রণক্ষেত্র মুকুন্দপুরের চলচ্চিত্র শিক্ষাঙ্গন! SRFTI-এর অডিটোরিয়ামে ‘বহিরাগতদের’ উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ, পুলিশ মোতায়েন সত্ত্বেও র*ক্তক্ষয়ী সং*ঘর্ষে আহত একাধিক পড়ুয়া ও শিক্ষক।
বিস্তারিত:রবিবার কলকাতার মুকুন্দপুরে অবস্থিত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (SRFTI) চত্বর এক নজিরবিহীন ও র*ক্তক্ষয়ী সং*ঘর্ষের সাক্ষী হলো । প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত একটি বহিরাগত সংগঠনের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া রাজনৈতিক বাকবিতণ্ডা চরম আকার নেয়, যা পরবর্তীতে পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতিতেই র*ক্তক্ষয়ী সং*ঘর্ষ ও মারা*মারিতে রূপ নেয় । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হলেও দীর্ঘক্ষণ ক্যাম্পাস জুড়ে উত্তেজনা বজায় থাকে।
রবিবার বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের মূল অডিটোরিয়াম বা সভাঘরটি ভাড়া নিয়েছিল ‘অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত’ নামের একটি সংগঠন। অভিযোগ, সেই অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চ থেকে কিছু ব্যক্তি অত্যন্ত উগ্র ও রাজনৈতিক উস্কানিমূলক ভাষণ দিচ্ছিলেন ক্যাম্পাসের সাধারণ পড়ুয়ারা এর তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং প্রশ্ন তোলেন যে কেন একটি প্রথম সারির জাতীয় চলচ্চিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতর এই ধরনের উস্কানিমূলক রাজনৈতিক প্রচার চালানো হচ্ছে।
ঘটনার পর উত্তেজনা চরম মাত্রায় পৌঁছালে ক্ষুব্ধ পড়ুয়ারা SRFTI-এর প্রধান ফটক বা গেট আটকে ভেতরে অবস্থান বিক্ষোভ ও 'গো ব্যাক' স্লোগান দিতে শুরু করেন । অন্য দিকে, গেটের বাইরে জড়ো হয়ে পাল্টা 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান দিতে থাকেন অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের সদস্যরা । তাঁদের অভিযোগ, সংগঠনের বেশ কিছু সদস্যকে পড়ুয়ারা ভেতরে আটকে রেখেছেন এবং তাঁদের নিরাপদে বের করতে না দিলে তাঁরা আরও লোক নিয়ে আসবেন।ঘটনাস্থলে পূর্ব যাদবপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে । গেটের বাইরে ও ভেতরে পুলিশি ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে এবং আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে