Public App Logo
Profile Picture

রহস্য কথা

@usr0201943
420Followers
0Following
বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু! বুকফাটা কান্না গোমতী জেলা হাসপাতাল চত্বরে পরিবারের!
Video 1
Video 2
কমলাসাগর দেবরের হাতে বৌদি খু**নে তদন্তে পুলিশ আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে!
ভিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিল্লাতে তিপ্রা মথা মনোনীত সদস্যদের নিয়ে আলোচনা!
ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক বক্সনগর পুলিশের হাতে!
মাতাবাড়ী আর ডি ব্লক এর অন্তর্গত ভিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও মথার মধ্যে জোটে ফাটল! রাতেই মাতাবাড়ি মন্ডলের রুদ্ধ দ্বার বৈঠক প্রদেশ সভাপতির!
গোমতী জেলা পুলিশের মাসিক ক্রাইম কনফারেন্স ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

আজ, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং, ধজনগর পুলিশ লাইন্সের কনফারেন্স হলে গোমতী জেলা পুলিশের মাসিক ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোমতী জেলার পুলিশ সুপার।

কনফারেন্সে জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মামলার তদন্তের অগ্রগতি এবং জননিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা ও আলোচনা করা হয়। পুলিশি কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, পেশাদার ও জনমুখী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এই কনফারেন্সে আসন্ন টিটিএএডিসি ভিলেজ কমিটি (ভিসি) নির্বাচন কে সামনে রেখে জেলার সকল মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) এবং সকল থানার অফিসার-ইন-চার্জদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনায় বলা হয় যে, নির্বাচনকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সংবেদনশীল এলাকায় কঠোর নজরদারি, ভোটকেন্দ্র ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলা এবং নির্বাচন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় রক্ষা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়াও, দীর্ঘ কর্মজীবনে নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়ণতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পুলিশ বিভাগে সেবা প্রদান করে অবসরগ্রহণকারী পুলিশ কর্মীদের সম্মান জানিয়ে একটি বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাঁদের দীর্ঘদিনের মূল্যবান অবদান ও সেবার জন্য গোমতী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়।

গোমতী জেলা পুলিশ তাঁদের সুস্বাস্থ্য, সুখী ও শান্তিপূর্ণ অবসরজীবন কামনা করে।

— গোমতী জেলা পুলিশ
Tripura Police
CMO Tripura
@DMGomati
উদয়পুর গোকুলপুর বাজারে মিষ্টির দোকানে ব্যাপক হারে জরিমানা! মিষ্টির দোকানের নাম শুনলে অবাক হবেন সবাই!
দেখুন উদয়পুর অভিনন্দন এর অবস্থা!
ব্যালট পেপারে ভোটে নতুন নেতৃত্ব পেল উদয়পুর প্রেসক্লাব।
উদয়পুর প্রতিনিধি: 
সোমবার উদয়পুরের কর্মরত সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিক মহলে নতুন বার্তা দিলো। এই প্রথমবার ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব পেল উদয়পুর প্রেসক্লাব। সোমবার উদয়পুর জেলা পরিষদের কনফারেন্স হলে আগাম প্রচার ও ঘোষণা অনুযায়ী উপস্থিত সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এই নির্বাচন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণের পর নিয়ম মেনে ভোট গণনা করা হয় এবং ফলাফল ঘোষণা করা হয়। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নিজেদের নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে সাংবাদিকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনাও ছিল চোখে পড়ার মতো। 
নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী উদয়পুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মধুসূধন সাহা। সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন রাজীব ভৌমিক এবং কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন বিট্টু মজুমদার। সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন  তাপস মজুমদারও সোমেন সেন। সহ-সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন  প্রসেনজিৎ দে 
 সুজিত সাহা ও  দিপা সরকার। অফিস সম্পাদক এর দায়িত্বে তনয়দ্বীপ রায় ।
পাশাপাশি উপদেষ্টা কমিটিতে রয়েছেন সুব্রত দেব,  স্বপন ভট্টাচার্য্য, অঞ্জন বিশ্বাস, গৌতম চক্রবর্তী ও  প্রাক্তন প্রেসক্লাব  সম্পাদক দিলীপ  দত্ত  সহ  অন্যান্য সদস্য সদস্য। উদয়পুর প্রেস ক্লাবের এই নির্বাচন শুধু নতুন একটি কমিটি গঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর মধ্যে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও। সংবাদমাধ্যম বরাবরই গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার কথা বলে। সেই সাংবাদিকরাই এবার ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে নিজেদের নেতৃত্ব নির্বাচন করলেন। ফলে প্রেস ক্লাবের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার এই উদ্যোগ উদয়পুরের সাংবাদিক মহলে একটি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাচন শেষে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানান উপস্থিত সাংবাদিকরা। নতুন কমিটির কাছে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা জানান, সকল সাংবাদিককে সঙ্গে নিয়ে উদয়পুর প্রেস ক্লাবকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য। সাংবাদিকদের পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা ও স্বার্থের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও প্রেস ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ব্যালট পেপারে ভোট, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং সাংবাদিকদের অংশগ্রহণ—সব মিলিয়ে উদয়পুর প্রেস ক্লাবের এই নির্বাচন শুধু নতুন নেতৃত্বের সূচনা নয়, গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একটি নতুন বার্তা দিয়ে গেল।
ধর্মনগরের পর এবার উদয়পুরেও স্পা সেন্টারকে ঘিরে উঠল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। উদয়পুরের রাজাবাগ এলাকায় একটি স্পা সেন্টারে কথিত অবৈধ কার্যকলাপ চলছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। রবিবার সন্ধ্যারাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যারাতে রাজাবাগ এলাকার কয়েকজন যুবক ওই স্পা সেন্টারে প্রবেশ করেন। সেখানে যুবক-যুবতীদের কথিত অনৈতিক কার্যকলাপ চলছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নজরে আসার পর স্থানীয় যুবকরা ঘটনাস্থলেই কয়েকজনকে হাতেনাতে আটক করেন বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। পরবর্তী সময়ে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। খবর পেয়ে উদয়পুরের রাধাকিশোরপুর থানার পুলিশ এবং রাধাকিশোরপুর মহিলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ওই স্পা সেন্টার থেকে দুই গৃহবধূ ও এক যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ সেখানে চলছিল এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জনবহুল এলাকায় এ ধরনের স্পা সেন্টারের আড়ালে যদি কোনো বেআইনি বা অনৈতিক কার্যকলাপ চলে থাকে,  তাহলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে স্পা সেন্টারটির বৈধ অনুমোদন, লাইসেন্স এবং সেখানে কী ধরনের পরিষেবা দেওয়া হচ্ছিল, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা দরকার বলে দাবি এলাকাবাসীর।
অন্যদিকে, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্পা সেন্টারের আড়ালে কথিত অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগ নতুন করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। তদন্তের পরই পরিষ্কার হবে, আসলে ওই স্পা সেন্টারে কী ধরনের কার্যকলাপ চলছিল এবং অভিযোগের সত্যতা কতটা।
এসডিপিও কি বলছে NLFT–ATTF প্রাক্তন বৈরী গোষ্ঠীদের  শুনুন! ১১ দফা দাবিতে ৭২ ঘণ্টার অবরোধে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক ও রেলপথে যান চলাচল ব্যাহত। খোয়াই ও বরমুড়ায় উত্তেজনা, মোতায়েন বিশাল পুলিশ ও TSR বাহিনী!
ধলাই জেলার  কমলপুর মহকুমার সালেমা ব্লকে ১০ টি ভিলেজ কমিটির সি পি আই (এম) প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার জন্য সাড়া জাগানো মিছিল । মিছিলের নেতৃত্বে রয়েছেন ধলাই জেলা কমিটির সম্পাদক অঞ্জন দাস ও কমলপুর মহকুমা কমিটির সম্পাদক অমর ভট্টাচার্য,বদরভোম হালামসহ অন্যান্যরা ।
এন এল এফটি আত্মসমর্পণকারী জঙ্গিগোষ্ঠী ৭২ ঘন্টা বনধ ডাকল রেলপথ!
খাদ্য সামগ্রীর গুণগত মান বজায় রাখা ও ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফের অভিযানে নামল উদয়পুর মহকুমা প্রশাসন। মহকুমা শাসকের নির্দেশে বুধবার স্বাস্থ্য দপ্তর, ফুড সেফটি বিভাগ, খাদ্য দপ্তর ও লিগ্যাল মেট্রোলজি বিভাগের আধিকারিকরা যৌথভাবে উদয়পুর ব্রহ্মাবাড়ি বাজার থেকে মাতাবাড়ি বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন দোকান, মিষ্টির দোকান, হোটেল ও আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালান। অভিযানে বেশ কয়েকটি দোকান থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যাকেটজাত খাদ্য সামগ্রী ও ঠান্ডা পানীয় উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করা হয়। পাশাপাশি দুটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি ফ্যাক্টরিতে প্যাকেটের গায়ে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ না থাকা এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে সেটি সিল করে দেওয়া হয়।
জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. শুভেন্দু দেববর্মা জানান, ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে নিয়মিত এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে অনিয়ম পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, বুধবারের অভিযানে অনিয়ম পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুইটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরি সিল করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দোকান ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আইন অনুযায়ী আরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন মহকুমা শাসক।প্রশাসনের এই অভিযানে ব্যবসায়ী মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সভাপতি মল্লিকা অর্জুন খার্গে উওরাখন্ডের হলদোয়ানিতে জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন। বিজেপি আর এস এস ঐ স্থান টিকে শুদ্ধিকরণের নামে গঙ্গার জল ছিটিয়ে জঘন্যতম নিন্ম মানুষিকতার পরিচয় দিয়েছে। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী সাংবাদিক সম্মেলন করে যারা এই জঘন্যতম ঘটনা সংঘটিত করেছে তাদের বিরুদ্ধে এসসি এসটি এক্ট অনুযায়ী মামলা রুজু করার দাবি জানান। কিন্তু উল্টো উওরাখন্ড সরকার রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা রুজু করেছে।এই মামলার প্রত্যাহারের দাবিতে উদয়পুর জেলা কংগ্রেস উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা। উপস্থিত উদয়পুর জেলা কংগ্রেস সভাপতি টিটন পাল, প্রদেশ কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক মিলন কর, ওবিসি ডিপার্টমেন্টের সহ-সভাপতি প্রল্লাদ ঘোষ।
ছাত্রছাত্রীদের সাথে মতবিনিময়েও রাজনৈতিক নেতাদের ভিড়! উদয়পুর জামজুড়ি এইচএস স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানে সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব উপস্থিত! রাজনৈতিক নেতাদের দৌলতে ছাত্রছাত্রীরা কাছে যেতে পারছে না বিপ্লব দেবের!
** জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাবা ও বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হওয়ার ঘটনার খবর পেয়ে ধলাই জেলার এসপি ঋষিকেশ দেশাই কমলপুর থানার বামনছড়া পঞ্চায়েতের গুরুচরণ গৌড় পাড়ায় আসেন। ঘটনাস্থলে এসডিপিও সৌরভ সেন ও কমলপুর ওসি সুমন আচার্য্যের সাথে কথা বলে ফরেন্সিক টিমের কাজ প্রত্যক্ষ করেন। খুন হওয়া জয় সিং গৌড়ের মাথায় সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে লাঠি ও রডের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জানা গেছে,শুক্রবার রাত নয়টা নাগাদ জয় সিং গৌড় মদ্যপান করে বাড়ির জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বাবা সনু রাম গৌড় এবং বড় ভাই মিঠুন গৌড়কে প্রচন্ড গালিগালাজ করে। একটা সময় জয় সিং গৌড় উত্তেজিত হয়ে বড় ভাই মিঠুন গৌড়ের ঘরের সামনে যায়। তখন সময় তার বাবা সনু রাম গৌড়,বড় ভাই মিঠুন গৌড় এবং খুরতোত ভাই হরি চরন গৌড় ঘর থেকে বেরিয়ে এসে জয় সিং গৌড়কে লাঠি ও রড দিয়ে সমস্ত শরীরে আঘাত করে। ঘটনাস্থলে সে মারা যায়। এরপর জয় সিং গৌড়ের মৃতদেহ বড় ভাই মিঠুন গৌড়ের ঊঠান থেকে তুলে প্রথমে জয় সিং গৌড়ের ঊঠানে পরে বৃষ্টি আসায় তার দেহ তাদের বিছানায় শুয়ে রাখে। পরের দিন সকালে কমলপুর থানায় খুন হওয়ার ঘটনা জানায়। Byte -- এসপি ঋষিকেশ দেশাই।
           "" "" "" "
নিয়োগের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাওয়ের কর্মসূচি, তার আগেই টেট উত্তীর্ণদের আটক করল পুলিশ
নিয়োগের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা করেছিলেন টেট উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা। তবে কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই শহরের টাউন হলের সামনে তাদের আটক করে পুলিশ।
জানা যায়, টেট উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। তাদের দাবি, টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে নিয়োগ না হওয়ায় তারা সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। সেই দাবিতেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাওয়ের কর্মসূচি নেওয়া হয়।
শনিবার নির্ধারিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে টাউন হলের সামনে জমায়েত হন টেট উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগেই পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে টাউন হল চত্বর এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা তাদের দাবি দ্রুত পূরণের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান।
রেল-বিমানের মতো স্বাস্থ্য পরিষেবাতেও ‘কানেক্টিং’ অ্যাম্বুলেন্স! বিলোনিয়া থেকে গোমতী, তারপর আগরতলা—উঠছে একাধিক প্রশ্ন
রেল কিংবা বিমান পরিষেবায় যাত্রীদের সুবিধার জন্য ‘কানেক্টিং সিস্টেম’-এর কথা আমরা শুনে থাকি। কিন্তু এবার একই ধরনের ‘কানেক্টিং সিস্টেম’-এর অভিযোগ উঠল রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থাকে ঘিরে। শুনতে অবাক লাগলেও বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকল গোমতী জেলা হাসপাতাল চত্বর।
ঘটনার সূত্রপাত বিলোনিয়া হাসপাতাল থেকে। জানা যায়, এক মহিলা রোগীর রক্তপাত বন্ধ না হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আগরতলার এজিএমসি হাসপাতালে রেফার করা হয়। এরপর ১০২ নম্বরে ফোন করে অ্যাম্বুলেন্স বুক করা হয়। TR-01-H-2376 নম্বরের একটি ১০২ অ্যাম্বুলেন্সে করে বিলোনিয়া থেকে রোগীকে নিয়ে আসা হয় গোমতী জেলা হাসপাতাল চত্বরে।
কিন্তু গোমতী জেলা হাসপাতালে পৌঁছানোর পর ঘটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল ১০২ পরিষেবার আরও একটি অ্যাম্বুলেন্স। বিলোনিয়া থেকে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি গোমতী জেলা হাসপাতাল চত্বরে পৌঁছানোর পর এক অ্যাম্বুলেন্স থেকে অন্য অ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে স্থানান্তর করা হয়। এরপর নতুন অ্যাম্বুলেন্সে করে রোগীকে আগরতলার এজিএমসি হাসপাতালের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে—এক জেলা থেকে অন্য জেলায় রোগী নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কেন মাঝপথে অ্যাম্বুলেন্স পরিবর্তন করতে হচ্ছে? যদি গাড়িতে কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকে, তাহলে রোগীকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে না কেন?
গোমতী জেলা হাসপাতাল চত্বরে থাকা কয়েকজন সরকারি ও বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালকের দাবি, বিলোনিয়া থেকে আগত ১০২ পরিষেবার অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে এসে এভাবেই অন্য অ্যাম্বুলেন্সে স্থানান্তরের ঘটনা নতুন নয়। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এক অ্যাম্বুলেন্স থেকে অন্য অ্যাম্বুলেন্সে রোগী স্থানান্তরের এই ব্যবস্থা চলে আসছে।
অন্যদিকে, অ্যাম্বুলেন্স চালকদের একাংশের দাবি, দক্ষিণ জেলা ও গোমতী জেলার ১০২ পরিষেবার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমেই এই ধরনের ‘কানেক্টিং’ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, এর পেছনে আর্থিক অনিয়ম এবং জ্বালানি তেল সংক্রান্ত একটি চক্র থাকতে পারে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতের ঘটনায় আরও গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স চালকের দাবি, তাঁর অ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল না। এমনকি জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত সাইরেনের যন্ত্রও নষ্ট ছিল বলে অভিযোগ। তা সত্ত্বেও রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁকে বাধ্য করা হয় বলে দাবি চালকের।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, রাতের অন্ধকারে গোমতী জেলা হাসপাতাল চত্বরে এক অ্যাম্বুলেন্স থেকে অন্য অ্যাম্বুলেন্সে একজন গুরুতর অসুস্থ রোগীকে স্থানান্তর করতে হয়েছে। এতে রোগীর পরিবার যেমন চরম হয়রানির মুখে পড়েছে, তেমনই অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কোনো অ্যাম্বুলেন্সে সত্যিই যদি প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে প্রথম কর্তব্য হওয়া উচিত রোগীকে নিরাপদে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। কিন্তু এই ক্ষেত্রে গোমতী জেলা হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে আসার পরও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পরিবর্তে হাসপাতাল চত্বরেই এক অ্যাম্বুলেন্স থেকে অন্য অ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে স্থানান্তর করে পুনরায় আগরতলার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়।
ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে আর কে পুর থানার পুলিশের কাছেও খবর পৌঁছায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখে বলে জানা যায়। তবে এই অ্যাম্বুলেন্স পরিবর্তনের পেছনে সঠিক কারণ কী, কার নির্দেশে এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনো আর্থিক অনিয়ম জড়িত রয়েছে কি না—তা তদন্তের বিষয়।
অভিযোগের তীর ১০২ পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত দক্ষিণ জেলা ও গোমতী জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দিকেও উঠেছে। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাম্বুলেন্স চালকদের একাংশের বক্তব্য, এক-দুদিন কোনো অ্যাম্বুলেন্সে প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকতেই পারে। কিন্তু সেই অজুহাতে মাসের পর মাস কিংবা বছরের পর বছর একইভাবে এক অ্যাম্বুলেন্স থেকে অন্য অ্যাম্বুলেন্সে রোগী স্থানান্তর করে পরিষেবা দেওয়া হলে তার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।
স্বাস্থ্য পরিষেবা যেখানে একজন রোগীর জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে সরাসরি জড়িত, সেখানে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবায় নিরাপত্তা, অক্সিজেনের ব্যবস্থা, জরুরি সরঞ্জাম এবং দ্রুত চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ‘কানেক্টিং অ্যাম্বুলেন্স’ ব্যবস্থার পেছনে আসল কারণ কী, এই ব্যবস্থার অনুমোদন রয়েছে কি না এবং এর ফলে রোগীদের কোনো ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে কি না—তা নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি উঠছে।
এখন দেখার বিষয়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসন বা স্বাস্থ্য দপ্তর কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং ‘কানেক্টিং অ্যাম্বুলেন্স’ পরিষেবা নিয়ে ওঠা অভিযোগের আসল সত্য কোথায়—তা তদন্তে কতটা পরিষ্কার হয়।
মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু কবি তথা শিক্ষক প্রীতমের নিথর দেহ নিয়ে আসা হয় তার নিজ বাড়িতে! কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে পরিবারসহ গোটা এলাকা!
ব্যাটারি চালিত বাজাজ অটো না কেনার আহ্বান চালকদের!
প্রদেশ নির্দেশক্রমে যুব মোর্চার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল উদয়পুরে!
উদয়পুরে প্রতিনিয়ত হচ্ছে যান দুর্ঘটনা! সেনিয়ে সতর্ক করা হচ্ছে বিভিন্ন মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ!