রবিবার দেবীকে নতুন চালের ভোগ নিবেদন করা হয়। ছিল গুড়, চাল, মিষ্টি ফল দিয়ে তৈরি নবান্নের প্রসাদ। বারোশো ভক্ত নবান্নের মালসা ভোগ গ্রহণ করেন। তাতে ছিল আলু ভাজা, শাক ভাজা, বেগুন ভাজা, উচ্ছে ভাজা, আখ ভাজা, বাসন্তী পোলাও, ধবধবে সাদা চালের ভাত, মুগের ডাল, দু রকমের তরকারি, চাটনি, পায়েস। সবই নতুন ধান আর বাজারে ওঠা নতুন সবজি দিয়ে তৈরি। এদিন বসে অন্নভোগ গ্রহণের ব্যবস্হা ছিল না। এই সময় রাজ্যের শস্য ভান্ডার পূর্ব বর্ধমান জেলায় গ্রামে গ্রামে নবান্ন উৎসব পালিত হয়।