Public App Logo
Jansamasya
News
Bjp
National
Police
Bihar
India
कांग्रेस
Accident
Congress
Modi
Delhi
Viral
मारपीट
Breakingnews
Narendramodi
Nitishkumar
Madhya_pradesh
Nsui
Madhyapradesh
Pmmodi
Rahulgandhi
Uttarpradesh
Haryana
Cricket
Lucknow
Uttarakhand
Crimenews
Aap
Education

খাদ্য নিরাপত্তা নিয়মক সংস্থা FSSAI কৃত্রিম বা নেচার-আইডেন্টিক্যাল ফ্লেভার ব্যবহারের অভিযোগে ওল্ড মঙ্ক, অ্যান্টিক্যুইটি ব্লু, রয়্যাল চ্যালেঞ্জ, ব্যাগপাইপার ও ওল্ড ক্যাস্কের মতো জনপ্রিয় রাম ও হুইস্কির নির্দিষ্ট কিছু ভ্যারিয়েন্ট ও ব্যাচের বিক্রি এবং সরবরাহের ওপর তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। প্রাকৃতিক উপায়ে পরিপক্বতা বা এজিং (Aging) প্রক্রিয়া এড়াতে নিউট্রাল স্পিরিটের সঙ্গে কৃত্রিম স্বাদ মেশানোর অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিষিদ্ধ হওয়া প্রধান ব্র্যান্ড ও ভ্যারিয়েন্ট ওল্ড মঙ্ক (Old Monk): দ্য লেজেন্ড, গোল্ড রিজার্ভ এবং এক্সএক্স ম্যাচিওর্ড রাম (মহারাষ্ট্র উৎপাদিত)। অ্যান্টিক্যুইটি ব্লু হুইস্কি (Antiquity Blue Whisky): ইউনাইটেড স্পিরিটস, মধ্যপ্রদেশ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জ হুইস্কি (Royal Challenge Whisky): ইউনাইটেড স্পিরিটস, মধ্যপ্রদেশ। ব্যাগপাইপার ও ওল্ড ক্যাস্ক (Bagpiper & Old Cask): ইনব্রু বেভারেজেস, মধ্যপ্রদেশ। খাঁটি রাম বা হুইস্কিতে অতিরিক্ত কৃত্রিম ফ্লেভার মিশিয়ে স্বাদ ও গন্ধ তৈরির প্রমাণ মিলেছে ল্যাব পরীক্ষায়।গুদাম ও দোকান থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাচের সমস্ত স্টক অবিলম্বে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করে এই সমস্ত মদ বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট দোকানের লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আসল উপাদান (যেমন হুইস্কির জন্য মাল্ট বা রামের জন্য গুড়) থেকে প্রাকৃতিকভাবে স্বাদ তৈরির পরিবর্তে, প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি নিউট্রাল অ্যালকোহলে কৃত্রিম বা 'নেচার-আইডেন্টিক্যাল' ফ্লেভার মিশিয়ে আসল মদের স্বাদ নকল করছিল।মদের বোতলে কৃত্রিম সুগন্ধি যোগ করার ফলে সংস্থাগুলি মদকে দীর্ঘদিন ব্যারেলে রেখে 'ন্যাচারাল এজিং' বা পরিপক্ক করার দীর্ঘ প্রক্রিয়াটি এড়িয়ে যাচ্ছিল।বোতলের গায়ে '৭ বছরের পুরনো' (Aged) দাবি করা হলেও ল্যাব পরীক্ষায় দেখা গেছে সেগুলির আসল বয়স বা গুণগত মান লেবেলের সাথে মিলছে না।মদের দোকান, গুদাম ও বারগুলি থেকে বিতর্কিত ব্যাচের সমস্ত বোতল অবিলম্বে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এখন প্রশ্ন উঠছে ওই ভ্যারিয়্যান্টগুলির বিক্রি ও বিতরণ কি পুরোপুরি বন্ধ? আপাতত সত্যিই বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে সেগুলি। তবে চিহ্নিত পণ্যগুলির নিয়ম মেনে সংশোধন না হওয়া পর্যন্তই এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। সব মিলিয়ে নির্দিষ্ট কারখানায় উৎপাদিত কিছু ভ্যারিয়্যান্টের উপরই তা বলবৎ রাখা হচ্ছে।

Kolkata, Kolkata | Aug 6, 2026

MORE NEWS

ঘুষ নিতে গিয়ে সরকারি অফিসার ধরা পড়লো , ঝাড়গ্রামে 

ঝাড়গ্রামের জামবনি বিডিও অফিসের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার বিমল সাহা ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার (ACB) হাতে হাতেনাতে গ্রেফতার হয়েছেন।
ধৃত সরকারি কর্মীর নাম বিমল সাহা। তিনি জামবনি ব্লকের রুরাল ওয়ার্ক প্রজেক্ট ডিপার্টমেন্টের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট (জুনিয়র) ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর আদি বাড়ি বোলপুরে।একটি সাব-হেলথ সেন্টার বা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি করেছিলেন এক সাব-কন্ট্রাক্টর (ঠিকাদার)। সেই কাজের বকেয়া বিল পাশ করিয়ে দেওয়ার নাম করে ঠিকাদারের থেকে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন ওই ইঞ্জিনিয়ার।
ঠিকাদার বিষয়টি আগেই রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখাকে (Anti-Corruption Bureau) জানান। সেই মতো বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট, ২০২৬) দুপুরে এসিবি-র একটি বিশেষ দল জামবনি বিডিও অফিস চত্বরে ফাঁদ পাতে।
ঘুষখোর সরকারি কর্মচারীদের হাতেনাতে ধরার জন্য দুর্নীতি দমন শাখা একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে,পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঠিকাদারের দেওয়া টাকার নোটের গায়ে আগে থেকেই অদৃশ্য ফেনলফথালিন (Phenolphthalein) পাউডার মাখিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিডিও অফিসে নিজের চেম্বারে বসে বিমল সাহা যখনই ঠিকাদারের কাছ থেকে ওই ঘুষের টাকা হাত পেতে নেন, তখনই ওত পেতে থাকা এসিবি অফিসাররা তাঁকে ধরে ফেলেন। টাকা ছোঁয়ার ফলে ওই রাসায়নিক পাউডার ইঞ্জিনিয়ারের হাতে লেগে যায়। এরপর একটি পাত্রে রাখা সাধারণ পরিষ্কার জলে তাঁর হাত ডোবাতেই জলের রং বদলে গাঢ় গোলাপি হয়ে যায়। ফেনলফথালিন ক্ষারীয় দ্রবণের সংস্পর্শে এলে (এখানে সাবান জল বা সোডিয়াম কার্বনেট মিশ্রিত জল ব্যবহার করা হয়) এই রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। এটি আইনত প্রমাণ করে যে অভিযুক্ত ব্যক্তিটি ওই নির্দিষ্ট নোটগুলো স্পর্শ করেছেন।অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করে টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঘুষ নিতে গিয়ে সরকারি অফিসার ধরা পড়লো , ঝাড়গ্রামে ঝাড়গ্রামের জামবনি বিডিও অফিসের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার বিমল সাহা ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার (ACB) হাতে হাতেনাতে গ্রেফতার হয়েছেন। ধৃত সরকারি কর্মীর নাম বিমল সাহা। তিনি জামবনি ব্লকের রুরাল ওয়ার্ক প্রজেক্ট ডিপার্টমেন্টের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট (জুনিয়র) ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর আদি বাড়ি বোলপুরে।একটি সাব-হেলথ সেন্টার বা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি করেছিলেন এক সাব-কন্ট্রাক্টর (ঠিকাদার)। সেই কাজের বকেয়া বিল পাশ করিয়ে দেওয়ার নাম করে ঠিকাদারের থেকে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন ওই ইঞ্জিনিয়ার। ঠিকাদার বিষয়টি আগেই রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখাকে (Anti-Corruption Bureau) জানান। সেই মতো বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট, ২০২৬) দুপুরে এসিবি-র একটি বিশেষ দল জামবনি বিডিও অফিস চত্বরে ফাঁদ পাতে। ঘুষখোর সরকারি কর্মচারীদের হাতেনাতে ধরার জন্য দুর্নীতি দমন শাখা একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে,পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঠিকাদারের দেওয়া টাকার নোটের গায়ে আগে থেকেই অদৃশ্য ফেনলফথালিন (Phenolphthalein) পাউডার মাখিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিডিও অফিসে নিজের চেম্বারে বসে বিমল সাহা যখনই ঠিকাদারের কাছ থেকে ওই ঘুষের টাকা হাত পেতে নেন, তখনই ওত পেতে থাকা এসিবি অফিসাররা তাঁকে ধরে ফেলেন। টাকা ছোঁয়ার ফলে ওই রাসায়নিক পাউডার ইঞ্জিনিয়ারের হাতে লেগে যায়। এরপর একটি পাত্রে রাখা সাধারণ পরিষ্কার জলে তাঁর হাত ডোবাতেই জলের রং বদলে গাঢ় গোলাপি হয়ে যায়। ফেনলফথালিন ক্ষারীয় দ্রবণের সংস্পর্শে এলে (এখানে সাবান জল বা সোডিয়াম কার্বনেট মিশ্রিত জল ব্যবহার করা হয়) এই রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। এটি আইনত প্রমাণ করে যে অভিযুক্ত ব্যক্তিটি ওই নির্দিষ্ট নোটগুলো স্পর্শ করেছেন।অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করে টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Kolkata, Kolkata | Aug 6, 2026

Kolkata, Kolkata | Aug 6, 2026