর্মসূচি, যার নাম 'মুখোমুখি'। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যের সাধারণ মানুষ সরাসরি ফোনের মাধ্যমেই তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং মন্ত্রী নিজে সেই সমস্ত সমস্যার মুশকিল আসান করবেন। 'মুখোমুখি' কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথা বলে নিজেদের এলাকার পুর-সমস্যা জানাতে পারবেন।আগামী জুলাই মাস (২০২৬) থেকে এই বিশেষ নাগরিক পরিষেবা রাজ্যজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে চলেছে।কর্মসূচির প্রথম দিন কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (কেএমসি) এলাকা দিয়ে এই জনসংযোগ অভিযান শুরু করা হবে।মন্ত্রী জানান, আগামী ৪ জুলাই থেকে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে চলেছে। প্রথম দিন কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (কেএমসি) এলাকা দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে। প্রতি শনিবার বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কেএমসি এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ফোন লাইন খোলা থাকবে। কলকাতা ছাড়াও পর্যায়ক্রমে রাজ্যের বাকি সমস্ত কর্পোরেশন এলাকা যেমন— আসানসোল, শিলিগুড়ি, হাওড়া, বিধাননগর এবং চন্দননগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের জন্যও সপ্তাহে আলাদা আলাদা দিন ও সময় নির্ধারণ করা হবে। খুব শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এবিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।জলমগ্নতা বা জল জমার সমস্যা (Waterlogging)বেআইনি নির্মাণ (Illegal construction)নিকাশি নালা পরিষ্কার ও আবর্জনা সাফাই সংক্রান্ত সমস্যা (Drain cleaning & sanitation)এছাড়াও রাস্তাঘাট মেরামত ও অন্যান্য পুর-পরিষেবা সংক্রান্ত অভাব-অভিযোগ। বর্ষায় জল জমা রুখতে এবং শহর পরিষ্কার রাখতে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে রাস্তায় প্লাস্টিক বা ময়লা ফেললে এবং যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করলে কড়া জরিমানার (Fine) নির্দেশ দিয়েছেন পুরমন্ত্রী। কর্মসূচি শুরুর আগেই মন্ত্রী খোদ কলকাতার গড়িয়াহাট বাজার এবং আসানসোল পুরনিগমের মতো বিভিন্ন এলাকা নিজে পরিদর্শনে গিয়ে নিকাশি ও সাফাই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছেন।
⭐মেষ রাশি:নতুন যোগাযোগ ও নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক উন্নতির সুবর্ণ সুযোগ আসবে।কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতির সম্ভাবনা এবং পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন হতে পারে।
⭐বৃষ রাশি: স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে সমর্থন করুন, সম্পর্কে মধুরতা বজায় থাকবে।বহুদিনের ব্যস্ততার মাঝে নিজের জন্য কিছুটা ভালো সময় কাটাতে পারবেন।
⭐মিথুন রাশি: সকালের দিকে কোনও তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপে বৈবাহিক জীবনে অশান্তি দেখা দিতে পারে।প্রতিটি কাজে অতিরিক্ত ধৈর্য বজায় রাখুন এবং তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
⭐কর্কট রাশি:  আজ ব্যবসা সম্প্রসারণের বা নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করার কথা ভাবতে পারেন। বড় কোনও আর্থিক বিনিয়োগের পরিকল্পনা থাকলে তা আজকের মতো স্থগিত রাখাই ভালো।
⭐সিংহ রাশি:  কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ বাড়তে পারে।আইনি ও চুক্তি: নতুন কোনও চুক্তিতে স্বাক্ষর করার আগে কাগজপত্রের শর্তাবলী খুব ভালো করে খতিয়ে দেখুন।
⭐কন্যা রাশি: সকালের দিকে পেটের সমস্যা বা হজমের গোলমাল দেখা দিতে পারে, খাদ্যাভ্যাসে নজর দিন। জরুরি কাজের জন্য বিকেলের পরের অংশটি অত্যন্ত শুভ ও ফলদায়ক হবে।
⭐তুলা রাশি: পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন ছাত্রছাত্রীরা আজ কোনও ভালো বা ইতিবাচক খবর পেতে পারেন। ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন কোনও ক্ষেত্রে পুঁজি বিনিয়োগ করার জন্য দিনটি অত্যন্ত অনুকূল।। 
⭐বৃশ্চিক রাশি:প্রেমিকা বা সঙ্গীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে, কথাবার্তায় সংযম রাখুন।সকালের দিকে সংসারে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে সামান্য বিবাদ বা মানসিক অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে।
⭐ধনু রাশি: পরিবহণ ও লজিস্টিকস ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা আজ ভালো মুনাফা দেখতে পাবেন। জমি বা স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সদর্থক আলোচনা হতে পারে।
⭐মকর রাশি: জমি, বাড়ি বা পুরনো কোনও সম্পত্তি কেনাবেচা করার জন্য আজকের দিনটি দারুণ লাভজনক।স্ত্রীর স্বাস্থ্য হঠাৎ খারাপ হতে পারে, অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
⭐কুম্ভ রাশি: প্রেমের সম্পর্কে তৃতীয় কোনও বন্ধুর কারণে ভুল বোঝাবুঝি বা অশান্তি তৈরি হতে পারে।কর্মক্ষেত্রে বা সমাজে যে কোনও ধরণের বিতর্ক এবং ঝগড়াঝাঁটি থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন।
⭐মীন রাশি:কর্মস্থানে যে কোনও ধরণের পরনিন্দা বা অনাবশ্যক আলোচনা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলান এবং বাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।
আমেরিকার বিখ্যাত সংবাদপত্র 'দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল'-এর (WSJ) ২০২৫ সালের শীর্ষ বেতনভোগী সিইও-দের সাম্প্রতিকতম তালিকা অনুযায়ী, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী শঙ্খ মিত্র এলন মাস্কের পরই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী সিইও হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।বাঙালি ইঞ্জিনিয়ার শঙ্খ মিত্র এবং তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্য  তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছেন টেসলা প্রধান এলন মাস্ক, যাঁর মোট প্যাকেজ প্রায় ১৫৮ বিলিয়ন ডলার।দ্বিতীয় স্থান (শঙ্খ মিত্র): আমেরিকার রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট (REIT) কোম্পানি 'ওয়েলটাওয়ার' (Welltower)-এর সিইও শঙ্খ মিত্রের ২০২৫ সালের মোট পারিশ্রমিক বা প্যাকেজ হলো ৮২১ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭,৭৫১ কোটি টাকা)।ভারতীয় মুদ্রায় হিসেব করলে তাঁর প্রতিদিনের গড় আয় দাঁড়ায় প্রায় ১৯ থেকে ২৩ কোটি টাকারও বেশি।বেতন কাঠামোর বিশেষত্ব শঙ্খ মিত্রের এই বিশাল আয়ের প্রায় ৯৯ শতাংশই আসে কোম্পানির স্টক বা শেয়ার গ্রান্ট (Stock Awards) থেকে। এটি কোনো নগদ বেতন নয়।এই পুরো টাকাটি দীর্ঘমেয়াদী পারিশ্রমিক এবং এটি সম্পূর্ণভাবে কোম্পানির কর্মক্ষমতা (Performance-based) ও ভবিষ্যৎ বাজার মূল্য বৃদ্ধির শর্তের ওপর নির্ভরশীল। ২০৩১ সাল পর্যন্ত তিনি এই সংস্থায় থাকলে এবং কোম্পানির মার্কেট ভ্যালু নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছালে তিনি এই পুরো শেয়ারের মালিক হবেন।যাদবপুর থেকে ওয়াল স্ট্রিট শঙ্খ মিত্র কলকাতার ছেলে এবং তিনি কলকাতার বিখ্যাত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইন্সট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং' নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেন।পরবর্তীতে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং কলম্বিয়া বিজনেস স্কুল থেকে অ্যাপ্লাইড ভ্যালু ইনভেস্টিংয়ে এমবিএ (MBA) সম্পন্ন করেন।২০১৬ সালে তিনি 'ওয়েলটাওয়ার' কোম্পানিতে যোগ দেন এবং নিজের মেধার জোরে ২০২০ সালে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) পদে উন্নীত হন।বিশ্বের তাবড় তাবড় ধনকুবের কর্পোরেট লিডারদের পেছনে ফেলে তালিকায় এক বাঙালি সন্তানের এই অবস্থান নিঃসন্দেহে ভারতের ও বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
"রাষ্ট্রবাদী সরকার এসেছে,এবার বাংলায় কাজ হবে"- বঙ্কিম জন্ম জয়ন্তীতে 'বন্দেমাতরম মিউজিয়াম'-এর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ম্যানুয়াল স্যুয়ার ও সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারই এখন একমাত্র পথ জানালেন পুর ও নগরোন্নয়ন এবং নারী, শিশু ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায় একটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিটেনাস-ডিপথেরিয়া (Td) টিকা নেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ১৭ বছর বয়সী এক নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ এবং ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই টিকার সুরক্ষা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মৃত্যুর সঙ্গে টিকার সরাসরি কোনো সংযোগ এখনও প্রমাণিত হয়নি।
স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, ওই ক্যাম্পে আরও ৬ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। যার মধ্যে ছিলেন ৪ জন গর্ভবতী মহিলা, ১৬ বছরের এক কিশোরী ও ১০ বছরের এক বালক। তাদের শরীরে কোনও খারাপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।
যে টিকা নেওয়ার পর নাবালিকার মৃত্যু হয়, সেই ব্যাচের সমস্ত টিকা বাতিল করা হয়েছে।
গত বুধবার নাসিক পুরসভার তরফে টিকাদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। দুপুর ১২টা ৪০ নাগাদ সেই ক্যাম্প থেকে টিটেনাস ও ডিপথেরিয়া (টিডি) টিকা নেয় ওই কিশোরী। বুস্টার ডোজ নেওয়ার কিছুক্ষণ পর মাথা ঘোরার কথা জানায় সে। এরপর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশেই একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। পড়ে যাওয়ার সময় মাথাতেও গুরুতর আঘাত লাগে তার। ওই অবস্থায় স্থানীয়রা তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি।
শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই নৈতিক দায় স্বীকার করে তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া অনুদানের কোটি কোটি টাকা চুরির ঘটনার তদন্তে গতি আসতেই তিনি এই পদক্ষেপ নিলেন।
ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং সদস্য ট্রাস্টি অনিল মিশ্র দুজনেই নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।চম্পত রাই জানিয়েছেন, তদন্ত প্রক্রিয়া যাতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে চলে এবং রাম মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মন্দিরের তহবিল থেকে প্রায় ৭ থেকে ৭.৫ কোটি টাকা গায়েব হয়েছে।উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার এই দুর্নীতির তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্ত দল (SIT) গঠন করেছিল।এসআইটি (SIT)-এর প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করার পর, টাকা গণনার সাথে যুক্ত কর্মী ও চম্পত রাইয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগীসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।উত্তরপ্রদেশ সরকার এবং পুলিশ জানিয়েছে যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করে এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালানো হচ্ছে।
Video 18
Video 19
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল-প্রতি প্রায় ১২০ ডলার থেকে কমে ৭০-৭৬ ডলারে নেমে এসেছে। তবে সরকারি তেল বিপণন সংস্থাগুলি ভারতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার সময় জ্বালানির দাম লিটার প্রতি প্রায় ৭.৫০ টাকা বাড়লেও, বিশ্ববাজারে বড় পতন সত্ত্বেও পাম্পের দাম কমানো হয়নি।আন্তর্জাতিক বাজার চড়া থাকার সময় কোম্পানিগুলো আড়াই মাস দাম বাড়ায়নি। বর্তমানে পেট্রোলে মুনাফা থাকলেও ডিজেলে সামান্য ক্ষতি হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।দেশে জ্বালানির দাম প্রতিদিনের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে না, বরং আগের পনেরো দিন বা এক মাসের গড় মূল্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। বিশ্ববাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হলে তবেই দাম কমার সুফল পেতে পারেন সাধারণ মানুষ।কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শোধনাগার বা রিফাইনারিগুলোর কাছে বর্তমানে যে তেলের স্টক রয়েছে, তা আগের চড়া দামে কেনা। নতুন কম দামের ক্রুড তেল ভারতে এসে পৌঁছাতে এবং তা প্রক্রিয়াকরণ হতে কিছুটা সময় লাগবে।
ভারতের তেল বিপণন সংস্থাগুলি দৈনিক ওঠানামার ভিত্তিতে খুচরো দাম নির্ধারণ করে না। আন্তর্জাতিক বাজারের গত ১৫ দিন বা এক মাসের গড় মূল্যের ওপর ভিত্তি করে দাম পর্যালোচনা করা হয়।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সরকার পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের এই নিম্নমুখী প্রবণতা যদি আগামী কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয়, তবেই সাধারণ মানুষ খুচরো মূল্যে স্বস্তি পেতে পারেন। নতুন সস্তা তেল শোধনাগারে পৌঁছালে ধাপে ধাপে পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরো দাম কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় তারাতলা দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেওয়া একটি জরুরি মানবিক সিদ্ধান্তের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক কুণাল ঘোষ।তারাতলায় একটি গোডাউনের ছাদ ধসে পড়ার দুর্ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন যে কলকাতা এবং তার আশেপাশের সমস্ত নির্মাণকাজ আপাতত স্থগিত রাখা হবে এবং সব প্ল্যান অডিট করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন জানালেও, তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বিধানসভার লবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানান, হুট করে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গেলে বহু দরিদ্র ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা নির্মাণ শ্রমিকরা সপরিবারে চরম খাদ্য সংকটে পড়বেন। তাই ওই শ্রমিকদের খাবারের বিকল্প ব্যবস্থা করার আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের এই আর্জির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পদক্ষেপ নেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ও কাজ হারানো গরিব শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে খাবারের (Free Meals) ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়াদানের পর কুণাল ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে বিধানসভার অলিন্দে ও লবিতে দুই নেওয়ার এই সৌজন্য বিনিময় এবং গঠনমূলক আলোচনা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে।
অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া অনুদান ও নগদ টাকা চুরির অভিযোগে লবকুশ মিশ্র এবং ক্যাশবাক্সের চাবির মালিক-সহ মন্দিরের ৮ জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সদস্য কৃষ্ণ মোহনের দায়ের করা এফআইআর এবং বিশেষ তদন্তকারী দলের (SIT) প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।গ্রেফতার হওয়া এই কর্মীরা মূলত মন্দিরের দানবাক্স থেকে নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী গোনার দায়িত্বে যুক্ত ছিলেন।সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ এই অর্থ ও মূল্যবান অলঙ্কার আত্মসাতের অকাট্য প্রমাণ পেয়েছে।সিটের (SIT) রিপোর্টে জানা গেছে যে, মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে অভিযুক্তদের সম্পত্তি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায় এবং তাঁরা বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে হোটেল-রিসর্ট পর্যন্ত কিনেছেন।অভিযুক্ত ৮ জনের তালিকা পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এ নাম থাকা যে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা হলেন
 লবকুশ মিশ্র (Lavkush Mishra): টাকা গোনার অন্যতম প্রধান কর্মী, যাঁর বাড়ি থেকে নগদ উদ্ধার হয়েছে।
২. অনুকল্প মিশ্র (Anukalp Mishra): লবকুশের আত্মীয় এবং অনুদান বাক্স খোলার মূল দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি।
৩. রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু যাদব (Ramshankar Yadav / Tinnu Yadav): রামমন্দির ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের প্রাক্তন গাড়িচালক ও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
৪. সুভাষচন্দ্র শ্রীবাস্তব (Subhash Chandra Srivastava): স্টেট ব্যাংকের প্রাক্তন কর্মী, যিনি টাকা গোনার তদারকি করতেন।
৫. অবিনাশ শুক্লা (Avinash Shukla): মন্দিরের পরিচারক, যাঁর অ্যাকাউন্টে চুরির টাকা জমা করার প্রমাণ মিলেছে।
৬. মনীষ যাদব (Manish Yadav): টিন্নু যাদবের ভাইপো, চুরির টাকা লুকানোর অভিযোগে ধৃত।
৭. করুণেশ পাণ্ডে (Karunesh Pandey): অনুদানের রসিদ ও হিসাবের গরমিল করার অভিযোগে অভিযুক্ত।
৮. রামশঙ্কর মিশ্র (Ramashankar Mishra): টাকা ও গয়না গোনার কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মী।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন যে সনাতন ধর্মের আবেগের সঙ্গে কোনো রকম ছিনিমিনি বরদাস্ত করা হবে না এবং দোষীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
ফলতার তৃণমূল নেতা ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ফলতার পুনর্নির্বাচনের পর থেকে বেপাত্তা ছিলেন জাহাঙ্গির। পরে নেপাল সীমান্ত থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে কতগুটি মামলা রয়েছে, তা জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর স্ত্রী রেজিনা বিবি। পাশাপাশি কোমরে দড়ি পরিয়ে প্যারেড করানোর অভিযোগ করা হয়।
এদিন মামলার শুনানিতে বিচারপতি বলেন, কোনও অভিযুক্তের কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানো কখনই আইনত সমর্থনযোগ্য নয়। সরকারি আইনজীবী তখন বলেন, “কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানোর বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়েও অনেক কিছু করা যায়। পুলিশের থেকে রিপোর্ট নিয়ে আমি আমি আমার বক্তব্য রাখব।” রাজ্যের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিচারপতি জানান, জাহাঙ্গির খানের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় এমন কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।
Video 24