Public App Logo
Profile Picture

Bengal Icon News

@namkhana.gmail.com
18444Followers
11Following
*নদিয়ার মাটির নিচে 'কালো সোনা'? নতুন সরকারের কাছে তেল-গ্যাস উত্তোলনের দাবি, আশার আলো রানাঘাটে*

Bengal icon news রানাঘাট,নদিয়ার মাটির বুকেই কি লুকিয়ে রয়েছে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ? জেলাজুড়ে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। রানাঘাট ও সংলগ্ন এলাকায় পুনরায় প্রাকৃতিক গ্যাস এবং খনিজ তেলের সন্ধান শুরু করার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ওএনজিসি যদি এখানে ফের খনন কাজ শুরু করে, তবে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক চেহারা পুরোপুরি বদলে যেতে পারে।
এলাকার যে জমিতে এই প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছিল সেই জমি মালিক সাধন বিশ্বাস নতুন সরকারের কাছে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি জানান, ‘১৯৭০ সালে প্রথম এই এলাকায় প্রাকৃতিক গ্যাস ও তৈলজাত পদার্থের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সে যুগের পুরোনো পরিকাঠামো ও প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে প্রাথমিক কাজ মাঝপথেই থমকে যায়। আমার প্রায় ১২ বিঘা জমিতে এই খোঁজ পাওয়া যায়। যদি এখান থেকে বাণিজ্যিক স্তরে গ্যাস বা তেল উত্তোলন সম্ভব হয়, তবে তা সমগ্র নদিয়া  জেলার জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে আর কাজের জন্য বাইরে যেতে হবে না।’
এই সম্ভাবনাকে ঘিরে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে রাজনৈতিক মহলেও। রানাঘাট উত্তর-পশ্চিমের বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জী এই প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিগত সরকারের উদাসীনতাকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন,, ‘সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সঠিক সদিচ্ছার অভাবে এতদিন কাজ এগোয়নি।শুধু রানাঘাটই নয়, চাকদা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকাতেও মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি রয়েছে। এবার অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ড্রিলিং-এর কাজ শুরু করা হবে। যদি ওএনজিসি আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে ফের মাঠে নামে, তবে রাজ্য সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় স্তরে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।’ সব মিলিয়ে, মাটির নিচের এই সুপ্ত সম্পদকে কেন্দ্র করে এখন নদিয়ার ঘরে ঘরে নতুন এক অর্থনৈতিক বিপ্লবের স্বপ্ন বোনা শুরু হয়েছে।
গঙ্গার জল বাড়তেই ভূতনীতে বাঁধ কেটে বন্যার জল নামানোর উদ্যোগ
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/>  মালদহ:গঙ্গার জল দ্রুত হারে বাড়তে থাকায় মালদার মানিকচকের ভূতনীজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যাকবলিত বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় দুই থেকে তিন ফুট জল বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে অবশেষে প্রশাসনিক উদ্যোগে ভূতনীর দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকায় বাঁধ কেটে ফুলহার নদীপথে বন্যার জল বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হল। বাঁধ কাটার পরই দ্রুত গতিতে জল নামতে শুরু করায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বানভাসি মানুষের মধ্যে।উল্লেখ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বর বাঁধ ভেঙে ভূতনী এলাকায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই গঙ্গার জল অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকায় ভূতনীর বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেয়। ভূতনীর তিনটি অঞ্চলের মিলিয়ে দুই লক্ষাধিক মানুষ বন্যার কবলে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, কৃষিজমি-সহ বিভিন্ন এলাকা জলের তলায় চলে যায়।এই পরিস্থিতিতে বন্যার জল দ্রুত নামানোর জন্য দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকায় বাঁধ কেটে দেওয়ার দাবি উঠতে থাকে বিভিন্ন মহল থেকে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের তরফে বাঁধ কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন সকাল থেকেই জেসিবি মেশিন দিয়ে দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকায় মাটির বাঁধ কাটার কাজ শুরু হয়। মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডলের উপস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্যোগে এই কাজ সম্পন্ন করা হয়।বাঁধ কাটার পর ফুলহার নদীর দিকে জল বেরিয়ে যেতে শুরু করে। এর ফলে ভূতনীর বন্যাকবলিত একাধিক এলাকায় জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বাঁধ কেটে জল বের করে দেওয়ায় নতুন করে এলাকায় জল বাড়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে। তবে গঙ্গার জলস্তর এখনও উদ্বেগজনক থাকায় পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।
          বাঁধ কাটার কাজ শেষ হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল বলেন, সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই দিনের আলোয় বাঁধ কেটে বন্যার জল নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য বন্যাদুর্গত প্রতিটি মানুষের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া।পাশাপাশি বন্যার কারণে যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ পরিষেবা দীর্ঘসময় বিচ্ছিন্ন না থাকে, তার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানান বিধায়ক। দুর্গত মানুষের পাশে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ ও প্রশাসনিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
*খাদ্য সুরক্ষা অভিযানে হাওড়া শহরের নামী রেস্তোরাঁয় অসঙ্গতি, ১৪ দিনের 'ক্লোজার' নোটিশ*

Bengal icon news , হাওড়া: 'ফুড সেফটি উইক'-এর অঙ্গ হিসেবে সোমবার হাওড়া শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও ফুড স্টলেও অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানে একটি নামী রেস্তোরাঁয় একাধিক অসঙ্গতি নজরে আসে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। এরপর সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে ১৪ দিনের ‘ক্লোজার’ নোটিশ জারি করা হয়। হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের সচিব অনুপম চক্রবর্তী জানান, "পরিদর্শনের সময় রেস্তোরাঁটিতে বেশ কিছু নিয়ম-বহির্ভূত বিষয় নজরে আসে। সেই কারণে ডেপুটি সিএমওএইচ-২-এর তরফে ১৪ দিনের জন্য রেস্তোরাঁটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।" তিনি বলেন, "এই সময়ের মধ্যে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উন্নতি ও সংশোধন করতে হবে। এরপর ফের সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁ পরিদর্শন করা হবে। পরিদর্শনে সমস্ত নিয়ম মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত হলে এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের ছাড়পত্র পাওয়া গেলে তবেই ফের রেস্তোরাঁটি চালু করা যাবে।" খাদ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও পুর প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রসঙ্গতঃ খাদ্য সুরক্ষা বিধি মেনে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হাওড়া শহরজুড়ে চলছে প্রশাসনের অভিযান। রাজ্য সরকারের নির্দেশে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা খাদ্য সুরক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার হাওড়ার বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও খাবারের দোকানে পরিদর্শন চালায় হাওড়া পুরনিগম। এই অভিযানে বেলপোল এলাকার কাছে একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। পরিদর্শনকারীদের দাবি, রেস্তোরাঁটির রান্নাঘরে কাঁচা মুরগির মাংস, মাছ ও পনির-সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। অভিযোগ, কয়েকটি খাদ্যসামগ্রী ঢাকনাবিহীন অবস্থায় রাখা ছিল এবং প্যাকেটে প্রস্তুত ও মেয়াদ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যের লেবেলও ছিলনা। এছাড়াও ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষিত রান্না করা কাবাবের উপর ছত্রাকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর ওই সমস্ত দূষিত ও ব্যবহারের অনুপযুক্ত খাদ্যসামগ্রী নষ্ট করে দেওয়া হয়। অভিযান শেষে খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইন, ২০০৬-এর ৩২ নম্বর ধারায় রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁর লাইসেন্স ১৪ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে বলে হাওড়া পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করা হবে না। খাবার তৈরি, সংরক্ষণ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে খাদ্য সুরক্ষা বিধি না মানলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী দিনেও শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের পরিদর্শন ও অভিযান চলবে বলে জানা গিয়েছে।
ব্রাহ্মণী নদীতে স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী
Bengal icon news মারগ্রাম: ব্রাহ্মণী নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী। সোমবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমের মারগ্রাম থানার গোপালপুর গ্রামে। নিখোঁজ ছাত্রীর নাম অর্পিতা মণ্ডল। খবর ছড়িয়ে পড়তেই নদীর পাড়ে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্যদের সঙ্গে ব্রাহ্মণী নদীতে স্নান করতে নেমেছিল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অর্পিতা মণ্ডল। স্নানের সময় আচমকাই নদীর জলের স্রোতে তলিয়ে যায় সে। বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নদীতে নেমে তার খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু নদীতে বর্তমানে জল অনেকটা বেশি থাকায় এবং স্রোত থাকায় এখনও পর্যন্ত অর্পিতার কোনও সন্ধান মেলেনি।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মারগ্রাম থানার পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রশাসনের আধিকারিকরাও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে নিখোঁজ ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য তৎপরতা শুরু করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশও নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে। তবে নদীতে জল বেশি এবং স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই অর্পিতার সন্ধানে উদ্ধারকারী দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর আরও জোরদারভাবে তল্লাশি অভিযান শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে, স্কুলছাত্রী নদীতে তলিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোপালপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছেন অর্পিতার সন্ধানের আশায়।
বজ বজ কেন্দ্রীয় সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির এবারের ভাবনা ভূপালের লক্ষ্মীনারায়ণের মন্দির
রতুয়ায় দেড়শো বছরের প্রাচীন শিবমন্দির নদীগর্ভে
জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র মৌসুনী, চাষের জমির উপর চললো তুমুল মারপিট, রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ৩
<nis:link nis:type=tag nis:id=mousuniisland nis:value=mousuniisland nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=namkhana nis:value=Namkhana nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=frazerganjcoastal nis:value=frazerganjcoastal nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=policenews nis:value=PoliceNews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
Bengal icon news
মোবাইলে মোবাইলে বিপদ সংকেত, আপনার ফোন হ্যাক হলো নাতো! জানুন আসল সত্য 
<nis:link nis:type=tag nis:id=rainalert nis:value=RainAlert nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=mobilealert nis:value=mobilealert nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=todaymobilealert nis:value=todaymobilealert nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=south24pargananews nis:value=south24pargananews nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
Bengal icon news
কেরালায় কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু সাগরের পরিযায়ী শ্রমিকের 
<nis:link nis:type=tag nis:id=sagarnews nis:value=SagarNews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=sagarisland nis:value=SagarIsland nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=south24pargananews nis:value=south24pargananews nis:enabled=true nis:link/> 
<nis:link nis:type=tag nis:id=kerala nis:value=kerala nis:enabled=true nis:link/> 
Bengal icon news
*মোবাইলে মোবাইলে হঠাৎ বিকট শব্দে 'বিপৎসংকেত'! ৪ জেলায় প্রবল ঝড়বৃষ্টির চূড়ান্ত সতর্কতা, প্যানিক নয়, সতর্ক হন*

অমিত মন্ডল; দক্ষিণ 24 পরগনা:সোমবার বিকেলে হঠাৎই চমকে উঠেছেন দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ! সাধারণ মেসেজ বা রিংটোন নয়, হঠাৎই বিকট অ্যালার্মের শব্দে কেঁপে উঠছে একের পর এক মোবাইল ফোন। স্ক্রিনে ভেসে উঠছে— 'Extremely Severe Alert'বা চূড়ান্ত সতর্কতা! হঠাৎ এমন মেসেজ দেখে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। কিন্তু আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, এটি মূলত আবহাওয়া দপ্তর ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের একটি বিশেষ সতর্কবার্তা, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাঝারি থেকে প্রবল বজ্রপাত-সহ তীব্র বৃষ্টি  এবং কালবৈশাখীর মতো ঝোড়ো হাওয়া আছড়ে পড়ার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
 ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। মূলত দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম— এই ৪ জেলার বিস্তীর্ণ অংশে এই দুর্যোগের প্রভাব পড়বে।
 সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টে থেকে শুরু করে পরবর্তী ২-৩ ঘণ্টার জন্য এই চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
অনেকেই ভাবছেন ফোন হ্যাক হলো কিনা! একদমই নয়। এটি ভারত সরকারের 'সেল ব্রডকাস্টিং সিস্টেম' (Cell Broadcasting System)। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরি অবস্থায় মানুষের প্রাণ বাঁচাতে এবং দ্রুত সতর্ক করতে নির্দিষ্ট এলাকার সমস্ত চালু মোবাইল ফোনে একসঙ্গে এই ফ্ল্যাশ মেসেজ ও অ্যালার্ম পাঠানো হয়। আজ দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় আবহাওয়ার চরম অবনতির কারণেই এই মেসেজ পাঠানো হয়েছে। 
এই মেসেজ পাওয়ার পর সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যারা মাঠেঘাটে কাজ করছেন বা রাস্তায় আছেন, তাঁদের বড় গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি বা ফাঁকা জায়গা এড়িয়ে কোনো পাকা ছাদের নিচে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।
*কেরালা থেকে কফিনবন্দি হয়ে ফিরল ঘরের ছেলে! ১৪ বছর পর ভিনরাজ্যে মৃত্যু সাগরের পরিযায়ী শ্রমিকের*

অমিত মণ্ডল, সাগর:
পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে কেরালায় পাড়ি দিয়েছিলেন। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে সেখানেই চলছিল হাড়ভাঙা খাটুনি। কিন্তু আচমকাই সব শেষ! কেরালায় কাজ করতে গিয়ে অকাল মৃত্যু হলো সাগরের এক যুবকের। তাঁর নিথর দেহ গ্রামে এসে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন পরিজনরা, শোকে স্তব্ধ গোটা মনসা দ্বীপ এলাকা।

মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের নাম সুব্রত ভূঁইয়া (৩৮)। তাঁর বাড়ি সাগরের মনসা দ্বীপ এলাকায়। 
 গত প্রায় ১৪ বছর ধরে তিনি কেরালার তালেশ্বরীতে একটি ঠিকাদারি সংস্থায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে কাজ চলাকালীন আচমকাই পেট ও বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন সুব্রত। তড়িঘড়ি তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত গত ৪ সেপ্টেম্বর হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য ছিলেন সুব্রত। তাঁকে অকালে হারিয়ে আজ আক্ষরিক অর্থেই অথৈ জলে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী সুষমা ভূঁইয়াসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
গ্রামে সুব্রতর নিথর দেহ এসে পৌঁছাতেই শেষবারের মতো ঘরের ছেলেকে দেখতে ভিড় জমান গোটা গ্রামের মানুষ।
Bengal icon news ফরাক্কা:অবশেষে সচল হলো  নিউ ফরাক্কার আপ লাইন। রেল কর্তৃপক্ষের যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রথমে মালগাড়ি ট্রায়াল  এবং পরে বন্দে ভারতের গতি নিয়ন্ত্রণ রেখে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হল।
​প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর রবিবার সকাল থেকে নিউ ফারাক্কার ক্ষতিগ্রস্ত আপ লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হল। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে প্রথমে এই আপ লাইন দিয়ে একটি মালগাড়ি পার করানো হয়। এর পর তেলের ট্যাঙ্কারবাহী একটি মালগাড়ি যায়। সেই ট্রায়াল সফল হতেই ধীর গতিতে পার করানো হয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস সহ উত্তরবঙ্গগামী বিভিন্ন যাত্রীবাহী ট্রেন।
​দীর্ঘ তিন দিন আপ লাইন বন্ধ থাকায় ডাউন লাইন দিয়েই উভয়মুখী ট্রেন যাতায়াত করাচ্ছিল রেল। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছিলেন যাত্রীরা। এদিন সকাল থেকে আপ লাইনে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ করে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় বড় স্বস্তি ফিরেছে। বর্তমানে ধস এলাকায় মাটি বসে যাচ্ছে কিনা এবং ট্র্যাকিং অ্যালাইনমেন্ট ঠিক আছে কিনা, সে বিষয়ে স নজরদারি চালাচ্ছেন রেলের প্রকৌশলী ও আধিকারিকরা।
 ভূমি ধসের জেরে যে ট্র্যাকটি প্রায় দুই ফুট নিচে বসে গিয়েছিল, তা মেরামতের কাজ শনিবার রাতেই সম্পূর্ণ হয়।  নতুন করে রেললাইন বসানো, ট্যাম্পিং এবং ওভারহেড ইক্যুইপমেন্টের পরীক্ষা সফল হওয়ার পরই রাতে লাইনটি চলাচলের যোগ্য বলে ঘোষণা করা হয় পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে।
এপ্রসঙ্গে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার গীতিকা পাণ্ডে জানান, ধসে যাওয়া অংশটিকে পুরোপুরি সমতলে ফিরিয়ে এনে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করানো হয়েছে। তবে দ্রুত পরিষেবা চালুর তাগিদ থাকলেও যাত্রী সুরক্ষার সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল মেনেই আপাতত ওই অংশে 'কশন' বা নিয়ন্ত্রিত গতিতে ট্রেন চালানো হবে। পরবর্তীতে আরও ব্যালাস্ট ফেলে এবং ট্যাম্পিং করে ট্র্যাকিংয়ের স্থায়িত্ব বাড়লে স্বাভাবিক গতি ফিরবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মালদা ডিভিশন সহ পুরোটিম মিশন মোডে কাজ করেছে।
অন্যদিকে নিউ ফরাক্কার স্টেশন সুপারিন্টেন্ডেন্ট তন্ময় বিশ্বাস জানান, আপ লাইনে এখন আর চলাচলের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কারিগরি বা সুরক্ষাজনিত সমস্যা বা অসুবিধা নেই। সমস্ত ট্র্যাক ও সিগন্যালিং ব্যবস্থা পরীক্ষা করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে এবং যাত্রীরা সম্পূর্ণ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারছেন।
বাগনানে উদ্ধার সাদা কালাচ সাপ
Bengal icon news উলুবেড়িয়া: বাগনানের এক বাসিন্দার মাটির বাড়ি থেকে আবারও উদ্ধার হলো বিরল সাদা রঙের কালাচ সাপ। জানা গেছে শনিবার রাতে বাগনান ২ নং ব্লকের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জীব প্রামানিক লক্ষ্য করেন তাঁর মাটির ঘরের মেঝেতে একটি সাদা রঙের সাপ শুয়ে আছে। বিষয়টি নজরে আসার পর তিনি ও তাঁর পরিবারের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সঞ্জীববাবু তৎক্ষণাৎ ওয়াইল্ডলাইফ এনভায়রনমেন্ট সেভিয়ার ট্রাস্টের সদস্য সবুজ দোলুইকে বিষয়টি জানান। সবুজ তৎক্ষণাৎ এসে সাপটিকে একটি নিরাপদ জায়গায় আটকে ট্রাস্টের সর্প উদ্ধারকারী সদস্যদের খবর দেন। অন্যদিকে সাদা সাপ দেখবার জন্য বহু মানুষ বাড়ির সামনে ভিড় জমায়। ট্রাস্টের সদস্য চিত্রক প্রামানিক, সুমন্ত দাস ও অর্ঘ্য মল্লিক ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা এসে দেখেন সাপটি একটি তীব্র বিষধর লিউসিস্টিক কালাচ সাপ বা সাদা কালাচ সাপ। চিত্রক, সুমন্ত, অর্ঘ্য ও সবুজ সাবধানতার সঙ্গে সাদা কালাচ সাপটি উদ্ধার করে জার বন্দি করেন এবং সঞ্জীব বাবুর মাটির বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি করে দেখেন অন্য কোনো বিষধর সাপ আছে কিনা। ট্রাস্টের সদস্যরা ওই এলাকার মানুষদের সাপ সম্বন্ধে সচেতন করেন এবং বর্ষায় সাপের কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা দেন। ট্রাস্টের সদস্য চিত্রক প্রামানিক বলেন, কালাচ সাপ পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের অন্যতম তীব্র বিষধর সাপ। কিন্তু সাদা কালাচ খুব একটা দেখা যায় না। এটি একটি লিউসিস্টিক কালাচ সাপ। লিউসিজম্ একটি জেনেটিক মিউটেশন। লিউসিসটিক্ প্রানী সচরাচর দেখা যায় না। প্রাণীজগতে লিউসিজম্ এর কারনে মেলানিন এর অভাবে দেহের ত্বক, পালকের রঙ সাদা বা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। একমাত্র চোখের রঙ কালো থাকে, চোখের রঙের কোনো পরিবর্তন হয় না। অ্যালবিনো হলে চোখের রঙের ও পরিবর্তন হয়। এর আগে হাওড়া জেলায় কয়েকবার সাদা কালাচ সাপ পাওয়ার নিদর্শন রয়েছে।
থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক যোগাসন প্রতিযোগিতায় পূর্বস্থলীর পিয়ালীর সাফল্য, জিতল রৌপ্য পদক

Bengal icon news পূর্বস্থলী:পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সরডাঙ্গা গ্রামের কন্যা পিয়ালী দাস আন্তর্জাতিক মঞ্চে উজ্জ্বল করল বাংলার মুখ। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত যোগাসন স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ প্রতিযোগিতায় ৯ থেকে ১০ বছর বয়স বিভাগে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে পিয়ালী।
এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কার প্রতিযোগীদের সঙ্গে কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে নিজের অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শন করে রৌপ্য পদক জয় করে পিয়ালী। তার এই সাফল্যে খুশির হাওয়া বইছে গোটা সরডাঙ্গা গ্রাম ও পূর্বস্থলী এলাকাজুড়ে।পিয়ালী ধীতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। ছোটবেলা থেকেই যোগাসনের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। নিয়মিত অনুশীলন ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সে আন্তর্জাতিক স্তরের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মধ্যেও পরিবারের সহযোগিতা ও নিজের একাগ্রতার জোরে আজ সে এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছে।পিয়ালীর বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। আর্থিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও মেয়ের স্বপ্ন পূরণে তিনি সবসময় পাশে থেকেছেন। মেয়ের এই কৃতিত্বে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত।
পিয়ালীর এই আন্তর্জাতিক সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন মহল থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যা নেমেছে। অনেকেই মনে করছেন, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরকারি সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে পিয়ালী আরও বড় সাফল্য এনে দিতে পারবে দেশ ও রাজ্যকে।
পূর্বস্থলীর প্রত্যন্ত গ্রামের এক সাধারণ পরিবারের মেয়ের এই অসাধারণ অর্জন নিঃসন্দেহে আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
*স্বাধীনতার ৮০ বছর পর ঘুচল অন্ধকার! বিধায়কের উদ্যোগে নামখানার ৭৫ বছরের বৃদ্ধ দম্পতির ভাঙা ঘরে জ্বলল আলো* 

অমিত মণ্ডল, নামখানা:
স্বাধীনতার আট দশক পার! গোটা দেশ যখন আধুনিকতার চূড়ান্ত শিখরে, তখন নামখানার এক জরাজীর্ণ একচিলতে ঘরে হ্যারিকেনের এবং ল্যাম্পের ধোঁয়াটে আলো আর মাটির মেঝেতেই দিন কাটছিল এক বৃদ্ধ দম্পতির। অবশেষে প্রশাসনের দীর্ঘদিনের সেই বঞ্চনার অবসান ঘটল। সাগর বিধানসভার বিধায়কের উদ্যোগে ৭৫ বছরের বৃদ্ধ দম্পতির ঘরে পৌঁছালো বিদ্যুতের আলো।এই মানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল নামখানা গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণগঞ্জ এলাকা। নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী গৌর দাস এবং তাঁর স্ত্রী ৭০ বছর বয়সী কল্পনা দাস। ইন্দিরা গান্ধীর আমলে পাওয়া একচিলতে জরাজীর্ণ ঘরেই তাঁদের বাস। বছর দুয়েক আগে মানসিক ভারসাম্যহীন একমাত্র সন্তানের মৃত্যুতে তাঁরা আক্ষরিক অর্থেই নিঃস্ব হয়ে পড়েন।এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি পৌঁছালেও, অর্থাভাব এবং প্রশাসনিক উদাসীনতায় তাঁদের ঘরে মিটার বসেনি। বিদ্যুৎ তো দূর, বাড়িতে একটি শৌচালয় বা শোওয়ার খাটও ছিল না। মাটির মেঝেতেই রাত কাটাতেন এই বৃদ্ধ দম্পতি। 
এই চরম দুর্দশার কথা জানতে পারেন সাগর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। তিনি নিজে বিদ্যুৎ দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে ওই বাড়িতে নতুন মিটার বসানোর ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি নিজের উদ্যোগে ঘরে সুইচ বোর্ড, আলো, একটি নতুন খাট এবং শৌচালয় তৈরির ব্যবস্থাও করে দেন তিনি। 

বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল নিজেই ওই বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে উপস্থিত হয়ে সুইচ টিপে আলো জ্বালান। দীর্ঘ ৮০ বছর পর নিজের ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বলতে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ওই দম্পতি। 

দীর্ঘ বঞ্চনার পর অবশেষে বিধায়ক এর উদ্যোগে নামখানার নারায়ণগঞ্জের বৃদ্ধ দম্পতির অন্ধকার ঘরে জ্বললো আলো।
*বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস ও প্রতারণা: কল্যাণীতে গ্রেফতার তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা*

Bengal icon news কল্যাণী: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে সহবাস ও পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে কল্যাণী থেকে গ্রেফতার হলেন এক তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা। ধৃত নেতার নাম অঙ্কুর মজুমদার। শুক্রবার গভীর রাতে কল্যাণী থানার পুলিশ তাকে নিজস্ব বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। শনিবার কল্যাণী আদালতে পেশ করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা এক তরুণীর সঙ্গে অঙ্কুর মজুমদারের দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন ওই ছাত্রনেতা। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ে করতে বললে তিনি স্পষ্ট অস্বীকার করেন।
নির্যাতিতা তরুণীর দাবি, আগে শাসকদলের প্রভাব ও ক্ষমতার কারণে তিনি পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানাতে সাহস পাননি। সম্প্রতি রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর সাহস সঞ্চয় করে তিনি সংশ্লিষ্ট থানায় অঙ্কুরের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও সহবাসের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই কল্যাণী থানার পুলিশ তদন্তে নামে এবং শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতাকে গ্রেফতার করে। শনিবার তাঁকে কল্যাণী আদালতে তোলা হলে বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
*জল-যন্ত্রণায় বামনগাছিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ, দ্রুত নিকাশির দাবিতে সরব স্থানীয়রা*

Bengal icon news , হাওড়া: টানা ভারী বৃষ্টিতে হাওড়ার বিভিন্ন প্রান্তে জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি থামলেও জমে থাকা জল না নামায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উত্তর হাওড়ার বামনগাছি এলাকার বাসিন্দারা। জমা জল দ্রুত সরানো এবং স্থায়ী নিকাশি ব্যবস্থার দাবিতে রবিবার সকালে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বামনগাছির মহীনাথ পাড়া-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েকদিন ধরে হাঁটুর উপরে জল জমে রয়েছে। বেনারস রোডেও একই পরিস্থিতি। রাস্তা ও আশপাশের এলাকা থেকে জল সঠিকভাবে বেরতে না পারায় পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হয়ে উঠছে। দীর্ঘসময় জল জমে থাকায় সমস্যায় পড়েছেন বাসিন্দারা। এই জল-যন্ত্রণার দ্রুত অবসানের দাবিতে এদিন বামনগাছি মহীনাথ পাড়ার কাছে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয় মহিলারা-সহ এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, জমে থাকা জল দ্রুত নিষ্কাশনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য স্থায়ী নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এদিকে, অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য ওই রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পাশাপাশি বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বও সেখানে উপস্থিত হন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার পাশাপাশি প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা। দীর্ঘদিনের জল-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি না মিললে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্বরূপনগরে ইছামতীর উপর ফের ভেঙে ভেসে গেল বাঁশের সেতু, বিপাকে দুই পাড়ের কয়েক লক্ষ মানুষ 

বসিরহাট : বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের ইছামতী নদীর উপর ফের ভেঙে জলে ভেসে গেল বাঁশের সেতু। জল ও কচুরিপানার চাপে নতুন করে তৈরি করা সেতুটি ভেঙে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন টিপি ও কাটাবাগান এলাকার কয়েক লক্ষ মানুষ। দুই এলাকার সংযোগকারী এই বাঁশের সেতুটির উপর দিয়ে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রী, অসুস্থ রোগী, কৃষক ও অফিস যাত্রী সহ সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ আগস্ট ইছামতী নদীর উপর থাকা সেতুটি ভেঙে জলে ভেসে গিয়েছিল। এরপর ফের বাঁশ দিয়ে নতুন করে সেতুটি তৈরি করা হয়। কিন্তু নতুন সেতু তৈরির প্রায় দশ দিনের মধ্যেই ফের বিপত্তি। নদীর জল ও কচুরিপানার প্রবল চাপে বাঁশের সেতুটি ভেঙে নদীর জলে ভেসে চলে যায়।
সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন দুই পাড়ের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, এই সেতুর পরিবর্তে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতু তৈরির দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত সেই দাবি পূরণ হয়নি। ফলে যাতায়াতের জন্য বাঁশের সেতুর উপরই নির্ভর করতে হয় এলাকার মানুষকে। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় বিকল্প পথে প্রায় ২০ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হবে বলে দাবি স্থানীয়দের। বিশেষ করে পড়ুয়া, অসুস্থ রোগী ও কৃষকদের সমস্যাই সবচেয়ে বেশি। জরুরি প্রয়োজনে এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে দ্রুত যাতায়াত করাও কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কংক্রিটের সেতুর প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে এখনও কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। এই বিষয়ে স্বরূপনগরের চার বারের তৃণমূল বিধায়িকা বিণা মণ্ডল বলেন, “প্রস্তাব দেওয়া আছে। দেখা যাক কী হয়।” তবে কবে স্থায়ী সেতু তৈরি হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই
শিক্ষক দিবসেই অবহেলায় বিদ্যাসাগরের মূর্তি।জঙ্গলের ছবি পড়ে রইল বর্ণ পরিচয়ের স্রষ্টা 
<nis:link nis:type=tag nis:id=teachersday nis:value=teachersday nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=teacherlife nis:value=teacherlife nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=teachersfollowteachers nis:value=teachersfollowteachers nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=ishwarchandravidyasagar nis:value=IshwarChandraVidyasagar nis:enabled=true nis:link/>
<nis:link nis:type=tag nis:id=bengaliconnews nis:value=bengaliconnews nis:enabled=true nis:link/> 
Bengal icon news
প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে খুদে শ্রুতি! শিক্ষক দিবসে চমক বেলডাঙার প্রাথমিক স্কুলে

Bengal icon news মুর্শিদাবাদ :শিক্ষক দিবসে চমকে দিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ৩০ নং আন্ডিরণ প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসে স্কুল সামলালো চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী শ্রুতি মণ্ডল!

শিক্ষক দিবস উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ নেন প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ দত্ত। একদিনের জন্য নিজের চেয়ার ছেড়ে দেন পড়ুয়াদের হাতে। চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ১২ জন খুদে পড়ুয়া হয়ে ওঠে একদিনের শিক্ষক। শ্রুতি মণ্ডল হয় প্রধান শিক্ষক, আর আকাশ দাস হয় সহকারী প্রধান শিক্ষক। বাকিরা ভাগ করে নেয় বিভিন্ন ক্লাসের দায়িত্ব।

শুধু চেয়ারে বসাই নয়, রীতিমতো বাস্তব দায়িত্ব পালন করে খুদেরা। ঘণ্টা দেওয়া, রোলকল, স্টাফরুমে মিটিং করে ক্লাস পরিচালনার পরিকল্পনা - সবই করে তারা। প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানও করে খুদে শিক্ষকরা। সকালে প্রার্থনা সভা, বাণীপাঠ, জাতীয় সংগীত, শপথ বাক্য পাঠ - সবকিছুর নেতৃত্বে ছিল তারাই।

এদিন ছিল আরও একটি মজার শিক্ষা - 'বেলুনে লুকিয়ে থাকা জীবনের পাঠ'। প্রথমে সবাইকে নিজের নাম লেখা বেলুন খুঁজতে বলা হয়, কেউ খুঁজে পায় না। পরে বলা হয়, হাতের বেলুনটি যার নামে, তাকে দিয়ে দিতে। একে অপরকে সাহায্য করতেই সবাই নিজের বেলুন ফিরে পায়। এভাবেই শিশুদের সহযোগিতার পাঠ শেখানো হয়।

পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাচ, আবৃত্তি পরিবেশন করে কিংশুক, অনুরাগ, অঙ্কুশ, তোর্ষা, তিথি, আর্য, শ্রেয়া, সাওনিরা। বিভিন্ন ভাষায় শিক্ষকদের 'নমস্কার' জানায় পড়ুয়ারা।

প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ দত্ত বলেন, "শিক্ষক দিবসকে শুধু অনুষ্ঠানের মধ্যে না রেখে শিশুদের মধ্যে নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ।"

দিনের শেষে শিক্ষকদের হাতে স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং সেপ্টেম্বরে যে সমস্ত পড়ুয়াদের জন্মদিন তাদের কেক কেটে জন্মদিন পালন করা হয়।
কৌশিকী অমাবস্যার আগে রামপুরহাটে অগ্নি-নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, হোটেল-লজ মালিকদের হাতে-কলমে শিক্ষা দমকলের
Bengal icon news  রামপুরহাট: কৌশিকী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে তারাপীঠে যখন জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে, তখন পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের নিরাপত্তায় অগ্নি-নিরাপত্তার উপর বিশেষ জোর দিল প্রশাসন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে রামপুরহাটের রক্তকরবী মঞ্চে দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে আয়োজিত হল অগ্নি-নিরাপত্তা ও অগ্নি-দুর্ঘটনা প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতা এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
তারাপীঠের বিভিন্ন হোটেল, লজ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক, রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা, তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ প্রশাসন, পুলিশ, দমকল এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা।
কৌশিকী অমাবস্যার সময় তারাপীঠে পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের ভিড় কয়েক গুণ বেড়ে যায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপুল সংখ্যক মানুষের থাকার ব্যবস্থা হয় হোটেল ও লজগুলিতে। ফলে এই সময় অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা ঘটলে যাতে তা বড় আকার না নেয়, সেজন্য আগেভাগেই হোটেল-লজের মালিক ও কর্মীদের প্রশিক্ষিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আগুন লাগার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত ও শান্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে, কীভাবে নিরাপদে অতিথিদের বের করে আনতে হবে এবং কোন পরিস্থিতিতে দ্রুত দমকলকে খবর দিতে হবে—তা বিস্তারিতভাবে বোঝানো হয়। পাশাপাশি ফায়ার এক্সটিংগুইশার কীভাবে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয়, দমকল কর্মীদের পক্ষ থেকে তার হাতে-কলমে প্রদর্শন করা হয়।
হোটেল ও লজগুলিতে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সচল রাখা, জরুরি বহির্গমন পথ খোলা রাখা, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও রান্নাঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কর্মীদের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা থাকলেই হবে না, জরুরি মুহূর্তে সেটি কীভাবে ব্যবহার করতে হয়, সেই প্রশিক্ষণও থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে কৌশিকী অমাবস্যার মতো বড় উৎসবের সময় বিপুল মানুষের সমাগমে সামান্য অসাবধানতাও বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।
প্রশাসন, পুলিশ, দমকল এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কৌশিকী অমাবস্যার আগে এমন সচেতনতা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ তারাপীঠে আগত পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।
প্রশাসনের বার্তা স্পষ্ট—দুর্ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতা, প্রশিক্ষণ এবং দ্রুত পদক্ষেপই পারে বড় বিপদ এড়াতে।
শিক্ষক দিবসেই অবহেলায় বিদ্যাসাগরের মূর্তি! জঙ্গলের ঝোপে পড়ে বর্ণপরিচয় স্রষ্টা
যে মেয়ের বাবা-মা জানেনই না ‘হার্ভার্ড’ কোথায়, সেই মেয়েই আজ হার্ভার্ডের ছাত্রী! 

ঝাড়খণ্ডের এক প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ পরিবারের মেয়ে সীমা কুমারী।
আজ তাঁর পরিচয়—তিনি বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় হার্ভার্ডে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করছেন! 

কিন্তু এই গল্পটা শুধুই হার্ভার্ডে পৌঁছানোর গল্প নয়।
এটা একটি ছোট্ট গ্রামের মেয়ের বড় স্বপ্ন দেখার গল্প।

মাত্র ৯ বছর বয়সে ফুটবলে যোগ দিয়েছিলেন সীমা। 

সেই ফুটবলই তাঁকে প্রথম গ্রামের গণ্ডি পেরোতে সাহায্য করে।
জাতীয় স্তর থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ—একটার পর একটা সুযোগ এসেছে, আর সীমাও কোনও সুযোগকে হাতছাড়া করেননি।

কিন্তু তিনি শুধু ফুটবল খেলেননি।
পড়াশোনাকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে গেছেন।

সিয়াটেলে উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা, কেমব্রিজ ও ওয়াশিংটনের সামার প্রোগ্রাম—ধীরে ধীরে তাঁর সামনে খুলতে থাকে পৃথিবীর বড় বড় শিক্ষার দরজা।

একজন শিক্ষক তাঁকে বলেছিলেন হার্ভার্ডের স্বপ্ন দেখতে।

আর সেই স্বপ্নকে বাস্তব করার জন্য সীমা করেছেন পরিশ্রম।
এসেছে স্কলারশিপ।
এসেছে নতুন সুযোগ।
আর একদিন সত্যিই তাঁর নাম উঠেছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের তালিকায়। 

সবচেয়ে অবাক করার বিষয়?

সীমার বাবা-মা অত্যন্ত সাধারণ মানুষ।
হার্ভার্ড কোথায়, ‘আইভি লিগ’ কী—এসবের হয়তো বিস্তারিত ধারণাও তাঁদের নেই।

কিন্তু তাঁরা জানতেন একটি কথা—
“আমাদের মেয়ের স্বপ্নকে থামানো যাবে না।” 

আজ সীমা কুমারী শুধু নিজের পরিবারের গর্ব নন।
তিনি ঝাড়খণ্ডের সেই ছোট্ট গ্রামের গর্ব।
তিনি প্রমাণ করেছেন—
প্রতিভার জন্মস্থান বড় শহর হওয়া জরুরি নয়।
বড় স্বপ্ন দেখার জন্য বড় বাড়ি লাগে না।
আর সুযোগ পেলে গ্রামের মেয়েরাও বিশ্বজয় করতে পারে। 

হয়তো আজ সীমার গল্প পড়ে কোনও প্রত্যন্ত গ্রামের আরেকটি মেয়ে মনে মনে বলছে—
“আমিও পারব!”
আর সেখানেই সীমা কুমারীর আসল জয়। 
একটি সুযোগ, একটি স্বপ্ন আর অদম্য পরিশ্রম—জীবন বদলে দেওয়ার জন্য কখনও কখনও এতটুকুই যথেষ্ট। 

<nis:link nis:type=tag nis:id=সীমাকুমারী nis:value=সীমাকুমারী nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=harvard nis:value=Harvard nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=jharkhand nis:value=Jharkhand nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=inspiration nis:value=Inspiration nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=dreambig nis:value=DreamBig nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=womenpower nis:value=WomenPower nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=education nis:value=Education nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=football nis:value=Football nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=successstory nis:value=SuccessStory nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=inspiringindia nis:value=InspiringIndia nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=nevergiveup nis:value=NeverGiveUp nis:enabled=true nis:link/>
*হাওড়ায় বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের কারবারে পুলিশের হানা, উদ্ধার ৩টি পিস্তল-সহ গুলি*

Bengal icon news হাওড়া: বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের কারবারের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল হাওড়া সিটি পুলিশ। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর গোলাবাড়ি থানার পাঞ্জাব লাইন এলাকার ২৪/১ বাসস্ট্যান্ডের কাছে অভিযান চালান হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা। গোয়েন্দা পুলিশের ওই অভিযানে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে তিনটি ইমপ্রোভাইজড দেশী সেমি-অটোমেটিক পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন এবং ১৮ রাউন্ড জীবন্ত কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া পিস্তলগুলি লোহার তৈরি এবং প্রতিটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ সেন্টিমিটার। কার্তুজগুলির পারকাশন ক্যাপে ‘KF 7.65’ লেখা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ধৃতেরা হলো মহম্মদ আহসান ইউসুফ (৩৮) এবং আবুল হাসান ওরফে নাটা (৪৫)। দু’জনেরই বাড়ি হাওড়ার গোলাবাড়ি থানা এলাকায় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনার পর গোলাবাড়ি থানায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তার তদন্ত চলছে।
মহিষাদলে ঝিলের জলে পড়ে নিখোঁজ নবম শ্রেণির ছাত্র

মহিষাদল:খেলতে খেলতে বল কুড়োতে গিয়ে মাঠের পাশে গভীর ঝিলের জলে তলিয়ে গেল এক ছাত্র। নিখোঁজ ছাত্রের নাম রোহন মাইতি। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চন্ডীপুরে। জানা গিয়েছে, মহিষাদলের একটি বেসরকারি স্কুলে নবম শ্রেণির ছাত্র রোহন বৃহস্পতিবার বিকেলে মহিষাদলের রাজ গ্রাউন্ডে সহপাঠীদের সঙ্গে ফুটবল খেলছিল। হঠাৎ করে বল ঝিলের জলে পড়ে যাওয়ায় বল কুড়োতে গিয়েই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এরপর নিখোঁজ ছাত্রের খোঁজে ঝিলে জাল ফেলে তল্লাশি চালালো হয়। খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্থানীয় বিধায়ক ও বিডিওকে ফোন করে নিখোঁজ ছাত্রের খোঁজ নেন। ডুবুরির পাশাপাশি বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা নিখোঁজ ছাত্রের খোঁজে ঝিলে দীর্ঘসময় ধরে তল্লাশি চালাচ্ছেন। উৎকন্ঠা নিয়ে ঝিলের পাশে ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। দীর্ঘ ৩-৪ ঘন্টা ফেরি পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ ছাত্রের খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, 'রোহন পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবল খেলতে খুব ভালোবাসতো। কিন্ত সাঁতার না জানায় বিপত্তি ঘটেছে।' হলদিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিবেক কুমার ভর্মা বলেন, 'নিখোঁজ ছাত্রের খোঁজ এনডিআরএফ নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।'