Public App Logo
Profile Picture

এবার বাঁধনছেঁড়া (EBC NEWS)

@ebcnews
1Followers
0Following
Video 0
অঞ্চলের সাধারণ মানুষের অভিযোগ ছিল বেনামি জমি 
EBC NEWS এর খবরের জেরে অবশেষে জমির দাবিদার পাওয়া গেল বেহালায়।

বেনামি জমি দখল করে অগ্রদূত ক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে কার পার্কিংয়ের ব্যবসার অভিযোগ একেবারে নস্যাৎ করে দিলেন খোদ ওই ‘বেনামি’ জমির মালিক!
EBC NEWS এর প্রতিবেদন প্রকাশের পরই নাটকীয় মোড় সরশুনা কাষ্ঠডাঙ্গা রোড সংলগ্ন বালির মাঠ বিতর্কে। যে জমিকে কেন্দ্র করে বেনামি জমি দখল এবং স্থানীয় অগ্রদূত ক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক কার পার্কিংয়ের ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল, সেই অভিযোগ কার্যত উড়িয়ে দিয়ে সমস্ত মালিকানার নথি-সহ সামনে এলেন জমির দাবিদার মালিকপক্ষ।
গত ৪ জুন EBC NEWS প্রকাশিত প্রতিবেদনে এলাকার একাংশের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছিলেন, বালির মাঠটি একটি বেনামি জমি এবং সেখানে স্থানীয় অগ্রদূত ক্লাবের কয়েকজন সদস্য কার পার্কিংয়ের ব্যবসা চালাচ্ছেন। তাঁদের দাবি ছিল, মাঠটিকে পার্কিংয়ের কাজে ব্যবহার না করে আগের মতো খেলাধুলা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত রাখা হোক।
প্রতিবেদন প্রকাশের পরই তড়িঘড়ি সরশুনা থানায় হাজির হন জমির দাবিদার মালিকরা। সমস্ত প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজ ও মালিকানার প্রমাণপত্র জমা দিয়ে তাঁরা দাবি করেন, বিতর্কিত জমিটি কোনও বেনামি জমি নয়, বরং দুই বোনের বৈধ মালিকানাধীন সম্পত্তি।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মালিকপক্ষ স্পষ্ট জানায়, কার পার্কিংয়ের সঙ্গে অগ্রদূত ক্লাবের কোনও সম্পর্ক নেই। প্রথমদিকে পার্কিংয়ের বিষয়টি তাঁদের জানা না থাকলেও পরে বিষয়টি জানতে পেরে মালিক হিসেবে তাঁরা অনুমোদন দেন। ফলে ক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি তাঁদের।
মালিকপক্ষ আরও জানায়, ভবিষ্যতেও ওই জমিতে কার পার্কিংয়ের ব্যবসা চালানোর অধিকার তাঁদের রয়েছে। পাশাপাশি জমি সুরক্ষিত রাখতে চারদিকে পাঁচিল ও গেট দিয়ে ঘিরে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, অতীতেও জমিটি পাঁচিল ও গেট দিয়ে ঘেরা হয়েছিল, কিন্তু পরে সেই পাঁচিল ও গেট ভেঙে দেওয়া হয়।
জমির মালিকানার নথি প্রকাশ্যে আসার পর বালির মাঠ বিতর্কে নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। এখন এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
মদন মিত্রের গাড়িতে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, সৌভাগ্যবশত গাড়িতে ছিলেন না বিধায়ক
Video 3
Video 4
আমজনতার পকেটে আরও চাপ। ফের বাড়ল গৃহস্থের রান্নার গ্যাসের দাম। ৬ জুন মধ্যরাতের পর থেকে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়ে গেল অনেকটাই। পিটিআই সূত্রের খবর, প্রতিটি ১৪.২ কেজির ডোমেস্টিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ২৯ টাকা। গত তিন মাসে গৃহস্থের ডোমেস্টিক এলপিজি সিলিন্ডারের এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বাড়ল। অন্য দিকে, এ দিন ৫ কেজি’র ‘ছোটু’ সিলিন্ডারের দাম ১০.৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রের খবর, দিল্লিতে এখন গৃহস্থের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯১৩ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াল ৯৪২ টাকা। কলকাতায় এই দাম দাঁড়াল ৯৬৮ টাকায়। তবে ভারতের বিভিন্ন শহরে গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বিভিন্ন হবে, কারণ রাজ্যভেদে শুল্ক আলাদা। এর আগে মার্চে সিলিন্ডার প্রতি দাম বেড়েছিল ৬০ টাকা। সেই সময়ে, ৬ মার্চ এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৮৭৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৩৯ টাকা করেছিল তেল বিপণন সংস্থাগুলি।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে সেই এলাকায় একাধিক দেশে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন এবং গ্যাস উৎপাদন ধাক্কা খেয়েছে। হরমুজ় প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কায় যাতায়াতে সমস্যা হয়েছে, যার ফলে জোগানেও ধাক্কা লেগেছে। এর ফলে ভারতে এলপিজির সঙ্কটের ছবি ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে। যেহেতু ভারত এলপিজির জন্য পশ্চিম এশিয়ার উপর বহুমাত্রায় নির্ভরশীল, ফলে সমস্যা হয়েছে এ দেশেও।

৬ মার্চের পরে কয়েক দফায় বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাস এবং পেট্রল-ডিজ়েলের দাম বেশ খানিকটা বাড়ানো হলেও ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়নি।
Video 6
Video 7
বাঁকুড়ার খাতড়ার সুপুর এলাকায় একটি গোরুকে কামড়েছিল এক পথকুকুর। সেই গোরুর দুধ বিক্রি করার অভিযোগ এলাকার এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। বর্তমানে জলাতঙ্ক সংক্রমণের আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা। যার জেরে শুক্রবার খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে ভিড় করেন শিশু ও প্রসূতি-সহ প্রায় ৫০ জন গ্রামবাসী। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সুপুর গ্রামের একাধিক বাসিন্দা দীর্ঘদিন ধরে ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিয়মিত দুধ কিনতেন। কিন্তু গোরুটিকে কুকুরের কামড়ে জখম হয়েছিল, সেই বিষয়ে গ্রামবাসীদের কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। এমনকী সেই গোরুর দুধ গ্রামবাসীদের কাছে বিক্রি করা হয় বলেও অভিযোগ। এর পরে বৃহস্পতিবার সেই গোরু মারা যায়। যার ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

সংক্রমণের ভয়ে শুক্রবার সকাল থেকে সুপুর গ্রামের প্রায় ৫০ জন বাসিন্দা খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে ভিড় করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সকলকে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা ওই গোরুর দুধ খেয়েছিলেন, তাঁরা সকলেই সুস্থ। সকলের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর।
<nis:link nis:type=tag nis:id=inshot nis:value=InShot nis:enabled=true nis:link/>
কলকাতায় অটোয় সওয়ার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব
দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্ণা মঞ্চ এলেন সোনম ওয়াংচুক
যন্তর মন্তরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে ককরোচ জনতা পার্টি
দিল্লি পৌঁছালেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপক।
Video 14
কাঁচা পাটের অভাব ও উৎপাদন সংক্রান্ত সমস্যার জেরে আজ,  শনিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি জুটমিল (The Naihati Jute Mills Co. Ltd.)-এর গেটে আচমকা ‘সাসপেনশন অব ওয়ার্কস’ (Suspension of Works)-এর নোটিস ঝুলিয়ে মিলটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে মিলের কয়েক হাজার শ্রমিক ও কর্মী রাতারাতি কর্মহীন হয়ে চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। মিল কর্তৃপক্ষের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাজারে পাটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া বজায় রাখার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার কারণেই এই সাময়িক লকআউটের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা কর্তৃপক্ষের এই যুক্তি মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, মিলের ভেতরে এখনও বেশ কয়েকদিন উৎপাদন চালু রাখার মতো পর্যাপ্ত কাঁচা পাট মজুত রয়েছে। শুধুমাত্র পাটের অভাবের অজুহাতে এই আকস্মিক বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়।শ্রমিকদের অভিযোগ, তাঁদের অনেক বকেয়া প্রাপ্য ও অন্যান্য আর্থিক দাবি মেটানো ছাড়াই মিলটি হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে পরিবার চালানো নিয়ে তাঁরা তীব্র উদ্বেগের মধ্যে পড়েছেন। ভারতীয় মজদুর সংঘ (BMS)-এর পক্ষ থেকে এর জন্য পূর্বতন শ্রমিক ইউনিয়নের পরিচালনাগত গাফিলতিকেও দায়ী করা হয়েছে।ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের এই ঐতিহ্যবাহী জুটমিলটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গোটা এলাকা জুড়ে শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং মিল পুনরায় চালুর দাবিতে সরব হয়েছেন শ্রমিকরা।
পুরুষ ‘লক্ষ্মী’র পর এবার নদিয়ায় দেখা মিলল ‘পুরুষ অন্নপূর্ণা’রও। রাজ্যের নতুন প্রকল্প অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে যখন জেলায় জেলায় উৎসাহ তুঙ্গে। তারই মাঝে নদিয়ায় খোঁজ মিলল 'পুরুষ অন্নপূর্ণা'র। 
ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার ভীমপুর থানার চাঁদপুর গ্রামে। সঞ্জিত বিশ্বাস নামে এক গ্রামীণ চিকিৎসক, যিনি সরকারি বৃদ্ধভাতার সুবিধাভোগী, সম্প্রতি নিজের পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে বিপাকে পড়েন। ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গিয়ে তিনি দেখেন, বৃদ্ধভাতার পাশাপাশি তাঁর অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনা বাবদ ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত জমা হয়েছে।
নিজে পুরুষ হওয়ায় এবং এই প্রকল্পের জন্য আবেদন না করায়, তিনি অত্যন্ত বিস্মিত। সঞ্জিতবাবু জানান, “আমি বৃদ্ধভাতার টাকা তুলতে গিয়ে এই বিষয়টি জানতে পারি। আমি বুঝতে পারছি না কীভাবে এই টাকা এল। তাই আমি অন্নপূর্ণা যোজনার ওই টাকা তুলিনি।”
” তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে অবহিত করবেন। পাশাপাশি সরকারি নিয়ম মেনে যদি এই টাকা ভুলবশত তাঁর অ্যাকাউন্টে এসে থাকে, তবে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন।
নদিয়ার কৃষ্ণনগরে একটি আবাসিক স্কুলের হস্টেলের শৌচাগার থেকে ১ ম শ্রেণির সঞ্জনা মণ্ডল (৭)এক খুদে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকে কৃষ্ণনগর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সে কৃষ্ণনগর কুইন্স গার্লস হাই স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী সঞ্জনা মণ্ডল(বয়স আনুমানিক ৬-৭ বছর)।শনিবার সকালে স্কুলের আবাসিক হস্টেলের শৌচালয় থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।ছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের দাবি, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, তাকে খুন করা হয়েছে। তবে কে বা কারা এই ঘটনার পেছনে জড়িত, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।মৃত বছর সাতেকের সঞ্জনা মণ্ডল। সে কৃষ্ণনগরের কুইনস স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের আদি বাড়ি ভীমপুর থানা এলাকায়। তবে বর্তমানে কৃষ্ণনগরের সন্ধ্যা মাঠপাড়া এলাকায় ভাড়াবাড়িতে বসবাস করতেন তাঁরা। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে হস্টেলের শৌচালয়ে ছাত্রীটিকে পড়ে থাকতে দেখেন হস্টেলের ওয়ার্ডেন। এরপর বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। খবর পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করা হয়। শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে জানান।মৃতার বাবা অনিমেষ কুমার সাহা জানান, গ্রীষ্মের ছুটি শেষে শুক্রবারই তিনি মেয়েকে হস্টেলে রেখে এসেছিলেন। হঠাৎ দুঃসংবাদ পেয়ে তিনি স্তম্ভিত।মৃত্যুর আসল কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে কৃষ্ণনগর থানার পুলিশ।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ (হত্যা নাকি দুর্ঘটনা) নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।
শওকত মোল্লার সঙ্গে এনআইএ দপ্তরের এসে পৌঁছেছে শওকত মোল্লার মেয়ে ও স্ত্রী
Video 19
কলকাতাকে প্লাস্টিক মুক্ত করতে এবং পরিবেশ দূষণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে কলকাতার বাজারগুলোতে কাপড়ের ব্যাগের ভেন্ডিং মেশিন বসানো হবে। এই মেশিনগুলো চালু হয়ে যাওয়ার পর, বাজারে কেউ সিঙ্গেল-ইউজ বা একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার করলে তাকে জরিমানা করা হবে।রাজ্যের পুরবিষয়ক মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল এই নতুন পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন।
সাধারণ মানুষ যাতে প্লাস্টিকের বিকল্প সহজে পান, তার জন্যই এই স্বয়ংক্রিয় কাপড়ের ব্যাগ সরবরাহকারী মেশিন বা ভেন্ডিং মেশিন বসানোর সিদ্ধান্ত।বাজারে ভেন্ডিং মেশিনগুলো সম্পূর্ণভাবে চালু হয়ে যাওয়ার পর থেকেই প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারের ওপর জরিমানা নেওয়া শুরু হবে।মূলত সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিকের (Single-use plastic) ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা।
পুরবিষয়ক মন্ত্রী জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষকে বাড়ির আবর্জনা দুটি ভাগে (ভিজে বর্জ্য এবং শুকনো বর্জ্য) আলাদা করে পুরসভার গাড়িকে দিতে হবে। কোনো পরিবার যদি টানা ৭ দিন ধরে ভিজে ও শুকনো বর্জ্য আলাদা না করে মিশ্র আবর্জনা দেয়, তবে সকালের বর্জ্য সংগ্রহকারীরা সেই বাড়ি থেকে আবর্জনা তোলা বন্ধ করে দেবে।পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে এবং কলকাতার নিকাশী ব্যবস্থা সচল রাখতে সরকারের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
Video 21
Video 22
কলকাতা পৌরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম
Video 24