Public App Logo
Profile Picture

Bengal Icon News

@namkhana.gmail.com
18316Followers
11Following
আন্তর্জাতিক যোগা দিবসে বকখালি সৈকতে ফুটে উঠলো এক টুকরো পশ্চিমবঙ্গ। বকখালীতে এসে পশ্চিমবঙ্গকে ক্যামেরাবন্দি করলেন পর্যটকরা। 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=যোগা nis:value=যোগা nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=internationalyogaday nis:value=InternationalYogaDay nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=localnews nis:value=LocalNews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bakkhaliseabeach nis:value=bakkhaliseabeach nis:enabled=true nis:link/>
*৩ দিন পর নদী থেকে উদ্ধার নিখোঁজ মৎস্যজীবীর নিথর দেহ*

অমিত মণ্ডল, পাথরপ্রতিমা: তিনদিন পর নদীতে পড়ে যাওয়া নিখোঁজ মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার। প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে রুদ্ধশ্বাস তল্লাশি চালানোর পর অবশেষে উদ্ধার হলো নদীতে তলিয়ে যাওয়া নিখোঁজ মৎস্যজীবী কৃষ্ণ দাসের (২১) দেহ। রবিবার বিকেলে পাথরপ্রতিমার কে-প্লট সংলগ্ন ঠাকুরান নদী থেকে তাঁর নিথর দেহটি উদ্ধার করে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ। মৃত মৎস্যজীবীর বাড়ি কাকদ্বীপ থানার অক্ষয়নগর এলাকায়। দেহ উদ্ধারের খবর অক্ষয়নগরে পৌঁছাতেই পরিবার জুড়ে শুরু হয়েছে কান্নার রোল, স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে গোটা এলাকা।
মৎস্যজীবী ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৫ই জুন নিষেধাজ্ঞা ওঠার পর ‘এফবি সাবিত্রী’ নামের একটি ট্রলারে চড়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন কৃষ্ণ দাস। গত শুক্রবার  গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে ট্রলারটি যখন পাথরপ্রতিমা ব্লকের বনশ্যামনগর সংলগ্ন নদীপথ দিয়ে ঘাটের দিকে ফিরছিল, ঠিক সেই সময় ট্রলারের সামনে ‘চণ্ডী’-র কাছে বসেছিলেন কৃষ্ণ। আচমকাই অসাবধানতাবশত পা পিছলে তিনি উত্তাল নদীর জলে পড়ে যান এবং মুহূর্তের মধ্যে স্রোতের তোড়ে তলিয়ে যান।
সহকর্মী মৎস্যজীবীরা সঙ্গে সঙ্গে পাথরপ্রতিমা থানায় খবর দিলে পুলিশ উদ্ধারকাজে নামে। গত দু'দিন ধরে সুন্দরবনের উপকূল জুড়ে প্রতিকূল আবহাওয়া চলায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছিল। তা সত্ত্বেও পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী স্পিডবোট, লঞ্চ ও নৌকার সাহায্যে নদী জুড়ে লাগাতার তল্লাশি চালায়। অবশেষে রবিবার বিকেলে কে-প্লটের কাছে ঠাকুরান নদীতে একটি দেহ ভাসতে দেখে পুলিশ তা উদ্ধার করে। পরে কৃষ্ণের পরিবারের সদস্যরা এসে দেহটি কৃষ্ণ দাসের বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। মরশুমের শুরুতেই এভাবে এক মৎস্যজীবীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে কাকদ্বীপ এলাকায়।
শর্তসাপেক্ষে ইংল্যান্ড সফরে বিরাট! ৩ বছর পর কামব্যাক বুমরাহর
Bengal icon news ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা করল বিসিসিআই। ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলিকে দলে রাখা হয়েছে। তবে শর্তসাপেক্ষে। প্রত্যাবর্তন হয়েছে জশপ্রীত বুমরাহর। উইকেটকিপার হিসাবে থাকছেন কেএল রাহুল এবং ইশান কিষান। প্রত্যাশামতোই জায়গা করে নিয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর, অক্ষর প্যাটেল ও নীতীশ কুমার রেড্ডি। স্পিন আক্রমণের দায়িত্বে থাকবেন কুলদীপ যাদব। পেস আক্রমণে বুমরাহর সঙ্গে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, হর্ষিত রানা, অর্শদীপ সিং এবং গুরনূর ব্রার। যদিও শর্তসাপেক্ষে দলে রাখা হয়েছে বিরাট কোহলিকে। অর্থাৎ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে তাঁর খেলা এখনও নিশ্চিত নয়। ইংল্যান্ড সফরে যাওয়ার আগে হবে ফিটনেস টেস্ট। তাতে পাস করলেই ইংল্যান্ডগামী বিমানে উঠবেন ‘কিং’।সবচেয়ে বড় খবর, দীর্ঘদিন পর ওয়ানডে দলে ফিরেছেন জশপ্রীত বুমরাহ। তিনি শেষবার ভারতের হয়ে ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলেছিলেন ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে। এছাড়া দলে ফিরেছেন অক্ষর প্যাটেলও। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আগের ওয়ানডে সিরিজে ছিলেন না তিনি। অন্যদিকে, যশস্বী জয়সওয়াল, প্রিন্স যাদব এবং হর্ষ দুবে এই সিরিজের দলে জায়গা পাননি।চোটের কারণে আয়ারল্যান্ড সিরিজ থেকে ছিটকে গিয়েছেন ‘রহস্য স্পিনার’ বরুণ চক্রবর্তী। জানা গিয়েছে, তিনি এখন রিহ্যাব প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে রয়েছেন। ১৪, ১৬ ও ১৯ জুলাই রয়েছে তিনটি ওয়ানডে। ম্যাচগুলি হবে বার্মিংহাম এজবাস্টন, কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন্স এবং ঐতিহাসিক লর্ডসে।
 *ভারতীয় দল:* শুভমান গিল (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি*, শ্রেয়স আইয়ার (সহ-অধিনায়ক), কেএল রাহুল (উইকেটরক্ষক), ঈশান কিষান (উইকেটরক্ষক), ওয়াশিংটন সুন্দর, অক্ষর প্যাটেল, নীতীশ কুমার রেড্ডি, কুলদীপ যাদব, জশপ্রীত বুমরাহ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, হর্ষিত রানা, অর্শদীপ সিং, গুরনূর ব্রার।
'আমাকে দেশদ্রোহী বলে গালিগালাজ করেন’, গম্ভীররের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শ্রীসন্থ
Bengal icon news টিম ইন্ডিয়ার হেডকোচ গৌতম গম্ভীরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন প্রাক্তন ক্রিকেটার এস শ্রীসন্থ। তাঁর দাবি, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে লেজেন্ডস লিগ ক্রিকেটের ম্যাচ চলাকালীন গম্ভীর তাঁকে কেবল ‘ফিক্সার’ নয়, ‘দেশদ্রোহী’ বলেও অপমান করেছিলেন।সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে শ্রীসন্থ বলেন, “গৌতি প্রথম বলে বেরিয়ে এসে ফ্লিক করেছিল। ও দুর্দান্ত ক্রিকেটার। জানত আমি কী ধরনের বল করতে পারি। তাই বাউন্সার করতেই ও উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এরপর বারবার গালিগালাজ করতে থাকে। আমাকে ‘ফিক্সার’-ও বলে।” এর পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে দাবি প্রাক্তন পেসারের।শ্রীসন্থ জানিয়েছেন, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, “গম্ভীর আমাকে বলেছিল, আই ওন ইউ। পরিষ্কার গালিগালাজ করেছে। এরপর এমন কিছু বলেছে, যা ওর বলা উচিত হয়নি। আমি সামনে ঝুঁকে ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘গৌতি ভাই, সব ঠিক আছে তো?’ কিন্তু ও থামেনি। হয়তো আমি লম্বা-চওড়া হওয়ায় ওর মনে হয়েছিল ওকে মারতে যাচ্ছি। বারবার আমাকে গালাগালি দিয়েছে। আবারও ‘ফিক্সার’ ও ‘দেশদ্রোহী’ বলে কটাক্ষ করেছে।” উল্লেখ্য, গৌতম গম্ভীর ও শ্রীসন্থ দু’জনেই ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। তবে তাঁদের সম্পর্ক এখন আর আগের মতো নেই। ২০১৩ সালের আইপিএলের স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে তাঁর নাম জড়ায়। বিসিসিআই প্রথমে তাঁকে আজীবন নির্বাসিত করে। পরে সেই শাস্তি কমে সাত বছর করা হয়। শ্রীসস্থের মতে, অতীতের এই ঘটনাকে টেনে এনেই তাঁকে অপমান করেছিলেন গম্ভীর। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর।
আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়
যোগা দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ম্যানগ্রোভ রোপন করলেন প্রমিলা বাহিনী
তিন দিন পর উদ্ধার নিখোঁজ মৎস্যজীবীর দেহ। শোকের ছায়া কাকদ্বীপ জুড়ে
*বকখালি সৈকতে বিশ্বরেকর্ড! ৩৭,৫০০ বর্গফুটের বিশাল মানচিত্রে যোগার মহাবার্তা*

অমিত মণ্ডল, বকখালি:
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে এক ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব বিশ্বরেকর্ডের সাক্ষী থাকল দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা ব্লকের বকখালি সমুদ্র সৈকত। রবিবার বকখালির বিস্তীর্ণ বালুকাবেলায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান ও বালির সংমিশ্রণে ফুটিয়ে তোলা হলো প্রায় ৩৭,৫০০ বর্গফুটের এক সুবিশাল "স্যান্ড রঙগুলি আর্ট"। প্রখ্যাত বালুশিল্পী তথা জাতীয় স্তরের রেকর্ডধারী পলাশ দাস-এর সুদক্ষ নির্দেশনায় এবং তাঁর সহযোগী রাষ্ট্রবাদী বন্ধু ও 'সৃজনী আর্ট অ্যান্ড কালচারাল একাডেমি'-র ছাত্রছাত্রীদের যৌথ ছোঁয়াতেই তৈরি হয় এই মহাকাব্যিক সৃষ্টি। 
শিল্পী পলাশ দাসের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে তৈরি করা হয় এই বিশাল আর্ট। ৫০ ফুট প্রস্থ এবং ১৭০ ফুট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সুবিশাল শিল্পকর্মে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র, যা এক পলকে দেখতে রবিবার সকাল থেকেই বকখালি সৈকতে পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের ঢল নামে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, মাত্র ৩ ঘণ্টার যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে শিল্পীরা এই সুবিশাল ও নিখুঁত চিত্রটি সমুদ্র সৈকতের বুকে ফুটিয়ে তুলেছেন।

যোগ দিবসের এই  অনুষ্ঠানের পুরোভাগে উপস্থিত ছিলেন নামখানা ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক  সুব্রত মল্লিক। তিনি এদিন সমগ্র ব্লকের প্রধান তিনটি ভেন্যুর সার্বিক দায়িত্বে সাথে পরিচালনা করেন। এছাড়াও বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন DMDC সৌরভ মাঝি এবং ভেন্যু ইনচার্জ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মলয় কুমার দাস। বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে এই পুরো চমৎকার যোগা অনুষ্ঠানটির সফল সঞ্চালনা করে বিশিষ্ট কবি রমেশ পাত্র।

প্রশাসনের আধিকারিক ও স্থানীয় মানুষজন শিল্পী পলাশ দাস এবং তাঁর পুরো টিমের এই অবিশ্বাস্য সৃষ্টিকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। বকখালির সৈকত থেকে আজ যে বিশ্বরেকর্ডের বার্তা গেল, তা জেলা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশংসা কুড়োচ্ছে।
আন্তর্জাতিক যোগা দিবসে সুন্দরবন রক্ষার অঙ্গীকার, নদীর চরে মহিলারা লাগালেন ম্যানগ্রোভের চারা
কপিলমুনি মন্দিরের সামনে পালিত হল আন্তর্জাতিক যোগা দিবস
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=localnews nis:value=LocalNews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=internationalyogaday nis:value=internationalyogaDay nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=kapilmuni nis:value=KapilMuni nis:enabled=true nis:link/>
বকখালি বনদপ্তরের উদ্যোগে বকখালি সমুদ্র সৈকতে যোগ দিবস উদযাপন 
<nis:link nis:type=tag nis:id=যোগা nis:value=যোগা nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=বকখালি nis:value=বকখালি nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=localnews nis:value=LocalNews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=বকখালিবনদপ্তর nis:value=বকখালিবনদপ্তর nis:enabled=true nis:link/>
যোগা দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ম্যানগ্রোভ রোপন করলেন প্রমিলা বাহিনী
গঙ্গাসাগর সমুদ্রতটে আন্তর্জাতিক যোগা দিবসের প্রাক্কালে বিশেষ যোগা কর্মসূচি

গঙ্গাসাগর, ২০ জুন: আন্তর্জাতিক যোগা দিবসের প্রাক্কালে আজ গঙ্গাসাগরের সমুদ্রতটে আয়ুস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক বিশেষ যোগা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ‘গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর’ পর্যন্ত যোগা ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের মূল উদ্দেশ্য হল গঙ্গা নদীকে দূষণমুক্ত রাখা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা এবং সুস্থ জীবনযাপনের জন্য যোগব্যায়ামের গুরুত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। আগামীকাল আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষে এই কর্মসূচি ছিল তারই প্রারম্ভিক পর্ব।

আজকের অনুষ্ঠানে কয়েকশো কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী এবং স্থানীয় প্রবীণ নাগরিকরা উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। গঙ্গাসাগরের মনোরম সমুদ্রতটে একসঙ্গে যোগাভ্যাসের মধ্য দিয়ে সুস্থতা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোস্টাল থানার এক পুলিশ আধিকারিক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা ও কর্মী অরুণাভ দাস, শিব শংকর কামিলা সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ আর শতাধিক মানুষের সম্মিলিত যোগাভ্যাসে আজ গঙ্গাসাগরের সমুদ্রতটে এক আবেগঘন ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অংশগ্রহণকারীরা যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের অঙ্গীকারও গ্রহণ করেন।
মৌসুনীতে নদী বাঁধে ভাঙ্গন, বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কা Part 4
ফল তার পুষ্পা জাহাঙ্গির খানের স্ত্রী গ্রেফতার! জাহাঙ্গীর পত্নী রেজিনাকে তোলা হলো ডায়মন্ড হারবার আদালতে
মৌসুনীতে নদী বাঁধে ভাঙ্গন, বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কা Part 1
মৌসুনীতে নদী বাঁধে ভাঙ্গন, বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কা Part 6
মাছ ধরে ফিরে আসার পথে নদীতে পড়ে গেল মৎস্যজীবী, নিখোঁজ মৎস্যজীবীর খোঁজে চলছে তল্লাশি 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=fisherman nis:value=fisherman nis:enabled=true nis:link/>
মৌসুনীতে নদী বাঁধে ভাঙ্গন, বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কা
মৌসুনীতে নদী বাঁধে ভাঙ্গন, বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কা Part 3
মৌসুনীতে নদী বাঁধে ভাঙ্গন, বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কা Part 7
*মাছ ধরে কাকদ্বীপ মৎস্য বন্দরে ফেরার পথে নদীর প্রবল স্রোতে পড়ে নিখোঁজ মৎস্যজীবী। এখনও মেলেনি খোঁজ। নিখোঁজ মৎস্যজীবীর খোঁজে চলছে তল্লাশি।

গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে ফেরার পথে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক মৎস্যজীবী। ঘটনাটি ঘটেছে পাথরপ্রতিমার বনশ্যামনগর বেরার টেঁকা সংলগ্ন তিনমাথা নদীতে। নিখোঁজ মৎস্যজীবীর নাম কৃষ্ণ দাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের ‘এফবি সাবিত্রী’ নামে একটি মৎস্য ট্রলার গত ১৫ জুন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। জামাইষষ্ঠীর বাজার উপলক্ষে মাছ নিয়ে ট্রলারটি কাকদ্বীপে ফিরছিল। সেই সময় পাথরপ্রতিমায় ঢোকার মুখে তিনমাথা নদীর প্রবল স্রোতের মধ্যে পড়ে ট্রলারটি। ট্রলারের মাথায় বসে থাকা অবস্থায় অসাবধানতাবশত নদীতে পড়ে যান কাকদ্বীপের অক্ষয় নগরের বাসিন্দা কৃষ্ণ দাস।
ঘটনার পরেই ট্রলারের অন্যান্য কর্মীরা উদ্ধারকাজে নামেন। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করার পরেও তার খোঁজ না মেলায় খবর দেওয়া হয় পাথরপ্রতিমা থানায়। খবর পেয়ে পাথরপ্রতিমা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শুভম সরকারের নেতৃত্বে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। লঞ্চ ও ট্রলার নিয়ে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।ঘটনার প্রায় ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ মৎস্যজীবীর কোনও সন্ধান মেলেনি।
*জামাইয়ের পাতে এবার টাটকা ইলিশ! বাজারে ঢুকল ৬০ টন রুপোলি ইলিশ, চওড়া হাসি মৎস্যজীবীদের মুখে*

অমিত মণ্ডল, নামখানা:
জামাইষষ্ঠীর দিনে ভোজনরসিক বাঙালি ও শ্বশুরমশাইদের জন্য এক মস্ত বড় সুখবর! দীর্ঘ দু'মাসের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দক্ষিণবঙ্গের বাজারে এল সমুদ্রের টাটকা রুপোলি ইলিশ। নিষেধাজ্ঞা উঠতেই যে সমস্ত ট্রলার গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল, তাদের মধ্যে বেশ কিছু ট্রলার প্রথম ট্রিপ শেষ করে শুক্রবার সন্ধ্যের মধ্যেই উপকূলে ফিরতে শুরু করেছে। আর প্রথম ধাক্কাতেই ফ্রেজারগঞ্জ, নামখানা ও কাকদ্বীপের ঘাট মিলিয়ে বাজারে চলে এসেছে প্রায় ৬০ টন ওজনের ইলিশ। 
সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যে পর্যন্ত ফ্রেজারগঞ্জ, নামখানা ও কাকদ্বীপ মৎস্য বন্দরে সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ টন ইলিশ সরাসরি ট্রলার থেকে আনলোড হয়েছে। আর বিভিন্ন আড়ত ও বাজার মিলিয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় ৬০ টন ইলিশের জোগান চলে এসেছে। সবচেয়ে খুশির বিষয় হলো, এবার মরশুমের শুরুতেই যে ইলিশগুলো জালে উঠেছে, সেগুলির সাইজও বেশ বড়।
গভীর সমুদ্র থেকে ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফেরা সুরজিৎ বর নামের এক মৎস্যজীবী বলেন, “আমরা প্রথম টিপেই বেশ ভালো পরিমাণের ইলিশ পেয়েছি। সবচেয়ে বড় কথা, মাছের সাইজ ও মান এবার খুবই ভালো। আজ জামাইষষ্ঠীর বাজারে এই ইলিশের যে ব্যাপক চাহিদা থাকবে এবং আমরা ভালো দাম পাব,সেই আশা করছি।”

মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির দাবি, এখনও বহু ট্রলার গভীর সমুদ্রে রয়েছে। ফলে আজ ষষ্ঠীর দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আরও প্রচুর পরিমাণে ইলিশ বাজারে আসবে। ফলে দামও সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যেই থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
*মৌশুনীতে আবার বিপর্যয়! এবার ১৪ নম্বর সোয়ালে ১৫০ মিটার নদীবাঁধ বিলীন, আতঙ্কে গ্রাম*

অমিত মণ্ডল, মৌশুনী:
২৪ ঘণ্টাও কাটল না, অমাবস্যার ভরা কোটালের মরণ কামড়ে ফের বড়সড় বিপর্যয় নামল সুন্দরবনের মৌশুনী দ্বীপে। বালিয়ারার সল্ট ঘেরীর পর এবার শুক্রবার সকালে নামখানা ব্লকের মৌশুনী দ্বীপের ১৪ নম্বর সোয়াল এলাকার বটতলা নদীবাঁধে এক ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিল। মুহূর্তের মধ্যে নদীর রাক্ষুসে ঢেউয়ের তোড়ে তলিয়ে গেল প্রায় ১৫০ মিটার দীর্ঘ নদীবাঁধ। এই ঘটনার পর থেকেই গোটা এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র হাহাকার ও গ্রাম ডোবার আতঙ্ক। 
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ১৪ নম্বর সোয়াল এলাকার এই বটতলা নদীবাঁধটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত দুর্বল ও বিপজ্জনক অবস্থায় পড়েছিল। অমাবস্যার ভরা কোটালের জেরে নদীর জলস্তর হু হু করে বৃদ্ধি পাওয়ায় জলের তীব্র চাপ আর সামলাতে পারেনি এই জরাজীর্ণ বাঁধ। শুক্রবার সকালে জলের ধাক্কায় হুড়মুড়িয়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় বাঁধের একটি বিশাল অংশ। 
এলাকাবাসীর স্পষ্ট অভিযোগ, অতীতে এই নদীবাঁধ সংস্কারের নামে প্রশাসনের খাতায় লক্ষ লক্ষ টাকার খরচ দেখানো হলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। নামমাত্র মাটি আর বালির বস্তা ফেলে ভাঁওতা দেওয়া হয়েছিল। কোনো টেকসই বা স্থায়ী বোল্ডারের বাঁধ নির্মাণ না করার কারণেই আজ এই দশা। স্থানীয় বাসিন্দা অজেদ ও বাবুসোনা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন “প্রায় ১৫০ মিটার নদীবাঁধ চোখের সামনে ভেঙে গেল। আমরা এখন চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। যেকোনো মুহূর্তে নোনা জল ঢুকে আমাদের ঘরবাড়ি, চাষের জমি সব ভাসিয়ে দেবে। প্রশাসনের কাছে জোড়হাতে আবেদন, এই জোড়াতালির অস্থায়ী মেরামত বন্ধ করে আমাদের বাঁচানোর জন্য অবিলম্বে একটি পাকাপোক্ত ও স্থায়ী কংক্রিটের নদীবাঁধ তৈরি করা হোক।”

পরপর দু'দিন মৌশুনী দ্বীপের দুই প্রান্তে যেভাবে সমুদ্র ও নদীবাঁধ তাসের ঘরের মতো ভাঙছে, তাতে স্পষ্ট যে সুন্দরবনের এই দ্বীপটি এখন এক চরম সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। আপাতত গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও, সেচ দপ্তর ও প্রশাসনের দ্রুত যুদ্ধকালীন তৎপরতার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা মৌশুনী।
জামাইষষ্ঠীর সকালে গ্রেপ্তার পুষ্পা জাহাঙ্গীর খানের স্ত্রী