Public App Logo
Jansamasya
News
पुलिस
Maharashtra
बॉलीवुड
Bjp
National
Police
Bihar
India
कांग्रेस
Congress
Modi
Delhi
Viral
Rajasthan
Bollywood
दिल्ली
Patna
Breakingnews
Madhya_pradesh
अनिल
Cm
Pmmodi
Rahulgandhi
यूपी
कानपुर
Pm
Uttarpradesh
Haryana

শালতোড়া: বাঁকুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্ট্রং রুমে ভোটবন্দীEVM,পরিদর্শনে এসেCCTVতে চোখ রেখেছেন শালতোড়ার তৃণমূল প্রার্থী উত্তম বাউরি

Saltora, Bankura | May 2, 2026

MORE NEWS

বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া বিধানসভার কালীদাসপুর মোড়ে বালি গাড়ি আটকে শালতোড়া মন্ডল ২ বিজেপির সভাপতি রাহুল গাঙ্গুলি (সোস্যাল মিডিয়ায়) ফে*স*বুক লাইভে ২৮/০৭/২০২৬  রাত ২ টায় কি বললেন শুনুন 

***ভাইরাল ভিডিও র সত্যতা যাচাই করনি বাঁকুড়া লোকাল নিউজ

বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া বিধানসভার কালীদাসপুর মোড়ে বালি গাড়ি আটকে শালতোড়া মন্ডল ২ বিজেপির সভাপতি রাহুল গাঙ্গুলি (সোস্যাল মিডিয়ায়) ফে*স*বুক লাইভে ২৮/০৭/২০২৬ রাত ২ টায় কি বললেন শুনুন ***ভাইরাল ভিডিও র সত্যতা যাচাই করনি বাঁকুড়া লোকাল নিউজ

Saltora, Bankura | Jul 28, 2026

এক নির্দেশেই ৯৯ BDO বদলি, বাঁকুড়ার ৬ ব্লকে নতুন মুখ

রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশে একসঙ্গে বদলি করা হয়েছে ৯৯ জন ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার বা বিডিও-কে। এই তালিকায় রয়েছে বাঁকুড়া জেলারও একাধিক ব্লক। জেলায় মোট ৬ জন বিডিওর বদলির নির্দেশ জারি হয়েছে।

প্রশাসনিক কাজে আরও গতি আনতে এবং বিভিন্ন ব্লকে নতুনভাবে দায়িত্ব বণ্টনের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে বিডিও বদলির নির্দেশিকা। রাজ্যজুড়ে মোট ৯৯ জন বিডিওর দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এই বদলির তালিকায় বাঁকুড়া জেলার ৬টি ব্লকও রয়েছে। নতুন দায়িত্ব অনুযায়ী—

* সুদীপ কুমার বসু বড়জোড়া ব্লকের বিডিও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
* পার্থ প্রতীম কীর্তনিয়া আসছেন রানীবাঁধ ব্লকের বিডিও হিসেবে।
* তুষার তরফদার দায়িত্ব নিচ্ছেন সিমলাপাল ব্লকের।
* উজ্জ্বল বিশ্বাস হচ্ছেন সোনামুখী ব্লকের নতুন বিডিও।
* শাহিদ আলি দায়িত্বে আসছেন বাঁকুড়া–২ ব্লকে।
* জিনিয়া সাহা নতুন বিডিও হিসেবে যোগ দেবেন বাঁকুড়া–১ ব্লকে।

এক নির্দেশেই ৯৯ BDO বদলি, বাঁকুড়ার ৬ ব্লকে নতুন মুখ রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশে একসঙ্গে বদলি করা হয়েছে ৯৯ জন ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার বা বিডিও-কে। এই তালিকায় রয়েছে বাঁকুড়া জেলারও একাধিক ব্লক। জেলায় মোট ৬ জন বিডিওর বদলির নির্দেশ জারি হয়েছে। প্রশাসনিক কাজে আরও গতি আনতে এবং বিভিন্ন ব্লকে নতুনভাবে দায়িত্ব বণ্টনের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে বিডিও বদলির নির্দেশিকা। রাজ্যজুড়ে মোট ৯৯ জন বিডিওর দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই বদলির তালিকায় বাঁকুড়া জেলার ৬টি ব্লকও রয়েছে। নতুন দায়িত্ব অনুযায়ী— * সুদীপ কুমার বসু বড়জোড়া ব্লকের বিডিও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। * পার্থ প্রতীম কীর্তনিয়া আসছেন রানীবাঁধ ব্লকের বিডিও হিসেবে। * তুষার তরফদার দায়িত্ব নিচ্ছেন সিমলাপাল ব্লকের। * উজ্জ্বল বিশ্বাস হচ্ছেন সোনামুখী ব্লকের নতুন বিডিও। * শাহিদ আলি দায়িত্বে আসছেন বাঁকুড়া–২ ব্লকে। * জিনিয়া সাহা নতুন বিডিও হিসেবে যোগ দেবেন বাঁকুড়া–১ ব্লকে।

Saltora, Bankura | Jul 28, 2026

শম্পা মুখার্জির উদ্যোগে বিহারীনাথ ধামগামী শিবভক্তদের সেবায় রাঙ্গামাটি গ্রামে মানবিকতার অনন্য নজির! শিবভক্তদের সেবায় রাত জেগে রাঙ্গামাটির সমাজকর্মীরা পাশে থাকার প্রয়াস করল 

🛕🔱শ্রাবণ মাস মানেই শিবের আরাধনা, ভক্তি আর আস্থার এক অনন্য মিলন। আর সেই ভক্তির পথকে আরও সহজ ও আনন্দময় করে তুলতে মানবিক উদ্যোগের নজির গড়লেন বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া ব্লকের রাঙ্গামাটি গ্রামের সমাজকর্মীরা।
রবিবার সন্ধ্যা থেকে  রাত ভোর । চারিদিকে “বোল বাম” আর “হর হর মহাদেব” ধ্বনিতে মুখরিত পথঘাট। বিহারীনাথ ধাম মন্দিরের উদ্দেশ্যে হাজার হাজার শিবভক্ত ও বোম ভোলে পূর্ণার্থীরা পদযাত্রা করে এগিয়ে চলেছেন।

এই দীর্ঘ যাত্রাপথে ক্লান্ত ভক্তদের পাশে দাঁড়াতে রাঙ্গামাটি গ্রামের দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় বিশেষ সেবাশিবিরের। সেখানে আগত শিবভক্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ঠান্ডা সরবত, মিষ্টি এবং জলখাবার। পাশাপাশি পানীয় জলেরও ব্যবস্থা করা হয়, যাতে যাত্রাপথে ভক্তদের কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়।

এই মানবিক উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন রাঙ্গামাটি গ্রামের সমাজকর্মী শম্পা মুখার্জি। তাঁর সঙ্গে গ্রামের আরও বহু সমাজকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক রাত জেগে নিষ্ঠার সঙ্গে শিবভক্তদের সেবা করেন। কেউ সরবত পরিবেশন করছেন, কেউ মিষ্টি দিচ্ছেন, আবার কেউ বিশ্রামের ব্যবস্থা করে ভক্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

শম্পা মুখার্জি জানান, শ্রাবণ মাসে শিবভক্তদের সেবা করাকে তাঁরা এক ধরনের পুণ্যকর্ম ও সামাজিক দায়িত্ব বলে মনে করেন। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও গ্রামের মানুষ একসঙ্গে এগিয়ে এসে এই উদ্যোগকে সফল করেছেন।

রাঙ্গামাটি গ্রামের এই উদ্যোগ শুধু আপ্যায়নেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা, মানবসেবা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। শিবভক্তদের মুখে হাসি ফোটাতেই তাঁদের এই ছোট্ট প্রয়াস, যা পথচলতি বহু মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
মানুষের পাশে মানুষ—এই বার্তাকেই সামনে রেখে রাঙ্গামাটি গ্রামের সমাজকর্মীদের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। শ্রাবণের পবিত্র আবহে শিবভক্তদের সেবায় এমন মানবিক উদ্যোগ আগামী দিনেও অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে—এমনটাই আশা সকলের।

শম্পা মুখার্জির উদ্যোগে বিহারীনাথ ধামগামী শিবভক্তদের সেবায় রাঙ্গামাটি গ্রামে মানবিকতার অনন্য নজির! শিবভক্তদের সেবায় রাত জেগে রাঙ্গামাটির সমাজকর্মীরা পাশে থাকার প্রয়াস করল 🛕🔱শ্রাবণ মাস মানেই শিবের আরাধনা, ভক্তি আর আস্থার এক অনন্য মিলন। আর সেই ভক্তির পথকে আরও সহজ ও আনন্দময় করে তুলতে মানবিক উদ্যোগের নজির গড়লেন বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া ব্লকের রাঙ্গামাটি গ্রামের সমাজকর্মীরা। রবিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ভোর । চারিদিকে “বোল বাম” আর “হর হর মহাদেব” ধ্বনিতে মুখরিত পথঘাট। বিহারীনাথ ধাম মন্দিরের উদ্দেশ্যে হাজার হাজার শিবভক্ত ও বোম ভোলে পূর্ণার্থীরা পদযাত্রা করে এগিয়ে চলেছেন। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে ক্লান্ত ভক্তদের পাশে দাঁড়াতে রাঙ্গামাটি গ্রামের দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় বিশেষ সেবাশিবিরের। সেখানে আগত শিবভক্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ঠান্ডা সরবত, মিষ্টি এবং জলখাবার। পাশাপাশি পানীয় জলেরও ব্যবস্থা করা হয়, যাতে যাত্রাপথে ভক্তদের কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়। এই মানবিক উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন রাঙ্গামাটি গ্রামের সমাজকর্মী শম্পা মুখার্জি। তাঁর সঙ্গে গ্রামের আরও বহু সমাজকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক রাত জেগে নিষ্ঠার সঙ্গে শিবভক্তদের সেবা করেন। কেউ সরবত পরিবেশন করছেন, কেউ মিষ্টি দিচ্ছেন, আবার কেউ বিশ্রামের ব্যবস্থা করে ভক্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। শম্পা মুখার্জি জানান, শ্রাবণ মাসে শিবভক্তদের সেবা করাকে তাঁরা এক ধরনের পুণ্যকর্ম ও সামাজিক দায়িত্ব বলে মনে করেন। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও গ্রামের মানুষ একসঙ্গে এগিয়ে এসে এই উদ্যোগকে সফল করেছেন। রাঙ্গামাটি গ্রামের এই উদ্যোগ শুধু আপ্যায়নেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা, মানবসেবা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। শিবভক্তদের মুখে হাসি ফোটাতেই তাঁদের এই ছোট্ট প্রয়াস, যা পথচলতি বহু মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। মানুষের পাশে মানুষ—এই বার্তাকেই সামনে রেখে রাঙ্গামাটি গ্রামের সমাজকর্মীদের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। শ্রাবণের পবিত্র আবহে শিবভক্তদের সেবায় এমন মানবিক উদ্যোগ আগামী দিনেও অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে—এমনটাই আশা সকলের।

Saltora, Bankura | Jul 28, 2026

গৌ সম্মান আহবান অভিযান বাঁকুড়ায় 

গো-সুরক্ষা, গো-সেবা এবং গো-সম্মানের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে রবিবার সকালে বাঁকুড়া শহরে অনুষ্ঠিত হলো ‘গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান’। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, ঢাক-ঢোলের বাদ্য, ধর্মীয় আবহ এবং শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে এদিন শহরের রাজপথ যেন ভরে উঠল এক ভিন্ন দৃশ্যে।
রবিবার সকালে বাঁকুড়া হিন্দু স্কুল ময়দান থেকে শুরু হয় গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান। হাতে ব্যানার, পতাকা ও হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে  সচেতনতামূলক বার্তা দিতে শোভাযাত্রায় অংশ নেন অসংখ্য মানুষ। গো-সুরক্ষার বার্তা তুলে ধরতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এই পদযাত্রা পৌঁছায় নির্ধারিত গন্তব্যে।
শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল সুসজ্জিত গো মাতার উপস্থিতি। ফুল ও ঐতিহ্যবাহী অলংকারে সাজানো গোমাতা কে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি ঢাকের তালে তালে এগিয়ে চলে শোভাযাত্রা, যা গোটা পরিবেশকে উৎসবমুখর করে তোলে।
অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য, ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে গোমাতার একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। তাই গো-সেবা, গো-সংরক্ষণ এবং প্রাণীর প্রতি মানবিক আচরণের বার্তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

এই শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলার বিশিষ্ট সমাজকর্মী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী এবং বহু সাধারণ মানুষ। তাঁরা একযোগে এই অভিযানে অংশ নিয়ে সচেতনতার বার্তা তুলে ধরেন।

শোভাযাত্রা চলাকালীন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষ দাঁড়িয়ে এই উদ্যোগকে প্রত্যক্ষ করেন। অনেকেই মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। গো-সম্মান এবং প্রাণী সংরক্ষণের বার্তা ঘিরে মানুষের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
আয়োজকদের দাবি, এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি সমাজে মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আগামী দিনেও বৃহত্তর পরিসরে এই অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে।

গো-সম্মান, গো-সেবা এবং সামাজিক সচেতনতার বার্তা নিয়ে বাঁকুড়ার রাজপথে অনুষ্ঠিত এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরবাসীর নজর কেড়েছে। ধর্মীয় আবেগ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক বার্তার সমন্বয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচি ঘিরে ছিল উৎসবের আবহ।

গৌ সম্মান আহবান অভিযান বাঁকুড়ায় গো-সুরক্ষা, গো-সেবা এবং গো-সম্মানের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে রবিবার সকালে বাঁকুড়া শহরে অনুষ্ঠিত হলো ‘গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান’। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, ঢাক-ঢোলের বাদ্য, ধর্মীয় আবহ এবং শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে এদিন শহরের রাজপথ যেন ভরে উঠল এক ভিন্ন দৃশ্যে। রবিবার সকালে বাঁকুড়া হিন্দু স্কুল ময়দান থেকে শুরু হয় গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান। হাতে ব্যানার, পতাকা ও হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দিতে শোভাযাত্রায় অংশ নেন অসংখ্য মানুষ। গো-সুরক্ষার বার্তা তুলে ধরতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এই পদযাত্রা পৌঁছায় নির্ধারিত গন্তব্যে। শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল সুসজ্জিত গো মাতার উপস্থিতি। ফুল ও ঐতিহ্যবাহী অলংকারে সাজানো গোমাতা কে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি ঢাকের তালে তালে এগিয়ে চলে শোভাযাত্রা, যা গোটা পরিবেশকে উৎসবমুখর করে তোলে। অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য, ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে গোমাতার একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। তাই গো-সেবা, গো-সংরক্ষণ এবং প্রাণীর প্রতি মানবিক আচরণের বার্তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। এই শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলার বিশিষ্ট সমাজকর্মী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী এবং বহু সাধারণ মানুষ। তাঁরা একযোগে এই অভিযানে অংশ নিয়ে সচেতনতার বার্তা তুলে ধরেন। শোভাযাত্রা চলাকালীন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষ দাঁড়িয়ে এই উদ্যোগকে প্রত্যক্ষ করেন। অনেকেই মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। গো-সম্মান এবং প্রাণী সংরক্ষণের বার্তা ঘিরে মানুষের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকদের দাবি, এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি সমাজে মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আগামী দিনেও বৃহত্তর পরিসরে এই অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে। গো-সম্মান, গো-সেবা এবং সামাজিক সচেতনতার বার্তা নিয়ে বাঁকুড়ার রাজপথে অনুষ্ঠিত এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরবাসীর নজর কেড়েছে। ধর্মীয় আবেগ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক বার্তার সমন্বয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচি ঘিরে ছিল উৎসবের আবহ।

Saltora, Bankura | Jul 27, 2026

"গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান " কর্মসূচির মধ্য দিয়ে " গোরুকে ( গোমাতা কে)  " রাষ্ট্রমাতা ঘোষণা ও দেশ জুড়ে গো হত্যা বন্ধের দাবিতে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা করে  বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে দাবি পত্র পেশ

গরুকে (গোমাতা কে )রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতি এবং দেশজুড়ে গো-হত্যা সম্পূর্ণ বন্ধের দাবিতে রবিবার বাঁকুড়া শহরে অনুষ্ঠিত হলো ‘গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান’। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, ঢাক-ঢোলের বাদ্য, সুসজ্জিত গোমাতা এবং শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে শহরের রাজপথে উঠে এল গো-সংরক্ষণের বার্তা। শোভাযাত্রা শেষে বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়।

রবিবার সকালে বাঁকুড়া হিন্দু স্কুল ময়দান থেকে শুরু হয় গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান। হাতে ব্যানার, পতাকা ও বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন শতাধিক মানুষ। ঢাকের বাদ্য, ধর্মীয় সঙ্গীত এবং স্লোগানের মধ্য দিয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এই শোভাযাত্রা পৌঁছায় বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে।

শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফুল ও ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত গোমাতা। পাশাপাশি লোকসংস্কৃতির বাদ্যযন্ত্র, ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং ধর্মীয় আবহে গোটা কর্মসূচি হয়ে ওঠে বর্ণাঢ্য ও আকর্ষণীয়।

অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের মূল দাবি ছিল গরুকে( গোমাতা কে ) রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতি প্রদান এবং সারা দেশে গো-হত্যা সম্পূর্ণ বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতীয় সংস্কৃতি, কৃষি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গোমাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই গো-সংরক্ষণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে দেখার আহ্বান জানান তাঁরা।

এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলার বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ। সকলেই একসঙ্গে এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

শহরের বিভিন্ন রাস্তা অতিক্রম করার পর শোভাযাত্রা বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে পৌঁছায়। সেখানে প্রতিনিধিদল গোরুকে ( গোমাতা কে) রাষ্ট্রমাতা ঘোষণা এবং দেশজুড়ে গো-হত্যা বন্ধের দাবিতে জেলা শাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। তাঁদের আশা, এই দাবিগুলি দেশের সর্বোচ্চ স্তরে গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হবে।

পুরো কর্মসূচি জুড়ে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে শোভাযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন এবং মোবাইলে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় গোটা কর্মসূচি।

গরুকে  ( গোমাতা কে)রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতি এবং দেশব্যাপী গো-হত্যা বন্ধের দাবিকে সামনে রেখে বাঁকুড়ার রাজপথে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে জেলা শাসকের দফতরে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক বার্তার সমন্বয়ে এই কর্মসূচি ঘিরে শহরজুড়ে তৈরি হয় বিশেষ উৎসাহের পরিবেশ।

"গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান " কর্মসূচির মধ্য দিয়ে " গোরুকে ( গোমাতা কে) " রাষ্ট্রমাতা ঘোষণা ও দেশ জুড়ে গো হত্যা বন্ধের দাবিতে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা করে বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে দাবি পত্র পেশ গরুকে (গোমাতা কে )রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতি এবং দেশজুড়ে গো-হত্যা সম্পূর্ণ বন্ধের দাবিতে রবিবার বাঁকুড়া শহরে অনুষ্ঠিত হলো ‘গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান’। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, ঢাক-ঢোলের বাদ্য, সুসজ্জিত গোমাতা এবং শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে শহরের রাজপথে উঠে এল গো-সংরক্ষণের বার্তা। শোভাযাত্রা শেষে বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়। রবিবার সকালে বাঁকুড়া হিন্দু স্কুল ময়দান থেকে শুরু হয় গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান। হাতে ব্যানার, পতাকা ও বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন শতাধিক মানুষ। ঢাকের বাদ্য, ধর্মীয় সঙ্গীত এবং স্লোগানের মধ্য দিয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এই শোভাযাত্রা পৌঁছায় বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে। শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফুল ও ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত গোমাতা। পাশাপাশি লোকসংস্কৃতির বাদ্যযন্ত্র, ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং ধর্মীয় আবহে গোটা কর্মসূচি হয়ে ওঠে বর্ণাঢ্য ও আকর্ষণীয়। অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের মূল দাবি ছিল গরুকে( গোমাতা কে ) রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতি প্রদান এবং সারা দেশে গো-হত্যা সম্পূর্ণ বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতীয় সংস্কৃতি, কৃষি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গোমাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই গো-সংরক্ষণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে দেখার আহ্বান জানান তাঁরা। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলার বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ। সকলেই একসঙ্গে এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। শহরের বিভিন্ন রাস্তা অতিক্রম করার পর শোভাযাত্রা বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে পৌঁছায়। সেখানে প্রতিনিধিদল গোরুকে ( গোমাতা কে) রাষ্ট্রমাতা ঘোষণা এবং দেশজুড়ে গো-হত্যা বন্ধের দাবিতে জেলা শাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। তাঁদের আশা, এই দাবিগুলি দেশের সর্বোচ্চ স্তরে গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হবে। পুরো কর্মসূচি জুড়ে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে শোভাযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন এবং মোবাইলে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় গোটা কর্মসূচি। গরুকে ( গোমাতা কে)রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতি এবং দেশব্যাপী গো-হত্যা বন্ধের দাবিকে সামনে রেখে বাঁকুড়ার রাজপথে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে জেলা শাসকের দফতরে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক বার্তার সমন্বয়ে এই কর্মসূচি ঘিরে শহরজুড়ে তৈরি হয় বিশেষ উৎসাহের পরিবেশ।

Saltora, Bankura | Jul 27, 2026