Public App Logo
Jansamasya
News
पुलिस
Maharashtra
Bjp
National
Police
Bihar
India
Gujarat
भाजपा
Congress
Modi
Delhi
Viral
Bollywood
दिल्ली
Patna
Breakingnews
Narendramodi
Madhya_pradesh
Madhyapradesh
Pmmodi
Rahulgandhi
यूपी
Bhopal
सपा
Uttarpradesh
Haryana
Hardoi

মুখে সমাজসেবা, পেছনে মানহানির খেল? ফেনসিডিল পাচারকারী চান মিয়ার চক্রান্তের শিকার সাংবাদিক!" সামাজিক মাধ্যমে নিজে'কে সমাজসেবক হিসেবে তুলে ধরা, আর বাস্তবে একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়া—এই দুইয়ের ফারাক যেন আবারও সামনে এল। এবার ফেনসিডিল মাফিয়া চান মিয়ার অমানবিক চক্রান্তের শিকার এক সাংবাদিক! আগরতলা রেল স্টেশনে রেলের ওয়াগন ভরে ফেনসিডিল আসার মামলায় বিচারাধীন আসামি তথা বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে তথাকথিত সমাজসেবকের মুখোশে পরিচিত চান মিয়ার বিরুদ্ধে এবার সরাসরি মানহানি, অপপ্রচার এবং অর্থ দাবির অভিযোগ তুলে তেলিয়ামুড়া থানার দ্বারস্থ হলেন তেলিয়ামুড়ার সাংবাদিক রাহুল পাল। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ জুলাই সকালে চান মিয়া সামাজিক মাধ্যমে "দুলাভাই ২.০" নামে পরিচিত এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে সঙ্গে নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ওই ভিডিওতে তিনি প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন যে সাংবাদিক রাহুল পাল এবং রঞ্জিত শীল নামের অপর আরেক ব্যাক্তি নাকি তাঁর কাছে অর্থ দাবি করেছেন। তবে এই অভিযোগের কোনও সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি বা কোনও সরকারি তদন্তে প্রমাণিতও নয়। রাহুল পালের দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই ধরনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাঁর পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে এবং সমাজে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তীতে তেলিয়ামুড়া বাজার এলাকায় চান মিয়ার সঙ্গে দেখা হলে রাহুল পাল ভিডিওটি সম্পর্কে জানতে চান। তখন চান মিয়া নাকি তাঁকে হুমকি দিয়ে বলেন, তাঁর কাছে আরও অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর রয়েছে, যাদের দিয়ে ভবিষ্যতেও রাহুল পালের বিরুদ্ধে ভিডিও বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হবে। এমনকি এসব বন্ধ করতে হলে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হবে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে চান মিয়ার অতীতও। উল্লেখ্য, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে আগরতলার বাধারঘাট রেলস্টেশন থেকে রেলের ওয়াগন ভর্তি ফেন্সিডিল উদ্ধারের ঘটনায় জিআরপি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন চান মিয়া সহ তার গুণধর সুপুত্র। সেই মামলায় পিতা পুত্র উভয়ই বর্তমানে বিচারাধীন আসামি। স্থানীয় মহলেও নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। যে ব্যাক্তি একসময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন, মাত্র কয়েক বছরের ব্যাবধানে তিনি কীভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হলেন? তাঁর আয়ের উৎস কী? এই প্রশ্নগুলিও বিভিন্ন মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই স্পষ্ট হওয়া সম্ভব। শুক্রবার রাতে সাংবাদিক রাহুল পাল তেলিয়ামুড়া থানায় চান মিয়ার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এখন নজর তদন্তের দিকে। অভিযোগে উত্থাপিত মানহানি, অপপ্রচার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অর্থ দাবির বিষয় গুলি পুলিশ কীভাবে খতিয়ে দেখে এবং তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই এখন দেখার।।

Ambassa, Dhalai | Aug 1, 2026
মুখে সমাজসেবা, পেছনে মানহানির খেল? ফেনসিডিল পাচারকারী চান মিয়ার চক্রান্তের শিকার সাংবাদিক!" সামাজিক মাধ্যমে নিজে'কে সমাজসেবক হিসেবে তুলে ধরা, আর বাস্তবে একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়া—এই দুইয়ের ফারাক যেন আবারও সামনে এল। এবার ফেনসিডিল মাফিয়া চান মিয়ার অমানবিক চক্রান্তের শিকার এক সাংবাদিক! আগরতলা রেল স্টেশনে রেলের ওয়াগন ভরে ফেনসিডিল আসার মামলায় বিচারাধীন আসামি তথা বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে তথাকথিত সমাজসেবকের মুখোশে পরিচিত চান মিয়ার বিরুদ্ধে এবার সরাসরি মানহানি, অপপ্রচার এবং অর্থ দাবির অভিযোগ তুলে তেলিয়ামুড়া থানার দ্বারস্থ হলেন তেলিয়ামুড়ার সাংবাদিক রাহুল পাল। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ জুলাই সকালে চান মিয়া সামাজিক মাধ্যমে "দুলাভাই ২.০" নামে পরিচিত এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে সঙ্গে নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ওই ভিডিওতে তিনি প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন যে সাংবাদিক রাহুল পাল এবং রঞ্জিত শীল নামের অপর আরেক ব্যাক্তি নাকি তাঁর কাছে অর্থ দাবি করেছেন। তবে এই অভিযোগের কোনও সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি বা কোনও সরকারি তদন্তে প্রমাণিতও নয়। রাহুল পালের দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই ধরনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাঁর পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে এবং সমাজে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তীতে তেলিয়ামুড়া বাজার এলাকায় চান মিয়ার সঙ্গে দেখা হলে রাহুল পাল ভিডিওটি সম্পর্কে জানতে চান। তখন চান মিয়া নাকি তাঁকে হুমকি দিয়ে বলেন, তাঁর কাছে আরও অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর রয়েছে, যাদের দিয়ে ভবিষ্যতেও রাহুল পালের বিরুদ্ধে ভিডিও বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হবে। এমনকি এসব বন্ধ করতে হলে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হবে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে চান মিয়ার অতীতও। উল্লেখ্য, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে আগরতলার বাধারঘাট রেলস্টেশন থেকে রেলের ওয়াগন ভর্তি ফেন্সিডিল উদ্ধারের ঘটনায় জিআরপি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন চান মিয়া সহ তার গুণধর সুপুত্র। সেই মামলায় পিতা পুত্র উভয়ই বর্তমানে বিচারাধীন আসামি। স্থানীয় মহলেও নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। যে ব্যাক্তি একসময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন, মাত্র কয়েক বছরের ব্যাবধানে তিনি কীভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হলেন? তাঁর আয়ের উৎস কী? এই প্রশ্নগুলিও বিভিন্ন মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই স্পষ্ট হওয়া সম্ভব। শুক্রবার রাতে সাংবাদিক রাহুল পাল তেলিয়ামুড়া থানায় চান মিয়ার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এখন নজর তদন্তের দিকে। অভিযোগে উত্থাপিত মানহানি, অপপ্রচার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অর্থ দাবির বিষয় গুলি পুলিশ কীভাবে খতিয়ে দেখে এবং তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই এখন দেখার।। - Ambassa News