
ঢাকা প্রশাসন ফের কলকাতা থেকে ঢাকা পর্যন্ত মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু করার জন্য রেল মন্ত্রকের কাছে আবেদন পাঠাল
বাংলাদেশে তারেক রহমানের সরকারের আমলে পরিস্থিতি যেহেতু আগের তুলনায় অনেকটাই উন্নতি হয়েছে, তাই রেল মন্ত্রক এবং বিদেশ মন্ত্রক একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে। পুরনো বন্ধুত্ব জোড়া লাগবে আবার? ফের রেলপথে জুড়বে ভারত-বাংলাদেশ ? এই জল্পনাই এখন তুঙ্গে।
তার কারণ বাংলাদেশ থেকেই এসেছে আর্জি। দাবি জানানো হয়েছে, বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক ও পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এই আবহে ফের একবার মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু করা হোক। ঢাকা থেকে চিঠি আসতেই স্বরাষ্ট্র ও বিদেশ মন্ত্রকও তৎপর হয়েছে। পরিস্থিতি যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। ইতিমধ্যেই পূর্ব রেলকে চিঠি দিয়ে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
হাসিনা সরকারের পতনের পর এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুই পড়শি দেশের সম্পর্কে অবনতি হয়েছিল। বন্ধ হয়েছিল সীমান্ত। ভিসা দেওয়াও বন্ধ রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা এবং অন্যান্য ভিসা চালু করেছে ভারত সরকার।এবার ঢাকা থেকে নতুন আবেদন এল ভারত সরকারের কাছে। ফের কলকাতা থেকে ঢাকা পর্যন্ত মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু করার জন্য রেল মন্ত্রকের কাছে আবেদন পাঠাল ঢাকা প্রশাসন। ঢাকায় অবস্থিত ভারতের হাই কমিশনের তরফে বিদেশ মন্ত্রক এবং রেল মন্ত্রকের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। সেই চিঠির বক্তব্যসহ পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারের কাছে চিঠি (নম্বর –2026/TT-VI/71/BDR/03) দিলেন রেল মন্ত্রকের ট্রাফিক ট্রান্সপোর্ট (এফ) এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর।
চিঠিতে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালের গত ১৯ জুলাই থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ হয়ে রয়েছে। ইতিমধ্যেই রেল পরিষেবা পুনরায় শুরু করা যায় কিনা, তা নিয়ে ঢাকার তরফে আবেদন পত্র এসেছে।
সূত্রের খবর, বাংলাদেশে তারেক রহমানের সরকারের আমলে পরিস্থিতি যেহেতু আগের তুলনায় অনেকটাই উন্নতি হয়েছে, তাই রেল মন্ত্রক এবং বিদেশ মন্ত্রক একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে।
ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ঢাকা প্রশাসন চাইছে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ হওয়ার আগে সপ্তাহে যেরকম পাঁচ দিন চলত, সেই একইভাবে পরিষেবা শুরু করা হোক।
ইতিমধ্যেই বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আওতাধীন বর্ডার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ফরেনার্স ডিভিশন এবং সেন্টার বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স এন্ড কাস্টমস বিভাগ খতিয়ে দেখছে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, রেল থেকে সবুজ সংকেত মিললেই পুনরায় পরিষেবা চালু করা হবে।