Public App Logo
Jansamasya
News
Maharashtra
Bjp
National
Police
Bihar
India
Gujarat
भाजपा
Congress
Modi
Delhi
Viral
Bollywood
दिल्ली
Patna
Breakingnews
Narendramodi
Madhya_pradesh
Cm
Nsui
Madhyapradesh
Pmmodi
Rahulgandhi
यूपी
Bhopal
सपा
Pm
Uttarpradesh

बोलबम पथ की अनोखी परंपरा! पत्थर पर पत्थर रख मांगते हैं मनोकामना, देखकर हर कोई रह जाता है हैरान #Bolbam #BolbamYatra #ShravaniMela #Kanwariya #HarHarMahadev #BholeBaba #Aastha #Manokamna #Sultanganj #Deoghar #BiharNews #Jharkhand #Viral #BihariPublic

Amarpur, Banka | Jul 23, 2026

MORE NEWS

কমলপুরে মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতে নাবালক! জেরায় উঠে এল একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—বাড়ি থেকে মন্দির, একাধিক চুরিকাণ্ডে জড়িত থাকার দাবি।

একের পর এক চুরি, বাড়ি থেকে মন্দির—অভিযোগের পর অভিযোগ উঠলেও কথিত চোরচক্রের নাগাল পায়নি কমলপুর পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা নিয়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়লেও অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। অবশেষে পুলিশের জালে নয়, মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতেই ধরা পড়ল কথিত চোরচক্রের এক নাবালক সদস্য।
আজ কাকভোরে কমলপুর শহর লাগোয়া, কমলপুর থানার মাত্র কিছুটা দূরে ভিতর ফুলছড়ি এলাকায় নরেশ ঘোষের পুকুরে মাছ চুরি করতে যায় একদল যুবক ও নাবালক। অভিযোগ, ভোরের অন্ধকারে পরিকল্পিতভাবে পুকুরে মাছ চুরির চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি টের পেয়ে পুকুরের মালিক নরেশ ঘোষ চোরদের ধরতে এগিয়ে যান।
তখন চোরচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুকুরের মালিক ও স্থানীয়দের তৎপরতায় একজন নাবালককে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গে থাকা বাকিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আটক এক নাবালক। তার বাড়ি কমলপুরের মায়াছড়ি এলাকায় বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর পেয়ে কমলপুর থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
কিন্তু ঘটনার পর স্থানীয়দের প্রশ্ন—এতদিন ধরে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও কথিত চোরচক্রকে ধরতে পুলিশ কেন ব্যর্থ হল? পুলিশের নজরদারি ও তদন্তে কোথায় ছিল ঘাটতি?
স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে দাবি করে, সে একা নয়। তাদের একটি দল রয়েছে এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের বাড়িও মায়াছড়ি চৌমুহনী এলাকায়। আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, তার দাবি অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত একাধিক চুরির ঘটনার সঙ্গে ওই দলের সদস্যদের যোগ রয়েছে।
বাড়িতে চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্দিরে সংঘটিত চুরির ঘটনাতেও তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে আটক নাবালক দাবি করেছে। যদিও এই দাবিগুলির সত্যতা এখনও পুলিশের তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।
সংবাদমাধ্যমের সামনে আটক নাবালক আরও দাবি করে, চুরি করা অর্থ দিয়ে তারা মাদক বা ড্রাগস সেবন করত। তার এই বক্তব্য সামনে আসতেই এলাকাজুড়ে নতুন করে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কমলপুরে একের পর এক বড় চুরির ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কার্যকর সাফল্য দেখা যায়নি। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও প্রশ্ন আরও বাড়ছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যদি কথিত চোরচক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ই থেকে থাকে, তাহলে কমলপুর পুলিশ এতদিন তাদের ধরতে পারল না কেন? একের পর এক চুরির পরও কি যথাযথ তদন্ত ও নজরদারি হয়েছিল? নাকি চোরচক্র পুলিশের চোখ এড়িয়ে নির্বিঘ্নে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছিল?
এবার জনতার হাতে একজন আটক হওয়ার পর কথিত চক্রটির বাকি সদস্যদের নাম-পরিচয় ও সম্ভাব্য কার্যকলাপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত পলাতক সদস্যদের আটক করা যায়নি।
এখন দেখার বিষয়, জনতার হাতে ধরা পড়া নাবালকের দেওয়া তথ্যকে ভিত্তি করে কমলপুর পুলিশ কি দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে? কথিত চোরচক্রের মূল হোতা বা মাস্টারমাইন্ডকে কি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে? নাকি অন্যান্য চুরিকাণ্ডের মতো এই ঘটনাও তদন্তের অন্ধকারেই থেকে যাবে?
পুলিশ যেখানে ব্যর্থতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে, সেখানে জনতার তৎপরতায় কথিত চোরচক্রের এক সদস্য আটক—এই ঘটনায় কমলপুর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে। এখন পুলিশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ—শুধু আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ নয়, তার দাবির সত্যতা যাচাই করে চক্রের বাকি সদস্য ও মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা।

কমলপুরে মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতে নাবালক! জেরায় উঠে এল একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—বাড়ি থেকে মন্দির, একাধিক চুরিকাণ্ডে জড়িত থাকার দাবি। একের পর এক চুরি, বাড়ি থেকে মন্দির—অভিযোগের পর অভিযোগ উঠলেও কথিত চোরচক্রের নাগাল পায়নি কমলপুর পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা নিয়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়লেও অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। অবশেষে পুলিশের জালে নয়, মাছ চুরি করতে এসে জনতার হাতেই ধরা পড়ল কথিত চোরচক্রের এক নাবালক সদস্য। আজ কাকভোরে কমলপুর শহর লাগোয়া, কমলপুর থানার মাত্র কিছুটা দূরে ভিতর ফুলছড়ি এলাকায় নরেশ ঘোষের পুকুরে মাছ চুরি করতে যায় একদল যুবক ও নাবালক। অভিযোগ, ভোরের অন্ধকারে পরিকল্পিতভাবে পুকুরে মাছ চুরির চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি টের পেয়ে পুকুরের মালিক নরেশ ঘোষ চোরদের ধরতে এগিয়ে যান। তখন চোরচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুকুরের মালিক ও স্থানীয়দের তৎপরতায় একজন নাবালককে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গে থাকা বাকিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আটক এক নাবালক। তার বাড়ি কমলপুরের মায়াছড়ি এলাকায় বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর পেয়ে কমলপুর থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু ঘটনার পর স্থানীয়দের প্রশ্ন—এতদিন ধরে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও কথিত চোরচক্রকে ধরতে পুলিশ কেন ব্যর্থ হল? পুলিশের নজরদারি ও তদন্তে কোথায় ছিল ঘাটতি? স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে দাবি করে, সে একা নয়। তাদের একটি দল রয়েছে এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের বাড়িও মায়াছড়ি চৌমুহনী এলাকায়। আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, তার দাবি অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে কমলপুরের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত একাধিক চুরির ঘটনার সঙ্গে ওই দলের সদস্যদের যোগ রয়েছে। বাড়িতে চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্দিরে সংঘটিত চুরির ঘটনাতেও তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে আটক নাবালক দাবি করেছে। যদিও এই দাবিগুলির সত্যতা এখনও পুলিশের তদন্তে নিশ্চিত হয়নি। সংবাদমাধ্যমের সামনে আটক নাবালক আরও দাবি করে, চুরি করা অর্থ দিয়ে তারা মাদক বা ড্রাগস সেবন করত। তার এই বক্তব্য সামনে আসতেই এলাকাজুড়ে নতুন করে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কমলপুরে একের পর এক বড় চুরির ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কার্যকর সাফল্য দেখা যায়নি। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও প্রশ্ন আরও বাড়ছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যদি কথিত চোরচক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ই থেকে থাকে, তাহলে কমলপুর পুলিশ এতদিন তাদের ধরতে পারল না কেন? একের পর এক চুরির পরও কি যথাযথ তদন্ত ও নজরদারি হয়েছিল? নাকি চোরচক্র পুলিশের চোখ এড়িয়ে নির্বিঘ্নে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছিল? এবার জনতার হাতে একজন আটক হওয়ার পর কথিত চক্রটির বাকি সদস্যদের নাম-পরিচয় ও সম্ভাব্য কার্যকলাপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত পলাতক সদস্যদের আটক করা যায়নি। এখন দেখার বিষয়, জনতার হাতে ধরা পড়া নাবালকের দেওয়া তথ্যকে ভিত্তি করে কমলপুর পুলিশ কি দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে? কথিত চোরচক্রের মূল হোতা বা মাস্টারমাইন্ডকে কি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে? নাকি অন্যান্য চুরিকাণ্ডের মতো এই ঘটনাও তদন্তের অন্ধকারেই থেকে যাবে? পুলিশ যেখানে ব্যর্থতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে, সেখানে জনতার তৎপরতায় কথিত চোরচক্রের এক সদস্য আটক—এই ঘটনায় কমলপুর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে। এখন পুলিশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ—শুধু আটক নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ নয়, তার দাবির সত্যতা যাচাই করে চক্রের বাকি সদস্য ও মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা।

Amarpur, Gomati | Jul 31, 2026

লম্পট বেয়াই এর সাথে পালিয়ে গেল চার বছরের সংসার ফেলে দুই বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ!

লম্পট বেয়াই এর সাথে পালিয়ে গেল চার বছরের সংসার ফেলে দুই বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ!

Amarpur, Gomati | Jul 30, 2026

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মহিলা পাইলট ভারতে! আদৌ কি সত্যি! উদয়পুরে বললেন জাতীয় মহিলা কমিশনার!

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মহিলা পাইলট ভারতে! আদৌ কি সত্যি! উদয়পুরে বললেন জাতীয় মহিলা কমিশনার!

Amarpur, Gomati | Jul 29, 2026

উদয়পুর লেক সিটি শপিং কমপ্লেক্সে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি, জনতার হাতে ধরা পড়ল অভিযুক্ত!

উদয়পুর লেক সিটি শপিং কমপ্লেক্সে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি, জনতার হাতে ধরা পড়ল অভিযুক্ত!

Amarpur, Gomati | Jul 29, 2026

আমবাসায় উদ্ধার মানব কঙ্কাল। আমবাসা নতুন পল্লী এলাকায় চান্দ্রাই ছড়া থেকে উদ্ধার হয় এই কঙ্কাল। ছড়ার জল এবং স্থল মিলিয়ে কঙ্কালটি পড়েছিল। যে জায়গায় কঙ্কালটি পাওয়া গেছে সেই জায়গাটি ছিল নতুন পল্লী এলাকার বাসিন্দা খগেশ দেবনাথের । আজ সকালে ছড়ার পাশে খগেশ দেবনাথ এর জায়গায় কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকরা কঙ্কালটি দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গে মালিক খগেশ দেবনাথ কে জানালে উনি আমবাসা থানার পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের ছুটে আসে আমবাসা থানার পুলিশ। ছুটে আসেন আমবাসা থানার ওসি নন্দন দাস। পুলিশ এসে কঙ্কালটি দেখতে পায়। খবর দেওয়া হয় মহকুমা পুলিশ আধিকারিককে । ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ভারপ্রাপ্ত মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশোর উঁচুই । পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় ডিসিএম, ফরেন্সিক টীম এবং চিকিৎসককে। খবর পেয়ে ছুটে আসেন ডি সি এম পূজা রিয়াং । কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরেনসিক টিম এবং ধলাই জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক। ডি সি এম এর উপস্থিতিতে ফরেনসিক টিম মানব কঙ্কালটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। এবং পরবর্তী সময় ঘটনাস্থলেই মানব কঙ্কাল টির ময়না তদন্ত করেন চিকিৎসক। 
জায়গার মালিক খগেশ দেবনাথ বলেন আজ সকালে উনার জায়গায় কাজ করতে এসে শ্রমিকরা এই কঙ্কাল দেখতে পায়। তখন শ্রমিকরা উনাকে জানালে উনি পুলিশকে খবর দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন এবং তদন্ত শুরু করে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভারপ্রাপ্ত মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশোর উচুই জানান সকালে খবর আসে নতুন পল্লী এলাকার চান্দ্রাই ছড়াতে একটি মানব কঙ্কাল পাওয়া যায়। খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। এখন তদন্তক্রমে জানা যাবে কঙ্কালটি কার বা কোথায় থেকে এসেছে। তিনি জানান আনুমানিক মাসখানেকের উপর হবে এই কঙ্কালটি। কারণ দেহের কোন অংশেই মাংস নেই। হয়তোবা জলের স্রোতে তা ধুয়ে নিয়ে গেছে। তিনি জানান প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে এই মানব কঙ্কালটি কোন এক পুরুষের হবে। ফরেনসিক টিম তদন্তক্রমে হয়তোবা এর সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। 
এদিকে আমবাসায় মানব কঙ্কাল উদ্ধারে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়।

আমবাসায় উদ্ধার মানব কঙ্কাল। আমবাসা নতুন পল্লী এলাকায় চান্দ্রাই ছড়া থেকে উদ্ধার হয় এই কঙ্কাল। ছড়ার জল এবং স্থল মিলিয়ে কঙ্কালটি পড়েছিল। যে জায়গায় কঙ্কালটি পাওয়া গেছে সেই জায়গাটি ছিল নতুন পল্লী এলাকার বাসিন্দা খগেশ দেবনাথের । আজ সকালে ছড়ার পাশে খগেশ দেবনাথ এর জায়গায় কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকরা কঙ্কালটি দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গে মালিক খগেশ দেবনাথ কে জানালে উনি আমবাসা থানার পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের ছুটে আসে আমবাসা থানার পুলিশ। ছুটে আসেন আমবাসা থানার ওসি নন্দন দাস। পুলিশ এসে কঙ্কালটি দেখতে পায়। খবর দেওয়া হয় মহকুমা পুলিশ আধিকারিককে । ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ভারপ্রাপ্ত মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশোর উঁচুই । পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় ডিসিএম, ফরেন্সিক টীম এবং চিকিৎসককে। খবর পেয়ে ছুটে আসেন ডি সি এম পূজা রিয়াং । কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরেনসিক টিম এবং ধলাই জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক। ডি সি এম এর উপস্থিতিতে ফরেনসিক টিম মানব কঙ্কালটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। এবং পরবর্তী সময় ঘটনাস্থলেই মানব কঙ্কাল টির ময়না তদন্ত করেন চিকিৎসক। জায়গার মালিক খগেশ দেবনাথ বলেন আজ সকালে উনার জায়গায় কাজ করতে এসে শ্রমিকরা এই কঙ্কাল দেখতে পায়। তখন শ্রমিকরা উনাকে জানালে উনি পুলিশকে খবর দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন এবং তদন্ত শুরু করে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভারপ্রাপ্ত মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশোর উচুই জানান সকালে খবর আসে নতুন পল্লী এলাকার চান্দ্রাই ছড়াতে একটি মানব কঙ্কাল পাওয়া যায়। খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। এখন তদন্তক্রমে জানা যাবে কঙ্কালটি কার বা কোথায় থেকে এসেছে। তিনি জানান আনুমানিক মাসখানেকের উপর হবে এই কঙ্কালটি। কারণ দেহের কোন অংশেই মাংস নেই। হয়তোবা জলের স্রোতে তা ধুয়ে নিয়ে গেছে। তিনি জানান প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে এই মানব কঙ্কালটি কোন এক পুরুষের হবে। ফরেনসিক টিম তদন্তক্রমে হয়তোবা এর সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। এদিকে আমবাসায় মানব কঙ্কাল উদ্ধারে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়।

Amarpur, Gomati | Jul 29, 2026

बोलबम पथ की अनोखी परंपरा! पत्थर पर पत्थर रख मांगते हैं मनोकामना, देखकर हर कोई रह जाता है हैरान #Bolbam #BolbamYatra #ShravaniMela #Kanwariya #HarHarMahadev #BholeBaba #Aastha #Manokamna #Sultanganj #Deoghar #BiharNews #Jharkhand #Viral #BihariPublic - Amarpur News