রাজ আমলে বর্ধমানের এই পুকুরে শূলে চড়িয়ে দেওয়া হত শাস্তি। যারা দস্যুবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত ছিল তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দানের জন্যই রাজবাড়ির অদূরে তৈরি করা হয় শূল এবং তাকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয় পুষ্করিণী। যা শূলিপুকুর নামে পরিচিত। পরবর্তীকালে এই পুকুরের নাম পরিবর্তন করে করা হয় জীবন সায়র। এই শূল ও পুষ্করিণী ঠিক কোন রাজার আমলে এটি তৈরি হয়, তা জানা যায়নি। তবে ১৯৭০ এর দশকেও পুকুরের মাঝে শূলটি দেখা যেত বলে জানা যায়।