জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডক্টর সৌম্য শংকর সারঙ্গি জানিয়েছেন, চার বছর আগে ৬৫ জন মা মারা গিয়েছিলেন, তারপরের বছর ৫৬ জন, তার পরের বছর ৪৫ জন মারা গিয়েছিলেন, গত বছর ৩৬ জন, এবং চলতি বছরে এখনো পর্যন্ত 17 জন মাতৃ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, অর্থাৎ স্বাস্থ্যপরিসেবা উন্নত হওয়ায় কমানো গিয়েছে এই মাতৃ মৃত্যুর হার। এই মৃত্যুর হার আমরা জেলায় জিরো করতে চাই, কার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।