Public App Logo
Jansamasya
News
Maharashtra
Bjp
National
Police
Bihar
India
चोरी
बीजेपी
Uttar_pradesh
Gujarat
Accident
Congress
Modi
Delhi
Viral
पेट्रोल
Up
Bollywood
Breakingnews
Narendramodi
Madhya_pradesh
Mp
Pmmodi
Telangana
Rahulgandhi
Chhattisgarh
Uttarpradesh
Haryana

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদয়পুরের মাতাবাড়ি রামঠাকুর আশ্রম সংলগ্ন কল্যাণ সাগরের পূর্ব পাড়ে সমাপ্ত হলো তিন দিনব্যাপী বিশেষ ধর্মীয় উৎসব। ‘শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম ট্রাস্ট’-এর উদ্যোগে গত ১লা জুলাই থেকে শুরু হওয়া ‘ভূমি পূজা’ ও ‘শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম’ গুরুকূল প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। উৎসবে শুক্রবার সমাপনী দিনে এক ভক্তিঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এদিন সকাল থেকেই মূল আকর্ষণ ছিল ১০৮ কন্যাকুমারী পূজা। শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে কন্যাকুমারীদের চরণ ধুয়ে এবং তাদের হাতে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দিয়ে আশীর্বাদ নেন উপস্থিত অতিথিরা। কন্যাকুমারী পূজার এই পবিত্র পর্বে শামিল হন স্থানীয় বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম ট্রাস্টের প্রধান অধ্যক্ষ পূজ্য গুরুজি আচার্য শঙ্কর জী সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা। কন্যাকুমারী পূজার পর এক বর্ণাঢ্য ‘কলস যাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়। এই কলস যাত্রায় স্থানীয় মহিলাদের পাশাপাশি পা মেলান বিশিষ্ট সমাজসেবী সবিতা নাগ ও এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। এরপর বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও যজ্ঞের মধ্য দিয়ে ভূমি পূজার মূল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দুপুরের পর প্রস্তাবিত গুরুকূল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিলান্যাস এবং ‘ধন্য মাণিক্য মুক্ত মঞ্চে’ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, বিধায়কা কল্যাণী রায়, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি সুজন সেন এবং মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শিল্পী দাস। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টের প্রধান অধ্যক্ষ পূজ্য গুরুজি আচার্য শঙ্কর জী এবং ভারতের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তথা সংস্কার ভারতীর চেয়ারম্যান ডঃ হেমলতা এস মোহন। অনুষ্ঠান মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আমাদের সনাতন সংস্কৃতির বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায় দীক্ষিত করার ক্ষেত্রে এই গুরুকূল এক অনন্য ভূমিকা পালন করবে। ত্রিপুরার পর্যটন ও ধর্মীয় মানচিত্রে এই প্রকল্প এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টের প্রধান অধ্যক্ষ পূজ্য গুরুজি আচার্য শঙ্কর জী বলেন, শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরীর অশেষ কৃপায় মাতাবাড়ির পবিত্র ভূমিতে ‘শ্রী মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী সিদ্ধ পীঠম’-এর গুরুকুল প্রতিষ্ঠার ভূমি পূজা শুভ সূচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি আশ্রম নির্মাণ নয়; বরং সনাতন ধর্ম, সাধনা, সেবা, সংস্কার এবং ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণের এক সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ। এই সিদ্ধ পীঠমকে এমন একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যেখানে ভক্তি, জ্ঞান, সেবা এবং ভারতীয় সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ একসূত্রে গাঁথা থাকবে। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ এখানে সমান মর্যাদা ও আন্তরিকতার সঙ্গে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পীঠম প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্যগুলির মধ্যে রয়েছে— শ্রীবিদ্যা সাধনা ও দেবী উপাসনার কেন্দ্র গড়ে তোলা, বেদ-উপনিষদ ও শাস্ত্রচর্চার মাধ্যমে ভারতীয় জ্ঞান-পরম্পরার প্রসার, যুবসমাজের নৈতিক চরিত্র গঠন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা, পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করা। গুরুজি আরো বলেন, “মায়ের কৃপা সকলের জন্য সমান”—এই আদর্শকে সামনে রেখে জাতি, জনজাতি, ভাষা, বর্ণ বা আর্থিক অবস্থার ভেদাভেদ ছাড়াই সকলকে সমান মর্যাদায় গ্রহণ করা হবে। বিশেষ করে জনজাতি সমাজের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও মাতৃশক্তির প্রতি তাদের ভক্তিকে সনাতন সংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সাধু-সন্ত, ভক্তমহল এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সমাপনী দিনে গুরুকূল প্রতিষ্ঠার এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপস্থিত সকলেই।

Amarpur, Gomati | Jul 3, 2026

MORE NEWS

দীর্ঘ বছর ধরে বেহাল রাস্তায় পরিণত হয়ে রয়েছিল পশ্চিম খিলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত তিন নং ওয়ার্ড এলাকার রাস্তাঘাট। এলাকাবাসীরা বৃষ্টির সময় সেই কাদা নর্দমার জল দিয়ে পারাপার করতে হতো। অবশেষে এলাকাবাসীর অনুরোধে পশ্চিম খিলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিমন মিয়া মিদ্ধা এবং এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়ের তৎপরতায় সেই রাস্তার কাজে অবশেষে হাত দেয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এই নিয়ে এলাকার প্রধান সহ এলাকার বিধায়ককে ধন্যবাদ জানান খিলপাড়া এলাকার জনগণ।

দীর্ঘ বছর ধরে বেহাল রাস্তায় পরিণত হয়ে রয়েছিল পশ্চিম খিলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত তিন নং ওয়ার্ড এলাকার রাস্তাঘাট। এলাকাবাসীরা বৃষ্টির সময় সেই কাদা নর্দমার জল দিয়ে পারাপার করতে হতো। অবশেষে এলাকাবাসীর অনুরোধে পশ্চিম খিলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিমন মিয়া মিদ্ধা এবং এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়ের তৎপরতায় সেই রাস্তার কাজে অবশেষে হাত দেয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এই নিয়ে এলাকার প্রধান সহ এলাকার বিধায়ককে ধন্যবাদ জানান খিলপাড়া এলাকার জনগণ।

Amarpur, Gomati | Jul 3, 2026

৩০ বাগমা মন্ডল সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে এক সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সংগঠনের আগামী দিনের কর্মসূচি, বুথ স্তরে জনসংযোগ বৃদ্ধি এবং মোদী সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও রূপরেখা তৈরি করা হয়। বৈঠকে মন্ডল ও মোর্চার প্রথম সারির নেতৃত্ব ও কার্যকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৩০ বাগমা মন্ডল সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে এক সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সংগঠনের আগামী দিনের কর্মসূচি, বুথ স্তরে জনসংযোগ বৃদ্ধি এবং মোদী সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও রূপরেখা তৈরি করা হয়। বৈঠকে মন্ডল ও মোর্চার প্রথম সারির নেতৃত্ব ও কার্যকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Amarpur, Gomati | Jul 2, 2026

Amarpur, Gomati | Jul 2, 2026

কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘ভিবি-জি রাম জি’ প্রকল্পের অধীনে গ্রামীণ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সারা দেশে মনরেগার পরিবর্তে কার্যকর নতুন কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বৃদ্ধি করে ৩০০ টাকা করা হয়েছে এবং কাজের মেয়াদ ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিনে উন্নীত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ত্রিপুরা রাজ্যেও কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে জেলা ভিত্তিক জনসম্মেলন ও লঞ্চিং প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার গোমতী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উদয়পুরের রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে ‘জেলা ভিত্তিক জন সম্মেলন-কাম-লঞ্চিং প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে “বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার এবং আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)” প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা বিধানসভার স্পিকার রামপদ জমাতিয়া। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিটিএডিসির শিক্ষা দপ্তরের ইএম চন্দ্র কুমার জমাতিয়া, কাকরাবন-শালগড়া কেন্দ্রের বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, করবুক কেন্দ্রের বিধায়ক সঞ্জয় মানিক ত্রিপুরা, অম্পি কেন্দ্রের বিধায়ক পাঠান লাল জমাতিয়া, গোমতী জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি সুজন সেন, ত্রিপুরা সরকারের গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তরের আন্ডার সেক্রেটারি ড. অনিমেষ দেববর্মা, গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ আচার্য্য, অতিরিক্ত জেলাশাসক সঞ্জিত দেববর্মা সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার।
এদিন ‘ভিবি-জি রাম জি আইন, ২০২৫’-এর জাতীয় উদ্বোধন উপলক্ষে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলার ওবুলাভারিপল্লে মণ্ডলের মুক্কাভারিপল্লে গ্রামে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানের সরাসরি ভিডিও সম্প্রচারও দেখানো হয়। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু। রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে উপস্থিত অতিথি ও সাধারণ মানুষ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।
ভিডিও কনফারেন্স শেষে রামপদ জমাতিয়া জানান, এই আইন কার্যকর করার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার প্রশাসনিক, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ গ্রামে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, টেকসই সম্পদ গঠনে গতি আনবে এবং নারী ক্ষমতায়নকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি আত্মনির্ভর ও উন্নত গ্রামীণ ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দেশের নাগরিকদের উন্নত, সক্ষম ও আত্মনির্ভর গ্রাম গঠনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
সার্বিকভাবে এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ গোমতী জেলার সামগ্রিক উন্নয়নে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘ভিবি-জি রাম জি’ প্রকল্পের অধীনে গ্রামীণ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সারা দেশে মনরেগার পরিবর্তে কার্যকর নতুন কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বৃদ্ধি করে ৩০০ টাকা করা হয়েছে এবং কাজের মেয়াদ ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিনে উন্নীত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ত্রিপুরা রাজ্যেও কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে জেলা ভিত্তিক জনসম্মেলন ও লঞ্চিং প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার গোমতী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উদয়পুরের রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে ‘জেলা ভিত্তিক জন সম্মেলন-কাম-লঞ্চিং প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে “বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার এবং আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)” প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা বিধানসভার স্পিকার রামপদ জমাতিয়া। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিটিএডিসির শিক্ষা দপ্তরের ইএম চন্দ্র কুমার জমাতিয়া, কাকরাবন-শালগড়া কেন্দ্রের বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, করবুক কেন্দ্রের বিধায়ক সঞ্জয় মানিক ত্রিপুরা, অম্পি কেন্দ্রের বিধায়ক পাঠান লাল জমাতিয়া, গোমতী জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি সুজন সেন, ত্রিপুরা সরকারের গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তরের আন্ডার সেক্রেটারি ড. অনিমেষ দেববর্মা, গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ আচার্য্য, অতিরিক্ত জেলাশাসক সঞ্জিত দেববর্মা সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার। এদিন ‘ভিবি-জি রাম জি আইন, ২০২৫’-এর জাতীয় উদ্বোধন উপলক্ষে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলার ওবুলাভারিপল্লে মণ্ডলের মুক্কাভারিপল্লে গ্রামে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানের সরাসরি ভিডিও সম্প্রচারও দেখানো হয়। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু। রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে উপস্থিত অতিথি ও সাধারণ মানুষ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। ভিডিও কনফারেন্স শেষে রামপদ জমাতিয়া জানান, এই আইন কার্যকর করার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার প্রশাসনিক, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ গ্রামে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, টেকসই সম্পদ গঠনে গতি আনবে এবং নারী ক্ষমতায়নকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি আত্মনির্ভর ও উন্নত গ্রামীণ ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দেশের নাগরিকদের উন্নত, সক্ষম ও আত্মনির্ভর গ্রাম গঠনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। সার্বিকভাবে এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ গোমতী জেলার সামগ্রিক উন্নয়নে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

Amarpur, Gomati | Jul 2, 2026