Public App Logo
Profile Picture

Bengal Icon News

@namkhana.gmail.com
18444Followers
11Following
Bengal icon news;লালগোলা :পদ্মা তীব্র স্রোতে নৌকাডুবি, বাংলাদেশের নারী শিশু সহ ওই ১১ জনকে উদ্ধার করল ভারতীয় বিএসএফ এবং পুলিশ। পদ্মা নদী থেকে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় কৃষ্ণপুর হাসপাতালে নিয়ে যায় লালগোলা থানার পুলিশ। আশ্চর্যজনকভাবে মাত্র ২০ দিনের একটি শিশুকেও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বিএসএফ এবং লালগোলা থানার পুলিশ। বাংলাদেশের সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিং করে ওই যাত্রীদের পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। 
রাখে হরি মারে কে। তা না হলে পদ্মার তীব্র স্রোতে যখন ভাঙ্গন অব্যাহত সেই সময় পদ্মা নদীতে ভেসে যাওয়া প্রাণ ফিরে পায়। শনিবার বিকেল -সন্ধ্যে নাগাদ এরকমই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের লালগোলার মানুষ। ওইদিন  বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাখরালী ঘাট থেকে নারী ও শিশুসহ ১১-১২ জন যাত্রীকে নিয়ে একটি ছোট ডিঙ্গি নৌকা জোহরপুর ক্যাম্প ও নারায়ণপুরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দিকে ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছিল।  পদ্মার তীব্র স্রোতে ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি হঠাৎ করেই উল্টে যায়। নৌকাডুবির পর একজন সাঁতরে কূলে উঠতে সক্ষম হলেও বাকি যাত্রীরা স্রোতের টানে ভেসে ভারতীয় জলসীমায় চলে আসেন। বিষয়টি দেখতে পায় এলাকার মানুষ।  মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানা এলাকার তারানগর সংলগ্ন খান্ধুয়া ক্যাম্পের বিএসএফ জওয়ানরা ঘটনার কথা জানতে পেরে তাঁদের জলসীমা থেকে  উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে লালগোলা থানার পুলিশ। ওই যাত্রীদের সঙ্গে সঙ্গে লালগোলার কৃষ্ণপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের মধ্যে ২০ দিন বয়সের এক শিশু ছিল , এছাড়া ৮-৯ বছরের দুজন বাচ্চা ছিল, চারজন মহিলা ছিলেন এবং বাকিরা পুরুষ। হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাদের চিকিৎসার পর বাংলাদেশের সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিং করা হয়। এরপর ওই যাত্রীদের সুস্থ অবস্থায় বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সকলেই জীবিত ও সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় বিএসএফ এবং পুলিশের দ্রুত তৎপরতা দেখে এলাকার মানুষ খুশি হয়েছেন।
গণেশের আগমনের আগেই ‘মহালাড্ডু’তে মাত ব্যান্ডেল! ১৫ কেজির মিষ্টি ঘিরে বাজারে উৎসবের উন্মাদনা
Bengal icon news হুগলি,গণেশ চতুর্থী এখনও একদিন দূরে। কিন্তু তার আগেই ব্যান্ডেলের মিষ্টির বাজারে যেন উৎসবের ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মুম্বই থেকে যে গণেশ উৎসবের জাঁকজমক দেশজুড়ে পরিচিত, তারই ছোঁয়া এখন ক্রমশ বাংলার মাটিতেও। আর সেই উৎসবের বাজারে এবার সবচেয়ে বড় চমক—প্রায় ১৫ কেজি ওজনের বিশালাকার লাড্ডু!

গণেশ পুজোর প্রসাদ মানেই লাড্ডু ও মোদক। সেই চাহিদাকে সামনে রেখেই ব্যান্ডেলের বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে তৈরি হয়েছে রকমারি আয়োজন। কোথাও ছোট-বড় নানা মাপের লাড্ডু, কোথাও আবার একাধিক স্বাদের মোদক। কিন্তু সব আকর্ষণ ছাপিয়ে ক্রেতা ও পথচারীদের নজর আটকে যাচ্ছে ওই বিশাল লাড্ডুতেই। দোকানে ঢোকার আগে অনেকেই দাঁড়িয়ে পড়ছেন সেটি দেখতে, মোবাইলে ছবিও তুলছেন।

মিষ্টি ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, গণেশ চতুর্থী যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে লাড্ডু-মোদকের চাহিদা। পুজোর প্রসাদ, ভক্তদের মধ্যে বিতরণ এবং বাড়ির আরাধনার জন্য বহু মানুষ কিনছেন বিভিন্ন মাপের মিষ্টি। ফলে উৎসবকে ঘিরে বিক্রির ব্যস্ততাও বেড়েছে।

শুধু মিষ্টির দোকান নয়, বাড়ি, আবাসন, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে পুজো মণ্ডপ—সর্বত্রই চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। গত কয়েক বছরে বাংলায় গণেশ পুজোর বিস্তারও চোখে পড়ার মতো।

মহারাষ্ট্রের মতো বিশাল আয়োজন না হলেও ব্যান্ডেলের ১৫ কেজির ‘মহালাড্ডু’ যেন বুঝিয়ে দিচ্ছে—গণেশ চতুর্থীর উৎসব এখন আর কোনও একটি রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভক্তি, উৎসব আর মিষ্টির স্বাদ মিলিয়ে ব্যান্ডেলেও তৈরি হয়েছে গণেশ জ্বরের আবহ।
*নদী বাঁচানোর বার্তা নিয়ে কৃষ্ণনগর থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দুই প্রবীণ সাইক্লিস্টের*

পিয়ালি বোস
Bengal icon news কৃষ্ণনগর:চোখের সামনে বছরের পর বছর ধরে দুটি নদী শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। সেই নদীগুলির পুনরুজ্জীবনের জন্য উদ্যোগী হলেন দুই প্রবীণ পরিবেশপ্রেমী। নদিয়া তথা কৃষ্ণনগরের ইতিহাস ও জনজীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে জলঙ্গী ও অঞ্জনা নদী। কিন্তু নজরদারির অভাবে নদীগুলি ক্রমশ সংকুচিত হয়ে নর্দমায় পরিণত হচ্ছে, কোথাও আবার নদীর অস্তিত্বই বিলুপ্তপ্রায়। নদীর দুই তীরে বেআইনি নির্মাণ ও নদী ভরাটের কাজ অবাধে চলছে। তাই নদী দুটিকে পুনরুদ্ধারের দাবিতে এবং নদী বাঁচানোর জরুরির কথা সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে নদিয়ার কৃষ্ণনগর থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে সাইকেলে পাড়ি দিলেন ৮০ বছরের প্রবীণ তারকচন্দ্র পাল ও দুলাল বিশ্বাস।

​সোমবার কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড় থেকে এই দীর্ঘ সাইকেল যাত্রার শুভসূচনা হয়। যাত্রীদের সাইকেলে লেখা রয়েছে বিশেষ বার্তা—‘সেভ জলঙ্গি’।  বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা, তা প্রমাণ করে প্রায় ৮০ বছর বয়সেও নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার এই মহান ব্রতে শামিল হয়েছেন দুলালবাবুরা। অভিযাত্রী তারকচন্দ্র পাল জানান, ২০২১ ও ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে নদীদুটিকে পুনরুজ্জীবিত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিতেই তাঁদের এই উদ্যোগ। আগামী ৫ই অক্টোবরের মধ্যে দিল্লিতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিয়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার আর্জি জানাবেন তাঁরা।

কেবল জলঙ্গী বা অঞ্জনা নয়, দিল্লি যাওয়ার দীর্ঘ পথজুড়ে যে সমস্ত নদীর করুণ দশা চোখে পড়বে, সেগুলির সার্বিক চিত্রও কেন্দ্রের কাছে তুলে ধরবে বলেই জানা গেছে। তাদের দাবি, বর্ষার কদিন নদীতে সামান্য জল থাকলেও বছরের বাকি সময় নদীখাত শুকিয়ে বালি ও চরে পরিণত হয়। নদীকে কৃত্রিমভাবে মেটানোর চক্রান্ত বন্ধ করতে প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতা দাবি করেছেন তাঁরা। ​দুলাল বিশ্বাস বলেন, “সরকারের বিরোধিতা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, বরং সরকারকে নদী ও পরিবেশ বাঁচানোর কাজে আরও সক্রিয় করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” নদী না বাঁচলে নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ তথা সমগ্র দেশ চরম সংকটের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই প্রবীণ সাইক্লিস্টরা। কৃষ্ণনগর থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ পথচলা দিল্লির দরবারে জলঙ্গী সুরক্ষার দাবি কতটা জোরালো করে এখন সেটাই দেখার।
বিরাট ধস সুন্দরবনের দয়াপুরে, গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কায় আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা  
Bengal icon news গোসাবাঃ অমাবস্যার ভরা কোটালের জেরে নদীর বাঁধে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ধস নেমেছে। প্রায় দুশো ফুটের বেশি এলাকা জুড়ে ধস নেমেছে গোসাবার দয়াপুর এলাকায়। গোমর নদীর বাঁধে নেমেছে এই বিশাল ধস। শনিবার ভোররাতে এই ধস নামে। ঘটনার খবর পেয়েই সেচ দফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামলাতে বাঁধ মেরামতির কাজে হাত লাগায়। ধস মেরামতি করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। শনিবার বিকেলে একই জায়গায় পুনরায় ধস নামে। যা পরিস্থিতি তাতে বাঁধ মেরামতি করতে সেচ দফতরের কর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হবে বলে দাবি স্থানীয়দের। রাতে কটালের জল বাড়লে গ্রাম নোনা জলে প্লাবিত হতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। 

ঘটনার জেরে আতঙ্কিত এলাকার সাধারণ মানুষ। নোনা জল গ্রামে ঢুকলে চাষের জমি থেকে শুরু করে পুকুরের মাছ সবই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ক্ষতিগ্রস্থ হবে এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ি ঘর। ঘটনার খবর পেয়ে গোসাবার বিধায়ক বিকর্ণ নস্কর নিজে যান ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি ক্ষতিয়ে দেখে দ্রুত বাঁধ মেরামতির নির্দেশ দেন তিনি। বিকর্ণ বলেন, “ একবার ধসে যাওয়া জায়গা সারানোর পর পুনরায় ধস নেমেছে। সেচ দফতরের কর্মীরা আপ্রান চেষ্টা করছে যাতে বাঁধ মেরামত করা যায়। নদীর জল যাতে কোনভাবে গ্রামে ঢুকতে না পারে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেচ দফতরের এক কর্তা বলেন, “ কর্মীরা সকাল থেকেই বাঁধ মেরামত করছেন। কিন্তু যেভাবে নদীতে চোরা স্রোত বইছে তাতে বাঁধ টিকিয়ে রাখা কষ্টকর হচ্ছে। একবার সারাবার পর ফের ধস নেমেছে। পুনরায় বাঁধ মেরামতির চেষ্টা করা হচ্ছে। না হলে রিং বাঁধ দেওয়ার ভাবনাও রয়েছে।”
ব্যারাক থেকে উদ্ধার এসআই-এর ঝুলন্ত দেহ! মৃত্যু ঘিরে রহস্য

Bengal icon news বারাসাত: হাবরা থানার ব্যারাকে এসআই-এর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য। 
রবিবার রাতেও স্বাভাবিকভাবে ডিউটি করেছিলেন বিশ্বনাথ সেন, তার এমন মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। হাবরা থানার ব্যারাক থেকে ওই পুলিশকর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় সোমবার চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতের নাম বিশ্বনাথ সেন। তিনি হাবরা থানায় সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি মহেশতলা এলাকায় বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার হাবরা থানার ব্যারাকে নিজের ঘরেই ছিলেন বিশ্বনাথ সেন। দীর্ঘ সময় তাঁর ঘরের দরজা না খোলায় সহকর্মীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। প্রথমে তাঁরা ভেবেছিলেন, হয়তো তিনি ঘুমিয়ে রয়েছেন। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ কেটে গেলেও কোনও সাড়া না মেলায় ঘরের দরজা খুলে দেখা হয়। তখনই তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান সহকর্মীরা।
তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাবরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানার অন্যান্য পুলিশকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
সহকর্মীদের দাবি, রবিবার রাতেও স্বাভাবিকভাবেই ডিউটি করেছিলেন বিশ্বনাথ সেন। অন্যান্য পুলিশকর্মীদের সঙ্গেও তাঁর স্বাভাবিক কথাবার্তা হয়েছিল। আচরণেও বিশেষ কোনও অস্বাভাবিকতা তাঁরা লক্ষ্য করেননি বলে জানা গিয়েছে। প্রতিদিন যাঁর সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতেন, তাঁর এমন আকস্মিক মৃত্যুতে কার্যত বাকরুদ্ধ সহকর্মীরা।
তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ব্যক্তিগত কোনও সমস্যা, মানসিক চাপ নাকি কর্মক্ষেত্রের অতিরিক্ত চাপ কোনও কারনে তার এমন সিদ্ধান্ত তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী ঘটেছিল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ইতিমধ্যেই মৃত পুলিশকর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
গণেশ বন্দনায় বনগাঁ—শহর থেকে গ্রাম, বাজারজুড়ে সনাতনী আবহ

Bengal icon news বনগাঁ:বিশ্বকর্মা পূজা,দুর্গাপুজোর আগেই গণেশ বন্দনায় উৎসবের রঙে সেজে উঠেছে সীমান্ত মহকুমা বনগাঁ। শহরের বড় বাজার থেকে গ্রামের ছোট হাট—বনগাঁ মহকুমার বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসায়িক এলাকায় গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ। ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে ছোট ছোট গোষ্ঠীতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আয়োজন করেছেন গণেশ পুজোর। মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পুজোর সামগ্রী এবং ভক্তদের উপস্থিতিতে বহু এলাকাতেই দেখা যাচ্ছে উৎসবের ব্যস্ততা।
স্থানীয় উদ্যোক্তাদের দাবি, বনগাঁ মহকুমার শহর ও গ্রাম মিলিয়ে ইতিমধ্যেই কয়েকশ বারোয়ারি গণেশ পুজোর আয়োজন হয়েছে। ফলে শুধু নির্দিষ্ট কয়েকটি পুজো মণ্ডপ নয়, বাজারকেন্দ্রিক এলাকাগুলিতেও ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আবহ। একদিকে ব্যবসায়িক ব্যস্ততা, অন্যদিকে গণেশ বন্দনা—দুইয়ের মেলবন্ধনে বাজারগুলিতে তৈরি হয়েছে আলাদা পরিবেশ।
বিশিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়কারী ব্যবসায়ী ধনঞ্জয় দেবনাথ বলেন, “তৃণমূলের শাসনে হিন্দু কথাটা বলা অপরাধ ছিল। রাজ্যে হিন্দুত্ববাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ব্যবসায়ীরা প্রাণখোলা উচ্ছ্বাসে আরাধ্য দেবতা গণেশের পুজোয় সামিল হচ্ছেন।”
গণেশ চতুর্থী মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও সামাজিক মিলনের উৎসব। তবে এ বছর বনগাঁ মহকুমায় এই উৎসবের ব্যাপ্তি এবং বাজারভিত্তিক অংশগ্রহণ ঘিরে সমস্ত মহলেই বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ বাজারগুলিতেও ব্যবসায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ চোখে পড়ছে। অনেক জায়গায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের উদ্যোগেই পুজোর আয়োজন করে উৎসবকে সর্বজনীন রূপ দিয়েছেন।
পেট্রাপোলের জিরো পয়েন্ট থেকে শিউলি পুকুর, বাগদা থেকে বেড়ি-গোপালপুর—অর্থাৎ কার্যত গোটা বনগাঁ মহকুমাজুড়েই ছড়িয়ে পড়েছে গণেশ চতুর্থীর সনাতনী আবহ। শহর ও গ্রামীণ বাজারের পাশাপাশি বিভিন্ন মোড় ও ব্যবসায়িক এলাকায় পুজোকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে আধ্যাত্মিক পরিবেশ। কোথাও ভক্তিগীতি, কোথাও প্রসাদ বিতরণ, আবার কোথাও ছোট আকারের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে।
দুর্গাপুজোর ঠিক আগে গণেশ চতুর্থীকে ঘিরে বনগাঁয় এই উৎসবের ব্যাপকতা ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে। পেট্রাপোলের জিরো পয়েন্ট থেকে বাগদার প্রত্যন্ত এলাকা—সর্বত্র গণেশ বন্দনার এই আবহ যেন দুর্গোৎসবের আগে সনাতনী সংস্কৃতির এক আগাম বার্তা। উদ্যোক্তাদের আশা, আগামী দিনে বনগাঁয় গণেশ চতুর্থীর আয়োজন আরও বিস্তৃত হবে এবং দুর্গাপুজোয় উৎসবের এই আবহ আরও বড় আকার নেবে।
সাবেকিয়ানাতেই আস্থা অন্নপূর্ণার, ৯৩তম বর্ষে মাতৃমূর্তিই প্রধান আকর্ষণ

Bengal icon news হাওড়া: থিমের চাকচিক্য নয়, সাবেকিয়ানার ঐতিহ্যেই আস্থা। বছরের পর বছর সেই পরম্পরাকে ধরে রেখেই দুর্গোৎসবের আয়োজন করে আসছে মধ্য হাওড়ার দেশপ্রাণ শাসমল রোডের ব্যাঁটরা অন্নপূর্ণা বারোয়ারি ও হাওড়া অন্নপূর্ণা ব্যায়াম সমিতি। এবার ৯৩তম বর্ষে পা রাখছে হাওড়ার অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় এই পুজো। আর বরাবরের মতোই এবারের পুজোর মূল আকর্ষণ সেই নয়নাভিরাম সাবেকি মাতৃমূর্তি। অন্নপূর্ণার পুজো মানেই দর্শনার্থীদের কাছে এক অন্যরকম আবেগ। মণ্ডপে ঢুকতেই নজর কাড়ে দেবী দুর্গার অনিন্দ্যসুন্দর মাতৃমূর্তি। সনাতনী রীতির সেই প্রতিমার টানেই পুজোর চারদিন ব্যাঁটরা তো বটেই, হাওড়া ও কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ ভিড় জমান। পুজোর দিনগুলিতে লক্ষাধিক দর্শনার্থীর সমাগম হয় বলে পুজো কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে। ব্যাঁটরা অঞ্চলের অন্যতম বিগ বাজেটের পুজো হিসেবেও দীর্ঘদিনের পরিচিতি রয়েছে এই পুজোর। পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ সৌগত ধাড়া বলেন, “আমরা থিমের পুজোয় বিশ্বাসী নই। তবে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মণ্ডপসজ্জায় কিছুটা আধুনিকতার ছোঁয়া রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু প্রতিমার ক্ষেত্রে সাবেকি ঐতিহ্যই আমাদের মূল পরিচয়।” এবারও সেই ঐতিহ্য অটুট থাকছে। সাবেকি প্রতিমার পাশাপাশি মণ্ডপসজ্জায় থাকছে নতুনত্ব। একটি কাল্পনিক মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে এবারের মণ্ডপ। মা তারা ডেকরেটার্সের নির্মাণশিল্পী ও কর্মীদের হাত ধরে গড়ে উঠছে সেই মণ্ডপ। পুজোর দিনগুলিতে আলোকসজ্জায় সেজে উঠবে মণ্ডপ ও সংলগ্ন গোটা এলাকা। তবে অন্নপূর্ণার পুজোর আসল আকর্ষণ যে প্রতিমা, তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। বহু বছর ধরে এই পুজোর মাতৃমূর্তি তৈরি করে আসছেন বাদল চন্দ্র পাল অ্যান্ড সন্স-এর শিল্পীরা। তাঁদের নিপুণ শিল্পকর্মেই পুজোর চারদিন প্রাণ পায় সেই ভুবনমোহিনী মাতৃমূর্তি। প্রতিমা দর্শনেই ভিড় করেন দূরদূরান্তের মানুষ। পুজোর পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও সমান গুরুত্ব দেয় উদ্যোক্তারা। পুজো কমিটির কার্যকরী সভাপতি বাণীব্রত কাঁড়ার জানান, সপ্তমীর সকালে প্রায় ২০০ জন দুঃস্থ মহিলার হাতে নতুন শাড়ি তুলে দেওয়া হবে। আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগও অন্নপূর্ণা পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। যে ক্লাবপ্রাঙ্গণে সারা বছর ক্যারাটে, ভলিবল, স্কাউট অ্যান্ড গাইড, তাইকোন্ডোর মতো বিভিন্ন ক্রীড়া অনুশীলন চলে, পুজোর দিনগুলিতে সেই চেনা প্রাঙ্গনই হয়ে ওঠে উৎসবের কেন্দ্র। পাশাপাশি থাকছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অর্থাৎ ধর্মীয় আচার, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা—সব মিলিয়েই জমজমাট অন্নপূর্ণার দুর্গোৎসব। পুজোর নিরঞ্জন শোভাযাত্রাতেও থাকে বিশেষ আকর্ষণ। আলোকসজ্জা, ব্যান্ড এবং বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় প্রতিমা নিরঞ্জনের দৃশ্য দেখতে রাস্তার দু’ধারে ভিড় জমান অগণিত মানুষ। পুজোর উদ্বোধন থেকে বিসর্জন—প্রতিটি পর্বেই দর্শনার্থীদের মন জয় করতে প্রস্তুত ব্যাঁটরা অন্নপূর্ণা। হাওড়া স্টেশন থেকে কদমতলাগামী যে কোনও বাসে অন্নপূর্ণা স্টপেজে নামলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে এই ঐতিহ্যবাহী পুজো প্রাঙ্গণে।
প্রেমিকাকেই খুন করে দেহ বস্তায় ভরে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে ধরা পরল প্রেমিক। ঘটনা পুরুলিয়ায় বস্তায় করে দেহ নিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেফতার।

Bengal icon news পুরুলিয়া: প্রেমিকাকেই খুন করে দেহ বস্তায় ভরে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে ধরা পরল প্রেমিক। এ ঘটনা পুরুলিয়ার। রাত তখন ১২ টা ২৫। পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি বলরামপুর রোডের পি পি এস পি দপ্তরের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে পুলিশ। হঠাৎ করেই একটি মোটর সাইকেল। তাতে এক বিশাল পলিথিনের বস্তা। দেখেই সন্দেহ হওয়ায় বাইকটিকে আটকাতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের আধিকারিকদের। বাইক রক্তে ভর্তি। বস্তা থেকেও চুইয়ে পড়ছে রক্ত। যুবকটিকে জাপটে ধরে একটু চাপ দিতেই জানা গেল এক ভয়ংকর ঘটনার কথা। সে নিজের প্রেমিকাকেই খুন করে দেহর ঠিকানা লাগাতে যাচ্ছিল। পুলিশ  সূত্রে জানা গেছে ওই প্রেমিকার নাম প্রিতিকা মাহাতো, বাড়ি  বাঘমুন্ডি থানার বুড়দা গ্রামে। প্রাথমিক জেরায় জানা যায় যুবকের নাম অমিত কুমার মাহাতো। বাড়ি বাঘমুণ্ডি থানার হুড়ুমদা গ্রামে। সে অবশ্য পড়া ও চাকরির প্রস্তুতির জন্য থাকতো পুরুলিয়া শহর লাগোয়া টামনা থানার একটি মেসে। সেখানেই শনিবার ওই মেয়েটি যায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারনা সেখানেই সে ওই তরুণীর গলায় ধারালো ছুরি চালিয়ে হত্যা করে।  তারপর দেহটিকে লোপাট করার জন্য নিয়ে রওনা দেয়। জানা গেছে মেয়েটি ও ছেলেটির বেশ কয়েক বছরের সম্পর্ক ছিল। তারা একই কোচিংয়ে পড়ত। ছেলেটির ধারনা হয় যে মেয়েটি সম্প্রতি অন্য একটি সম্পর্কে জড়িয়ে যায়। এতেই চূড়ান্ত মনোমালিন্য শুরু হয় তাদের মধ্যে। যার জেরেই এই হত্যা। ধরা পড়ার পরই প্রাথমিক তদন্তের পর দেহটি ময়না তদন্তে পাঠানো হয়। ব্যাবস্থা করা হয় ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সুরতহালের। অন্যদিকে ধৃত অমিতকে নিয়ে পুলিশের একটি দল রওনা হয় পুরুলিয়া জেলা আদালতের উদ্দেশ্যে। আপাতত দশ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতের আর্জি জানানো হবে জেলা আদালতে। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ বলেন, সম্পর্কের জেরে এই ঘটনাটি ঘটেছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।
শ্যামপুর ১ ব্লকের বাসুদেবপুরে নদী বাঁধে নতুন করে ভাঙন
Bengal icon news উলুবেড়িয়া:সপ্তাহ দুয়েক আগে শ্যামপুর ১ ব্লকের বাসুদেবপুরে হুগলী নদীর পশ্চিম পাড়ে বেশ কয়েক ফুট নদী বাঁধ নদীগর্ভে  চলে গিয়েছিল। আর সেই ভাঙনের রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার রাতে আবারও নতুন করে ওই এলাকায় নতুন করে ২০ ফুটের মত নদী বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেল। আর এতেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। যদিও ইতিমধ্যে সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে ভাঙন রোধে কাজ শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হচ্ছে। অন্যদিকে রবিবার সকালে এলাকা পরিদর্শনে যান সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। সেচ দপ্তর সূত্রে খবর ভাঙন রোধে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত সপ্তাহ দুয়েক আগে বাসুদেবপুরে প্রায় ৫০ ফুট নদী বাঁধ নদীগর্ভে চলে যায়। এরপরেই সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে ভাঙন রোধে কাজ করা হয়। নদীর পাড়ে বাঁশের খাঁচা পাতার পাশাপাশি বস্তার মধ্যে ইঁটের টুকরো ভর্তি করে পাড়ে ফেলা হয়। পাশাপাশি নদীর জলের ঢেউয়ে পাড়ের ক্ষতি আটকাতে নদীর পাড় জিও শীট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এদিকে নদী ভাঙনের পরেই সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা দফায় দফায় এলাকা পরিদর্শন করেন। পোর্ট ট্রাস্টের আধিকারিকরাও এলাকা পরিদর্শন করেন। সূত্রের খবর ভাঙন রোধে সোমবার পোর্ট ট্রাস্টের আধিকারিকদের সঙ্গে সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের বৈঠক হওয়ার কথা। এদিকে হুগলী নদীর পশ্চিম পাড় ক্রমাগত ভাঙনের কবলে পড়ায় যে তথ্য সামনে এসেছে তাতে আতঙ্ক আরোও বাড়িয়েছি। জানা গেছে বছর দেড়েক আগে বাসুদেবপুরে হুগলী নদীর পশ্চিম পাড় থেকে ডিপ চ্যানেলের দূরত্ব ৫৫০ ফুট থাকলেও বর্তমানে সেই দূরত্ব কমে দাঁড়িয়েছে ১৫০ ফুটে। এলাকার বাসিন্দাদের বক্তব্য নদীর ড্রেজিং না করলে এই সমস্যা মিটবে না।
*নদিয়ার মাটির নিচে 'কালো সোনা'? নতুন সরকারের কাছে তেল-গ্যাস উত্তোলনের দাবি, আশার আলো রানাঘাটে*

Bengal icon news রানাঘাট,নদিয়ার মাটির বুকেই কি লুকিয়ে রয়েছে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ? জেলাজুড়ে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। রানাঘাট ও সংলগ্ন এলাকায় পুনরায় প্রাকৃতিক গ্যাস এবং খনিজ তেলের সন্ধান শুরু করার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ওএনজিসি যদি এখানে ফের খনন কাজ শুরু করে, তবে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক চেহারা পুরোপুরি বদলে যেতে পারে।
এলাকার যে জমিতে এই প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছিল সেই জমি মালিক সাধন বিশ্বাস নতুন সরকারের কাছে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি জানান, ‘১৯৭০ সালে প্রথম এই এলাকায় প্রাকৃতিক গ্যাস ও তৈলজাত পদার্থের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সে যুগের পুরোনো পরিকাঠামো ও প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে প্রাথমিক কাজ মাঝপথেই থমকে যায়। আমার প্রায় ১২ বিঘা জমিতে এই খোঁজ পাওয়া যায়। যদি এখান থেকে বাণিজ্যিক স্তরে গ্যাস বা তেল উত্তোলন সম্ভব হয়, তবে তা সমগ্র নদিয়া  জেলার জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে আর কাজের জন্য বাইরে যেতে হবে না।’
এই সম্ভাবনাকে ঘিরে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে রাজনৈতিক মহলেও। রানাঘাট উত্তর-পশ্চিমের বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জী এই প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিগত সরকারের উদাসীনতাকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন,, ‘সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সঠিক সদিচ্ছার অভাবে এতদিন কাজ এগোয়নি।শুধু রানাঘাটই নয়, চাকদা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকাতেও মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি রয়েছে। এবার অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ড্রিলিং-এর কাজ শুরু করা হবে। যদি ওএনজিসি আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে ফের মাঠে নামে, তবে রাজ্য সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় স্তরে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।’ সব মিলিয়ে, মাটির নিচের এই সুপ্ত সম্পদকে কেন্দ্র করে এখন নদিয়ার ঘরে ঘরে নতুন এক অর্থনৈতিক বিপ্লবের স্বপ্ন বোনা শুরু হয়েছে।
গঙ্গার জল বাড়তেই ভূতনীতে বাঁধ কেটে বন্যার জল নামানোর উদ্যোগ
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/>  মালদহ:গঙ্গার জল দ্রুত হারে বাড়তে থাকায় মালদার মানিকচকের ভূতনীজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যাকবলিত বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় দুই থেকে তিন ফুট জল বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে অবশেষে প্রশাসনিক উদ্যোগে ভূতনীর দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকায় বাঁধ কেটে ফুলহার নদীপথে বন্যার জল বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হল। বাঁধ কাটার পরই দ্রুত গতিতে জল নামতে শুরু করায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বানভাসি মানুষের মধ্যে।উল্লেখ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বর বাঁধ ভেঙে ভূতনী এলাকায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই গঙ্গার জল অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকায় ভূতনীর বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেয়। ভূতনীর তিনটি অঞ্চলের মিলিয়ে দুই লক্ষাধিক মানুষ বন্যার কবলে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, কৃষিজমি-সহ বিভিন্ন এলাকা জলের তলায় চলে যায়।এই পরিস্থিতিতে বন্যার জল দ্রুত নামানোর জন্য দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকায় বাঁধ কেটে দেওয়ার দাবি উঠতে থাকে বিভিন্ন মহল থেকে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের তরফে বাঁধ কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন সকাল থেকেই জেসিবি মেশিন দিয়ে দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকায় মাটির বাঁধ কাটার কাজ শুরু হয়। মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডলের উপস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্যোগে এই কাজ সম্পন্ন করা হয়।বাঁধ কাটার পর ফুলহার নদীর দিকে জল বেরিয়ে যেতে শুরু করে। এর ফলে ভূতনীর বন্যাকবলিত একাধিক এলাকায় জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বাঁধ কেটে জল বের করে দেওয়ায় নতুন করে এলাকায় জল বাড়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে। তবে গঙ্গার জলস্তর এখনও উদ্বেগজনক থাকায় পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।
          বাঁধ কাটার কাজ শেষ হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল বলেন, সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই দিনের আলোয় বাঁধ কেটে বন্যার জল নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য বন্যাদুর্গত প্রতিটি মানুষের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া।পাশাপাশি বন্যার কারণে যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ পরিষেবা দীর্ঘসময় বিচ্ছিন্ন না থাকে, তার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানান বিধায়ক। দুর্গত মানুষের পাশে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ ও প্রশাসনিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
*খাদ্য সুরক্ষা অভিযানে হাওড়া শহরের নামী রেস্তোরাঁয় অসঙ্গতি, ১৪ দিনের 'ক্লোজার' নোটিশ*

Bengal icon news , হাওড়া: 'ফুড সেফটি উইক'-এর অঙ্গ হিসেবে সোমবার হাওড়া শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও ফুড স্টলেও অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানে একটি নামী রেস্তোরাঁয় একাধিক অসঙ্গতি নজরে আসে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। এরপর সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে ১৪ দিনের ‘ক্লোজার’ নোটিশ জারি করা হয়। হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের সচিব অনুপম চক্রবর্তী জানান, "পরিদর্শনের সময় রেস্তোরাঁটিতে বেশ কিছু নিয়ম-বহির্ভূত বিষয় নজরে আসে। সেই কারণে ডেপুটি সিএমওএইচ-২-এর তরফে ১৪ দিনের জন্য রেস্তোরাঁটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।" তিনি বলেন, "এই সময়ের মধ্যে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উন্নতি ও সংশোধন করতে হবে। এরপর ফের সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁ পরিদর্শন করা হবে। পরিদর্শনে সমস্ত নিয়ম মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত হলে এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের ছাড়পত্র পাওয়া গেলে তবেই ফের রেস্তোরাঁটি চালু করা যাবে।" খাদ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও পুর প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রসঙ্গতঃ খাদ্য সুরক্ষা বিধি মেনে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হাওড়া শহরজুড়ে চলছে প্রশাসনের অভিযান। রাজ্য সরকারের নির্দেশে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা খাদ্য সুরক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার হাওড়ার বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও খাবারের দোকানে পরিদর্শন চালায় হাওড়া পুরনিগম। এই অভিযানে বেলপোল এলাকার কাছে একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। পরিদর্শনকারীদের দাবি, রেস্তোরাঁটির রান্নাঘরে কাঁচা মুরগির মাংস, মাছ ও পনির-সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। অভিযোগ, কয়েকটি খাদ্যসামগ্রী ঢাকনাবিহীন অবস্থায় রাখা ছিল এবং প্যাকেটে প্রস্তুত ও মেয়াদ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যের লেবেলও ছিলনা। এছাড়াও ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষিত রান্না করা কাবাবের উপর ছত্রাকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর ওই সমস্ত দূষিত ও ব্যবহারের অনুপযুক্ত খাদ্যসামগ্রী নষ্ট করে দেওয়া হয়। অভিযান শেষে খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইন, ২০০৬-এর ৩২ নম্বর ধারায় রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁর লাইসেন্স ১৪ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে বলে হাওড়া পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করা হবে না। খাবার তৈরি, সংরক্ষণ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে খাদ্য সুরক্ষা বিধি না মানলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী দিনেও শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের পরিদর্শন ও অভিযান চলবে বলে জানা গিয়েছে।
ব্রাহ্মণী নদীতে স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী
Bengal icon news মারগ্রাম: ব্রাহ্মণী নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী। সোমবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমের মারগ্রাম থানার গোপালপুর গ্রামে। নিখোঁজ ছাত্রীর নাম অর্পিতা মণ্ডল। খবর ছড়িয়ে পড়তেই নদীর পাড়ে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্যদের সঙ্গে ব্রাহ্মণী নদীতে স্নান করতে নেমেছিল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অর্পিতা মণ্ডল। স্নানের সময় আচমকাই নদীর জলের স্রোতে তলিয়ে যায় সে। বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নদীতে নেমে তার খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু নদীতে বর্তমানে জল অনেকটা বেশি থাকায় এবং স্রোত থাকায় এখনও পর্যন্ত অর্পিতার কোনও সন্ধান মেলেনি।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মারগ্রাম থানার পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রশাসনের আধিকারিকরাও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে নিখোঁজ ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য তৎপরতা শুরু করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশও নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে। তবে নদীতে জল বেশি এবং স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই অর্পিতার সন্ধানে উদ্ধারকারী দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর আরও জোরদারভাবে তল্লাশি অভিযান শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে, স্কুলছাত্রী নদীতে তলিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোপালপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছেন অর্পিতার সন্ধানের আশায়।
বজ বজ কেন্দ্রীয় সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির এবারের ভাবনা ভূপালের লক্ষ্মীনারায়ণের মন্দির
রতুয়ায় দেড়শো বছরের প্রাচীন শিবমন্দির নদীগর্ভে
জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র মৌসুনী, চাষের জমির উপর চললো তুমুল মারপিট, রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ৩
<nis:link nis:type=tag nis:id=mousuniisland nis:value=mousuniisland nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=namkhana nis:value=Namkhana nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=frazerganjcoastal nis:value=frazerganjcoastal nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=policenews nis:value=PoliceNews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
Bengal icon news
মোবাইলে মোবাইলে বিপদ সংকেত, আপনার ফোন হ্যাক হলো নাতো! জানুন আসল সত্য 
<nis:link nis:type=tag nis:id=rainalert nis:value=RainAlert nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=mobilealert nis:value=mobilealert nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=todaymobilealert nis:value=todaymobilealert nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=south24pargananews nis:value=south24pargananews nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
Bengal icon news
কেরালায় কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু সাগরের পরিযায়ী শ্রমিকের 
<nis:link nis:type=tag nis:id=sagarnews nis:value=SagarNews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=sagarisland nis:value=SagarIsland nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=south24pargananews nis:value=south24pargananews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=kerala nis:value=kerala nis:enabled=true nis:link/> 
Bengal icon news
*মোবাইলে মোবাইলে হঠাৎ বিকট শব্দে 'বিপৎসংকেত'! ৪ জেলায় প্রবল ঝড়বৃষ্টির চূড়ান্ত সতর্কতা, প্যানিক নয়, সতর্ক হন*

অমিত মন্ডল; দক্ষিণ 24 পরগনা:সোমবার বিকেলে হঠাৎই চমকে উঠেছেন দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ! সাধারণ মেসেজ বা রিংটোন নয়, হঠাৎই বিকট অ্যালার্মের শব্দে কেঁপে উঠছে একের পর এক মোবাইল ফোন। স্ক্রিনে ভেসে উঠছে— 'Extremely Severe Alert'বা চূড়ান্ত সতর্কতা! হঠাৎ এমন মেসেজ দেখে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। কিন্তু আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, এটি মূলত আবহাওয়া দপ্তর ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের একটি বিশেষ সতর্কবার্তা, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাঝারি থেকে প্রবল বজ্রপাত-সহ তীব্র বৃষ্টি  এবং কালবৈশাখীর মতো ঝোড়ো হাওয়া আছড়ে পড়ার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
 ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। মূলত দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম— এই ৪ জেলার বিস্তীর্ণ অংশে এই দুর্যোগের প্রভাব পড়বে।
 সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টে থেকে শুরু করে পরবর্তী ২-৩ ঘণ্টার জন্য এই চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
অনেকেই ভাবছেন ফোন হ্যাক হলো কিনা! একদমই নয়। এটি ভারত সরকারের 'সেল ব্রডকাস্টিং সিস্টেম' (Cell Broadcasting System)। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরি অবস্থায় মানুষের প্রাণ বাঁচাতে এবং দ্রুত সতর্ক করতে নির্দিষ্ট এলাকার সমস্ত চালু মোবাইল ফোনে একসঙ্গে এই ফ্ল্যাশ মেসেজ ও অ্যালার্ম পাঠানো হয়। আজ দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় আবহাওয়ার চরম অবনতির কারণেই এই মেসেজ পাঠানো হয়েছে। 
এই মেসেজ পাওয়ার পর সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যারা মাঠেঘাটে কাজ করছেন বা রাস্তায় আছেন, তাঁদের বড় গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি বা ফাঁকা জায়গা এড়িয়ে কোনো পাকা ছাদের নিচে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।
*কেরালা থেকে কফিনবন্দি হয়ে ফিরল ঘরের ছেলে! ১৪ বছর পর ভিনরাজ্যে মৃত্যু সাগরের পরিযায়ী শ্রমিকের*

অমিত মণ্ডল, সাগর:
পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে কেরালায় পাড়ি দিয়েছিলেন। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে সেখানেই চলছিল হাড়ভাঙা খাটুনি। কিন্তু আচমকাই সব শেষ! কেরালায় কাজ করতে গিয়ে অকাল মৃত্যু হলো সাগরের এক যুবকের। তাঁর নিথর দেহ গ্রামে এসে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন পরিজনরা, শোকে স্তব্ধ গোটা মনসা দ্বীপ এলাকা।

মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের নাম সুব্রত ভূঁইয়া (৩৮)। তাঁর বাড়ি সাগরের মনসা দ্বীপ এলাকায়। 
 গত প্রায় ১৪ বছর ধরে তিনি কেরালার তালেশ্বরীতে একটি ঠিকাদারি সংস্থায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে কাজ চলাকালীন আচমকাই পেট ও বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন সুব্রত। তড়িঘড়ি তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত গত ৪ সেপ্টেম্বর হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য ছিলেন সুব্রত। তাঁকে অকালে হারিয়ে আজ আক্ষরিক অর্থেই অথৈ জলে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী সুষমা ভূঁইয়াসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
গ্রামে সুব্রতর নিথর দেহ এসে পৌঁছাতেই শেষবারের মতো ঘরের ছেলেকে দেখতে ভিড় জমান গোটা গ্রামের মানুষ।
Bengal icon news ফরাক্কা:অবশেষে সচল হলো  নিউ ফরাক্কার আপ লাইন। রেল কর্তৃপক্ষের যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রথমে মালগাড়ি ট্রায়াল  এবং পরে বন্দে ভারতের গতি নিয়ন্ত্রণ রেখে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হল।
​প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর রবিবার সকাল থেকে নিউ ফারাক্কার ক্ষতিগ্রস্ত আপ লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হল। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে প্রথমে এই আপ লাইন দিয়ে একটি মালগাড়ি পার করানো হয়। এর পর তেলের ট্যাঙ্কারবাহী একটি মালগাড়ি যায়। সেই ট্রায়াল সফল হতেই ধীর গতিতে পার করানো হয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস সহ উত্তরবঙ্গগামী বিভিন্ন যাত্রীবাহী ট্রেন।
​দীর্ঘ তিন দিন আপ লাইন বন্ধ থাকায় ডাউন লাইন দিয়েই উভয়মুখী ট্রেন যাতায়াত করাচ্ছিল রেল। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছিলেন যাত্রীরা। এদিন সকাল থেকে আপ লাইনে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ করে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় বড় স্বস্তি ফিরেছে। বর্তমানে ধস এলাকায় মাটি বসে যাচ্ছে কিনা এবং ট্র্যাকিং অ্যালাইনমেন্ট ঠিক আছে কিনা, সে বিষয়ে স নজরদারি চালাচ্ছেন রেলের প্রকৌশলী ও আধিকারিকরা।
 ভূমি ধসের জেরে যে ট্র্যাকটি প্রায় দুই ফুট নিচে বসে গিয়েছিল, তা মেরামতের কাজ শনিবার রাতেই সম্পূর্ণ হয়।  নতুন করে রেললাইন বসানো, ট্যাম্পিং এবং ওভারহেড ইক্যুইপমেন্টের পরীক্ষা সফল হওয়ার পরই রাতে লাইনটি চলাচলের যোগ্য বলে ঘোষণা করা হয় পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে।
এপ্রসঙ্গে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার গীতিকা পাণ্ডে জানান, ধসে যাওয়া অংশটিকে পুরোপুরি সমতলে ফিরিয়ে এনে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করানো হয়েছে। তবে দ্রুত পরিষেবা চালুর তাগিদ থাকলেও যাত্রী সুরক্ষার সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল মেনেই আপাতত ওই অংশে 'কশন' বা নিয়ন্ত্রিত গতিতে ট্রেন চালানো হবে। পরবর্তীতে আরও ব্যালাস্ট ফেলে এবং ট্যাম্পিং করে ট্র্যাকিংয়ের স্থায়িত্ব বাড়লে স্বাভাবিক গতি ফিরবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মালদা ডিভিশন সহ পুরোটিম মিশন মোডে কাজ করেছে।
অন্যদিকে নিউ ফরাক্কার স্টেশন সুপারিন্টেন্ডেন্ট তন্ময় বিশ্বাস জানান, আপ লাইনে এখন আর চলাচলের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কারিগরি বা সুরক্ষাজনিত সমস্যা বা অসুবিধা নেই। সমস্ত ট্র্যাক ও সিগন্যালিং ব্যবস্থা পরীক্ষা করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে এবং যাত্রীরা সম্পূর্ণ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারছেন।
বাগনানে উদ্ধার সাদা কালাচ সাপ
Bengal icon news উলুবেড়িয়া: বাগনানের এক বাসিন্দার মাটির বাড়ি থেকে আবারও উদ্ধার হলো বিরল সাদা রঙের কালাচ সাপ। জানা গেছে শনিবার রাতে বাগনান ২ নং ব্লকের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জীব প্রামানিক লক্ষ্য করেন তাঁর মাটির ঘরের মেঝেতে একটি সাদা রঙের সাপ শুয়ে আছে। বিষয়টি নজরে আসার পর তিনি ও তাঁর পরিবারের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সঞ্জীববাবু তৎক্ষণাৎ ওয়াইল্ডলাইফ এনভায়রনমেন্ট সেভিয়ার ট্রাস্টের সদস্য সবুজ দোলুইকে বিষয়টি জানান। সবুজ তৎক্ষণাৎ এসে সাপটিকে একটি নিরাপদ জায়গায় আটকে ট্রাস্টের সর্প উদ্ধারকারী সদস্যদের খবর দেন। অন্যদিকে সাদা সাপ দেখবার জন্য বহু মানুষ বাড়ির সামনে ভিড় জমায়। ট্রাস্টের সদস্য চিত্রক প্রামানিক, সুমন্ত দাস ও অর্ঘ্য মল্লিক ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা এসে দেখেন সাপটি একটি তীব্র বিষধর লিউসিস্টিক কালাচ সাপ বা সাদা কালাচ সাপ। চিত্রক, সুমন্ত, অর্ঘ্য ও সবুজ সাবধানতার সঙ্গে সাদা কালাচ সাপটি উদ্ধার করে জার বন্দি করেন এবং সঞ্জীব বাবুর মাটির বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি করে দেখেন অন্য কোনো বিষধর সাপ আছে কিনা। ট্রাস্টের সদস্যরা ওই এলাকার মানুষদের সাপ সম্বন্ধে সচেতন করেন এবং বর্ষায় সাপের কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা দেন। ট্রাস্টের সদস্য চিত্রক প্রামানিক বলেন, কালাচ সাপ পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের অন্যতম তীব্র বিষধর সাপ। কিন্তু সাদা কালাচ খুব একটা দেখা যায় না। এটি একটি লিউসিস্টিক কালাচ সাপ। লিউসিজম্ একটি জেনেটিক মিউটেশন। লিউসিসটিক্ প্রানী সচরাচর দেখা যায় না। প্রাণীজগতে লিউসিজম্ এর কারনে মেলানিন এর অভাবে দেহের ত্বক, পালকের রঙ সাদা বা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। একমাত্র চোখের রঙ কালো থাকে, চোখের রঙের কোনো পরিবর্তন হয় না। অ্যালবিনো হলে চোখের রঙের ও পরিবর্তন হয়। এর আগে হাওড়া জেলায় কয়েকবার সাদা কালাচ সাপ পাওয়ার নিদর্শন রয়েছে।
থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক যোগাসন প্রতিযোগিতায় পূর্বস্থলীর পিয়ালীর সাফল্য, জিতল রৌপ্য পদক

Bengal icon news পূর্বস্থলী:পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সরডাঙ্গা গ্রামের কন্যা পিয়ালী দাস আন্তর্জাতিক মঞ্চে উজ্জ্বল করল বাংলার মুখ। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত যোগাসন স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ প্রতিযোগিতায় ৯ থেকে ১০ বছর বয়স বিভাগে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে পিয়ালী।
এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কার প্রতিযোগীদের সঙ্গে কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে নিজের অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শন করে রৌপ্য পদক জয় করে পিয়ালী। তার এই সাফল্যে খুশির হাওয়া বইছে গোটা সরডাঙ্গা গ্রাম ও পূর্বস্থলী এলাকাজুড়ে।পিয়ালী ধীতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। ছোটবেলা থেকেই যোগাসনের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। নিয়মিত অনুশীলন ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সে আন্তর্জাতিক স্তরের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মধ্যেও পরিবারের সহযোগিতা ও নিজের একাগ্রতার জোরে আজ সে এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছে।পিয়ালীর বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। আর্থিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও মেয়ের স্বপ্ন পূরণে তিনি সবসময় পাশে থেকেছেন। মেয়ের এই কৃতিত্বে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত।
পিয়ালীর এই আন্তর্জাতিক সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন মহল থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যা নেমেছে। অনেকেই মনে করছেন, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরকারি সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে পিয়ালী আরও বড় সাফল্য এনে দিতে পারবে দেশ ও রাজ্যকে।
পূর্বস্থলীর প্রত্যন্ত গ্রামের এক সাধারণ পরিবারের মেয়ের এই অসাধারণ অর্জন নিঃসন্দেহে আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
*স্বাধীনতার ৮০ বছর পর ঘুচল অন্ধকার! বিধায়কের উদ্যোগে নামখানার ৭৫ বছরের বৃদ্ধ দম্পতির ভাঙা ঘরে জ্বলল আলো* 

অমিত মণ্ডল, নামখানা:
স্বাধীনতার আট দশক পার! গোটা দেশ যখন আধুনিকতার চূড়ান্ত শিখরে, তখন নামখানার এক জরাজীর্ণ একচিলতে ঘরে হ্যারিকেনের এবং ল্যাম্পের ধোঁয়াটে আলো আর মাটির মেঝেতেই দিন কাটছিল এক বৃদ্ধ দম্পতির। অবশেষে প্রশাসনের দীর্ঘদিনের সেই বঞ্চনার অবসান ঘটল। সাগর বিধানসভার বিধায়কের উদ্যোগে ৭৫ বছরের বৃদ্ধ দম্পতির ঘরে পৌঁছালো বিদ্যুতের আলো।এই মানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল নামখানা গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণগঞ্জ এলাকা। নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী গৌর দাস এবং তাঁর স্ত্রী ৭০ বছর বয়সী কল্পনা দাস। ইন্দিরা গান্ধীর আমলে পাওয়া একচিলতে জরাজীর্ণ ঘরেই তাঁদের বাস। বছর দুয়েক আগে মানসিক ভারসাম্যহীন একমাত্র সন্তানের মৃত্যুতে তাঁরা আক্ষরিক অর্থেই নিঃস্ব হয়ে পড়েন।এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি পৌঁছালেও, অর্থাভাব এবং প্রশাসনিক উদাসীনতায় তাঁদের ঘরে মিটার বসেনি। বিদ্যুৎ তো দূর, বাড়িতে একটি শৌচালয় বা শোওয়ার খাটও ছিল না। মাটির মেঝেতেই রাত কাটাতেন এই বৃদ্ধ দম্পতি। 
এই চরম দুর্দশার কথা জানতে পারেন সাগর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। তিনি নিজে বিদ্যুৎ দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে ওই বাড়িতে নতুন মিটার বসানোর ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি নিজের উদ্যোগে ঘরে সুইচ বোর্ড, আলো, একটি নতুন খাট এবং শৌচালয় তৈরির ব্যবস্থাও করে দেন তিনি। 

বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল নিজেই ওই বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে উপস্থিত হয়ে সুইচ টিপে আলো জ্বালান। দীর্ঘ ৮০ বছর পর নিজের ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বলতে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ওই দম্পতি। 

দীর্ঘ বঞ্চনার পর অবশেষে বিধায়ক এর উদ্যোগে নামখানার নারায়ণগঞ্জের বৃদ্ধ দম্পতির অন্ধকার ঘরে জ্বললো আলো।
*বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস ও প্রতারণা: কল্যাণীতে গ্রেফতার তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা*

Bengal icon news কল্যাণী: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে সহবাস ও পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে কল্যাণী থেকে গ্রেফতার হলেন এক তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা। ধৃত নেতার নাম অঙ্কুর মজুমদার। শুক্রবার গভীর রাতে কল্যাণী থানার পুলিশ তাকে নিজস্ব বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। শনিবার কল্যাণী আদালতে পেশ করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা এক তরুণীর সঙ্গে অঙ্কুর মজুমদারের দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন ওই ছাত্রনেতা। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ে করতে বললে তিনি স্পষ্ট অস্বীকার করেন।
নির্যাতিতা তরুণীর দাবি, আগে শাসকদলের প্রভাব ও ক্ষমতার কারণে তিনি পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানাতে সাহস পাননি। সম্প্রতি রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর সাহস সঞ্চয় করে তিনি সংশ্লিষ্ট থানায় অঙ্কুরের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও সহবাসের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই কল্যাণী থানার পুলিশ তদন্তে নামে এবং শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতাকে গ্রেফতার করে। শনিবার তাঁকে কল্যাণী আদালতে তোলা হলে বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।