Public App Logo
Jansamasya
हादसा
News
पुलिस
Maharashtra
Bjp
National
Police
Bihar
कांग्रेस
Accident
Congress
Modi
Delhi
Viral
Crime
Up
अमित_शाह
Bollywood
दिल्ली
Breakingnews
Narendramodi
Madhya_pradesh
Mp
Nsui
उत्तरप्रदेश
Pmmodi
Rahulgandhi
यूपी
Uttarpradesh

শালতোড়া: মৌচুড়িয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গুরুপদ মাজী এর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল মৌচুড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

Saltora, Bankura | Jun 12, 2026

MORE NEWS

বাঁকুড়া জেলা পুলিশের উদ্যেগে ও শালতোড়া থানার পক্ষ থেকে ২৬ শে জুন ২০২৬ 
আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসে শালতোড়া থানার সচেতনতা র‍্যালি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার বার্তা পুলিশের

আজ, ২৬শে জুন আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে শালতোড়া থানার উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। মাদকের কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলা এবং যুব সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শালতোড়া থানা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া এই সচেতনতা র‍্যালি এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে। র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল মাদক বিরোধী বিভিন্ন বার্তাসম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন। স্লোগানের মাধ্যমে সকলকে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শালতোড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) মনোরঞ্জন নাগ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন থানার অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক, পুলিশ কর্মী এবং সিভিক ভলেন্টিয়াররা। সকলেই একসঙ্গে র‍্যালিতে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে মাদক বিরোধী সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেন।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবন নয়, একটি পরিবার এবং সমাজের ভবিষ্যৎকেও ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদককে “না” বলার পাশাপাশি যুব সমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
শালতোড়া থানার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এলাকার সাধারণ মানুষ। তাঁদের মতে, এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজন করা হলে সমাজে মাদকাসক্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।
আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসে শালতোড়া থানার এই সচেতনতা র‍্যালির মূল বার্তা ছিল—
“মাদককে না বলুন, সুস্থ জীবনকে হ্যাঁ বলুন। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।”

বি:দ্র:- ১ম ছবি AI

বাঁকুড়া জেলা পুলিশের উদ্যেগে ও শালতোড়া থানার পক্ষ থেকে ২৬ শে জুন ২০২৬ আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসে শালতোড়া থানার সচেতনতা র‍্যালি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার বার্তা পুলিশের আজ, ২৬শে জুন আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে শালতোড়া থানার উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। মাদকের কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলা এবং যুব সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শালতোড়া থানা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া এই সচেতনতা র‍্যালি এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে। র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল মাদক বিরোধী বিভিন্ন বার্তাসম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন। স্লোগানের মাধ্যমে সকলকে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শালতোড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) মনোরঞ্জন নাগ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন থানার অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক, পুলিশ কর্মী এবং সিভিক ভলেন্টিয়াররা। সকলেই একসঙ্গে র‍্যালিতে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে মাদক বিরোধী সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবন নয়, একটি পরিবার এবং সমাজের ভবিষ্যৎকেও ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদককে “না” বলার পাশাপাশি যুব সমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়। শালতোড়া থানার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এলাকার সাধারণ মানুষ। তাঁদের মতে, এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজন করা হলে সমাজে মাদকাসক্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসে শালতোড়া থানার এই সচেতনতা র‍্যালির মূল বার্তা ছিল— “মাদককে না বলুন, সুস্থ জীবনকে হ্যাঁ বলুন। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।” বি:দ্র:- ১ম ছবি AI

Saltora, Bankura | Jun 26, 2026

বাঁকুড়ার মেজিয়া থানায় এলাকায়
২৬শে জুন আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে গোটা বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাঁকুড়া জেলার মেজিয়া থানার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল এক জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি। মাদকের বিরুদ্ধে সমাজকে আরও সচেতন করে তুলতে এবং বিশেষ করে যুব সমাজকে নেশার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

২৬শে জুন আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস। প্রতিবছর এই দিনটি সারা বিশ্বে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পালন করা হয়। সেই উপলক্ষে বাঁকুড়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং মেজিয়া থানার পরিচালনায় থানা চত্বরে আয়োজন করা হয় একটি বিশেষ জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি।

এদিন মেজিয়া থানার পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা হাতে সচেতনতামূলক ব্যানার নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। কর্মসূচিতে উপস্থিত পুলিশ আধিকারিকরা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই নয়, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা আজ সময়ের দাবি।

“ড্রাগের নেশা সর্বনাশা, মাদককে বলুন না”—এই মূল বার্তাকে সামনে রেখেই মানুষকে বোঝানো হয়, মাদকাসক্তি একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি তার শিক্ষা, কর্মজীবন এবং পারিবারিক সম্পর্ককেও ধ্বংস করে দেয়। তাই নেশাকে নয়, বেছে নিতে হবে সুস্থ ও ইতিবাচক জীবনযাপন।

বিশেষ করে বর্তমান সময়ে যুব সমাজের একাংশ নানা কারণে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এই প্রবণতা রুখতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে। পুলিশ জানায়, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপস্থিত সাধারণ মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী এবং জনগণের উদ্দেশ্যে আবেদন জানানো হয়, তাঁরা যেন নিজেরা মাদক থেকে দূরে থাকেন এবং অন্যদেরও সচেতন করেন। সন্দেহজনক মাদক পাচার বা মাদক ব্যবসার কোনও তথ্য থাকলে তা অবিলম্বে পুলিশ প্রশাসনকে জানানোর আহ্বানও জানানো হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, একটি নিরাপদ, সুস্থ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হলে মাদকের বিরুদ্ধে প্রত্যেক নাগরিককে একযোগে লড়াই করতে হবে। সচেতন পরিবার, সচেতন সমাজ এবং সচেতন তরুণ প্রজন্মই পারে মাদকের অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে।

কর্মসূচির শেষে উপস্থিত সকলকে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার শপথ গ্রহণ করানো হয়। একসঙ্গে উচ্চারিত হয় বার্তা—

“মাদক নয়, সচেতনতাই হোক আমাদের শক্তি। আসুন, আমরা সকলে মিলে গড়ে তুলি একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ।”
আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসে মেজিয়া থানার এই সচেতনতামূলক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মাদকমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

বাঁকুড়ার মেজিয়া থানায় এলাকায় ২৬শে জুন আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে গোটা বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাঁকুড়া জেলার মেজিয়া থানার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল এক জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি। মাদকের বিরুদ্ধে সমাজকে আরও সচেতন করে তুলতে এবং বিশেষ করে যুব সমাজকে নেশার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ২৬শে জুন আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস। প্রতিবছর এই দিনটি সারা বিশ্বে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পালন করা হয়। সেই উপলক্ষে বাঁকুড়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং মেজিয়া থানার পরিচালনায় থানা চত্বরে আয়োজন করা হয় একটি বিশেষ জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি। এদিন মেজিয়া থানার পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা হাতে সচেতনতামূলক ব্যানার নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। কর্মসূচিতে উপস্থিত পুলিশ আধিকারিকরা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই নয়, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা আজ সময়ের দাবি। “ড্রাগের নেশা সর্বনাশা, মাদককে বলুন না”—এই মূল বার্তাকে সামনে রেখেই মানুষকে বোঝানো হয়, মাদকাসক্তি একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি তার শিক্ষা, কর্মজীবন এবং পারিবারিক সম্পর্ককেও ধ্বংস করে দেয়। তাই নেশাকে নয়, বেছে নিতে হবে সুস্থ ও ইতিবাচক জীবনযাপন। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে যুব সমাজের একাংশ নানা কারণে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এই প্রবণতা রুখতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে। পুলিশ জানায়, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ। এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপস্থিত সাধারণ মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী এবং জনগণের উদ্দেশ্যে আবেদন জানানো হয়, তাঁরা যেন নিজেরা মাদক থেকে দূরে থাকেন এবং অন্যদেরও সচেতন করেন। সন্দেহজনক মাদক পাচার বা মাদক ব্যবসার কোনও তথ্য থাকলে তা অবিলম্বে পুলিশ প্রশাসনকে জানানোর আহ্বানও জানানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, একটি নিরাপদ, সুস্থ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হলে মাদকের বিরুদ্ধে প্রত্যেক নাগরিককে একযোগে লড়াই করতে হবে। সচেতন পরিবার, সচেতন সমাজ এবং সচেতন তরুণ প্রজন্মই পারে মাদকের অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে। কর্মসূচির শেষে উপস্থিত সকলকে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার শপথ গ্রহণ করানো হয়। একসঙ্গে উচ্চারিত হয় বার্তা— “মাদক নয়, সচেতনতাই হোক আমাদের শক্তি। আসুন, আমরা সকলে মিলে গড়ে তুলি একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ।” আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসে মেজিয়া থানার এই সচেতনতামূলক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মাদকমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

Saltora, Bankura | Jun 26, 2026

বাঁকুড়া জেলা আলু ব্যবসায়ী সমিতির কোর কমিটির তরফে সোনামুখীর বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমবায়, বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী দিবাকর ঘরামীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হল সোনামুখীতে আলু ব্যবসায়ী সমিতির ভবনে

বাঁকুড়া জেলা আলু ব্যবসায়ী সমিতির কোর কমিটির তরফে সোনামুখীর বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমবায়, বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী দিবাকর ঘরামীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হল সোনামুখীতে আলু ব্যবসায়ী সমিতির ভবনে

Saltora, Bankura | Jun 26, 2026

যাদবনগরে বনযমুনা বনসুরক্ষা কমিটির বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হল । উপস্থিত ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা ।

বন ও পরিবেশ সংরক্ষণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণকে আরও শক্তিশালী করতে বাঁকুড়া জেলার যাদবনগরে অনুষ্ঠিত হল আজ বাঁকুড়া জেলার যাদবনগর কমিউনিটি হল প্রাঙ্গণ ময়দানে অনুষ্ঠিত হল যাদবনগর–বনযমুনা বন সুরক্ষা কমিটির বার্ষিক সাধারণ সভা। বন ও পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় মানুষের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থিত অতিথিদের ফুলের তোড়া ও উত্তরীয় পরিয়ে আন্তরিকভাবে সংবর্ধনা জানানো হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা। তাঁকেও বন সুরক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, বিভিন্ন রেঞ্জের বনকর্মী, বন সুরক্ষা কমিটির সদস্য, বিশিষ্ট সমাজকর্মী এবং এলাকার বহু সাধারণ মানুষ।

সভায় বন সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং বনভূমিতে অবৈধ গাছ কাটা ও বন্যপ্রাণ শিকারের মতো অপরাধ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, বন শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তাই বন রক্ষার দায়িত্ব শুধু বন দফতরের নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষের।

অনুষ্ঠানে বন সুরক্ষা কমিটির গত এক বছরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি আগামী দিনে বন সংরক্ষণকে আরও কার্যকর করতে কীভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো যায়, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বনাঞ্চলে বৃক্ষরোপণ, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ এবং বনভূমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়।

ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা তাঁর বক্তব্যে বন সুরক্ষা কমিটির সদস্যদের কাজের প্রশংসা করে বলেন, পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণই সবচেয়ে বড় শক্তি। বন বাঁচলে পরিবেশ বাঁচবে, আর পরিবেশ সুস্থ থাকলেই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি বন দফতর ও বন সুরক্ষা কমিটির যৌথ উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

বন বিভাগের আধিকারিকরাও উপস্থিত সকলকে বন ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করেন। তাঁরা জানান, বন রক্ষা শুধু সরকারি দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক দায়িত্ব। তাই প্রত্যেক নাগরিককে এই কাজে এগিয়ে আসতে হবে।

সব মিলিয়ে, যাদবনগর–বনযমুনা বন সুরক্ষা কমিটির এই বার্ষিক সাধারণ সভা বন সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বন বিভাগের সঙ্গে সাধারণ মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

যাদবনগরে বনযমুনা বনসুরক্ষা কমিটির বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হল । উপস্থিত ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা । বন ও পরিবেশ সংরক্ষণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণকে আরও শক্তিশালী করতে বাঁকুড়া জেলার যাদবনগরে অনুষ্ঠিত হল আজ বাঁকুড়া জেলার যাদবনগর কমিউনিটি হল প্রাঙ্গণ ময়দানে অনুষ্ঠিত হল যাদবনগর–বনযমুনা বন সুরক্ষা কমিটির বার্ষিক সাধারণ সভা। বন ও পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় মানুষের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থিত অতিথিদের ফুলের তোড়া ও উত্তরীয় পরিয়ে আন্তরিকভাবে সংবর্ধনা জানানো হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা। তাঁকেও বন সুরক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, বিভিন্ন রেঞ্জের বনকর্মী, বন সুরক্ষা কমিটির সদস্য, বিশিষ্ট সমাজকর্মী এবং এলাকার বহু সাধারণ মানুষ। সভায় বন সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং বনভূমিতে অবৈধ গাছ কাটা ও বন্যপ্রাণ শিকারের মতো অপরাধ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, বন শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তাই বন রক্ষার দায়িত্ব শুধু বন দফতরের নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষের। অনুষ্ঠানে বন সুরক্ষা কমিটির গত এক বছরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি আগামী দিনে বন সংরক্ষণকে আরও কার্যকর করতে কীভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো যায়, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বনাঞ্চলে বৃক্ষরোপণ, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ এবং বনভূমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়। ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা তাঁর বক্তব্যে বন সুরক্ষা কমিটির সদস্যদের কাজের প্রশংসা করে বলেন, পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণই সবচেয়ে বড় শক্তি। বন বাঁচলে পরিবেশ বাঁচবে, আর পরিবেশ সুস্থ থাকলেই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি বন দফতর ও বন সুরক্ষা কমিটির যৌথ উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। বন বিভাগের আধিকারিকরাও উপস্থিত সকলকে বন ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করেন। তাঁরা জানান, বন রক্ষা শুধু সরকারি দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক দায়িত্ব। তাই প্রত্যেক নাগরিককে এই কাজে এগিয়ে আসতে হবে। সব মিলিয়ে, যাদবনগর–বনযমুনা বন সুরক্ষা কমিটির এই বার্ষিক সাধারণ সভা বন সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বন বিভাগের সঙ্গে সাধারণ মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Saltora, Bankura | Jun 26, 2026

সাহিত্যসম্রাট ও ‘বন্দে মাতরম’-এর রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও ‘বন্দে মাতরম’ গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হল বাঁকুড়া জেলার বাংলা ইন্দপুরে "আগামীদিন ক্লাবের " উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির । প্রধান অতিথি হিসেবে এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন তালডাংরার বিধায়ক সৌভিক পাত্র ।

সাহিত্যসম্রাট ও ‘বন্দে মাতরম’-এর রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও ‘বন্দে মাতরম’ গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হল বাঁকুড়া জেলার বাংলা ইন্দপুরে "আগামীদিন ক্লাবের " উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির । প্রধান অতিথি হিসেবে এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন তালডাংরার বিধায়ক সৌভিক পাত্র ।

Saltora, Bankura | Jun 26, 2026