Public App Logo
Profile Picture

রহস্য কথা

@usr0201943
414Followers
0Following
গত রাতে এনসি নগর সীমান্ত সড়ক এবং ধনপুর এলাকায় (ইটভাটার কাছে) মোবাইল ডিউটি ​​চলাকালীন মালিকবিহীন অবস্থায় মোট ৪০ বোতল 'এসকাফ' (ESKUF) কাশির সিরাপ এবং ৪৯০০টি 'টাপেন্টাডল' (Tapentadol) ট্যাবলেট উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করে সোনামুড়া পুলিশ!
ক্ষুধার জ্বালায় ডাস্টবিন থেকে খাবার কুড়িয়ে খাচ্ছেন এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি, উদয়পুরে মানবিকতার প্রশ্ন!
নির্মাণ সামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার হতে পারে বিপদ!
উদয়পুর মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মায়ের মন্দিরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবলের ডিউটি নিয়ে বাকবিতান্ডায় স্থানীয় যুবকরা!
উদয়পুর শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট সমস্যা নিরসন এবং মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরমুখী তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে জাতীয় সড়ক-০৮ এর একটি প্রস্তাবিত বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে শনিবার রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় সম্ভাব্য বাইপাস সড়কের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, প্রস্তাবিত বাইপাস সড়কের বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর) প্রস্তুতের পূর্বে সম্ভাব্য রুট নির্ধারণ, ভূমি পরিস্থিতি যাচাই এবং বিভিন্ন কারিগরি দিক মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে অর্থমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভাব্য সড়কপথের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বাস্তব পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এদিন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পূর্ত দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, জাতীয় সড়কের মুখ্য বাস্তুকার সুব্রত বণিক, পূর্ত দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকার অনুপ দাস, আরবান ডেভেলপমেন্ট দপ্তরের অধিকর্তা ড. তমাল মজুমদার, ত্রিপুরা আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মুখ্য প্রকৌশলী নিত্য কুমার জমাতিয়া, এনএইচআইডিসিএল-এর আধিকারিকরা, অতিরিক্ত জেলা শাসক সুভাষ আচার্য, মহকুমা শাসক ত্রিদীপ সরকার সহ বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে উদয়পুর শহরের উপর যানবাহনের চাপও বেড়ে চলেছে। ভবিষ্যতের এই চাপকে মাথায় রেখে বাগমা থেকে মাতাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বাইপাস সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত এই বাইপাস সড়কটি বাগমা, টেপানিয়া, জামজুড়ি এবং উদয়পুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা অতিক্রম করে মাতাবাড়ি মন্দিরের নিকটে জাতীয় সড়ক-০৮ এর সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এতে করে শহরের ভিতরে যানজট অনেকটাই কমবে এবং তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সকল দিক বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে খুব শীঘ্রই ডিপিআর প্রস্তুতের কাজ শুরু করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুর শহরের সামগ্রিক যানবাহন ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটবে এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
উল্লেখ্য, এই প্রস্তাবিত বাইপাস নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুর শহরের যান চলাচল ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
কমলপুরে মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতে নাবালক! জেরায় উঠে এল একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—বাড়ি থেকে মন্দির, একাধিক চুরিকাণ্ডে জড়িত থাকার দাবি।

একের পর এক চুরি, বাড়ি থেকে মন্দির—অভিযোগের পর অভিযোগ উঠলেও কথিত চোরচক্রের নাগাল পায়নি কমলপুর পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা নিয়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়লেও অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। অবশেষে পুলিশের জালে নয়, মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতেই ধরা পড়ল কথিত চোরচক্রের এক নাবালক সদস্য।
আজ কাকভোরে কমলপুর শহর লাগোয়া, কমলপুর থানার মাত্র কিছুটা দূরে ভিতর ফুলছড়ি এলাকায় নরেশ ঘোষের পুকুরে মাছ চুরি করতে যায় একদল যুবক ও নাবালক। অভিযোগ, ভোরের অন্ধকারে পরিকল্পিতভাবে পুকুরে মাছ চুরির চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি টের পেয়ে পুকুরের মালিক নরেশ ঘোষ চোরদের ধরতে এগিয়ে যান।
তখন চোরচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুকুরের মালিক ও স্থানীয়দের তৎপরতায় একজন নাবালককে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গে থাকা বাকিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আটক এক নাবালক। তার বাড়ি কমলপুরের মায়াছড়ি এলাকায় বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর পেয়ে কমলপুর থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
কিন্তু ঘটনার পর স্থানীয়দের প্রশ্ন—এতদিন ধরে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও কথিত চোরচক্রকে ধরতে পুলিশ কেন ব্যর্থ হল? পুলিশের নজরদারি ও তদন্তে কোথায় ছিল ঘাটতি?
স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে দাবি করে, সে একা নয়। তাদের একটি দল রয়েছে এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের বাড়িও মায়াছড়ি চৌমুহনী এলাকায়। আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, তার দাবি অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত একাধিক চুরির ঘটনার সঙ্গে ওই দলের সদস্যদের যোগ রয়েছে।
বাড়িতে চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্দিরে সংঘটিত চুরির ঘটনাতেও তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে আটক নাবালক দাবি করেছে। যদিও এই দাবিগুলির সত্যতা এখনও পুলিশের তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।
সংবাদমাধ্যমের সামনে আটক নাবালক আরও দাবি করে, চুরি করা অর্থ দিয়ে তারা মাদক বা ড্রাগস সেবন করত। তার এই বক্তব্য সামনে আসতেই এলাকাজুড়ে নতুন করে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কমলপুরে একের পর এক বড় চুরির ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কার্যকর সাফল্য দেখা যায়নি। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও প্রশ্ন আরও বাড়ছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যদি কথিত চোরচক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ই থেকে থাকে, তাহলে কমলপুর পুলিশ এতদিন তাদের ধরতে পারল না কেন? একের পর এক চুরির পরও কি যথাযথ তদন্ত ও নজরদারি হয়েছিল? নাকি চোরচক্র পুলিশের চোখ এড়িয়ে নির্বিঘ্নে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছিল?
এবার জনতার হাতে একজন আটক হওয়ার পর কথিত চক্রটির বাকি সদস্যদের নাম-পরিচয় ও সম্ভাব্য কার্যকলাপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত পলাতক সদস্যদের আটক করা যায়নি।
এখন দেখার বিষয়, জনতার হাতে ধরা পড়া নাবালকের দেওয়া তথ্যকে ভিত্তি করে কমলপুর পুলিশ কি দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে? কথিত চোরচক্রের মূল হোতা বা মাস্টারমাইন্ডকে কি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে? নাকি অন্যান্য চুরিকাণ্ডের মতো এই ঘটনাও তদন্তের অন্ধকারেই থেকে যাবে?
পুলিশ যেখানে ব্যর্থতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে, সেখানে জনতার তৎপরতায় কথিত চোরচক্রের এক সদস্য আটক—এই ঘটনায় কমলপুর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে। এখন পুলিশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ—শুধু আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ নয়, তার দাবির সত্যতা যাচাই করে চক্রের বাকি সদস্য ও মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা।
লম্পট বেয়াই এর সাথে পালিয়ে গেল চার বছরের সংসার ফেলে দুই বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ!
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মহিলা পাইলট ভারতে! আদৌ কি সত্যি! উদয়পুরে বললেন জাতীয় মহিলা কমিশনার!
উদয়পুর লেক সিটি শপিং কমপ্লেক্সে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি, জনতার হাতে ধরা পড়ল অভিযুক্ত!
আমবাসায় উদ্ধার মানব কঙ্কাল। আমবাসা নতুন পল্লী এলাকায় চান্দ্রাই ছড়া থেকে উদ্ধার হয় এই কঙ্কাল। ছড়ার জল এবং স্থল মিলিয়ে কঙ্কালটি পড়েছিল। যে জায়গায় কঙ্কালটি পাওয়া গেছে সেই জায়গাটি ছিল নতুন পল্লী এলাকার বাসিন্দা খগেশ দেবনাথের । আজ সকালে ছড়ার পাশে খগেশ দেবনাথ এর জায়গায় কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকরা কঙ্কালটি দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গে মালিক খগেশ দেবনাথ কে জানালে উনি আমবাসা থানার পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের ছুটে আসে আমবাসা থানার পুলিশ। ছুটে আসেন আমবাসা থানার ওসি নন্দন দাস। পুলিশ এসে কঙ্কালটি দেখতে পায়। খবর দেওয়া হয় মহকুমা পুলিশ আধিকারিককে । ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ভারপ্রাপ্ত মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশোর উঁচুই । পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় ডিসিএম, ফরেন্সিক টীম এবং চিকিৎসককে। খবর পেয়ে ছুটে আসেন ডি সি এম পূজা রিয়াং । কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরেনসিক টিম এবং ধলাই জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক। ডি সি এম এর উপস্থিতিতে ফরেনসিক টিম মানব কঙ্কালটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। এবং পরবর্তী সময় ঘটনাস্থলেই মানব কঙ্কাল টির ময়না তদন্ত করেন চিকিৎসক। 
জায়গার মালিক খগেশ দেবনাথ বলেন আজ সকালে উনার জায়গায় কাজ করতে এসে শ্রমিকরা এই কঙ্কাল দেখতে পায়। তখন শ্রমিকরা উনাকে জানালে উনি পুলিশকে খবর দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন এবং তদন্ত শুরু করে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভারপ্রাপ্ত মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশোর উচুই জানান সকালে খবর আসে নতুন পল্লী এলাকার চান্দ্রাই ছড়াতে একটি মানব কঙ্কাল পাওয়া যায়। খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। এখন তদন্তক্রমে জানা যাবে কঙ্কালটি কার বা কোথায় থেকে এসেছে। তিনি জানান আনুমানিক মাসখানেকের উপর হবে এই কঙ্কালটি। কারণ দেহের কোন অংশেই মাংস নেই। হয়তোবা জলের স্রোতে তা ধুয়ে নিয়ে গেছে। তিনি জানান প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে এই মানব কঙ্কালটি কোন এক পুরুষের হবে। ফরেনসিক টিম তদন্তক্রমে হয়তোবা এর সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। 
এদিকে আমবাসায় মানব কঙ্কাল উদ্ধারে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়।
চালকের গুন্ডারাজ ! বিমানবন্দরে প্রায় প্রতিদিন হেনস্তার শিকার হচ্ছে যাত্রীরা!
তুই চাকমা থেকে মহিরামপাড়া রাস্তার বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী!
ধলাই জেলার গন্ডাছড়া মহকুমার অন্তর্গত তুই চাকমা থেকে মহিরামপাড়া যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বেহাল দশা যেন প্রশাসনের দীর্ঘদিনের উদাসীনতারই এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে বিভিন্ন অংশে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত, অথচ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের টনক নড়ছে না। প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ মানুষের এই নিত্যদিনের দুর্ভোগ কি প্রশাসনের চোখে পড়ে না?
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তাটির বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বিশেষ করে বর্ষার সময় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। বৃষ্টির জল জমে রাস্তার গর্তগুলো আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, যার ফলে ছোট যানবাহন চলাচল যেমন দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে, তেমনি জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়েও চরম বিপাকে পড়তে হয় এলাকাবাসীকে। একটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে এই প্রশ্ন এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে।
শুধু তাই নয়, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, কর্মজীবী মানুষ এবং সাধারণ জনগণ যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এমন বেহাল অবস্থার কারণে তাঁদের সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অথচ প্রশাসনের কাছে বারবার দাবি জানিয়েও মেলেনি কোনো সুরাহা।
এলাকাবাসীর স্পষ্ট দাবি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা অবিলম্বে রাস্তাটি পরিদর্শন করে স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। আর কালক্ষেপণ নয় দ্রুত রাস্তার গর্তগুলো মেরামত করে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের উপযোগী করে তোলার জোরালো দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এখন দেখার বিষয়, জনসাধারণের দীর্ঘদিনের এই ন্যায্য দাবির প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কবে টনক নড়ে, নাকি আরও একটি দুর্ঘটনার অপেক্ষায় থাকবে প্রশাসন।
উদয়পুর গংগাছড়া সড়কে দিন দুপুরে প্রকাশ্যে রাস্তায় যুবক-যুবতির মদের আসর!
Video 13
কাঁকড়াবন ধূপতলি হয়ে বড়পাথরী সড়ক অবরোধ নিয়ে মুখ খুললেন বিধায়ক জিতেন্দ্র!
দিল্লীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের বর্বোরোচিত হামলার প্রতিবাদে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা, আক্রমণ কারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা,নিহত ছাএ পরিবারের ক্ষতিপূরণের দাবিতে উদয়পুর জেলা কংগ্রেসের উদ্যোগে আজ সন্ধ্যায় উদয়পুর প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত জেলা কংগ্রেস সভাপতি টিটন পাল, প্রদেশ কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক মিলন কর, জেলা যুব কংগ্রেস সভাপতি ইন্দ্রজিৎ দাস, আইনজীবী অভিজিৎ সরকার।
রাস্তা সংস্কারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা, পুলিশের লাঠিচার্জ!
উদয়পুর গংগাছড়া সড়কে দিন দুপুরে প্রকাশ্যে রাস্তায় যুবক-যুবতির মদের আসর!
কাঁকড়াবন ধূপতলি হয়ে বড়পাথরী সড়ক অবরোধ নিয়ে মুখ খুললেন বিধায়ক জিতেন্দ্র!
উদয়পুর লেক সিটি শপিং কমপ্লেক্সে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি, জনতার হাতে ধরা পড়ল অভিযুক্ত!
Video 20
দিল্লীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের বর্বোরোচিত হামলার প্রতিবাদে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা, আক্রমণ কারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা,নিহত ছাএ পরিবারের ক্ষতিপূরণের দাবিতে উদয়পুর জেলা কংগ্রেসের উদ্যোগে আজ সন্ধ্যায় উদয়পুর প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত জেলা কংগ্রেস সভাপতি টিটন পাল, প্রদেশ কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক মিলন কর, জেলা যুব কংগ্রেস সভাপতি ইন্দ্রজিৎ দাস, আইনজীবী অভিজিৎ সরকার।
তুই চাকমা থেকে মহিরামপাড়া রাস্তার বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

গন্ডাছড়া প্রতিনিধি: ধলাই জেলার গন্ডাছড়া মহকুমার অন্তর্গত তুই চাকমা থেকে মহিরামপাড়া যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বেহাল দশা যেন প্রশাসনের দীর্ঘদিনের উদাসীনতারই এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে বিভিন্ন অংশে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত, অথচ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের টনক নড়ছে না। প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ মানুষের এই নিত্যদিনের দুর্ভোগ কি প্রশাসনের চোখে পড়ে না?
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তাটির বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বিশেষ করে বর্ষার সময় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। বৃষ্টির জল জমে রাস্তার গর্তগুলো আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, যার ফলে ছোট যানবাহন চলাচল যেমন দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে, তেমনি জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়েও চরম বিপাকে পড়তে হয় এলাকাবাসীকে। একটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে এই প্রশ্ন এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে।
শুধু তাই নয়, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, কর্মজীবী মানুষ এবং সাধারণ জনগণ যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এমন বেহাল অবস্থার কারণে তাঁদের সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অথচ প্রশাসনের কাছে বারবার দাবি জানিয়েও মেলেনি কোনো সুরাহা।
এলাকাবাসীর স্পষ্ট দাবি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা অবিলম্বে রাস্তাটি পরিদর্শন করে স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। আর কালক্ষেপণ নয় দ্রুত রাস্তার গর্তগুলো মেরামত করে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের উপযোগী করে তোলার জোরালো দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এখন দেখার বিষয়, জনসাধারণের দীর্ঘদিনের এই ন্যায্য দাবির প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কবে টনক নড়ে, নাকি আরও একটি দুর্ঘটনার অপেক্ষায় থাকবে প্রশাসন।
আমবাসায় উদ্ধার মানব কঙ্কাল। আমবাসা নতুন পল্লী এলাকায় চান্দ্রাই ছড়া থেকে উদ্ধার হয় এই কঙ্কাল। ছড়ার জল এবং স্থল মিলিয়ে কঙ্কালটি পড়েছিল। যে জায়গায় কঙ্কালটি পাওয়া গেছে সেই জায়গাটি ছিল নতুন পল্লী এলাকার বাসিন্দা খগেশ দেবনাথের । আজ সকালে ছড়ার পাশে খগেশ দেবনাথ এর জায়গায় কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকরা কঙ্কালটি দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গে মালিক খগেশ দেবনাথ কে জানালে উনি আমবাসা থানার পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের ছুটে আসে আমবাসা থানার পুলিশ। ছুটে আসেন আমবাসা থানার ওসি নন্দন দাস। পুলিশ এসে কঙ্কালটি দেখতে পায়। খবর দেওয়া হয় মহকুমা পুলিশ আধিকারিককে । ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ভারপ্রাপ্ত মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশোর উঁচুই । পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় ডিসিএম, ফরেন্সিক টীম এবং চিকিৎসককে। খবর পেয়ে ছুটে আসেন ডি সি এম পূজা রিয়াং । কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরেনসিক টিম এবং ধলাই জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক। ডি সি এম এর উপস্থিতিতে ফরেনসিক টিম মানব কঙ্কালটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। এবং পরবর্তী সময় ঘটনাস্থলেই মানব কঙ্কাল টির ময়না তদন্ত করেন চিকিৎসক। 
জায়গার মালিক খগেশ দেবনাথ বলেন আজ সকালে উনার জায়গায় কাজ করতে এসে শ্রমিকরা এই কঙ্কাল দেখতে পায়। তখন শ্রমিকরা উনাকে জানালে উনি পুলিশকে খবর দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন এবং তদন্ত শুরু করে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভারপ্রাপ্ত মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশোর উচুই জানান সকালে খবর আসে নতুন পল্লী এলাকার চান্দ্রাই ছড়াতে একটি মানব কঙ্কাল পাওয়া যায়। খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। এখন তদন্তক্রমে জানা যাবে কঙ্কালটি কার বা কোথায় থেকে এসেছে। তিনি জানান আনুমানিক মাসখানেকের উপর হবে এই কঙ্কালটি। কারণ দেহের কোন অংশেই মাংস নেই। হয়তোবা জলের স্রোতে তা ধুয়ে নিয়ে গেছে। তিনি জানান প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে এই মানব কঙ্কালটি কোন এক পুরুষের হবে। ফরেনসিক টিম তদন্তক্রমে হয়তোবা এর সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। 
এদিকে আমবাসায় মানব কঙ্কাল উদ্ধারে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়।
চালকের গুন্ডারাজ ! বিমানবন্দরে প্রায় প্রতিদিন হেনস্তার শিকার হচ্ছে যাত্রীরা!