*বকখালি সৈকতে বিশ্বরেকর্ড! ৩৭,৫০০ বর্গফুটের বিশাল মানচিত্রে যোগার মহাবার্তা*
অমিত মণ্ডল, বকখালি:
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে এক ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব বিশ্বরেকর্ডের সাক্ষী থাকল দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা ব্লকের বকখালি সমুদ্র সৈকত। রবিবার বকখালির বিস্তীর্ণ বালুকাবেলায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান ও বালির সংমিশ্রণে ফুটিয়ে তোলা হলো প্রায় ৩৭,৫০০ বর্গফুটের এক সুবিশাল "স্যান্ড রঙগুলি আর্ট"। প্রখ্যাত বালুশিল্পী তথা জাতীয় স্তরের রেকর্ডধারী পলাশ দাস-এর সুদক্ষ নির্দেশনায় এবং তাঁর সহযোগী রাষ্ট্রবাদী বন্ধু ও 'সৃজনী আর্ট অ্যান্ড কালচারাল একাডেমি'-র ছাত্রছাত্রীদের যৌথ ছোঁয়াতেই তৈরি হয় এই মহাকাব্যিক সৃষ্টি।
শিল্পী পলাশ দাসের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে তৈরি করা হয় এই বিশাল আর্ট। ৫০ ফুট প্রস্থ এবং ১৭০ ফুট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সুবিশাল শিল্পকর্মে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র, যা এক পলকে দেখতে রবিবার সকাল থেকেই বকখালি সৈকতে পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের ঢল নামে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, মাত্র ৩ ঘণ্টার যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে শিল্পীরা এই সুবিশাল ও নিখুঁত চিত্রটি সমুদ্র সৈকতের বুকে ফুটিয়ে তুলেছেন।
যোগ দিবসের এই অনুষ্ঠানের পুরোভাগে উপস্থিত ছিলেন নামখানা ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সুব্রত মল্লিক। তিনি এদিন সমগ্র ব্লকের প্রধান তিনটি ভেন্যুর সার্বিক দায়িত্বে সাথে পরিচালনা করেন। এছাড়াও বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন DMDC সৌরভ মাঝি এবং ভেন্যু ইনচার্জ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মলয় কুমার দাস। বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে এই পুরো চমৎকার যোগা অনুষ্ঠানটির সফল সঞ্চালনা করে বিশিষ্ট কবি রমেশ পাত্র।
প্রশাসনের আধিকারিক ও স্থানীয় মানুষজন শিল্পী পলাশ দাস এবং তাঁর পুরো টিমের এই অবিশ্বাস্য সৃষ্টিকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। বকখালির সৈকত থেকে আজ যে বিশ্বরেকর্ডের বার্তা গেল, তা জেলা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশংসা কুড়োচ্ছে।