আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আশা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরির অভিযোগ, অনেকেই তা না করে সাধারণ মানুষকে বাড়িতে ডেকে ফর্ম ফিলআপ করছেন।
সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী আশা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপভোক্তাদের তথ্য সংগ্রহ ও ফর্ম পূরণের কথা থাকলেও, তাঁরা লোকজনকে ডেকে পাঠাচ্ছেন।এই ধরনের কাজের ফলে তীব্র গরম ও কৃষিকাজের ব্যস্ততার মাঝে সাধারণ মানুষকে নানা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।অনেক আশা কর্মী প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা জানালেও, কোথাও কোথাও তাঁদের স্বামীদের কাজ পরিচালনা করার বা ঔদ্ধত্য দেখানোর অভিযোগও তুলেছেন বিধায়ক।
বর্তমানে আমন ধানের মরসুম চলায় সাধারণ ক্ষেতমজুর ও গ্রামবাসীরা মাঠে ব্যস্ত রয়েছেন। তাঁদের এভাবে ডেকে এনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখার ফলে তাঁদের কর্মদিবস নষ্ট হচ্ছে এবং তাঁরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন, যা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।বিধায়কের আরও দাবি, বেশ কিছু জায়গায় আশা কর্মীরা নিজেরা কাজ না করে তাঁদের স্বামীদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। এমনকি গঙ্গাজলঘাটির রাজামেলার এলাকায় এক আশা কর্মীর স্বামী প্রতিবাদী এক উপভোক্তাকে চড় মেরেছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।ভাইরাল ভিডিওতে চন্দনা বাউড়িকে গাড়ি থেকে আশা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যায়, "এটাকে মগের মুলুক পেয়েছেন?" তিনি প্রশ্ন তোলেন যে তাঁরা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন কি না এবং দায়িত্ব পালন করতে না পারলে সাধারণ মানুষকে কেন ভোগান্তিতে ফেলছেন।
ঘটনার সময় কর্মরত কয়েকজন আশা কর্মী বিধায়কের সামনে তাঁদের বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে E-KYC বা তথ্য সংগ্রহের কাজ করতে গিয়ে তাঁরা অনেক সময় কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।প্রযুক্তির ব্যবহার ঠিকঠাক বুঝতে না পারার কারণে কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে তাঁরা অনেক সময় বাধ্য হয়ে বাড়ির অন্য সদস্যদের বা স্বামীদের সাহায্য নিচ্ছেন।