এখন সন্ধ্যা হলেই টাউন হলে সামনে ভিড় জমে সুনিতা দির দই বড়ার দোকানে,প্রায় অনেকের কাছেই পরিচিত মুখ তিনি। বর্তমানে দইবড়ার পাশাপাশি ডায়াবেটিক পেশেন্টদের কথা চিন্তা করে শুরু করেছেন মুগ ডালের ইটলি বিক্রি। সুনীতা দি বলেন, ইচ্ছে ছিল আরও পড়াশোনা করার কিন্তু বিয়ে হয়ে যায়।শ্বশুরবাড়িতে গিয়েও সুখে সংসার করার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় কিছুদিন যেতে না যেতেই শুরু হয় সাংসারিক অশান্তি। দিনে দিনে বাড়তে থাকে অত্যাচারের মাত্রা।এই পরিস্থিতি চলে ১৭ বছর ৷