Public App Logo
Jansamasya
News
Maharashtra
Bjp
National
Police
Bihar
India
चोरी
Gujarat
Accident
Congress
Modi
Delhi
Viral
पेट्रोल
Up
Rajasthan
Bollywood
Breakingnews
Narendramodi
Madhya_pradesh
Mp
Pmmodi
Rahulgandhi
Chhattisgarh
Uttarpradesh
Haryana
Cricket
महाराष्ट्र

খোয়াই এর কারগিল টিলা এলাকাতে গাড়ি দিয়ে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে খোয়াই থানার পুলিশে জলে আটক গাঁজাসহ গাড়ি ও এক গাঁজা পাচার কারি। আজ রবিবার বেলা দুইটা নাগাদ খোয়াই থানার অন্তর্গত হাত কাটা যাওয়ার পথে কারগিলা টিলা সংলগ্ন এলাকা থেকে টি আর 04 সি ২৮৯৮ নম্বরে হাই স্পিড টমটমে করে গাজা পাচার করার সময় পুলিশের জালে আটক । ঘটনার বিবরণে খোয়াই থানার ওসি কৃষ্ণ ধন সরকার জানান আজ পুলিশ গোপন খবরের ভিত্তিতে চল্লিশ কেজি গাঁজা সহ এক গাঁজা পাচারকারীকে পুলিশ আটক করেব ন।। গাজা গুলির কালোবাজারি মূল্য ৬ লক্ষ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছেন। তবে পুলিশ আরো জানান গাড়িতে দুইজন থাকলেও একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তবে বিভিন্ন মহলের বক্তব্য তাহলে কি গাঁজা পাচারকারী চক্রের পান্ডারা এখন মূল সড়ক ছেড়ে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ছোট ছোট গলি রাস্তা ধরে কৌশলে পাচার বাণিজ্যে চালাচ্ছে। যদি পরবর্তীতে অবৈধ গাজা গুলি এবং পাচারকারী এবং গাড়িটি বাজার তো করে থানায় নিয়ে যান।

Amarpur, Gomati | Jul 6, 2026

MORE NEWS

উদয়পুরে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে আটক হলেন আগরতলার ৪ থেকে ৫ জন যুবক। জানা যায়, তারা মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে পুজো দিয়ে ফেরার পথে সোনামুড়া চৌমুহনী এলাকায় পৌঁছালে পিছনে থাকা উদয়পুর অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের একটি জরুরি পরিষেবার গাড়িকে সাইড না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ধীরগতিতে চালাতে থাকেন। বিষয়টি অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা রমেশ চৌমুহনীর ট্রাফিক পুলিশকে জানালে গাড়িটি আটকানো হয়। পরে -র পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

উদয়পুরে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে আটক হলেন আগরতলার ৪ থেকে ৫ জন যুবক। জানা যায়, তারা মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে পুজো দিয়ে ফেরার পথে সোনামুড়া চৌমুহনী এলাকায় পৌঁছালে পিছনে থাকা উদয়পুর অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের একটি জরুরি পরিষেবার গাড়িকে সাইড না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ধীরগতিতে চালাতে থাকেন। বিষয়টি অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা রমেশ চৌমুহনীর ট্রাফিক পুলিশকে জানালে গাড়িটি আটকানো হয়। পরে -র পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Amarpur, Gomati | Jul 6, 2026

উদয়পুর রেল স্টেশনে প্রায় ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করল উদয়পুর জিআরপি থানার পুলিশ।

উদয়পুর রেল স্টেশনে প্রায় ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করল উদয়পুর জিআরপি থানার পুলিশ।

Amarpur, Gomati | Jul 6, 2026

দীর্ঘ বছর ধরে বেহাল রাস্তায় পরিণত হয়ে রয়েছিল পশ্চিম খিলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত তিন নং ওয়ার্ড এলাকার রাস্তাঘাট। এলাকাবাসীরা বৃষ্টির সময় সেই কাদা নর্দমার জল দিয়ে পারাপার করতে হতো। অবশেষে এলাকাবাসীর অনুরোধে পশ্চিম খিলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিমন মিয়া মিদ্ধা এবং এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়ের তৎপরতায় সেই রাস্তার কাজে অবশেষে হাত দেয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এই নিয়ে এলাকার প্রধান সহ এলাকার বিধায়ককে ধন্যবাদ জানান খিলপাড়া এলাকার জনগণ।

দীর্ঘ বছর ধরে বেহাল রাস্তায় পরিণত হয়ে রয়েছিল পশ্চিম খিলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত তিন নং ওয়ার্ড এলাকার রাস্তাঘাট। এলাকাবাসীরা বৃষ্টির সময় সেই কাদা নর্দমার জল দিয়ে পারাপার করতে হতো। অবশেষে এলাকাবাসীর অনুরোধে পশ্চিম খিলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিমন মিয়া মিদ্ধা এবং এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়ের তৎপরতায় সেই রাস্তার কাজে অবশেষে হাত দেয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এই নিয়ে এলাকার প্রধান সহ এলাকার বিধায়ককে ধন্যবাদ জানান খিলপাড়া এলাকার জনগণ।

Amarpur, Gomati | Jul 3, 2026

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদয়পুরের মাতাবাড়ি রামঠাকুর আশ্রম সংলগ্ন কল্যাণ সাগরের পূর্ব পাড়ে সমাপ্ত হলো তিন দিনব্যাপী বিশেষ ধর্মীয় উৎসব। ‘শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম ট্রাস্ট’-এর উদ্যোগে গত ১লা জুলাই থেকে শুরু হওয়া ‘ভূমি পূজা’ ও ‘শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম’ গুরুকূল প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
উৎসবে শুক্রবার সমাপনী দিনে এক ভক্তিঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এদিন সকাল থেকেই মূল আকর্ষণ ছিল ১০৮ কন্যাকুমারী পূজা। শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে কন্যাকুমারীদের চরণ ধুয়ে এবং তাদের হাতে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দিয়ে আশীর্বাদ নেন উপস্থিত অতিথিরা। কন্যাকুমারী পূজার এই পবিত্র পর্বে শামিল হন স্থানীয় বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম ট্রাস্টের প্রধান অধ্যক্ষ পূজ্য গুরুজি আচার্য শঙ্কর জী সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা।
কন্যাকুমারী পূজার পর এক বর্ণাঢ্য ‘কলস যাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়। এই কলস যাত্রায় স্থানীয় মহিলাদের পাশাপাশি পা মেলান বিশিষ্ট সমাজসেবী সবিতা নাগ ও এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। এরপর বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও যজ্ঞের মধ্য দিয়ে ভূমি পূজার মূল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
দুপুরের পর প্রস্তাবিত গুরুকূল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিলান্যাস এবং ‘ধন্য মাণিক্য মুক্ত মঞ্চে’ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, বিধায়কা কল্যাণী রায়, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি সুজন সেন এবং মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শিল্পী দাস। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টের প্রধান অধ্যক্ষ পূজ্য গুরুজি আচার্য শঙ্কর জী এবং ভারতের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তথা সংস্কার ভারতীর চেয়ারম্যান ডঃ হেমলতা এস মোহন।
অনুষ্ঠান মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আমাদের সনাতন সংস্কৃতির বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায় দীক্ষিত করার ক্ষেত্রে এই গুরুকূল এক অনন্য ভূমিকা পালন করবে। ত্রিপুরার পর্যটন ও ধর্মীয় মানচিত্রে এই প্রকল্প এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টের প্রধান অধ্যক্ষ পূজ্য গুরুজি আচার্য শঙ্কর জী বলেন, শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরীর অশেষ কৃপায় মাতাবাড়ির পবিত্র ভূমিতে ‘শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম’-এর গুরুকুল প্রতিষ্ঠার ভূমি পূজা শুভ সূচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি আশ্রম নির্মাণ নয়; বরং সনাতন ধর্ম, সাধনা, সেবা, সংস্কার এবং ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণের এক সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ। এই সিদ্ধ পীঠমকে এমন একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যেখানে ভক্তি, জ্ঞান, সেবা এবং ভারতীয় সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ একসূত্রে গাঁথা থাকবে। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ এখানে সমান মর্যাদা ও আন্তরিকতার সঙ্গে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পীঠম প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্যগুলির মধ্যে রয়েছে— শ্রীবিদ্যা সাধনা ও দেবী উপাসনার কেন্দ্র গড়ে তোলা, বেদ-উপনিষদ ও শাস্ত্রচর্চার মাধ্যমে ভারতীয় জ্ঞান-পরম্পরার প্রসার, যুবসমাজের নৈতিক চরিত্র গঠন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা, পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করা।
 গুরুজি আরো বলেন, “মায়ের কৃপা সকলের জন্য সমান”—এই আদর্শকে সামনে রেখে জাতি, জনজাতি, ভাষা, বর্ণ বা আর্থিক অবস্থার ভেদাভেদ ছাড়াই সকলকে সমান মর্যাদায় গ্রহণ করা হবে। বিশেষ করে জনজাতি সমাজের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও মাতৃশক্তির প্রতি তাদের ভক্তিকে সনাতন সংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সাধু-সন্ত, ভক্তমহল এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সমাপনী দিনে গুরুকূল প্রতিষ্ঠার এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপস্থিত সকলেই।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদয়পুরের মাতাবাড়ি রামঠাকুর আশ্রম সংলগ্ন কল্যাণ সাগরের পূর্ব পাড়ে সমাপ্ত হলো তিন দিনব্যাপী বিশেষ ধর্মীয় উৎসব। ‘শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম ট্রাস্ট’-এর উদ্যোগে গত ১লা জুলাই থেকে শুরু হওয়া ‘ভূমি পূজা’ ও ‘শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম’ গুরুকূল প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। উৎসবে শুক্রবার সমাপনী দিনে এক ভক্তিঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এদিন সকাল থেকেই মূল আকর্ষণ ছিল ১০৮ কন্যাকুমারী পূজা। শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে কন্যাকুমারীদের চরণ ধুয়ে এবং তাদের হাতে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দিয়ে আশীর্বাদ নেন উপস্থিত অতিথিরা। কন্যাকুমারী পূজার এই পবিত্র পর্বে শামিল হন স্থানীয় বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম ট্রাস্টের প্রধান অধ্যক্ষ পূজ্য গুরুজি আচার্য শঙ্কর জী সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা। কন্যাকুমারী পূজার পর এক বর্ণাঢ্য ‘কলস যাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়। এই কলস যাত্রায় স্থানীয় মহিলাদের পাশাপাশি পা মেলান বিশিষ্ট সমাজসেবী সবিতা নাগ ও এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। এরপর বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও যজ্ঞের মধ্য দিয়ে ভূমি পূজার মূল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দুপুরের পর প্রস্তাবিত গুরুকূল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিলান্যাস এবং ‘ধন্য মাণিক্য মুক্ত মঞ্চে’ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, বিধায়কা কল্যাণী রায়, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি সুজন সেন এবং মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শিল্পী দাস। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টের প্রধান অধ্যক্ষ পূজ্য গুরুজি আচার্য শঙ্কর জী এবং ভারতের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তথা সংস্কার ভারতীর চেয়ারম্যান ডঃ হেমলতা এস মোহন। অনুষ্ঠান মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আমাদের সনাতন সংস্কৃতির বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায় দীক্ষিত করার ক্ষেত্রে এই গুরুকূল এক অনন্য ভূমিকা পালন করবে। ত্রিপুরার পর্যটন ও ধর্মীয় মানচিত্রে এই প্রকল্প এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টের প্রধান অধ্যক্ষ পূজ্য গুরুজি আচার্য শঙ্কর জী বলেন, শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরীর অশেষ কৃপায় মাতাবাড়ির পবিত্র ভূমিতে ‘শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম’-এর গুরুকুল প্রতিষ্ঠার ভূমি পূজা শুভ সূচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি আশ্রম নির্মাণ নয়; বরং সনাতন ধর্ম, সাধনা, সেবা, সংস্কার এবং ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণের এক সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ। এই সিদ্ধ পীঠমকে এমন একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যেখানে ভক্তি, জ্ঞান, সেবা এবং ভারতীয় সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ একসূত্রে গাঁথা থাকবে। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ এখানে সমান মর্যাদা ও আন্তরিকতার সঙ্গে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পীঠম প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্যগুলির মধ্যে রয়েছে— শ্রীবিদ্যা সাধনা ও দেবী উপাসনার কেন্দ্র গড়ে তোলা, বেদ-উপনিষদ ও শাস্ত্রচর্চার মাধ্যমে ভারতীয় জ্ঞান-পরম্পরার প্রসার, যুবসমাজের নৈতিক চরিত্র গঠন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা, পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করা। গুরুজি আরো বলেন, “মায়ের কৃপা সকলের জন্য সমান”—এই আদর্শকে সামনে রেখে জাতি, জনজাতি, ভাষা, বর্ণ বা আর্থিক অবস্থার ভেদাভেদ ছাড়াই সকলকে সমান মর্যাদায় গ্রহণ করা হবে। বিশেষ করে জনজাতি সমাজের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও মাতৃশক্তির প্রতি তাদের ভক্তিকে সনাতন সংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সাধু-সন্ত, ভক্তমহল এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সমাপনী দিনে গুরুকূল প্রতিষ্ঠার এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপস্থিত সকলেই।

Amarpur, Gomati | Jul 3, 2026