দেবু সিংহ মালদা: অমানবিক! তরতাজা তরুণকে শিকল দিয়ে বেঁধে টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছেন দাদা। প্রতিরোধ করলেই চলছে জুতো দিয়ে মার। সঙ্গে দিদি থাকলেও কোনও প্রতিরোধ করছেন না তিনিও। সোমবার দুপুরে এমনই অমানবিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল মালদা মেডিকেল কলেজ।
পুরাতন মালদার মহিষবাথানী এলাকার বাসিন্দা নুরুল হক। তাঁর ছোটো ছেলে সারিকুল ইসলাম (২৬) জন্ম থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন। পরিবারের দাবি, সাত মাস বয়স থেকে পরিবারের লোকজন সারিকুলের মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন। চিকিৎসার জন্য সারিকুলকে রাঁচিতে পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। প্রায় সাত বছর আগে ১০ দিনের জন্য হারিয়ে গিয়েছিল সে। এরপর থেকেই পরিবারের লোকজন সারিকুলকে চোখে চোখে রাখেন। সোমবার পরিবারের লোকজন সারিকুলকে নিয়ে মালদা মেডিকেলে এসেছিলেন প্রতিবন্ধী শংসাপত্রের জন্য। কিন্তু তাঁকে কোনোমতেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছিল না। বাধ্য হয়ে পরিবারের লোকজন সারিকুলকে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন।