Public App Logo
Profile Picture

Bengal Icon News

@namkhana.gmail.com
18438Followers
11Following
ভিক ভলেন্টিয়ার কিডনি পাচার চক্রে? বিধাননগরে চাঞ্চল্য!

Bengal icon news কাজের নাম করে কলকাতা থেকে পাঞ্জাব! ২০ হাজার টাকা বেতনে দিল্লিতে হাউসকিপিং-এর কাজের টোপ দিয়ে এক যুবককে লুধিয়ানায় নিয়ে গিয়ে কিডনি কেটে নেওয়ার অভিযোগ!

অভিযোগ, বিধাননগর সাউথ থানা এলাকার বাসিন্দা ওই যুবক হ্যান্ড গ্লাভস কারখানায় কাজ করতেন। পাড়াতেই ভাড়া থাকা প্রভাস মণ্ডল [আদি বাড়ি ডায়মন্ড হারবার] 

তাকে বেশি বেতনের লোভ দেখিয়ে প্রথমে দিল্লি ও পরে পাঞ্জাবের লুধিয়ানার একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অজ্ঞান করে কিডনি বের করে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

জ্ঞান ফিরতেই যুবক দেখেন পেটে সেলাই, মুখে পাইপ। বর্তমানে তিনি বিছানায়, কাজ করার ক্ষমতা নেই।

আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ - ঘটনা ধামাচাপা দিতে আসে লক্ষণ মণ্ডল নামে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার। পরিবারের দাবি, সে থানায় না যেতে বলে এবং বলে "৫-৬ লাখ টাকা দিলে পুলিশ ছেড়ে দেবে, কিডনি ফেরত ও আজীবন বসে খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেব"। 

এমনকি কাটমানি হিসাবে টাকা নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

পরিবার মঙ্গলবার বিধাননগর সাউথ থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল গ্রেফতার। এই চক্রের জাল কতদূর? তদন্তে পুলিশ।
ঝড়খালিতে ফের বাঘের মৃত্যু, কয়েক দিনের ব্যবধানে সুন্দরীর পর এবার গেল ‘সুন্দর’

Bengal icon news,কুলতলী: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝড়খালির সুন্দরবন ওয়াইল্ড অ্যানিমেল পার্কে ফের বাঘের মৃত্যু। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে একই পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরপর দুটি বাঘের মৃত্যু ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শনিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হল প্রায় ১৬ বছর বয়সি পুরুষ বাঘ ‘সুন্দর’-এর।

বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ দিন ধরে সংক্রমণজনিত অসুস্থতার কারণে ‘সুন্দর’-এর চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা বন বিভাগের বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী জানান, সংক্রমণের কারণেই বাঘটিকে চিকিৎসা করা হচ্ছিল।

এর আগে কয়েক দিন আগেই একই কেন্দ্রে মৃত্যু হয়েছিল ‘সুন্দরী’ নামে একটি বাঘিনীর। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একটি বাঘের মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে বন্যপ্রাণপ্রেমীদের মধ্যে।

প্রায় ১৬ বছর ধরে বেঁচে থাকা ‘সুন্দর’ দীর্ঘদিন ধরে এই পুনর্বাসন কেন্দ্রে ছিল। বয়সজনিত নানা জটিলতার পাশাপাশি সংক্রমণের কারণে তার শারীরিক অবস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়েছিল বলে বন দপ্তর সূত্রে খবর। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

পরপর দুই বাঘের মৃত্যুতে ঝড়খালি পুনর্বাসন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা ও বাঘগুলির স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, বন দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘সুন্দর’-কে সুস্থ করে তুলতে চিকিৎসার সমস্তরকম চেষ্টা করা হয়েছিল। বাঘের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বন্যপ্রাণপ্রেমী মহলে।
সিম কার্ড প্রতারণা চক্রে গ্রেপ্তারের সংখ্যা হল ৩

 সিম কার্ড প্রতারণা চক্রে বাড়ছে গ্রেফতারের সংখ্যা।অন্যের নথি কারচুপি করে সিম তুলে সাইবার প্রতারণা চক্রের কাছে বিক্রির কারার অভিযোগ পুলিশ আরো একজনকে গ্রেপ্তার করল। সাঁকরাইল থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার গড়ধরা গ্রাম থেকে পঙ্কজ রানা নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। এ নিয়ে সিম কার্ড প্রতারণা চক্রের  মোট তিন জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শুক্রবার ধৃতকে ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হবে আদালত তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার  সাঁকরাইল থানার  বহড়াদাড়ি গ্রামের খোকন দত্ত এবং কুবদা গ্রামের মৃনাল কান্তী দাস নামে দুই  সিম কার্ড সংস্থার ডিস্ট্রিবিউটারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল।  পুলিশ তাঁদের আদালতে পেশ করলে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুই যুবককে তদন্ত করে পুলিশ পঙ্কজ রানাকে গ্রেপ্তার করে।
অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা না ঢোকায় নামখানায় বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ মহিলাদের Part 1
অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা না ঢোকায় নামখানায় বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ মহিলাদের
কাকদ্বীপে বাস এবং লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহতদের পাঠানো হলো হাসপাতালে
কাকদ্বীপে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। লরি ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ
Bengal icon news :জলের তলায় ভাসাপুল, বিচ্ছিন্ন দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের যোগাযোগ, এলাকার কয়েক হাজার বিঘা ধানের জমি জলের তলায়, জমির উপর ৪ থেকে ৫ ফুট জল । 

টানা কয়েকদিনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা । এরই জেরে ধানশিমলা গ্রাম পঞ্চায়েত ও পূর্ব নবাসন গ্রাম পঞ্চায়েতের সংযোগকারী রাস্তার উপর থাকা ভাসাপুলের উপর দিয়ে বইছে জল । ফলে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের যোগাযোগ। চরম সমস্যায় পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , পূর্ব নবাসন গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে ধানশিমলা ও সোনামুখীতে স্কুল , কলেজ , হাসপাতাল , বাজার-সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করেন । কিন্তু ভাসাপুলটি জলের তলায় চলে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্বাভাবিক যাতায়াত । বাধ্য হয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার ঘুরপথে যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে ।

শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই নয় , অতিরিক্ত জলের চাপে এলাকার কয়েক হাজার বিঘা ধানের জমিও এখন জলের তলায় । কোথাও কোমরসমান , আবার কোথাও তার থেকেও গভীর জল জমে রয়েছে চাষের জমিতে । ফলে মাথায় হাত কৃষকদের ।

কৃষকদের দাবি , ঋণ নিয়ে ধান চাষ করেছিলেন তাঁরা । ফসল উৎপাদন হলে তা বিক্রি করে মহাজনের ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি সংসার চালানো এবং আগামী মরশুমের চাষের খরচ জোগানোর পরিকল্পনা ছিল । কিন্তু দিনের পর দিন জমি জলের তলায় থাকায় আদৌ ফসল বাঁচবে কি না , তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় কৃষকরা ।

একদিকে জলের তলায় যোগাযোগের রাস্তা , অন্যদিকে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি প্লাবিত — সব মিলিয়ে চরম দুর্ভোগে সোনামুখীর ধানশিমলা ও পূর্ব নবাসন এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে কৃষকরা । এখন প্রশাসনের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় , সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকাবাসীরা ।
৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মুকুব, বিরাট ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

Bengal icon news :তামিলনাড়ুর কৃষকদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী থলপতি বিজয়ের। সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মুকুব করা হবে। ৭৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত যারা কৃষিঋণ নিয়েছেন তাঁরা এই সুবিধা পাবেন। এদিন বিধানসভায় কৃষিঋণ মুকুব প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার গত মে মাসে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে। ক্ষমতায় আসার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মুকুব করা হয়েছিল। সেই সহায়তার পরিধি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ৭৫০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণে সম্পূর্ণ কৃষিঋণ মুকুব। এবং ১ লক্ষ টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে ৩৫ হাজার টাকা ছাড় পাওয়া যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এর জেরে রাজ্যের ১৪.৪৪ লক্ষের বেশি কৃষক উপকৃত হবেন।কৃষকদের জন্য এই বিশেষ উপহার প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৭ আগস্ট কৃষক সংগঠনগুলির সঙ্গে একটি বৈঠক হয়েছিল। যার প্রেক্ষিতে আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং সমবায় ব্যাঙ্কগুলি নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশিকা সত্ত্বেও কৃষকদের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ৭৫০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণে ১০০ শতাংশ ছাড় মিলবে।বিজয়ের দাবি অনুযায়ী, পূর্বে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত যে ঋণ মুকুবের ঘোষণা করা হয়েছিল সেই সুবিধা থাকছেই। এর সঙ্গে ৭৫০০০ টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ৭৫০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে। ১ লক্ষ টাকার বেশি ঋণে সর্বোচ্চ ৩৫০০০ টাকা পর্যন্ত মুকুব করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এর জেরে ১.৩৮ লক্ষের বেশি কৃষক অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন। ৯৫৩.০৬ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। যার জেরে ১৩.৩৪ লক্ষের বেশি কৃষকের মোট ঋণ মুকুবের পরিমাণ বেড়ে হবে ৬,২২০ কোটি টাকা।
*জাতীয় সড়কে লরিতে ভয়াবহ আগুন, ভোররাতে দুর্ঘটনায় পুড়ে ছাই পুরো লরি*

ভোররাতে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে লরিতে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকা জুড়ে। জানা গেছে, বুধবার ভোর রাতে মালদার গাজোল থানার আহোড়া এলাকায় লরিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সোমবার গাজলের ময়না এলাকায় দুর্ঘটনা কবলে পড়ে এই লরি টি। লরিটিকে ময়না থেকে মালদা শহরের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হচ্ছিল। রিকভারি ভ্যান লরিটি নিয়ে ময়না থেকে রওনা দিয়ে আহোড়া পৌঁছাতেই জাতীয় সড়কের উপর দুর্ঘটনাটি ঘটে। লরির চাকা ব্লাস্ট করে যায়। সেখান থেকে আগুন লাগে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরপর তেলের ট্যাঙ্কে আগুন লেগে যায়। ফলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুন। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে লরিটি। মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকা জুড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গাজোল থানার পুলিশ। খবর দেওয়া হয় দমকলে। স্থানীয়দের অভিযোগ দমকল দেরিতে পৌঁছনোয় পুড়ে ছাই হয়ে যায় লরিটি। 
                    স্থানীয় বাসিন্দা অশোক মন্ডল বলেন, সকালে প্রাতঃভ্রমণ বেরিয়েছিলাম। সেই সময় দেখতে পাই জাতীয় সড়কের উপর দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে লরিতে। মুহুর্তের মধ্যে প্রচুর মানুষ জমা হয়ে যায়। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ সময় মত এলো দমকল প্রায় দেড় ঘন্টা দেরিতে আসে। তার মধ্যে লরিটি পুড়ে যায়। আমরা প্রচন্ড আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।। জাতীয় সড়ক এক দিক বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আগুনের কারণে। 
                       কিভাবে আগুন লাগল জাতীয় সড়কের লরিতে খতিয়ে দেখছে গাজোল থানার পুলিশ। মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং জানিয়েছেন, এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ফের ভেসে গেল বাঁকুড়ার গন্ধেশ্বরী নদীর মানকানালী সেতু। ভেসে যাওয়া সেতু দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়লো একটি ডাম্পার।

নিম্ন চাপের জেরে গতকাল থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে বাঁকুড়া জেলায়। এর ফলে বাঁকুড়ার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া গন্ধেশ্বরী দ্বারকেশ্বর সহ সব নদীতেই জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় গতকাল থেকেই ডুবে রয়েছে গন্ধেশ্বরী নদীর উপর থাকা  বাঁকুড়ার মানকানালী সেতু। আজ ভোরে ডুবে থাকা সেই সেতু ঝুঁকি নিয়ে  পারাপার করতে গিয়ে সেতুর মাঝখানে আটকে যায় একটি ডাম্পার। কোনোক্রমে চালক খালাসি প্রাণে বাঁচলেও ডাম্পার  উদ্ধার করা যায়নি। লাগাতার ভারী বৃষ্টি হতে থাকায় গন্ধেশ্বরীর জলস্তর আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি যে আরও খারাপ হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না
ফের ভেসে গেল বাঁকুড়ার গন্ধেশ্বরী নদীর মানকানালী সেতু। ভেসে যাওয়া সেতু দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়লো একটি ডাম্পার।

নিম্ন চাপের জেরে গতকাল থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে বাঁকুড়া জেলায়। এর ফলে বাঁকুড়ার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া গন্ধেশ্বরী দ্বারকেশ্বর সহ সব নদীতেই জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় গতকাল থেকেই ডুবে রয়েছে গন্ধেশ্বরী নদীর উপর থাকা  বাঁকুড়ার মানকানালী সেতু। আজ ভোরে ডুবে থাকা সেই সেতু ঝুঁকি নিয়ে  পারাপার করতে গিয়ে সেতুর মাঝখানে আটকে যায় একটি ডাম্পার। কোনোক্রমে চালক খালাসি প্রাণে বাঁচলেও ডাম্পার  উদ্ধার করা যায়নি। লাগাতার ভারী বৃষ্টি হতে থাকায় গন্ধেশ্বরীর জলস্তর আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি যে আরও খারাপ হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না
কয়েক ঘণ্টায় ৫০ বাড়ি গঙ্গায়, রতুয়ায় ভাঙনের আতঙ্ক,ভাঙন আতঙ্কে ঘরছাড়া বহু পরিবার, ঘটনাস্থলে প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী

Bengal icon news মালদহ :মালদার রতুয়া-১ নম্বর ব্লকের মহানন্দটোলা এলাকায় আচমকা শুরু হয়েছে ভয়াবহ গঙ্গাভাঙন। মাত্র কয়েক ঘণ্টার তীব্র ভাঙনে মহানন্দটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের জিতুটোলা গ্রামের প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি বসতবাড়ি গঙ্গার গ্রাসে চলে গিয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। চোখের সামনে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও সর্বস্ব নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় কার্যত সর্বহারা বহু পরিবার। ভাঙনের আতঙ্কে ইতিমধ্যেই বহু বাসিন্দা ঘরছাড়া হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে মালদায় গঙ্গার জলস্তর কমছিল। রবিবার সকালে জিতুটোলা এলাকায় আচমকাই নদীর পাড়ে ফাটল দেখা দিতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ফাটল ক্রমশ বড় আকার ধারণ করে এবং একের পর এক বসতবাড়ি নদীর দিকে ধসে পড়তে থাকে। পরিস্থিতি এতটাই দ্রুত বদলাতে থাকে যে, অনেক পরিবার ঘর থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী বের করারও যথেষ্ট সময় পাননি।ভাঙনের তীব্রতা দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বাসিন্দারা ঘরের আসবাবপত্র, নথিপত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চোখের সামনে বছরের পর বছর ধরে তৈরি করা বসতবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বহু মানুষ।ভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও। তাঁরা ভাঙনপ্রবণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছেন।
        স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গঙ্গার জল কমার সঙ্গে সঙ্গেই আচমকা ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীভাঙনের আশঙ্কা আগে থেকেই থাকলেও এত দ্রুত গতিতে ভাঙন তাঁরা আগে দেখেননি। তাঁদের দাবি, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বহু পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে। এখনও ভাঙন অব্যাহত থাকায় নতুন করে আরও বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।ভাঙন দুর্গতদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের সমস্যা থাকলেও স্থায়ী প্রতিরোধের ব্যবস্থা না হওয়ায় বারবার বিপদের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। আচমকা বসতবাড়ি হারিয়ে সরকারি সাহায্যের আশায় দিন কাটছে বহু পরিবারের। সরকারি উদাসীনতার অভিযোগ তুলে ক্ষোভও উগরে দিয়েছেন দুর্গতরা।প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। দুর্গত পরিবারগুলিকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ভাঙন পুরোপুরি না থামলে নতুন করে কতগুলি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে দাঁড়িয়ে এখন জিতুটোলা গ্রামের বহু পরিবার।
বজ্রপাতের জের! বর্ধমান শহরে গৃহস্থের বাড়িতে এল ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার 'ভুতুড়ে' বিদ্যুতের বিল।

Bengal icon news :কয়েকদিন আগে বাড়ির পাশে হওয়া বজ্রপাতের জেরে মিটারে গন্ডগোল! আর তার ফলেই বর্ধমান শহরের এক গৃহস্থের বাড়িতে এসে পৌঁছাল ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার আকাশছোঁয়া বিদ্যুতের বিল। এই বিপুল অঙ্কের বিল হাতে পেয়ে রীতিমতো মাথায় হাত পড়েছে ওই গ্রাহকের।
ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান শহরের বিধানপল্লী এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দা শ্যামল মুখার্জি নামে এক ব্যক্তির দোতলা বাড়ি রয়েছে। তাঁর দাবি, সাধারণত তাঁর বাড়িতে গ্রীষ্মকালে সর্বসাকুল্যে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার মতো বিদ্যুৎ বিল এসেছে। কিন্তু সম্প্রতি বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার একটি ভুতুড়ে বিল পাঠানো হয়। এত টাকার বিল দেখে কার্যত আকাশ থেকে পড়েন তিনি এবং মাথায় যেন বজ্রাঘাত নামে।
ঘটনার পরই দ্রুত বর্ধমান বিদ্যুৎ দপ্তরের অফিসে যোগাযোগ করেন শ্যামলবাবু এবং এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগও জানান। অভিযোগ পেয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের পক্ষ থেকে তাঁর  মিটার ও বিল খতিয়ে দেখা হয়। দিন কয়েক আগে ওই বাড়ির কাছাকাছি  বজ্রপাত হয়েছিল। আর তারই তীব্র প্রভাবে মিটারের রিডিং একলাফে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান।
পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিদ্যুৎ দপ্তরের পক্ষ থেকে বর্তমানে একটি বিকল্প মিটারও লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। গ্রাহক শ্যামল বাবু জানিয়েছেন,  যে পরিমাণ বিদ্যুৎ তিনি ব্যবহার করেননি, সেই বিপুল অঙ্কের অতিরিক্ত বিল সংশোধনের আর্জি জানিয়েছেন বিদ্যুৎ দপ্তরের কাছে।
বিদ্যুৎ দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই চেক করার জন্য বিকল্প একটি মিটার লাগানো হয়েছে। গোটা বিষয়টাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে যদি কোন সমস্যা থাকে সেটা অবশ্যই সংশোধন করে দেওয়া হবে।।
তারাপীঠের হোটেল অগ্নিকাণ্ডে মালিক গ্রেফতার, পুকুরে বোট নামিয়ে তল্লাশি

Bengal icon news : তারাপীঠ মন্দিরের অদূরে ‘বিদেশিনী’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সোমবার ভোরের এই মর্মান্তিক ঘটনায় ইতিমধ্যেই হোটেলের মালিকের ছেলে কল্যাণ পালকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়েছিল। এ বার হোটেলের মালিক প্রবীর পালকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হোটেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার গাফিলতি খতিয়ে দেখতেই এই গ্রেফতার বলে তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে।
অন্য দিকে, আগুনের হাত থেকে প্রাণ বাঁচাতে হোটেলের আবাসিকদের কয়েকজন পাশের পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান। সেই কারণে মঙ্গলবার সকাল থেকেই পুকুরে তল্লাশি শুরু করেছে প্রশাসন। বোট নামিয়ে জলে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পুকুরে কেউ নিখোঁজ রয়েছেন কি না, কিংবা আগুন থেকে বাঁচতে গিয়ে জলে ডুবে আরও কোনও প্রাণহানি ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে ডুবুরি নামিয়েও তল্লাশি চালানো হতে পারে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের খবর, সোমবার ভোর পাঁচটা নাগাদ তারাপীঠ মন্দির ও থানার কাছেই অবস্থিত ওই হোটেলে আগুন লাগে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, হোটেলের রিসেপশনে থাকা এসির এমসিবিতে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে হোটেলের বিভিন্ন অংশে। ঘন ধোঁয়ায় কার্যত দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
প্রাণ বাঁচাতে আতঙ্কিত আবাসিকদের একাংশ বিভিন্ন পথ দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকজন ব্যালকনি থেকে পাইপ ও গাছের ডাল ধরে নীচে নেমে পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেন। আবার কেউ কেউ দোতলা ও তিনতলা থেকেও সরাসরি পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এই অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, আগুন লাগার পরও হোটেলের কোথাও ফায়ার অ্যালার্ম বাজেনি। এমনকি আবাসিকরা আগুন বুঝতে পেরে বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করলেও ফায়ার এগজিট গেটে তালা ঝুলছিল বলে অভিযোগ। ধোঁয়ায় চারদিক ঢেকে যাওয়ার পরও গেট বন্ধ থাকায় অনেকেই বেরোতে পারেননি বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।
ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ ও প্রশাসন। হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বৈদ্যুতিক সংযোগ, জরুরি বহির্গমন পথ এবং অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে সম্ভাব্য নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান করা হচ্ছে। তারাপীঠের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা তদন্তেই স্পষ্ট হবে।
*স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে বকখালিতে পর্যটকের ঢল! দুর্যোগ উপেক্ষা করেই উত্তাল সমুদ্রে স্নান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পর্যটকদের সতর্ক করল প্রশাসন*

অমিত মণ্ডল, বকখালি:
টানা ছুটি পেয়েই ঘরের বাইরে বাঙালি! স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বকখালিতে আছড়ে পড়ল পর্যটকদের ঢল। রবিবারও বকখালির সমুদ্র সৈকতে কার্যত তিল ধারণের জায়গা নেই। সৈকতে দাঁড়িয়ে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের পাশাপাশি উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ে গা ভাসালেন পর্যটকরা।শনিবারের পাশাপাশি রবিবারও দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে নিম্নচাপের জেরে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। বকখালিও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া পর্যটকদের দমাতে পারেনি; বরং বৃষ্টির মধ্যেই সমুদ্রস্নানে মেতে উঠেছেন তাঁরা।নিম্নচাপের জেরে বঙ্গোপসাগর ব্যাপকভাবে উত্তাল। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তায় সৈকতে কড়া নজরদারি ছিল ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ এবং সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে। মাইকিং করে পর্যটকদের কোমর সমান জলের গভীরে যেতে কড়াভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
বকখালিতে এবার পর্যটকদের চাপ এতটাই বেশি যে, প্রায় সমস্ত হোটেল ১০০ শতাংশ বুকিং হয়ে গিয়েছে। বহু পর্যটক রাত পর্যন্ত ঘুরেও কোনো হোটেলে রুম পাননি। বাধ্য হয়ে বকখালির মনোরম পরিবেশ উপভোগ করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়িতেই অর্থের বিনিময়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন অনেকে।
হাওড়া থেকে বেড়াতে আসা শর্মিষ্ঠা ভট্টাচার্য নামের এক পর্যটক বলেন "বকখালিতে এই প্রথমবার এসেছি। বৃষ্টি থাকলেও আমরা যথেষ্ট আনন্দ করেছি। তবে পুরো জায়গা এখনও ঘোরা হয়ে ওঠেনি। আরও দু'দিন এখানে থাকার পরিকল্পনা রয়েছে।"
দক্ষিণ কলকাতা থেকে আসা সায়ন ব্যানার্জি জানান, "আমরা এখানে এসে হোটেলে বুকিং করতে গেলে জানতে পারি সব হোটেল ভর্তি। এদিক-ওদিক ঘুরে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে স্থানীয় একটি বাড়িতে উঠেছি।"
স্থানীয় ব্যবসায়ী বিশ্বেশ্বর প্রামাণিক বলেন, "বহুদিন পর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এমন পর্যটকের ঢল দেখা গেল। অনেকদিন ব্যবসায় মন্দা চলছিল, কিন্তু এবার পর্যটকদের এই বিশাল উপস্থিতি আমাদের ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।"

সব মিলিয়ে দুর্যোগ এবং বৃষ্টিকে সঙ্গী করেই স্বাধীনতা দিবসের এই  ছুটিতে জমজমাট ছিল বকখালির পর্যটন।
জনবসতিহীন দুর্গম দ্বীপ জম্বু দ্বীপে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে উদযাপিত হল স্বাধীনতা দিবস। আধিকারিকদের কুর্নিশ জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=independence nis:value=independence nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=independenceday nis:value=IndependenceDay nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bakkhali nis:value=Bakkhali nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=jumboiceland nis:value=JumboIceland nis:enabled=true nis:link/>
*‘গর্বিত পশ্চিমবঙ্গ, গর্বিত গোটা দেশ!’ বকখালি থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে দুর্গম জম্বুদ্বীপে উড়ল তেরঙ্গা, জওয়ানদের কুর্নিশ জানিয়ে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর*

অমিত মণ্ডল, বকখালি:
প্রতিকূল আবহাওয়া, উত্তাল সমুদ্র আর দুর্গম ভূখণ্ড,কোনো কিছুই বাধা হতে পারল না অদম্য দেশপ্রেমের কাছে! বকখালি থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে জনবসতিহীন এবং অত্যন্ত দুর্গম জম্বুদ্বীপে স্বাধীনতা দিবসে সগর্বে উড়ল ভারতের জাতীয় পতাকা। কোস্টাল সিকিউরিটির জওয়ানদের এই অসামান্য সাহস ও কর্তব্যনিষ্ঠাকে কুর্নিশ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ও বার্তা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 

সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দেশের সার্বভৌমত্ব তুলে ধরতে এবার এক অভূতপূর্ব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।১০২টি সুন্দরবনের ৫৪টি বসতিপূর্ণ এবং ৪৮টি জনবসতিহীন মিলিয়ে মোট ১০২টি দ্বীপে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের এক বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবেই বকখালি প্রায় থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে জম্বুদ্বীপে এই তেরঙ্গা তোলা হয়। 
প্রবল প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও এই অভিযান সফল হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরের বুকে পশ্চিমবঙ্গের একেবারে দক্ষিণতম প্রান্ত জম্বুদ্বীপে কোস্টাল সিকিউরিটির আইজি নিজে উপস্থিত থেকে এই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।জাতীয় পতাকা উত্তোলনে কোস্টাল সিকিউরিটির আইজির পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার, নামখানার এসডিপিও, সি আই,বকখালি বনদপ্তরের রেঞ্জার এবং ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল লক্ষ্মীবাহিনীর জওয়ান সহ ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার ওসি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় জম্বুদ্বীপে পতাকা উত্তোলনের ভিডিও পোস্ট করে দীর্ঘ বার্তায় জওয়ানদের কুর্নিশ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন,"স্বাধীনতা দিবসের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে দেশের সাহসী ও কর্তব্যনিষ্ঠ জওয়ানদের জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কুর্নিশ। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত ও চ্যালেঞ্জিং ভূখণ্ডে সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি সাহস, অদম্য দেশপ্রেম এবং মাতৃভূমির প্রতি অবিচল দায়বদ্ধতার প্রতীক। এই ঐতিহাসিক অভিযানে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিক ও জওয়ানকে আন্তরিক অভিনন্দন। তাঁদের এই অসামান্য কৃতিত্বে গর্বিত পশ্চিমবঙ্গ, গর্বিত গোটা দেশ।"
দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপ। উপকূলীয় এলাকায় জারি সর্তকতা
গর্বিত পশ্চিমবঙ্গ, গর্বিত ভারত। 
জনবসতিহীন দুর্গম জম্বু দ্বীপে জাতীয় পতাকা উত্তোলন নিয়ে জওয়ানদের কুর্নিশ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=বন্দেমাতরম nis:value=বন্দেমাতরম nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=জাতীয়পতাকা nis:value=জাতীয়পতাকা nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=জাতীয়পতাকাউত্তোলন nis:value=জাতীয়পতাকাউত্তোলন nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=স্বাধীনতাদিবস nis:value=স্বাধীনতাদিবস nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=জম্বুদ্বীপ nis:value=জম্বুদ্বীপ nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=বকখালি nis:value=বকখালি nis:enabled=true nis:link/>
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বকখালিতে পর্যটক ঢল। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বকখালীতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সতর্ক করলো প্রশাসন।
<nis:link nis:type=tag nis:id=বকখালি nis:value=বকখালি nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bakkhalitour nis:value=bakkhalitour nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/>
স্বাধীনতা দিবসে ছুটিতে বকখালিতে পর্যটকের ঢল। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের সতর্ক করছেন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bakkhaliseabeach nis:value=bakkhaliseabeach nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=touristguide nis:value=touristguide nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=touristspot nis:value=touristspot nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=independence nis:value=independence nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=independenceday nis:value=IndependenceDay nis:enabled=true nis:link/>
দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং সম্মান জানিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন মৎস্যজীবীরা
গভীর সমুদ্রে ট্রলারের উপরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে স্বাধীনতা দিবস পালন করলেন মৎস্যজীবীরা 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=independenceday nis:value=IndependenceDay nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=fishermencommunity nis:value=fishermencommunity nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=frazerganj nis:value=frazerganj nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=todaynews nis:value=todaynews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=nationalflag nis:value=nationalflag nis:enabled=true nis:link/>
Video 24