২০২৬ সালের শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে তারকেশ্বর ধাম বিখ্যাত চন্দননগরের আলোকসজ্জায় এক অপূর্ব রূপ ধারণ করেছে। এই বছর মেলাকে ঘিরে রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের তরফ থেকে এক অভূতপূর্ব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৈদ্যবাটি নিমাই তীর্থ ঘাট থেকে তারকেশ্বর মন্দির পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৬ কিলোমিটার রাস্তা এবং পুরো মন্দির চত্বরকে চন্দননগরের এলইডি আলোয় সাজিয়ে তোলা হয়েছে।এই বছরের আলোকসজ্জা এবং উৎসবের প্রধান আকর্ষণগুলি নিচে দেওয়া হলো:প্রধান আকর্ষণসমূহদুধপুকুরে লেজার শো: তারকেশ্বরের পবিত্র দুধপুকুরে এই প্রথমবার চোখধাঁধানো লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো এবং বিশেষ লেজার শো-এর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে মহাদেবের বিভিন্ন রূপ ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।৩৬ কিলোমিটার আলোর পথ: বৈদ্যবাটি নিমাই তীর্থ ঘাট থেকে মন্দির পর্যন্ত গোটা রাস্তার দু'পাশে এবং গাছের ডালে চন্দননগরের বিশেষ এলইডি আলো লাগানো হয়েছে।ধর্মীয় মোটিফ ও গেট: রাস্তায় এবং মন্দির চত্বরে শিবের মূর্তি, ত্রিশূল, আলোর গেট এবং ধর্মীয় নানা অবয়বের কারুকার্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।ত্রিবর্ণ রঞ্জিত ওয়েলকাম গেট: শেওড়াফুলি-তারকেশ্বর ১২ নম্বর রোডের মূল প্রবেশদ্বারটি জাতীয় পতাকার তিন রঙে (গেরুয়া, সাদা, সবুজ) আলোকিত করা হয়েছে।সাধুসন্ত সম্মেলন: এই উৎসবের অঙ্গ হিসেবে তারকেশ্বরে দেড় হাজার সাধুসন্তের উপস্থিতিতে এক বিরাট ধর্ম সম্মেলনের সূচনা হয়েছে।চন্দননগরের আলোক শিল্পীদের এই অসামান্য কাজের ফলে পুরো তারকেশ্বর এখন আলো আর ভক্তির এক অপরূপ মিলনক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।