পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সদ্য চালু হওয়া দুর্নীতি দমন হেল্পলাইনে সাধারণ মানুষ সবথেকে বেশি ফোন করছেন 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার' প্রকল্পের বকেয়া টাকার খোঁজে। কাটমানি, সিন্ডিকেট বা বেআইনি মদের ব্যবসার মতো দুর্নীতির অভিযোগ জানানোর জন্য নবান্নে এই কন্ট্রোল রুম খোলা হলেও, প্রথম দিন থেকেই হাজার হাজার ফোন আসছে সরকারি ভাতার খোঁজ নিয়ে।আসল ঘটনাটি কী?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের উদ্দেশ্যে চারটি টোল-ফ্রি নম্বর চালু করে। কিন্তু বাস্তব চিত্র কি?
সিন্ডিকেট বা তোলাবাজির অভিযোগের বদলে নবান্নের কন্ট্রোল রুমে সাধারণ মানুষের প্রধান প্রশ্ন—"আমার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা কবে ঢুকবে?প্রথম দিনেই প্রায় ২,০০০টি ফোন আসে। তার মধ্যে সিংহভাগই ছিল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, সামাজিক পেনশন বা আয়ুষ্মান কার্ডের টাকা কেন আটকে রয়েছে সেই সংক্রান্ত।অপ্রাসঙ্গিক ফোনের এই বিশাল চাপে মূল দুর্নীতির অভিযোগ নথিভুক্ত করতে কালঘাম ছুটছে আধিকারিকদের। তবে সরকার স্পষ্ট করেছে যে প্রতিটি কল রেকর্ড করা হচ্ছে।