পরিবারের তরফে অভিযোগ পুরুলিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বাপি দাস'র সঙ্গে চলত র্যাগিং। যদিও বাপি দাস কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তথাপি নানান রকম নেশা সেবনের জন্য তাকে বাধ্য করা হতো। কথা না শুনলেই দেওয়া হতো সিগারেটের ছ্যাকা। এমনকি মদ্যপান করতে অস্বীকার করলে উলঙ্গ করে নাচ করানো হতো বাপি দাস'কে। এমনটাই অভিযোগ পরিবারের। পরশুদিনের দুর্ঘটনাও রাগিং এর চক্রান্তের জেরেই ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। বাড়িতে মৃতদেহকে ঘিরে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার।