Public App Logo
Profile Picture

রহস্য কথা

@usr0201943
415Followers
0Following
ত্রিপুরার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এবং চিকিৎসা শিক্ষায় যুক্ত হল এক নতুন পালক। ধলাই জেলার আমবাসার লালছড়িতে গড়ে উঠতে চলেছে অত্যাধুনিক 'এইচ পি ঘোষ মেমোরিয়াল মেডিক্যাল কলেজ'। আজ সোমবার এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজের শুভ ভূমি পূজন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা। বন্ধন গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী চন্দ্রশেখর ঘোষ সহ রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক কর্মযজ্ঞের সূচনা হয়।

ত্রিপুরা সহ সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং দক্ষ চিকিৎসা কর্মী গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিল বন্ধন গ্রুপের এইচ পি ঘোষ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন। 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে নবনির্মিত এই মেডিক্যাল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা। এদিনের অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন—
​ধলাই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি সুস্মিতা দাস,​৪৬-সুরমা কেন্দ্রের বিধায়িকা শ্রীমতি স্বপ্না দাস পাল,​৪৭-আমবাসা কেন্দ্রের বিধায়ক শ্রী চিত্তরঞ্জন দেববর্মা, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব এবং ​আমবাসা পুর পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রীমতি প্রতিমা মালাকার এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব শ্রী কিরণ গিত্যে (IAS), ধলাই জেলার জেলাশাসক শ্রী বিবেক এইচ বি (IAS), স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. দেবাশ্রী দেববর্মা, চিকিৎসা শিক্ষা অধিকর্তা প্রফেসর ডা. অভিজিৎ দত্ত এবং বন্ধন গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী চন্দ্রশেখর ঘোষ।
​
প্রস্তাবিত এই মেডিক্যাল কলেজ শুধু ধলাই জেলাই নয়, বরং রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং পার্শ্ববর্তী উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সাধারণ মানুষের জন্য উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করবে। একই সাথে রাজ্যের বহু ছাত্রছাত্রীর জন্য চিকিৎসা শিক্ষার নতুন সুযোগ ও দ্বার উন্মোচিত হবে।

ধলাই জেলার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রান্তে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন নিঃসন্দেহে ত্রিপুরার স্বাস্থ্য খাতের জন্য এক বিরাট মাইলফলক। এর ফলে রাজ্যের সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থার মান আরও উন্নত হবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

পাশাপাশি এই দিন এই অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী ধলাই জেলাশাসক কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে একটি ধলাই ক্যাফেটেরিয়া নামক ক্যাফের উদ্বোধন করেন এবং পরবর্তী সময় জেলার সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকদের নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে মিলিত হয়।
সালেমার মেন্দি চৌমুনিতে বিভিন্ন দাবি সামনে রেখে সাম্প্রতিক রাস্তা অবরোধকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অবরোধকারীদের পক্ষ থেকে রাস্তা, জল ও বিদ্যুতের সমস্যা তুলে ধরা হলেও স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এর নেপথ্যে ফুটব্রিজের টেন্ডার বাতিল এবং সেতুটি কোন দিক দিয়ে নির্মাণ করা হবে, তা নিয়ে বিরোধই ছিল অন্যতম প্রধান বিষয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভরত চৌধুরী এলাকার প্রায় ৫০টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট পথ দিয়ে যাতায়াত করে। তাঁদের বক্তব্য, ওই দিক দিয়ে ফুটব্রিজ নির্মাণ করা হলে তুলনামূলকভাবে বেশি সংখ্যক মানুষের যাতায়াতে সুবিধা হবে। এই বৃহত্তর জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করেই সুরমার বিধায়িকা ও বিএসি চেয়ারম্যান অবস্থান নিয়েছেন 

অন্যদিকে, অবরোধকারীদের পক্ষ থেকে যে স্থানে ফুটব্রিজ নির্মাণের দাবি উঠেছে, সেখানে তুলনামূলকভাবে একটি পরিবারের জমি বা বসতবাড়ি রয়েছে বলে স্থানীয়দের একাংশের দাবি। ফলে প্রশ্ন উঠছে—সেতুর অবস্থান নির্ধারণ কি সত্যিই বৃহত্তর জনস্বার্থে, নাকি নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের সুবিধাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে?

এর পাশাপাশি টেন্ডারের কাজ ও আর্থিক সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন, সরকারি প্রকল্পের কাজ পাওয়া বা সেই কাজের মাধ্যমে ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধা অর্জনের স্বার্থ থেকেই কি ফুটব্রিজের অবস্থান নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে

অবরোধের সময় বিধায়িকা ও বিএসি চেয়ারম্যানকে সরাসরি দায়ী করে যে বক্তব্য সামনে এসেছিল, তারও পাল্টা জবাব দিয়েছেন ৫০ পরিবারের একাংশ। তাঁদের দাবি, ফুটব্রিজের টেন্ডার বাতিলের জন্য বিধায়িকা নিজে কোথাও স্বাক্ষর করেছেন—এমন কোনো নথি তাঁরা দেখেননি। তাঁদের আরও বক্তব্য, জনগণের দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা বিবেচনা করেই ৫০টি পরিবারের যাতায়াতের দিকটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাই শুধুমাত্র টেন্ডার বাতিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধায়িকা ও বিএসি চেয়ারম্যানকে সরাসরি দায়ী করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, প্রকৃত বিষয় আড়াল করে বিধায়িকা ও বিএসি চেয়ারম্যানকে ব্যক্তিগতভাবে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের দাবি, দু’জনই যদি বৃহত্তর জনগণের যাতায়াতের সুবিধা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্তের পক্ষে থাকেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগেরও প্রমাণ থাকা প্রয়োজন।

এখন প্রশ্ন একটাই—মেন্দি চৌমুনির রাস্তা অবরোধ কি সত্যিই রাস্তা, জল ও বিদ্যুতের সমস্যার আন্দোলন ছিল, নাকি ফুটব্রিজের টেন্ডার ও অবস্থান নিয়ে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের বিরোধই ছিল এর নেপথ্যে? অভিযোগ সত্য হলে তা তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসা যেমন জরুরি, তেমনি অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ছড়ানো অভিযোগেরও জবাবদিহি হওয়া দরকার।

কারণ সরকারি অর্থে নির্মিত ফুটব্রিজ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়—সর্বাধিক সংখ্যক সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য হওয়াই প্রকৃত জনস্বার্থ। আর সেই জনস্বার্থের প্রশ্নেই এখন মেন্দি চৌমনি অবরোধকে ঘিরে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন।
উদয়পুর দাতারাম বাজারে তিপ্রা মথা ও বিজেপি মধ্যে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বিপত্তি! উত্তেজনা পরিবেশ নিয়ন্ত্রনে মোতায়েন সি আর পি এফ!
এই মুহূর্তে কাঁঠালিয়া সবচেয়ে বড় খবর বড় সাইজের বারমিস পাইথন দেখার জন্য জনতার ভিড়
গতকাল রাত ২.৫৮ মিনিটে  কাঠালিয়া বাগাইয়াচর আবুল খায়ের বাড়ি থেকে খুব বড় সাইজের একটি বার্মিজ পাইথন(অজগর ) উদ্ধার করে animal aid alliance welfare society 
সিপাহী জেলার ডিসটিক এর কাঠালিয়া অবস্থিত দুই সাপ উদ্ধারকারী অসীম মজুমদার এবং লকাই দে দুজনে মিলে সাপটিকে উদ্ধার করে ।
প্রায় ৯ ফুট লম্বা এবং ১৫ কেজি ওজন
প্রকৃতি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে এই দুই সাব উদ্ধারকারী নিঃস্বার্থভাবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০৫ টি সাপ উদ্ধার করে মানুষের বাড়ি ঘর থেকে গভীর অরণ্যে  অবমুক্ত করে দিয়ে আসে। 
 সহায়তা করেছেন যাত্রাপুর পি এস এর ভারপ্রাপ্ত ওসি প্রার্থনাথ ভুমিক এবং S I সাব ইন্সপেক্টর প্রসেনজিৎ দেবনাথ সহ উনাদের নিজস্ব গাড়ি করে এই দুই সাপ উদ্ধারকারী এবং সাপ টিকে সহ তৃষ্ণা অভয়ারণ্য নিয়ে অবমুক্ত করে দিয়ে আসে।
এই সাপটি উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং উৎসব জনতা উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় সবার মুখে একটাই গুঞ্জন এমন জনবহুল এলাকায় এমন বড় সাইজের বার্মিজ পাইথন  সাপ কোথা থেকে এলো তা নিয়ে চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়। এবং এলাকার মানুষ দুই উদ্ধারকারীকে সাধুবাদ জানাই।
সকালে সাপটিকে বাজারে আনার পর অনেক মানুষ পুরুষ থেকে মহিলা ভিড় জমাট করেন সাপটিকে দেখার জন্য।
শিক্ষক সংকটে আয়া দিয়ে চলছে স্কুল, মাত্র তিন শিক্ষকেই সামলাতে হচ্ছে পড়াশোনা প্রাতঃবিভাগ,।

শিক্ষক সংকটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে মেলাঘর দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়ের প্রাতঃবিভাগ এমনই অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরা। পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে মেলাঘর নেতাজির চৌমুহনী মেলাঘর টু আগরতলা মূল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট চলছে। বর্তমানে প্রাতঃবিভাগে মাত্র তিনজন শিক্ষক রয়েছেন। এত কম সংখ্যক শিক্ষক দিয়ে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনা চালানো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অভিযোগ, শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কাজেও আয়ার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

শিক্ষক স্বল্পতার কারণে নিয়মিত পঠন-পাঠন ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ অভিভাবকদের। তাঁদের দাবি, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

অভিভাবকদের আরও অভিযোগ, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের রাস্তায় নামতে হয়েছে।অবরোধের জেরে মেলাঘর নেতাজির চৌমুহনী এলাকায় যান চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে।“অবরোধের ফলে মেলাঘর নেতাজির চৌমুহনী এলাকায় কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেলাঘর থানার পুলিশ।পরে আলোচনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলে অবশেষে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরা।
শালগড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভুল সংশোধন করে নিল লিলু মিয়া!
উদয়পুর, শালগড়া পঞ্চায়েতে দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে এবং মন্ডল নেতাদের স্বজন পোষনের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ্যে জানালো  পঞ্চায়েত সদস্য! শারীরিক অবস্থা খারাপ উল্লেখ করে পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শালগড়া পঞ্চায়েতের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার লিলু মিয়া।
ড্রাগস্ নেশা সামগ্রী মাস্টারমাইন্ড আর্জন আলী গ্রেপ্তার!
উদয়পুর ফুলকুমারী জাতীয় সড়কে বাইক দুর্ঘটনায় ব্যাপকভাবে আহত হয়েছে চালক!
বর্ষায় বেহাল জাতীয় সড়ক, দুর্ভোগে আমজনতা
গর্জি রেলস্টেশনের মুখে ৮ নম্বর জাতীয় সড়কের করুণ দশা, বারবার জোড়াতালি দিয়েও মিলছে না স্থায়ী সমাধান
আষাঢ় ও শ্রাবণ—এই দুই মাস বর্ষাকাল। আর বর্ষা নামতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা যেন আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। তবে এবার যে রাস্তার চিত্র সামনে এসেছে, সেটি কোনও পাড়া বা গলির রাস্তা নয়; খোদ আগরতলা-সাবরুম জাতীয় সড়ক, অর্থাৎ ৮ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশের এমন করুণ দশা যে, তা দেখলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে।
গোমতী জেলার গর্জি ফাঁড়ি থানার অন্তর্গত গর্জি রেলস্টেশনের মুখে জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বর্ষার জলে সেই গর্তগুলোতে জল জমে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। শুধু সাধারণ মানুষই নন, বিভিন্ন সময়ে নেতা, মন্ত্রী, আমলা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারাও এই সড়ক ব্যবহার করেন। তারপরও দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এমন বেহাল দশা কেন—এই প্রশ্নই এখন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার এই দুরবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় কিংবা বৃষ্টির সময় গর্তগুলো জলমগ্ন হয়ে পড়ায় দূর থেকে সেগুলো বোঝা যায় না। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।
কয়েকদিন আগেই গর্জি রেলস্টেশনের মুখে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক স্কুটি নিয়ে চলাচলের সময় রাস্তায় পড়ে যান বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় তাঁর হাত, পা ও মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের ছোট-বড় দুর্ঘটনা এই এলাকায় প্রায়ই ঘটছে।
সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সগুলিকে। বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের সময় যখন অ্যাম্বুলেন্সে করে গর্ভবতী মহিলা বা গুরুতর অসুস্থ রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন রাস্তার গর্ত ও জলকাদার কারণে তাঁদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। একদিকে রোগীর শারীরিক সমস্যা, অন্যদিকে বেহাল রাস্তার ঝাঁকুনি—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে।
এদিকে রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে থাকায় আজ জাতীয় সড়কের গর্ত মেরামতের কাজে কয়েকজন শ্রমিককে দেখা যায়। তাঁরা গাড়ি থেকে নেমে রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা স্টোন চিপস পুনরায় গর্তের মধ্যে ফেলে দিচ্ছেন। কোথাও কোথাও জল জমে থাকা গর্তের মধ্যেই বালি ও সিমেন্টের মিশ্রণ ঢেলে মেরামতের কাজ করতে দেখা যায়।
তবে এই মেরামত ব্যবস্থা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন করে প্রশ্ন। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—এভাবে জল জমে থাকা গর্তের মধ্যে স্টোন চিপস, বালি ও সিমেন্ট দিয়ে করা মেরামত কতদিন টিকবে?
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১৫ দিন অন্তর অন্তর গর্জি ফাঁড়ি থানার কাছাকাছি অথবা গর্জি রেলস্টেশনের মুখে একইভাবে রাস্তার মেরামত করতে দেখা যায়। কখনও ড্রজার দিয়ে পুরনো স্টোন চিপস তুলে ফেলা হয়, আবার নতুন করে রাস্তা মেরামত করা হয়। কিন্তু অভিযোগ, সেই মেরামতের কয়েকদিনের মধ্যেই ফের রাস্তার পিচ ও মেরামতের সামগ্রী উঠে গিয়ে আগের অবস্থায় ফিরে আসে সড়কটি।
ফলে প্রশ্ন উঠছে—বারবার জোড়াতালি দিয়ে মেরামত না করে কি এবার স্থায়ীভাবে রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া যায় না?
জাতীয় সড়ক ব্যবহারকারী যানবাহনের চালকদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই জাতীয় সড়কের বেহাল অংশগুলি দ্রুত চিহ্নিত করে টেকসই ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংস্কার করা হোক।
অনেকেরই অভিযোগ, নেতা-মন্ত্রী ও আমলারা সাধারণত উন্নতমানের সরকারি বা ভিআইপি গাড়িতে যাতায়াত করেন। তাই রাস্তার গর্তের ঝাঁকুনি তাঁদের চলাচলে সাধারণ মানুষের মতো প্রকটভাবে অনুভূত হয় না। কিন্তু সাধারণ মানুষ প্রতিদিন নিজেদের গাড়ি, বাইক, অটো কিংবা অন্যান্য যানবাহনে এই রাস্তা ব্যবহার করেন। ফলে রাস্তার প্রকৃত দুর্ভোগ তাঁদেরই সবচেয়ে বেশি পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের বক্তব্য, ৮ নম্বর জাতীয় সড়ক শুধু একটি রাস্তা নয়; আগরতলা থেকে সাবরুম পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই রাস্তার উপর নির্ভর করে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ, ব্যবসায়ী, রোগী, শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবী যাতায়াত করেন।
তাই সাধারণ মানুষের দাবি, সাময়িকভাবে গর্তে সামগ্রী ফেলে মেরামত নয়, বরং রাস্তার বেহাল অংশের স্থায়ী সংস্কারের ব্যবস্থা করা হোক। একই সঙ্গে নিয়মিতভাবে রাস্তার গুণমান ও মেরামতকাজের তদারকি করারও দাবি উঠেছে।
এখন দেখার বিষয়, গর্জি রেলস্টেশনের মুখে ৮ নম্বর জাতীয় সড়কের এই দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রশাসন কবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। আগরতলা থেকে সাবরুম পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক নিয়ে সরকার দ্রুত নজর দেবে—এই প্রত্যাশাতেই এখন তাকিয়ে সাধারণ মানুষ।
রাষ্ট্রীয় গীত অবমাননা কংগ্রেস করেছে বলে অভিযোগ তুলে উদয়পুরে বিজেপি বিক্ষোভ মিছিল!
পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে গিয়েও পালাতে পারল না অভিযুক্ত! আদালত চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠলো প্রশ্ন? বাথরুমে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত পালায়। যদিও আদালতের উপস্থিত পুলিশের তৎপরতায় পাকড়াও করা হয়েছে সেই অভিযুক্তকে।
উদয়পুর বাগমার যুবক রাবার চুরি করে গণপিটুনি খেলো!
গোমতী জেলা স্বাধীনতা দিবসের প্যারেড!
Video 14
আগরতলা বাঁধারঘাট দুর্ঘটনায় আহত মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় দমকল কর্মীরা
উদয়পুরে চারটি বাম সংগঠনের ডাকা আন্দোলনে পুলিশের বেড়িগেটে ধাক্কাধাক্কি!
কলেজ পড়ুয়া দুই যুবকের জলে ডুবে মৃত্যু। ঘটনাটি খোয়াই ধলাবিল এলাকায।

জানা যায় আজ রবিবার দুপুরে মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা টি খোয়াই ধলা বিল বড়ুয়া পাড়া স্থিত সুইস গেইটের জলে। মৃত দুই যুবকের নাম মনদীপ পাল ও ভীষ্ম দাস চৌধুরী উভয়ের বয়স ১৮। ঘটনার বিবরণে জানা যায় রবিবার দুপুর বারোটা নাগাদ ৫ বন্ধু মিলে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে খোয়াই ধলাবিল স্থিত সুইচ গেইটের সামনে আনন্দ উপভোগ করার জন্য উপস্থিত হয়। এরই মাধ্যমে মনদীপ পাল ও ভীষ্ম দাস চৌধুরী  দুই বন্ধু সুইচ গেইটের জলে নামেন। তাদের জানা ছিল না  ঐই সুইচ গেইটের জলের গভীরতা কতটা। দুই বন্ধু জলের গভীরতা না বুঝে সেই জলে নামতেই ঘটে যায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।এই ঘটনা দেখতে পেয়ে পাশের বন্ধুরা হৈচৈ সুরু করে এলাকাবাসী দের ডাকতে থাকে সাহায্যের জন্য। ইতি মধ্যে দমকল বাহিনীর কর্মীদেরও খবর দেওয়া হয় ঘটনার বিষয়ে।এরপর এলাকাবাসী ছুটে এসে জলে ডুবে যাওয়া দুই যুবকে উদ্ধার করে এবং সেখানে উপস্থিত খোয়াই থানার পুলিশের গাড়িতে করে  দুই যুবকে খোয়াই জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ২ যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এই মর্মান্তিক ঘটনায় খোয়াই জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।
কাঁকড়াবন থানায় ফেনসিডিল কান্ড কে কেন্দ্র করে গোমতী জেলা পুলিশের তদন্ত নিয়ে কি বললেন জেলা পুলিশ সুপার!
গত রাতে বাটাডোলা বর্ডার রোড, ইউএনসি (UNC) নগর বর্ডার রোড এবং ফকিরডোলা বর্ডার রোডে মোবাইল ডিউটি ​​চলাকালীন মোট ৪৪.৫ কেজি গাঁজা পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
পাঁচ বছর ধরে বেহাল রাস্তা, নেই পানীয় জলের পাইপলাইন! পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হয়েও শুধু আশ্বাস—ক্ষোভে ফুঁসছে সীমান্তঘেঁষা মলয়া
গত রাতে এনসি নগর সীমান্ত সড়ক এবং ধনপুর এলাকায় (ইটভাটার কাছে) মোবাইল ডিউটি ​​চলাকালীন মালিকবিহীন অবস্থায় মোট ৪০ বোতল 'এসকাফ' (ESKUF) কাশির সিরাপ এবং ৪৯০০টি 'টাপেন্টাডল' (Tapentadol) ট্যাবলেট উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করে সোনামুড়া পুলিশ!
ক্ষুধার জ্বালায় ডাস্টবিন থেকে খাবার কুড়িয়ে খাচ্ছেন এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি, উদয়পুরে মানবিকতার প্রশ্ন!
নির্মাণ সামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার হতে পারে বিপদ!
উদয়পুর মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মায়ের মন্দিরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবলের ডিউটি নিয়ে বাকবিতান্ডায় স্থানীয় যুবকরা!