
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল-প্রতি প্রায় ১২০ ডলার থেকে কমে ৭০-৭৬ ডলারে নেমে এসেছে। তবে সরকারি তেল বিপণন সংস্থাগুলি ভারতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার সময় জ্বালানির দাম লিটার প্রতি প্রায় ৭.৫০ টাকা বাড়লেও, বিশ্ববাজারে বড় পতন সত্ত্বেও পাম্পের দাম কমানো হয়নি।আন্তর্জাতিক বাজার চড়া থাকার সময় কোম্পানিগুলো আড়াই মাস দাম বাড়ায়নি। বর্তমানে পেট্রোলে মুনাফা থাকলেও ডিজেলে সামান্য ক্ষতি হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।দেশে জ্বালানির দাম প্রতিদিনের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে না, বরং আগের পনেরো দিন বা এক মাসের গড় মূল্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। বিশ্ববাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হলে তবেই দাম কমার সুফল পেতে পারেন সাধারণ মানুষ।কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শোধনাগার বা রিফাইনারিগুলোর কাছে বর্তমানে যে তেলের স্টক রয়েছে, তা আগের চড়া দামে কেনা। নতুন কম দামের ক্রুড তেল ভারতে এসে পৌঁছাতে এবং তা প্রক্রিয়াকরণ হতে কিছুটা সময় লাগবে।
ভারতের তেল বিপণন সংস্থাগুলি দৈনিক ওঠানামার ভিত্তিতে খুচরো দাম নির্ধারণ করে না। আন্তর্জাতিক বাজারের গত ১৫ দিন বা এক মাসের গড় মূল্যের ওপর ভিত্তি করে দাম পর্যালোচনা করা হয়।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সরকার পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের এই নিম্নমুখী প্রবণতা যদি আগামী কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয়, তবেই সাধারণ মানুষ খুচরো মূল্যে স্বস্তি পেতে পারেন। নতুন সস্তা তেল শোধনাগারে পৌঁছালে ধাপে ধাপে পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরো দাম কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।