Public App Logo
Jansamasya
News
पुलिस
Maharashtra
Bjp
National
Police
Bihar
India
Gujarat
भाजपा
Congress
Modi
Delhi
Viral
Bollywood
दिल्ली
Patna
Breakingnews
Narendramodi
Madhya_pradesh
Nsui
Madhyapradesh
Pmmodi
Rahulgandhi
यूपी
Bhopal
सपा
Uttarpradesh
Haryana

बांका में विधायक रत्नेश कुशवाहा ने गिनाईं मोदी सरकार की 12 साल की उपलब्धियां | 12 साल बेमिसाल प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के "12 साल बेमिसाल" अभियान के तहत बांका पहुंचे बिहार विधानसभा के सचेतक एवं विधायक रत्नेश कुशवाहा ने प्रेस वार्ता कर मोदी सरकार के 12 वर्षों की उपलब्धियों को गिनाया। उन्होंने डीबीटी, प्रधानमंत्री आवास योजना, उज्ज्वला योजना, आयुष्मान भारत, किसान सम्मान निधि, जनधन योजना, डिजिटल इंडिया और विकसित भारत 2047 के संकल्प पर विस्तार से चर्चा की। 📍स्थान : बांका, बिहार 🎤 वक्ता : विधायक रत्नेश कुशवाहा 📅 दिनांक : 14 जून 2026 Banka News, Banka Latest News, Ratnesh Kushwaha, Narendra Modi, Modi Government 12 Years, 12 Saal Bemisaal, PM Modi, BJP News, Bihar News, Banka BJP News, DBT Scheme, PM Awas Yojana, Ujjwala Yojana, Ayushman Bharat, PM Kisan Samman Nidhi, Viksit Bharat 2047, Bihar Politics, Banka Press Conference, Breaking News Banka, Deepak Malya News #BankaNews #RatneshKushwaha #NarendraModi #12SaalBemisaal #PMModi BJP BiharNews DBT ViksitBharat2047 BreakingNews

Amarpur, Banka | Jun 14, 2026

MORE NEWS

উদয়পুর শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট সমস্যা নিরসন এবং মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরমুখী তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে জাতীয় সড়ক-০৮ এর একটি প্রস্তাবিত বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে শনিবার রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় সম্ভাব্য বাইপাস সড়কের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, প্রস্তাবিত বাইপাস সড়কের বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর) প্রস্তুতের পূর্বে সম্ভাব্য রুট নির্ধারণ, ভূমি পরিস্থিতি যাচাই এবং বিভিন্ন কারিগরি দিক মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে অর্থমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভাব্য সড়কপথের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বাস্তব পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এদিন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পূর্ত দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, জাতীয় সড়কের মুখ্য বাস্তুকার সুব্রত বণিক, পূর্ত দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকার অনুপ দাস, আরবান ডেভেলপমেন্ট দপ্তরের অধিকর্তা ড. তমাল মজুমদার, ত্রিপুরা আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মুখ্য প্রকৌশলী নিত্য কুমার জমাতিয়া, এনএইচআইডিসিএল-এর আধিকারিকরা, অতিরিক্ত জেলা শাসক সুভাষ আচার্য, মহকুমা শাসক ত্রিদীপ সরকার সহ বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে উদয়পুর শহরের উপর যানবাহনের চাপও বেড়ে চলেছে। ভবিষ্যতের এই চাপকে মাথায় রেখে বাগমা থেকে মাতাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বাইপাস সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত এই বাইপাস সড়কটি বাগমা, টেপানিয়া, জামজুড়ি এবং উদয়পুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা অতিক্রম করে মাতাবাড়ি মন্দিরের নিকটে জাতীয় সড়ক-০৮ এর সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এতে করে শহরের ভিতরে যানজট অনেকটাই কমবে এবং তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সকল দিক বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে খুব শীঘ্রই ডিপিআর প্রস্তুতের কাজ শুরু করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুর শহরের সামগ্রিক যানবাহন ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটবে এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
উল্লেখ্য, এই প্রস্তাবিত বাইপাস নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুর শহরের যান চলাচল ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

উদয়পুর শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট সমস্যা নিরসন এবং মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরমুখী তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে জাতীয় সড়ক-০৮ এর একটি প্রস্তাবিত বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে শনিবার রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় সম্ভাব্য বাইপাস সড়কের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। জানা যায়, প্রস্তাবিত বাইপাস সড়কের বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর) প্রস্তুতের পূর্বে সম্ভাব্য রুট নির্ধারণ, ভূমি পরিস্থিতি যাচাই এবং বিভিন্ন কারিগরি দিক মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। পরিদর্শনকালে অর্থমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভাব্য সড়কপথের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বাস্তব পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এদিন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পূর্ত দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, জাতীয় সড়কের মুখ্য বাস্তুকার সুব্রত বণিক, পূর্ত দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকার অনুপ দাস, আরবান ডেভেলপমেন্ট দপ্তরের অধিকর্তা ড. তমাল মজুমদার, ত্রিপুরা আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মুখ্য প্রকৌশলী নিত্য কুমার জমাতিয়া, এনএইচআইডিসিএল-এর আধিকারিকরা, অতিরিক্ত জেলা শাসক সুভাষ আচার্য, মহকুমা শাসক ত্রিদীপ সরকার সহ বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে উদয়পুর শহরের উপর যানবাহনের চাপও বেড়ে চলেছে। ভবিষ্যতের এই চাপকে মাথায় রেখে বাগমা থেকে মাতাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বাইপাস সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত এই বাইপাস সড়কটি বাগমা, টেপানিয়া, জামজুড়ি এবং উদয়পুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা অতিক্রম করে মাতাবাড়ি মন্দিরের নিকটে জাতীয় সড়ক-০৮ এর সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এতে করে শহরের ভিতরে যানজট অনেকটাই কমবে এবং তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সকল দিক বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে খুব শীঘ্রই ডিপিআর প্রস্তুতের কাজ শুরু করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুর শহরের সামগ্রিক যানবাহন ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটবে এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। উল্লেখ্য, এই প্রস্তাবিত বাইপাস নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুর শহরের যান চলাচল ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Amarpur, Gomati | Aug 1, 2026

কমলপুরে মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতে নাবালক! জেরায় উঠে এল একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—বাড়ি থেকে মন্দির, একাধিক চুরিকাণ্ডে জড়িত থাকার দাবি।

একের পর এক চুরি, বাড়ি থেকে মন্দির—অভিযোগের পর অভিযোগ উঠলেও কথিত চোরচক্রের নাগাল পায়নি কমলপুর পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা নিয়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়লেও অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। অবশেষে পুলিশের জালে নয়, মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতেই ধরা পড়ল কথিত চোরচক্রের এক নাবালক সদস্য।
আজ কাকভোরে কমলপুর শহর লাগোয়া, কমলপুর থানার মাত্র কিছুটা দূরে ভিতর ফুলছড়ি এলাকায় নরেশ ঘোষের পুকুরে মাছ চুরি করতে যায় একদল যুবক ও নাবালক। অভিযোগ, ভোরের অন্ধকারে পরিকল্পিতভাবে পুকুরে মাছ চুরির চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি টের পেয়ে পুকুরের মালিক নরেশ ঘোষ চোরদের ধরতে এগিয়ে যান।
তখন চোরচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুকুরের মালিক ও স্থানীয়দের তৎপরতায় একজন নাবালককে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গে থাকা বাকিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আটক এক নাবালক। তার বাড়ি কমলপুরের মায়াছড়ি এলাকায় বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর পেয়ে কমলপুর থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
কিন্তু ঘটনার পর স্থানীয়দের প্রশ্ন—এতদিন ধরে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও কথিত চোরচক্রকে ধরতে পুলিশ কেন ব্যর্থ হল? পুলিশের নজরদারি ও তদন্তে কোথায় ছিল ঘাটতি?
স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে দাবি করে, সে একা নয়। তাদের একটি দল রয়েছে এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের বাড়িও মায়াছড়ি চৌমুহনী এলাকায়। আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, তার দাবি অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত একাধিক চুরির ঘটনার সঙ্গে ওই দলের সদস্যদের যোগ রয়েছে।
বাড়িতে চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্দিরে সংঘটিত চুরির ঘটনাতেও তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে আটক নাবালক দাবি করেছে। যদিও এই দাবিগুলির সত্যতা এখনও পুলিশের তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।
সংবাদমাধ্যমের সামনে আটক নাবালক আরও দাবি করে, চুরি করা অর্থ দিয়ে তারা মাদক বা ড্রাগস সেবন করত। তার এই বক্তব্য সামনে আসতেই এলাকাজুড়ে নতুন করে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কমলপুরে একের পর এক বড় চুরির ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কার্যকর সাফল্য দেখা যায়নি। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও প্রশ্ন আরও বাড়ছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যদি কথিত চোরচক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ই থেকে থাকে, তাহলে কমলপুর পুলিশ এতদিন তাদের ধরতে পারল না কেন? একের পর এক চুরির পরও কি যথাযথ তদন্ত ও নজরদারি হয়েছিল? নাকি চোরচক্র পুলিশের চোখ এড়িয়ে নির্বিঘ্নে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছিল?
এবার জনতার হাতে একজন আটক হওয়ার পর কথিত চক্রটির বাকি সদস্যদের নাম-পরিচয় ও সম্ভাব্য কার্যকলাপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত পলাতক সদস্যদের আটক করা যায়নি।
এখন দেখার বিষয়, জনতার হাতে ধরা পড়া নাবালকের দেওয়া তথ্যকে ভিত্তি করে কমলপুর পুলিশ কি দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে? কথিত চোরচক্রের মূল হোতা বা মাস্টারমাইন্ডকে কি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে? নাকি অন্যান্য চুরিকাণ্ডের মতো এই ঘটনাও তদন্তের অন্ধকারেই থেকে যাবে?
পুলিশ যেখানে ব্যর্থতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে, সেখানে জনতার তৎপরতায় কথিত চোরচক্রের এক সদস্য আটক—এই ঘটনায় কমলপুর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে। এখন পুলিশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ—শুধু আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ নয়, তার দাবির সত্যতা যাচাই করে চক্রের বাকি সদস্য ও মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা।

কমলপুরে মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতে নাবালক! জেরায় উঠে এল একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—বাড়ি থেকে মন্দির, একাধিক চুরিকাণ্ডে জড়িত থাকার দাবি। একের পর এক চুরি, বাড়ি থেকে মন্দির—অভিযোগের পর অভিযোগ উঠলেও কথিত চোরচক্রের নাগাল পায়নি কমলপুর পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা নিয়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়লেও অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। অবশেষে পুলিশের জালে নয়, মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতেই ধরা পড়ল কথিত চোরচক্রের এক নাবালক সদস্য। আজ কাকভোরে কমলপুর শহর লাগোয়া, কমলপুর থানার মাত্র কিছুটা দূরে ভিতর ফুলছড়ি এলাকায় নরেশ ঘোষের পুকুরে মাছ চুরি করতে যায় একদল যুবক ও নাবালক। অভিযোগ, ভোরের অন্ধকারে পরিকল্পিতভাবে পুকুরে মাছ চুরির চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি টের পেয়ে পুকুরের মালিক নরেশ ঘোষ চোরদের ধরতে এগিয়ে যান। তখন চোরচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুকুরের মালিক ও স্থানীয়দের তৎপরতায় একজন নাবালককে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গে থাকা বাকিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আটক এক নাবালক। তার বাড়ি কমলপুরের মায়াছড়ি এলাকায় বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর পেয়ে কমলপুর থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু ঘটনার পর স্থানীয়দের প্রশ্ন—এতদিন ধরে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও কথিত চোরচক্রকে ধরতে পুলিশ কেন ব্যর্থ হল? পুলিশের নজরদারি ও তদন্তে কোথায় ছিল ঘাটতি? স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে দাবি করে, সে একা নয়। তাদের একটি দল রয়েছে এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের বাড়িও মায়াছড়ি চৌমুহনী এলাকায়। আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, তার দাবি অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত একাধিক চুরির ঘটনার সঙ্গে ওই দলের সদস্যদের যোগ রয়েছে। বাড়িতে চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্দিরে সংঘটিত চুরির ঘটনাতেও তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে আটক নাবালক দাবি করেছে। যদিও এই দাবিগুলির সত্যতা এখনও পুলিশের তদন্তে নিশ্চিত হয়নি। সংবাদমাধ্যমের সামনে আটক নাবালক আরও দাবি করে, চুরি করা অর্থ দিয়ে তারা মাদক বা ড্রাগস সেবন করত। তার এই বক্তব্য সামনে আসতেই এলাকাজুড়ে নতুন করে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কমলপুরে একের পর এক বড় চুরির ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কার্যকর সাফল্য দেখা যায়নি। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও প্রশ্ন আরও বাড়ছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যদি কথিত চোরচক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ই থেকে থাকে, তাহলে কমলপুর পুলিশ এতদিন তাদের ধরতে পারল না কেন? একের পর এক চুরির পরও কি যথাযথ তদন্ত ও নজরদারি হয়েছিল? নাকি চোরচক্র পুলিশের চোখ এড়িয়ে নির্বিঘ্নে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছিল? এবার জনতার হাতে একজন আটক হওয়ার পর কথিত চক্রটির বাকি সদস্যদের নাম-পরিচয় ও সম্ভাব্য কার্যকলাপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত পলাতক সদস্যদের আটক করা যায়নি। এখন দেখার বিষয়, জনতার হাতে ধরা পড়া নাবালকের দেওয়া তথ্যকে ভিত্তি করে কমলপুর পুলিশ কি দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে? কথিত চোরচক্রের মূল হোতা বা মাস্টারমাইন্ডকে কি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে? নাকি অন্যান্য চুরিকাণ্ডের মতো এই ঘটনাও তদন্তের অন্ধকারেই থেকে যাবে? পুলিশ যেখানে ব্যর্থতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে, সেখানে জনতার তৎপরতায় কথিত চোরচক্রের এক সদস্য আটক—এই ঘটনায় কমলপুর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে। এখন পুলিশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ—শুধু আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ নয়, তার দাবির সত্যতা যাচাই করে চক্রের বাকি সদস্য ও মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা।

Amarpur, Gomati | Jul 31, 2026

লম্পট বেয়াই এর সাথে পালিয়ে গেল চার বছরের সংসার ফেলে দুই বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ!

লম্পট বেয়াই এর সাথে পালিয়ে গেল চার বছরের সংসার ফেলে দুই বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ!

Amarpur, Gomati | Jul 30, 2026