Public App Logo
Profile Picture

রহস্য কথা

@usr0201943
410Followers
0Following
উদয়পুর জগন্নাথ মন্দিরে রথ যাত্রা উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন!
সেনসস বিষয় নিয়ে গুরত্বপূর্ণ সাংবাদিক সম্মেলন গোমতী জেলা শাসক কনফারেন্স হলে!
আগামী ১৬ তারিখ শুভ উদ্বোধন হতে চলেছে "মা মমতা পেইন্টস এন্ড ইন্টেরিয়র হোম " আমাদের ঠিকানা অমরপুর চন্ডিবাড়ি রোড শিশু নিকেতন স্কুলের বিপরীত পাশে! আমাদের এখানে সব ধরনের ঘরের ডিজাইন, পিভিসি ফলস সিলিং এবং অত্যাধুনিক ডিজাইনের ওডেন দরজা, পিভিসি দরজা পাওয়া যায়।
উদ্বোধনের আগেই চালু হতে চলেছে গোমতী জেলা হাসপাতালে ছয় আসন বিশিষ্ট কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট! উদ্বোধনের জন্য রোগীর পরিষেবা বন্ধ থাকতে পারে না, তাই স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব পরিষেবাটি দ্রুত চালু করার নির্দেশ দেন।
গোমতী জেলা হাসপাতালে চালু হতে চলেছে খুব শীঘ্রই দুই শিফটে আলট্রাসনোগ্রাফি পরিষেবা! রোগীদের স্বাস্থ্য পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব ডঃ কিরণ গিত্যে এই নির্দেশ দেন
যাত্রাপুর থানার অন্তর্গত কাঠালিয়া ভদ্রাবাড়ি এলাকায় নিজ বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন হলেন উত্তম নম নামে এক ব্যক্তি।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে তাকে হত্যা করে। এরপর ঘরের বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগ।

আজ সকাল প্রায় ৯টার দিকে যাত্রাপুর থানায় ঘটনাটির খবর পৌঁছায়। খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।

জানা গেছে, নিহতের দুই ছেলে রয়েছেন—বড় ছেলে উৎপল নম (২৫) এবং ছোট ছেলে চয়ন নম (২২)। ঘটনার সময় তাঁদের অবস্থান এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও তদন্তের আওতায় এনেছে পুলিশ।

কী কারণে এবং কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হলেই ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
"লবণ থাকলে মরিচ নাই, মরিচ থাকলে সিদল নাই, সিদল থাকলে মোম নাই, মোম থাকলে কারেন্ট নাই—শুধু নাই, নাই আর নাই!" কথা গুলো কোনো ব্যাঙ্গাত্মক ছড়া নয়, বরং ত্রিপুরার জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রীর নিজস্ব বিধানসভা এলাকার এক দরিদ্র পরিবারের নির্মম বাস্তবতার আর্তনাদ।
             ত্রিপুরা রাজ্যের জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী তথা ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিকাশ দেববর্মার বিধানসভা এলাকার চাকমাঘাট শিবিরে বসবাস করেন পরেশ দেববর্মা। স্ত্রী ও দুই সন্তান'কে নিয়ে চার সদস্যের সংসার। পেশায় তিনি একজন দৈনিক মজুর। অনিশ্চিত আয়ের উপর ভর করেই কোনোরকমে চলছে সংসারের চাকা।
       অভিযোগ, বছরের পর বছর কেটে গেলেও এই পরিবারটির ভাগ্যে জোটেনি একটি বি.পি.এল বা অন্তোদয় রেশন কার্ড। মাথা গোঁজার একমাত্র সম্বল একটি জরাজীর্ণ কুঁড়েঘর। সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই ঘরের চাল দিয়ে জল পড়ে, শিলাবৃষ্টির সময় প্রাণ হাতে নিয়ে রাত কাটাতে হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় সন্ধ্যা নামলেই নেমে আসে অন্ধকার।
         পরেশ দেববর্মার পরিবারের দাবি, বহুবার এলাকার জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সরকারি দপ্তরের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সুরাহা মেলেনি। বরং মিলেছে শুধু আশ্বাস, অপমান ও বঞ্চনা।
            পরেশ দেববর্মার স্ত্রীর অভিযোগ আরও বিস্ফোরক। তাঁর দাবি, এ.পি.এল রেশন কার্ড'কে বি.পি.এল বা অন্তোদয়ে রূপান্তর করার জন্য নাকি বিভিন্ন মহল থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। টাকা দিলে তবেই রেশন কার্ড পরিবর্তন করে দেওয়া হবে—এমনই অভিযোগ তাঁর। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
     কথা বলতে গিয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। তাঁর আক্ষেপ, "কখনো লবণ থাকে তো মরিচ থাকে না, মরিচ থাকলে সিদল নেই, সিদল থাকলে মোম নেই, আর মোম থাকলেও কারেন্ট নেই।" অভাব যেন এই পরিবারের নিত্যসঙ্গী।
       এদিকে, সরকারি সভা-সমাবেশে বারবার দাবি করা হয় যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার সুবিধা সমাজের শেষ প্রান্তের মানুষ পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চাকমাঘাট শিবিরের এই পরিবারের ভাঙ্গাচোরা কুঁড়েঘর সেই দাবির সঙ্গে বাস্তবের বিস্তর ফারাকেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
     স্থানীয় সূত্রের দাবি, পরেশ দেববর্মার এ.পি.এল রেশন কার্ডটি নাকি চাকমাঘাট এলাকার এক ব্যাক্তির কাছে অর্থের বিনিময়ে গচ্ছিত রয়েছে। তবে এই দাবিরও স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
এখন প্রশ্ন উঠছে—যে বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিনিধি স্বয়ং রাজ্যের জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী, সেই এলাকারই এক অসহায় পরিবার যদি বছরের পর বছর মৌলিক অধিকার ও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকে, তাহলে উন্নয়নের বহুল প্রচারিত দাবিগুলোর বাস্তব ভিত্তি কতটা দৃঢ়?
          এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর এই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণে এগিয়ে আসে কি না।
চালু হয়ে গেল উদয়পুরে গ্রাহকদের জন্য লকার সুবিধা! আগরতলা কু-অপারেটিভ আরবান ব্যাংক লিমিটেডের উদয়পুর শাখা প্রাঙ্গণে গ্রাহকদের জন্য লকার সুবিধার শুভ উদ্বোধন হয়!
মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্যকে কটাক্ষ করে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল রাজ্যের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মাধবী বিশ্বাস। শুনুন বিস্তারিত....
<nis:link nis:type=tag nis:id=madhabibiswas nis:value=MadhabiBiswas nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=tripuracm nis:value=TripuraCM nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=maniksaha nis:value=ManikSaha nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=tripuranews nis:value=TripuraNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=breakingnews nis:value=BreakingNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=contentcreator nis:value=ContentCreator nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=politicalstatement nis:value=PoliticalStatement nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=viralclip nis:value=ViralClip nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=newsupdate nis:value=NewsUpdate nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=trendingnow nis:value=TrendingNow nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=publicreaction nis:value=PublicReaction nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=politics nis:value=Politics nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=tripura nis:value=Tripura nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=indianews nis:value=IndiaNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=tplusnewstripura nis:value=TPlusNewsTripura nis:enabled=true nis:link/>
আগরতলা জগন্নাথ জিউ মন্দিরে জোর প্রস্তুতি চলছে রথযাত্রা কে উপলক্ষ করে!
রাখালতলী–জয়ন্তী বাজার সড়কে পথ অবরোধে এলাকাবাসী, ব্লক প্রশাসনের আশ্বাসে উঠল আন্দোলন

দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল অবস্থার প্রতিবাদে সোমবার কমলপুর মহকুমার অন্তর্গত রাখালতলী–জয়ন্তী বাজার সড়কে পথ অবরোধে সামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রভাত চৌমুনী থেকে পূর্ব ডলুছড়া লাল দেবেন্দ্র পাড়া পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।

অবরোধের ফলে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং রাস্তার দুই প্রান্তে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘ তিন থেকে চার বছর ধরে রাস্তাটি অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বর্ষাকালে কাদা ও জল জমে যাওয়ায় চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, কর্মজীবী মানুষ, প্রবীণ ও সাধারণ পথচারীদের প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১২০টি পরিবার এই রাস্তার ওপর নির্ভরশীল। জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অনেক সময় অ্যাম্বুল্যান্স বা অন্যান্য যানবাহন ওই এলাকায় পৌঁছাতে সমস্যায় পড়ে, যা জনজীবনে বড় ধরনের ভোগান্তির সৃষ্টি করছে।

অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন, গত তিন থেকে চার বছর ধরে পঞ্চায়েত, ব্লক প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হলেও বাস্তবে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। বারবার শুধু আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কিন্তু রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তারা গণআন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন।

খবর পেয়ে সালেমা ব্লকের ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি দ্রুত রাস্তা সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের এই আশ্বাসের পর অবরোধকারীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তবে এলাকাবাসীর স্পষ্ট বক্তব্য, তারা আর শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী নন। দ্রুত রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
হঠাৎ করে জিবি হাসপাতালে পরিদর্শন যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা!
*মনোশ্রীর পাশে আনন্দ মার্গ, তুলে দেওয়া হল ৫০ হাজারের অনুদান* 

২৩ মাস বয়সী এসএমএ নামক জটিল রোগে আক্রান্ত মনোশ্রীর চিকিৎসা বাবদ এবার আর্থিক সহযোগিতার হাত বারিয়ে দিলো বিশালগড় আনন্দ মার্গ স্কুল। শনিবার আনন্দ মার্গ স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা এবং ছাত্রীরা মিলে হাপানিয়া স্থিত মনোশ্রীর বাড়িতে যান এবং তার বাবা ধ্রুব চৌধুরীর হাতে ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন। আনন্দ মার্গের শিক্ষক শিক্ষিকারা মনোশ্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং আর্থিক সহযোগিতা পেয়ে মনোশ্রির পিতা ও তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। অতঃপর এই নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শতদল আচারজ্য আরও বলেন -
অমরনাথ যাত্রার সুরক্ষায় কর্তব্যরত আইটিবিপি জওয়ানের পৈতৃক বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন! উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে জওয়ানের আবেদন..
 <nis:link nis:type=tag nis:id=viralpost nis:value=viralpost nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=highlights2026 nis:value=highlights2026 nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=tripura nis:value=Tripura nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=breakingnews nis:value=BreakingNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=yogiadityanath nis:value=YogiAdityanath nis:enabled=true nis:link/>
উদয়পুর চন্দ্রপুর কলোনি রাতের আঁধারে দুষ্কৃতিকারী নগদ সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা এবং সাড়ে চার ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়!
উদয়পুর কাঁকড়াবন স্কুল মাঠে ধান সংগ্রহ কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা!
লাগাতার বৃষ্টির ফলে জলের তোড়ে ভেসে যায় টাকা।। বালি ও কাদা জল থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে টাকার বান্ডিল।
আবারো শহর অঞ্চলে হার ছিনতাই! 

 ঘটনা আমতলী থানার অন্তগত ভোর সকালে ব্যাংক চোমুহনী থেকে পঞ্চমুখ যাওয়ার পথে রাস্তায় এক মহিলার,  প্রায় চার ভড়ি  গলার স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করে নিয়ে গেল দুই ছিনতাইবাজ, এই এই ঘটনায় নিরপত্তা হীনতায় ভুগছেন এলাকার মহিলারা ,  স্বর্ণের হাড়ের মালিক নিতা ভৌমিক।    এই ঘটনায় ছিনতাইকারীদের চিহ্নিত করতে পেরেছে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ এ , ঘটনা তদন্ত করছে আমতলী থানার পুলিশ
দুদিনের টানা বৃষ্টিতে বেহাল আমবাসা, বিপদসীমার উপরে ধলাই নদীর জল

গত দুদিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে আমবাসায়। অবিরাম বৃষ্টির জেরে ধলাই নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ফলে নদী-সংলগ্ন এলাকায় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, আমবাসার বনলতা টিফিন হাউস সংলগ্ন এলাকায় মাটিধসের কারণে বেশ কয়েকটি দোকান ভেঙে পড়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, প্রবল বৃষ্টিতে দশমি ঘাটের মাঠ সম্পূর্ণ জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
ত্রিপুরার হাঁপানিয়ার বাসিন্দা দুই বছর বয়সী মনশ্রী চৌধুরী স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি নামক এক বিরল জিনগত রোগে আক্রান্ত। তাঁর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১৮ কোটি টাকা, যা জোগাড় করা তাঁর পরিবারের পক্ষে সম্পূর্ণ অসম্ভব। ফলে ছোট্ট এই শিশুটির জীবন বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সমগ্র ত্রিপুরাবাসী। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ একযোগে এগিয়ে এসেছেন আর্থিক সহায়তা প্রদানে। 
এই প্রেক্ষিতে বুধবার উদয়পুর মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন মন্দিরের পুরোহিতবৃন্দ। ছোট্ট মনশ্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় মাতা সুন্দরী মায়ের চরণে পূজা ও যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। ভক্তিভরে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে তার আরোগ্য কামনা করে প্রার্থনা জানান পুরোহিতরা।
এ প্রসঙ্গে মন্দিরের পুরোহিত চন্দন চক্রবর্তী জানান, ছোট্ট এই মেয়েটির সুস্থতার জন্য আমরা মাতা সুন্দরী মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি। মায়ের কৃপায় যেন সে দ্রুত আরোগ্য লাভ করে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে—এই কামনাই আমাদের সকলের।
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের সংকটময় সময়ে সমাজের সকল স্তরের মানুষের এগিয়ে আসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানবিকতার এই উদ্যোগই একদিন মনশ্রীর জীবনে নতুন আশার আলো নিয়ে আসবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই মনশ্রীর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সমাজের প্রতিটি মানুষের সামান্য সহানুভূতি ও সহযোগিতাই পারে এই শিশুটির জীবন বাঁচাতে—এমনটাই মত সকলের।
স্কুটি দুর্ঘটনায় মৃত্যুহলো আভাংছড়া এডিসি ভিলেজের এক ব্যক্তির। 

ঘটনার বিবরনে জানাযায় ৬ ই জুলাই সোমবার রাত্র আনুমানিক ১২ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রতিমোহন ত্রিপুরা( ৩৭ ) নামে এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসাহয়।  জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্ত্যরত চিকিৎসক জানান রতিমোহন ত্রিপুরাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসাহয় তখন সে মৃত অবস্থায় ছিলো।  পরিবারের লোকজনদের কাছথেকে জানাযায় সোমবার রাতে আভাংছড়া এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করে রতিমোহন ত্রিপুরা টি আর ০৮ বি ৬১৭২ নাম্বারের স্কুটিকরে মায়াজয় পাড়ায় নিজ বাড়ীর উদ্দ্যেশ্যে যাচ্ছিলো।  বাড়ী যাবার পথে বৃষ্টিতে রাস্তায় কাঁদায় পরিপূর্ন হোওয়াতে স্কুটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পরেবলে ধারনা করাহচ্ছে।  জানাযায় রতিমোহন ত্রিপুরা বিজেপির একনিষ্ঠ কার্যকর্তাছিলো।  মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়ার দায়িত্বে থাকা বিধানসভাকেন্দ্রে রাস্তার জন্য লোকজনদের প্রান হারানোর বিষয়ে মন্ত্রীর উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন করতেশুরু করেছে লোকজনেরা।  মঙ্গলবার জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রথেকে রতিমোহন ত্রিপুরার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের  লোকজনের হাতে তুলে দেওয়াহয়। ৩৮ জোলাবাড়ী মন্ডল বিজেপির উদ্দ্যোগে মৃতদেহকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী জানানোহয়।  রতিমোহন ত্রিপুরার অস্বাভাবিক মৃত্যুতে সমগ্র এলাকাজুরে শোকের ছায়া নেমেএসেছে।
সামাজিক ভাতা নিয়ে সরকারের তালবাহানার বিরুদ্ধে, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় মেনে অঙ্গনোয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকাদের নিয়মিতকরন, পেনশান ও গ্রেচ্যুইটি প্রদান, অঙ্গনোয়াড়ি সেন্টারগুলির পুষ্টিকর খাদ্যের বিল সময়মত প্রদান, উপযুক্ত ভাতা প্রাপকদের নতুনভাবে ভাতা দেওয়া সহ ৪দফা দাবীতে  গোমতী জেলা সমাজ শিক্ষা দপ্তরে গণডেপুটেশন দিল CPI(M) উদয়পুর মধ্য অঞ্চল কমিটি।
সকাল ১১:৩০টায় জামতলা পার্টি অফিস থেকে মিছিল করে গনডেপুটেশান দেওয়া হয়। 
ডেপুটেশনে অঞ্চল সম্পাদক প্রদীপ সাহার নেতৃত্বে ৫জনের প্রতিনিধিদল দপ্তরের আধিকারীকের সাথে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি তুলে দেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন কুরপান খাদিম, দিলীপ সরকার, নেহেরুন্নেসা বেগম, রুবি দাস।
গণডেপুটেশনে সভায় আলোচনা করেন CPIM উদয়পুর মহকুমা সম্পাদক দিলীপ দত্ত ও অঞ্চল সম্পাদক প্রদীপ সাহা। 
সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টি নেতা রনজিত নাগ। 
এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচী  নিয়ে উদয়পুরে দারুন সাড়া পরিলক্ষিত হয়।
উদয়পুরে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে আটক হলেন আগরতলার ৪ থেকে ৫ জন যুবক। জানা যায়, তারা মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে পুজো দিয়ে ফেরার পথে সোনামুড়া চৌমুহনী এলাকায় পৌঁছালে পিছনে থাকা উদয়পুর অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের একটি জরুরি পরিষেবার গাড়িকে সাইড না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ধীরগতিতে চালাতে থাকেন। বিষয়টি অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা রমেশ চৌমুহনীর ট্রাফিক পুলিশকে জানালে গাড়িটি আটকানো হয়। পরে -র পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
খোয়াই  এর কারগিল টিলা এলাকাতে গাড়ি দিয়ে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে খোয়াই থানার পুলিশে জলে আটক গাঁজাসহ গাড়ি ও এক গাঁজা পাচার কারি। 

আজ রবিবার বেলা দুইটা নাগাদ খোয়াই থানার অন্তর্গত হাত কাটা যাওয়ার পথে কারগিলা টিলা সংলগ্ন এলাকা থেকে টি আর 04 সি ২৮৯৮ নম্বরে হাই স্পিড টমটমে করে গাজা পাচার  করার সময় পুলিশের জালে আটক । ঘটনার বিবরণে খোয়াই থানার ওসি কৃষ্ণ ধন সরকার জানান আজ পুলিশ গোপন খবরের ভিত্তিতে চল্লিশ কেজি গাঁজা সহ এক গাঁজা পাচারকারীকে পুলিশ আটক করেব ন।। গাজা গুলির কালোবাজারি মূল্য ৬ লক্ষ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছেন। তবে পুলিশ আরো জানান গাড়িতে দুইজন থাকলেও একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তবে বিভিন্ন মহলের বক্তব্য তাহলে কি গাঁজা পাচারকারী চক্রের পান্ডারা এখন মূল সড়ক ছেড়ে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ছোট ছোট গলি রাস্তা ধরে কৌশলে পাচার বাণিজ্যে চালাচ্ছে। যদি পরবর্তীতে অবৈধ গাজা গুলি এবং পাচারকারী এবং গাড়িটি বাজার তো করে থানায় নিয়ে যান।
উদয়পুর রেল স্টেশনে প্রায় ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করল উদয়পুর জিআরপি থানার পুলিশ।