এত ত্রিপুরাবাসী, এত মন্ত্রী-মন্ত্রীসভা, এত IAS-IPS অফিসার—তারপরও শেষ পর্যন্ত মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে মনশ্রীর বাবাকে!
অনেকেই ইতিমধ্যেই মনশ্রীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
কিন্তু এখানেই থেমে নয়—চলুন, আরও এক ধাপ এগিয়ে যাই।
একজন বাবাকে যেন নিজের অঙ্গ বিক্রির মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে না হয়। মনশ্রীর চিকিৎসার জন্য সরকার, প্রশাসন এবং সমাজের সকলের কাছে দ্রুত মানবিক সহায়তার আবেদন। 🙏