কিশোরীর বয়ান ও মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে মামলায় পকসো অ্যাক্টের ৬ ধারা যুক্ত করার জন্য আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। সেই আবেদন সোমবার মঞ্জুর করেছেন সিজেএম। মামলার নথিপত্র পকসো আদালতে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। পাশাপাশি কিশোরীর পরিচয় যাতে কোনও ভাবেই সামনে না আসে তার জন্য মামলার নথিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করার জন্য তদন্তকারী অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শক্তিগড় থানা এলাকায় বছর সতেরোর ওই কিশোরীর বাড়ি।