Public App Logo
Profile Picture

West Bengal News 24

@wbn24
62Followers
0Following
মেয়ো রোডে নয় টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবস! তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীকে শর্তসাপেক্ষে সভার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। কার সভা কোথায়? রইল সম্পূর্ণ বিবরণ। 👇

<nis:link nis:type=tag nis:id=tmcp nis:value=TMCP nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=tmcpfoundationday nis:value=TMCPFoundationDay nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=calcuttahighcourt nis:value=CalcuttaHighCourt nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=westbengalpolitics nis:value=WestBengalPolitics nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=bengalnews nis:value=BengalNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=kolkatanews nis:value=KolkataNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=breakingnews nis:value=BreakingNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=tmc nis:value=TMC nis:enabled=true nis:link/> 

[ TMCP foundation day, Calcutta High Court TMCP order, TMCP news, Trinamool Chhatra Parishad foundation day, Bengal politics news today, Kolkata news today, Trinamool split news, TMCP rally venue update ]
ব্যাঙ্কের মেসেজ দেখেই চমকে উঠেছিলেন বৃদ্ধ। হঠাৎ করেই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢোকে। তাহলে কি ওই টাকা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের? যেখানে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরকারি অনুদান পৌঁছে যাওয়ার কথা, সেখানে কীভাবে তাঁর কাছে ওই নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ঢুকল? ওই টাকা পাওয়ার পরেই রীতিমতো চাপে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। বিষয়টি জানিয়ে টাকা ফেরত দিতে স্থানীয় বিডিও অফিসে ছুটলেন ওই বৃদ্ধ। রীতিমতো সাড়া ফেলে দেওয়া ওই ঘটনা মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে।

ভোটের আগের প্রতিশ্রুতিমতো ক্ষমতায় এসে রাজ্য বিজেপি সরকার মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করে। প্রতি মাসের বাংলার মা-বোনেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ওই টাকা পৌঁছে যাবে। সরকারের তরফে টাকা দেওয়াও হচ্ছে। তবে এখনও বহু জায়গায় মহিলারা ওই টাকা পাননি বলে অভিযোগ। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা না পেয়ে বহু জায়গায় বিক্ষোভও চলছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দিয়েছেন, সকলেই টাকা পাবেন। সেই আবহে এবার ‘পুরুষ অন্নপূর্ণা’র ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকল ওই টাকা! 

রঘুনাথগঞ্জ-২ ব্লকের খড়কাঠি গ্রামের বাসিন্দা সামজাদ শেখ। বিগত রাজ্য সরকারের আমল থেকেই তিনি প্রতিবন্ধী ভাতা পান। ওই বৃদ্ধের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই চলতি মাসে দিন কয়েক আগে ৩০০০ টাকা ঢুকেছে। তাঁর দাবি, গত ১৭ আগস্ট হঠাৎ তাঁর অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢোকে। মেসেজে টাকার অঙ্ক দেখেই তিনি বুঝতে পারেন সেটা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের। বিভিন্ন জায়গায় মহিলাদের বিক্ষোভ চলছে, এদিকে তাঁর কাছেই ওই টাকা পৌঁছল! কী হবে, সেই ভেবেই যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে সামজাদের। পরিবারের সদস্য টুটুল শেখ জানান, তাঁদের পরিবারের কারও সঙ্গে এই অ্যাকাউন্টের লিঙ্ক নেই। কীভাবে টাকা এল তা রহস্যের।

এরপরই ওই বৃদ্ধ স্থানীয় বিডিও অফিসে যান। সমস্ত ঘটনা বলেন, ব্যাঙ্কের মেসেজও দেখান। বিষয়টি দেখে হতবাক বিডিও অফিসের কর্মীরাও। টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও জানান তিনি। সামজাদের কথায়, “আমি পুরুষ, আমি তো আবেদনই করিনি। এই টাকা আমার নয়। তাই ফেরত দিতে এসেছি।” বিষয়টি নিয়ে রঘুনাথগঞ্জ-২ এর বিডিও শুভময় মাঝি বলেন, “ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে টাকা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।” তৃণমূল আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বহু পুরুষের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। ‘পুরুষ লক্ষ্মী’ বলে কটাক্ষও হত সেসময় বিরোধীদের তরফে। এবার কি তাহলে বিজেপি আমলে ‘পুরুষ অন্নপূর্ণা’! সেই চর্চা শুরু হয়েছে।
রাজ্যে বিজেপি সরকারের বয়স সবে একশো দিন পেরিয়েছে। তার মধ্যেই দলের একাংশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে খুনোখুনির ঘটনাও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে বারবারই দলকে নানা অভিযোগ থেকে কলুষমুক্ত করতে কঠোর থেকে কঠোরতর বার্তা দিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। কিন্তু তাতেও বিশেষ কাজ হয়নি। এবার তাই চিঠির ধাঁচে লেখা শমীকের সতর্কবার্তা ভাইরাল বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। জেলায় জেলায় গ্রুপ মারফত সেই বার্তা পৌঁছে গেল দলের সর্বস্তরের নেতা, কার্যকর্তা, কর্মীদের কাছে।

শমীক ভট্টাচার্যর ‘জরুরি সতর্কবার্তা’র শুরুতেই সম্বোধন করা হয়েছে – ‘প্রিয় রাজ্য, জেলা, অঞ্চল, মণ্ডল এবং বুথ স্তরের সমস্ত বিজেপি কার্যকর্তা ও কর্মী ভাই-বোন’দের। বলা হয়েছে, সততা, স্বচ্ছতা ও আদর্শই বিজেপির মূল চালিকাশক্তি। ভারতীয় জনতা পার্টিরর সুদীর্ঘ আদর্শ আরও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে শমীক লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজির জিরো টলারেন্স নীতি এবং দেশসেবার সংকল্পই বিজেপির কাজের মূল ভিত্তি। অতি সম্প্রতি চিঠি ও বার্তার মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের কিছু অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ড ও অনিয়মের তথ্য আমার নজরে এসেছে। বুথ স্তর থেকে রাজ্য স্তর পর্যন্ত – যে কোনও সদস্যের ক্ষেত্রে একথা প্রযোজ্য: দলের নীতির বাইরে গিয়ে কোনও ব্যক্তি যদি কোনও অনৈতিক বা দুর্নীতির কাজের সঙ্গে যুক্ত হন, দল তার দায়ভার কখনওই নেবে না।’

এরপর বার্তায় লেখা – দলের সকল স্তরের কর্মী ও নেতৃত্বকে কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে:

প্রথমত, জিরো টলারেন্স: দুর্নীতি বা অপকর্মের সামান্যতম প্রমাণ মিললে, পদ বা অবস্থান নির্বিশেষে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দ্বিতীয়ত, দলের ভাবমূর্তি: ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য দলের ভাবমূর্তি ও কর্মীদের দীর্ঘদিনের ত্যাগ যেন ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ সতর্ক থাকুন।
তৃতীয়ত, জনসেবাই লক্ষ্য: সাধারণ মানুষের আস্থা ধরে রেখে পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে কাজ করাই প্রতিটি কার্যকর্তার একমাত্র দায়িত্ব।
শমীকের আহ্বান, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে দলের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখি।’ এই দীর্ঘ বার্তা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের সবপ্রান্তের বিজেপি নেতা, জনপ্রতিনিধি থেকে কার্যকর্তা, কর্মীদের কাছে। ওয়াকিবহাল মহলের মত, তৃণমূল জমানার ‘ব্যাধি’ যাতে দলের মধ্যে সংক্রামক না হয়ে পড়ে, তার জন্য গোড়া থেকে কঠোর বিজেপি রাজ্য সভাপতি নিজে। কিন্তু তাঁর হাজার বার্তাতেও কাজ হয়নি। সময় যত এগোচ্ছে, ততই বিজেপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তাই এবার কার্যত মরিয়া হয়ে শমীকের লিখিতস বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হল।
এবার কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা জুড়ে রাজবংশী অধ্যুষিত অধিকাংশ গ্রামের পরিকাঠামগত সার্বিক উন্নয়নের পরিকল্পনা আদর্শ গ্রাম প্রকল্পে নেওয়া হয়েছে। মূলত রাজবংশী সম্প্রদায় অধিকাংশ বাসিন্দা তফশিলি জাতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এবার সেই তপশিলি অধ্যুষিত কোচবিহারের ৬০৬টি গ্রামকে কেন্দ্রের পিএম অজয় গ্রাম প্রকল্পের (আদর্শ গ্রাম) অধীনে আনা হয়েছে। কোচবিহার জেলার ৬০৬টি গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসাবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্তের পরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে সার্ভের কাজ। আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চিহ্নিত প্রত্যেকটি গ্রামে গড়ে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা করে খরচ করা হবে। সব মিলিয়ে এই প্রকল্পের জন্য একশো কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ কোচবিহার জেলা পেতে চলেছে।

কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) প্রীতম লিম্বু জানিয়েছেন, আদর্শ গ্রাম প্রকল্পে কোচবিহার জেলায় মোট ৬০৬ টি গ্রাম চিহ্নিত করা হয়েছে। মূলত যে সমস্ত গ্রামে ৫০ শতাংশের বেশি বাসিন্দা তপশিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন সেই গ্রামগুলিকে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে পরিকাঠামো গত উন্নয়ন-সহ কী কী প্রয়োজন রয়েছে, সেই সমস্ত বিষয় সার্ভে করার কাজ শুরু করা হয়েছে। এই মাসের মধ্যেই কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তবে কিছু কাজ বাকি থাকলে প্রয়োজনে সময় সীমা কিছুটা বাড়ানো হবে। জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলায় রাজবংশী বসবাসকারীদের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। তাদের সঙ্গে অন্যান্য কিছু সম্প্রদায়ের মানুষ তপশিলি জাতিভুক্ত রয়েছেন।

আদর্শ গ্রাম সেই তফশিলি জাতির অধ্যুষিত এলাকাগুলির সার্বিক উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাতে গ্রামের রাস্তা, পানীয় জল, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন সহ বিভিন্ন মৌলিক পরিষেবার উন্নয়ন করার লক্ষ্যমাত্রা থাকে। তাছাড়া তপশিলি জাতি অন্তর্ভুক্ত পরিবারের আয় বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান, আয়বর্ধক প্রকল্প ও পরিকাঠামো তৈরির এই প্রকল্প কাজে লাগানো যেতে পারে। তপশিলি জাতির ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার সুযোগ বাড়াতেও এক্ষেত্রে উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সেই উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়িত করা হবে। কোথায়, কোন, কাজের প্রয়োজন রয়েছে, সেই সংক্রান্ত সার্ভে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
ধর্মতলার বিধান মার্কেট সরিয়ে জোকা লাইনের মেট্রোর কাজ শুরুর নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে বহু পুরনো এই বিধান মার্কেটের দোকানদারদের অস্থায়ীভাবে অন্যত্র সরানো হবে। উচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পের জন্য আগামী ৭ দিনের মধ্যে বিধান মার্কেট এলাকায় কাজ শুরু করতে হবে।

জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পের আওতায় এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনটি নির্মাণ করা হবে বিধান মার্কেটের নিচে। সে কারণেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এলাকা খালি করার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। সোমবার বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চ জানিয়েছে, দোকানদারদের সরানোর আগে নিশ্চিত করতে হবে যাতে নতুন জায়গায় জল, বিদ্যুৎ এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত পরিষেবা যথাযথ থাকে। নিরাপত্তার সুবন্দোবস্ত করার নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মেট্রো প্রকল্পের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, কাজ শেষের পর দোকানদারদের পুরনো জায়গায় ফিরিয়ে আনা হবে। সংস্থাকে লিখিতভাবে জানানোরও নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

জানা গিয়েছে, বিধান মার্কেটের দোকানদারদের সাময়িকভাবে মাউন্টেড পুলিশ প্যারেড গ্রাউন্ড এলাকায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। এর আগে বিধান মার্কেটের দোকানদাররা অভিযোগ করেছিলেন, কোনও রকম প্রতিশ্রুতি ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। শুধু তাই নয়, তাঁরা হাই কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন।
ফুটপাথে দুধ গরম বিতর্কে বড় পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার ওই শিশুকে কোলে নিয়ে সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ যাওয়া মহিলাকে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিলেন, ‘‘ফুটপাথে আর থাকতে হবে না। আমরা থাকার ব্যবস্থা করে দেব। নিশ্চিন্তে সেখানে থাকবেন।” পুরসভাকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, দ্রুত তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করে দিতে। এদিন তাঁদের সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যান বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাথবাসী সীতাদেবী। তাঁকে বাসস্থান নিয়ে আশ্বস্ত করার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘‘সীতাদেবী বাচ্চাকে নিয়ে আমার কাছে এখানে এসেছিলেন। আমি তাঁকে বলেছি, আর ফুটপাথে থাকার দরকার নেই, আমরা ব্যবস্থা করে দেব। পুরসভাকে বলেছি। ওরা ব্যবস্থা করবে।উনি মুখ্যমন্ত্রীর উপর ভরসা করেন, রাজ্য সরকারের উপর ভরসা করেন বলে জানিয়েছেন আমাদের।” এপ্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বিগত দুই সরকারের সমালোচনা করেন। তাঁর কথায়, ‘‘উনি (সীতাদেবী) কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি। আমি জানিয়েছি, ফুটপাত থাকার জায়গা নয়। মুখ্যমন্ত্রী, বিজেপি সরকার সকলের জন্য কাজ করে। বামপন্থী, যাঁরা কবিতা-ছড়া লিখছে তাঁদের বলব, খোঁজ নেননি কেন? ৫০ বছর তো ছিল। সীতাদেবী এখানে এসে বলেছেন ভরসা মুখ্যমন্ত্রীকে করি।”
চিনি কিনতে ইতিমধ্যেই পকেটে টান পড়া শুরু হয়েছে আমজনতার। পাল্লা দিয়ে দাম বাড়ছে শর্করাজাত অন্যান্য খাদ্যপণ্যের। এবার পিঁয়াজের দামেও চোখে জল আসার জোগাড়। দেশের প্রায় সব প্রান্তেই অগ্নিমূল্য পিঁয়াজ। ফলে আরও টান পড়ার আশঙ্কা গৃহস্থের ভাঁড়ারে। তড়িঘড়ি সমস্যা সমাধানে আসরে নেমে পড়ল কেন্দ্রও।

এই মুহূর্তে গোটা দেশেই ঊর্ধ্বমুখী পিঁয়াজের দাম। পরিসংখ্যান বলছে, গত এক বছরে দেশে পিঁয়াজের দাম বেড়েছে ৬০ শতাংশ। এই মুহূর্তে গড়ে পিঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪৩ টাকারও বেশি। শহরাঞ্চলে সেই দাম ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। বেশ কিছু বড় শহরে দাম জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেকটাই বেশি। দিল্লিতে পিঁয়াজের দাম প্রায় ৬৫ টাকা প্রতি কেজি, আর চেন্নাইয়ে প্রায় ৫৮ টাকা প্রতি কেজি পর্যন্ত পৌঁছেছে। কেরল এবং অসমের কিছু এলাকাতেও তুলনামূলক বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। কলকাতাতেও পিঁয়াজের দাম ৬০ টাকার বেশি। 

এমনিতে বরাবরই ভারতে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই আনাজটির চাহিদা বেশি। ভারতে সব মিলিয়ে বছরে ২ কোটি মেট্রিক টন পিঁয়াজের প্রয়োজন হয়। সেখানে উৎপাদন অনেকটাই বেশি। গড়ে ৩ কোটি ২০ লক্ষ মেট্রিক টন পিঁয়াজ উৎপাদন করে দেশ। এর একটা বড় অংশ আসে মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে। সমস্যা হল, নাসিক থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পিঁয়াজের সরবরাহ সঠিকভাবে হচ্ছে না। নাসিকে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর মজুদদারির জন্যই এই সমস্যা হলে মনে করা হচ্ছে।

এবার দেশজুড়ে পিঁয়াজের বরাদ্দ বাড়াতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। নাসিক থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ট্রেনে করে পাঠানো হচ্ছে পিঁয়াজ। দেশের সব বড় শহরেই ওই কান্দা এক্সপ্রেস যাবে। কনজিউমার অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি নিধি খারে বলেন যে আগামী বুধবার অর্থাৎ ২৬ অগস্টের মধ্যে চেন্নাই, মাদুরাই, দিল্লি, এর্নাকুলাম ও গুয়াহাটিতে পৌঁছে যাবে। এরপরে আরও শহরকে যুক্ত করা হবে এই তালিকায়।
ছাব্বিশের ভোটে দলের ভরাডুবির পরই সদলবলে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছিলেন অধিকাংশ সাংসদ। ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে তাঁরা এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথা জানান। সেইমতো সংসদে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়দের আসন অদলবদলও হয়। কিন্তু এখনও এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে তাঁরা ২০ জন স্বীকৃতি পাননি। এই অবস্থায় বাদল অধিবেশন চলাকালীন কালীঘাট তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন, এনসিপিআই-তে যোগদানকারী সদস্যদের সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হোক। এনিয়ে তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকেও চিঠি লিখেছিলেন। মঙ্গলবার সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট সবপক্ষকে নোটিস জারি করল। নোটিস পেলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ জন দলবদলকারী। পরবর্তী শুনানি ২ সপ্তাহ পর।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে অভিষেকের ওই মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। অভিষেকের হয়ে সওয়াল করেন কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদ তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর উলটোদিকে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি জানান, এনসিপিআই সাংসদদের দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী, সাংসদ পদ খারিজের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রক্রিয়া শুরু করেছেন লোকসভার স্পিকার। অভিষেকের আবেদনের প্রেক্ষিতে সাংদদের বক্তব্য জানতে চেয়ে কুড়িজনকে স্পিকারের তরফে আলাদা নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে। এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতিকে জানানোর জন্য স্পিকারের অফিস থেকে সলিসিটর জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।

দু’পক্ষের সওয়াল-জবাবের পর বিচারপতি বাগচীর মন্তব্য, ”সময়ের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি।” এরপরই তাঁরা সবপক্ষকে এ বিষয়ে নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তী শুনানি ২ সপ্তাহ পর। এর আগে এনসিপিআইয়ের সাংসদ পদ খারিজ নিয়ে স্পিকারের কাছে  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের  দাবি ছিল, বাদল অধিবেশনের মধ্যে তাঁদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। কিন্তু অধিবেশন শেষ হওয়ার পরও এনিয়ে নিষ্পত্তি না হওয়ায় সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন কালীঘাট তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা।
কলকাতা হাই কোর্টে স্বস্তি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। তিনটি মামলায় রক্ষাকবচ ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে। রাজ্যে পালাবদলের পর তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়। যার মধ্যে ভবানীপুর থানা, দক্ষিণ ২৪ পরগণার কালীতলা এবং বিষ্ণুপুর থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া তিনটি এফআইআরে রক্ষাকবচ দিল হাই কোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের নির্দেশ, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অভিষেকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার কিংবা হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে তদন্তে তাঁকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। আগামী ২৩ নভেম্বর ফের মামলার শুনানি। ওই দিন তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে পুলিশকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ হাই কোর্টের। 

আজ,মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে বিচারপতি পর্যবেক্ষণে জানান, প্রত্যেকটি এফআইআরের ক্ষেত্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আদালতে আসতে হবে না। এক্ষেত্রে মামলার সংখ্যা বাড়বে। সেই কারণে তিনটি এফআইআরে রক্ষাকবচ বাড়ানো হয়েছে। এক্ষেত্রে আদালতের আরও নির্দেশ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করার ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে। তবে তদন্তে অসহযোগিতা করলে রাজ্য তা আদালতের নজরে আনতে পারবে। অন্যদিকে এ দিন শুনানিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফের বিদেশ যাত্রা নিয়ে আপত্তি তোলে রাজ্য সরকার।

যদিও সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রওনা হতে পারেননি। বিভিন্ন কারণে তা সম্ভব হয়নি। এমতাবস্থায় রাজ্য সরকার নতুন করে আপত্তি জানালেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য সেই আবেদনে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হননি। হাই কোর্ট জানিয়ে দেয়, সুপ্রিম কোর্ট যেসব শর্তাবলী দিয়েছিল, সেগুলোই কার্যকর থাকবে। বলে রাখা প্রয়োজন, ছাব্বিশের নির্বাচনের পর অভিষেকের বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে ১৬টি মামলা দায়ের হয়। জমি দুর্নীতি থেকে সেবাশ্রয়ে বেনিয়ম-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সমস্ত মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
হাফ সেঞ্চুরির দিনগুলো পেরলেই দুর্গাপুজোর (Durga Puja) ভরা মরশুম। মাত্র ৫২ দিন পর শুরু এবছরের শারদোৎসব। তার আগে প্রস্তুতি তুঙ্গে ছোট-বড় সব পুজোমণ্ডপে। কেউ সবে পরিকল্পনা শেষ করেছেন, কেউ আবার খানিকটা এগিয়ে কাজে হাত লাগিয়েছেন। প্রতি বছর কলকাতার পুজোগুলিতে নানা চমক থাকে। আয়োজন ছোট হলেও কোনও কোনও উদ্যোক্তা মণ্ডপসজ্জা বা থিমে এমন অভিনবত্বের ছোঁয়া দিয়ে থাকেন, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে দেয়। শুধু তাই নয়, অনেক বিগ বাজেটের পুজোকেও তারা পিছনে ফেলে। এবারও এমনই এক অনামী পুজো বিশাল চমক দিতে চলেছে। তাদের থিম এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রী! নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন – শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্যের কাহিনি থাকবে এই পুজোর প্রতিটি কোণে কোণে। ‘নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন/বুবাইয়ের জয়যাত্রা’ – এই থিমে সেজে উঠছে রুবি মোড়ের একটি দুর্গাপুজো। জাঁকজমক নয়, বরং সনাতন রীতিনীতি মেনে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার তরফে প্রতিবছর এখানে পুজো হয়। এবার অবশ্য আলাদা ব্যাপার। প্রথমবার রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন নন্দীগ্রামের সেই দামাল ছেলে শুভেন্দু অধিকারী, এলাকাবাসীর প্রিয় ‘বুবাই’। তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারে এমন সোনার সময়কে ধরে রাখতে এবার হিন্দু মহাসভার দুর্গাপুজোর থিম তিনিই। রুবি মোড়ের এই পুজো মণ্ডপ সেজে উঠছে শুভেন্দুকে নিয়ে আঁকা পটচিত্র, ফ্লেক্স, ব্যানারে। সবচেয়ে বড় চমক মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষুদ্রতম মূর্তি থাকবে এখানে। পুজোর উদ্যোক্তা তথা অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামীর বক্তব্য, ‘‘আমাদের পুজোর মূল থিম এবার ‘নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন/বুবাইয়ের জয়যাত্রা’। আপনারা জানেন, আমাদের প্রিয় মুখ্যমন্ত্রীর ডাক নাম বুবাই। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম, সাফল্য – সবকিছু থাকবে আমাদের এবারের পুজোয়। মণ্ডপে থাকবে তাঁকে নিয়ে আঁকা পটচিত্র, ফ্লেক্স, ব্যানার। এছাড়া তাঁর ক্ষুদ্রতম একটা মূর্তি তৈরি করব আমরা। মুগডাল বা অন্য কিছুর উপর তৈরি হবে। সেটা সাজানো থাকবে মণ্ডবে। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার তরফে একটা তথ্যচিত্র বানাব, সেটা মণ্ডপে সারাক্ষণ চলবে। সবমিলিয়ে, আমাদের পুজো ঘিরে এবার থাকবেন শুধু মুখ্যমন্ত্রী।”

প্রতিমাসজ্জায় আলাদা কিছু থাকে না এই পুজোয়। সাবেকী দুর্গামূর্তিতে পুজো হয় হিন্দু মহাসভায়। এবারও তাই হবে। চন্দ্রচূড় গোস্বামীর বক্তব্য, হিন্দু মহাসভার ঘাট থেকে মাটি তুলে দুর্গামূর্তি তৈরি হবে। সুতরাং, অপেক্ষা আর ৫২ দিনের। তারপরই কলকাতাবাসী চাক্ষুষ করবেন, দুর্গাপুজো জুড়ে মুখ্যমন্ত্রীর নীরব উপস্থিতি।
১৫ বছরের শিল্পখরা কাটিয়ে বাংলায় শিল্প আসবে! আর সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। গত কয়েকমাসে বঙ্গে একাধিক সংস্থার শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরই মধ্যে আরও একগুচ্ছ নতুন ঘোষণা করলেন তিনি। সেই তালিকায় যেমন রয়েছে লারসেন অ্যান্ড ট্রুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। তেমনই রয়েছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন একটি প্ল্যান্ট। এজন্য প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি নিউ টাউনে ২ হাজার শয্যার একটি হাসপাতাল গড়তে চলেছে আদানি গোষ্ঠী। সেই প্রস্তাবেও রাজ্য সরকার সম্মতি দিয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

সোমবার একাধিক ইস্যুকে সামনে রেখে নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”আগামী ২৭ তারিখ সিলিকন ভ্যালিতে লারসেন অ্যান্ড ট্রুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)র একটি প্রকল্পের উদ্বোধন হবে। এমনকী আগামী দুর্গাপুজোর সময় আরও একটি বড় শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে হলদিয়ায়।” শুভেন্দু অধিকারীর কথা অনুযায়ী, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন একটি প্ল্যান্টের উদ্বোধন আগামী ১৪ অক্টোবর হতে পারে। ইতিমধ্যে সংস্থার অন্যতম কর্তা শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ”পুজোর মরসুমের আগেই রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে এই দু’টি উদ্বোধন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে।” শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে বাংলায় বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা সরকারের।

পাশাপাশি নিউ টাউনের আদানিকে হাসপাতাল তৈরির ক্ষেত্রে সরকার ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে বলেও সোমবার জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আদানি গোষ্ঠীর তরফে করণ আদানি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। হাসপাতাল তৈরি নিয়ে আলোচনা করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে লিখিত সম্মতিও দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রকল্প নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন গৌতম আদানি। দ্রুত কাজ শুরু করতে আগ্রহী সংস্থা। এই হাসপাতাল তৈরি ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ বিনিয়োগ আদানি গোষ্ঠী করবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই হাসপাতাল হবে প্রায় ২ হাজার শয্যার। যার মধ্যে ১ হাজার শয্যা আর্থিক ভাবে দুর্বল ও দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে রাখা হবে। বাকি ১ হাজার শয্যা বাণিজ্যিক পরিষেবার জন্য ব্যবহৃত হবে। সমস্ত অত্যাধুনিক পরিষেবা এই হাসপাতালে থাকবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিদেশ যাওয়ার ঠিক আগেই বড় স্বস্তি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে ফের চালু ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড। আদালতের কড়া পর্যবেক্ষণ ব্যাঙ্কের ভূমিকার বিরুদ্ধে। বিস্তারিত জেনে নিন ভিডিওতে! 🚨💳 

<nis:link nis:type=tag nis:id=abhishekbanerjee nis:value=AbhishekBanerjee nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=calcuttahighcourt nis:value=CalcuttaHighCourt nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=westbengalnews nis:value=WestBengalNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=breakingnewsbangla nis:value=BreakingNewsBangla nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=tmc nis:value=TMC nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=kolkatanews nis:value=KolkataNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=politicalnews nis:value=PoliticalNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=viralnews nis:value=ViralNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=highcourtupdate nis:value=HighCourtUpdate nis:enabled=true nis:link/> 

[ Abhishek Banerjee, Abhishek Banerjee Bank Account Case, Calcutta High Court, Abhishek Banerjee High Court, Abhishek Banerjee Bank Case Update, TMC News, West Bengal Politics, Kolkata High Court, Abhishek Banerjee Relief, Bank Account Unfreeze, Bangla News, Kolkata News, Political News Bengal ]
রান্নার গ্যাসের e-KYC নিয়ে বড় স্বস্তি! ফের বাড়ল শেষ তারিখ। এখনও e-KYC না করলে বন্ধ হতে পারে পরিষেবা? জেনে নিন নতুন ডেডলাইন ও জরুরি তথ্য। 🚨🔥 ভিডিওটি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন!

<nis:link nis:type=tag nis:id=lpgekyc nis:value=LPGeKYC nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=gaskyc nis:value=GasKYC nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=lpgupdate nis:value=LPGUpdate nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=bengalinews nis:value=BengaliNews nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=gasconnection nis:value=GasConnection nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=publicnotice nis:value=PublicNotice nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=trendingreels nis:value=TrendingReels nis:enabled=true nis:link/> 

[ lpg gas e kyc last date, gas ekyc deadline extended, lpg kyc update bengali, how to do lpg ekyc, indane gas ekyc, hp gas ekyc, bharat gas ekyc, lpg subsidy news, west bengal gas news ]
তামিলনাড়ুবাসীর জন্য দরাজ হস্ত মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় (Tamil Nadu CM Vijay)। সোমবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা করলেন, রাজ্যে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলিকে বছরে বিনামূল্যে ৩টি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, এবার থেকে বাসে উঠলে আর ভাড়া লাগবে না রূপান্তরকামীদের।   

বিজয় জানিয়েছেন, বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার কম এমন প্রতিটি পরিবারকে বছরে তিনটি করে এলপিজি সিলিন্ডার বিনামূল্যে দেওয়া হবে। নয়া এই প্রকল্পের নাম ‘অন্নপূর্ণা সুপার সিক্স’। আগামী বছর পোঙ্গল উৎসব থেকে প্রকল্পটি চালু হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ পরিবার উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের আওতায়, যোগ্য পরিবাররগুলির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি তিনটি এলপিজি সিলিন্ডারের খরচ পৌঁছে যাবে। অনুমান করা হচ্ছে, এই প্রকল্পের জন্য রাজ্যের কোষাগার থেকে বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। বিজয় জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে রান্নার গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে পরিবারগুলির উপর আর্থিক বোঝা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, ‘ভেট্রি পায়ানাম’ প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে সরকারি বাসে বিনামূল্যে সফর করতে পারেন মহিলারা। কিন্তু সোমবার সেই প্রকল্পের পরিধি সম্প্রসারাণের কথা ঘোষণা করলেন বিজয়। এবার থেকে শুধু সরকারি বাসে নয়, এক্সপ্রেস, এলএসএস এবং ডিলাক্স বাসেও মিলবে এই সুবিধা। আন্তঃজেলা বাসগুলিতেও এই সুবিধা কার্যকর হবে। শুধু তাই নয়, মহিলাদের পাশাপাশি রূপান্তরকামীরাদেরও এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মহিলাদের ভ্রমণের স্বাধীনতা তাঁদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা এবং পরিবারের অগ্রগতির ভিত্তি হিসাবে কাজ করে।” তাঁর কথায়, “তামিলনাড়ুর যে কোনও প্রান্তে বসবাসকারী কোনও নারীই যাতে যাতায়াতের খরচের কারণে সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন – সামাজিক ন্যায়বিচারের এই নীতিকেই সরকার অনুসরণ করছে।”
গত প্রায় একমাস ধরে জলবন্দি স্কুল। রয়েছে এক হাঁটু জল। স্কুল চত্বরে ঘুরে বেড়াচ্ছে হাঁস। জমে থাকা গন্ধযুক্ত নোংরা জল পেরিয়েই পিঠে ব্যাগ নিয়ে স্কুলে আসছে খুদে পড়ুয়ারা। রান্না ঘরেও জমেছে জল। এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বারান্দাতেই রান্না হচ্ছে মিড ডে মিল। ব্লক প্রশাসন এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও জমা জল বের করার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস ধরে একই পরিস্থিতি চলছে ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের কেতকীনেশিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্কুলের চারপাশে জল থইথই করছে। তার মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন স্কুলে আসছে পড়ুয়ারা। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, প্রথমদিকে স্থানীয় একটি ক্লাবঘরে অস্থায়ীভাবে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। কিন্তু ওই ক্লাবঘরে মৌমাছির বাসা থাকায় এক সপ্তাহ পর ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে ফের বিদ্যালয়েই ক্লাস শুরু করতে হয়। বর্তমানে জলমগ্ন বিদ্যালয় চত্বরেই কোনওরকমে পঠনপাঠন চলছে। অভিযোগ, গত বছর বিদ্যালয়ের পাশের রাস্তাটি কংক্রিটের করা হয়। এরপর থেকেই রাস্তার জল নিষ্কাশনের সমস্যা আরও বেড়েছে। বিদ্যালয়ের পাশে জমে থাকা জল আর বের হতে পারছে না। দীর্ঘদিন ধরে জল জমে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। তৈরি হয়েছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। তার মধ্যেই পড়ুয়াদের যাতায়াত করতে হচ্ছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলে মোট ৩৬ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। রয়েছেন দু’জন শিক্ষক এবং একজন প্যারা-টিচার। জল জমে থাকায় শুধু পঠনপাঠনই নয়, মিড ডে মিল রান্না করতেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। রান্নাঘরে জল ঢুকে যাওয়ায় বিদ্যালয়ের বারান্দাতেই রান্নার কাজ করতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যব্রত মাহাত বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের চারপাশে জল জমে রয়েছে। বিষয়টি ব্লক প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে দ্রুত জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।” অভিভাবকদের অভিযোগ, বর্ষার সময় প্রতি বছরই বিদ্যালয়ের সামনে জল জমে সমস্যা তৈরি হয়। কিন্তু এ বার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। নোংরা জল পেরিয়ে ছোট ছোট পড়ুয়াদের স্কুলে আসতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে জল জমে থাকায় রোগজীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কাও রয়েছে। তাই পড়ুয়াদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে দ্রুত বিদ্যালয় চত্বর থেকে জমা জল সরানোর দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
মিষ্টিমুখেও লাগছে ছ্যাঁকা! গত প্রায় ২০ দিনে প্রতি কেজিতে ২০ টাকারও বেশি বেড়েছে চিনির দাম। এই আবহে মধ্যবিত্তের পকেটে যেমন টান পড়ছে, তেমনই মিষ্টি ব্যবসায়ীদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। ব্যবসায় মন্দার আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই মিষ্টিজাত দ্রব্যের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই আবহে এবার হু হু করে বেড়ে চলা চিনির দামে রাশ টানতে যৌথভাবে নজরদারি চালাবে কেন্দ্র-রাজ্য। উৎসবের মরশুমে অযথা চিনি মজুত বা কালোবাজারি রুখতে অ্যাকশনে নামবে নবান্ন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিশেষ অভিযান চালাবে।
গত কয়েকদিন ধরে সংবাদ শিরোনামে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংঘর্ষ। গেরুয়াপন্থী ও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের মধ্যে অশান্তি, প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দেশের নামী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে বিশিষ্ট শিল্পী নন্দলাল বসুর আঁকা এমব্লেম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়তে থাকে। এনিয়ে আরও একবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, ”যাদবপুরে কিষেনজি রেড স্যালুট চলবে না। সব ডকুমেন্ট আছে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এমনকী আগামী ২৮ আগস্ট অর্থাৎ রাখির দিন দেশপ্রেম দিবস পালন করা হবে বলেও জানান শুভেন্দু অধিকারী।আজ, সোমবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই যাদবপুর ইস্যুতে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ”যাদবপুরে কিছু হয়নি। সব স্বাভাবিক রয়েছে। আজও ক্লাস হয়েছে। কোনও সমস্যা নেই।” তবে আর্টস হস্টেলের কিছু ছবি-ভিডিয়ো তাঁদের হাতে এসেছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তবে সেই ছবিতে কি আছে তা স্পষ্টভাবে কিছু জানাননি তিনি। তবে এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ”বেশ কয়েকজন ছাত্র সিএমওতে আর্টস হস্টেলের বেশ কিছু ভিডিও পাঠিয়েছেন। তা ভিসিকে যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। অপেক্ষা করুন, এই সব মেনে নেওয়া হবে না।” কার্যত এই ইস্যুতে রাজ্য সরকার কড়া ব্যবস্থা নেবে সেই ইঙ্গিতও দিয়ে রাখেন মুখ্যমন্ত্রী।পাশাপাশি যাদবপুর ইস্যুতে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ”পুলওয়ামার ঘটনা নিয়ে চুপ থাকেন। অপারেশন সিঁদুরের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। কিন্তু এখন বিজেপি শাসিত রাজ্যে তা চলবে না।” শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন, দেশই সবার উপরে। আর সেই নীতি নিয়েই সরকার চলবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এবার রাখির দিন দেশপ্রেম দিবসের ঘোষণা করেছে সরকার। গোটা পশ্চিমবঙ্গে চার হাজার অনুষ্ঠান হবে। এমনকী সেদিন যাদবপুরে সম্পূর্ণ বন্দেমাতরম গাওয়া হবে বলেও জানান।
ঔদ্ধত্যের সীমা ছাড়াচ্ছে বাংলাদেশ! এবার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে ভারতীয় কৃষকদের জমি বেআইনিভাবে বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছে দাদন (লিজ) দেওয়ার অভিযোগ। আর তা সামনে আসতেই কড়া অবস্থান নিল সীমান্তরক্ষী বাহিনী অর্থাৎ বিএসএফ। তেহট্ট বিধানসভা এলাকার সীমান্তবর্তী আন্তর্জাতিক সীমারেখায় এই ঘটনা ঘটেছে। আর তা প্রকাশ্যে আসতেই বিএসএফের পদস্থ কর্তারা স্থানীয় বিধায়ক সুব্রত কবিরাজ ও প্রধান শম্পা মন্ডল-সহ গ্রামবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ভাটুপাড়া গ্রামে এক জরুরি বৈঠক হয়। আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিরাপত্তা সুসংহত করতে এবং এই ধরণের অনুপ্রবেশ ও বেআইনি কর্মকাণ্ড রোধে সীমান্তজুড়ে তল্লাশি ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
আইএসএফ ছাড়তেই গত কয়েকদিনে একাধিকবার হা*মলার শিকার হয়েছেন আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। এমনকী আজ, সোমবারও ভাঙড়ে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আসল’ তৃণমূলে আরাবুল ইসলাম! এদিন হঠাৎ করেই বিধানসভায় পৌঁছান তিনি। প্রায় একঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিরোধী দলনেতার সঙ্গে বৈঠক করেন ভাঙড়ের এই ‘তাজা’ নেতা। এরপরেই জল্পনা ছড়িয়েছে তাহলে কি এবার ‘আসল’ তৃণমূলে সরাসরি যোগ দেবেন আরাবুল? একসময়ে ভাঙড় দাপিয়ে বেড়ানো ‘তাজা নেতা’ কলেজ শিক্ষিকার মাথায় জগ ছুড়ে মারার মতো গুরুতর কাজের জন্য দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। যদিও পরে সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেয় তৃণমূল। স্বমহিমায় দলে ফিরে ফের ভাঙড়ের বুকে শুরু হয় তাঁর দাপট! শুধু তাই নয়, ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় কার্যত আরাবুলেরই ‘শাসন’ চলত বারবার অভিযোগ ওঠে। যদিও পরবর্তী সময় রাজনীতিতে তাঁর কাঁটা হয়ে দাঁড়ান শওকত মোল্লা। একাধিক ইস্যুতে তাঁর সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ান আরাবুল। এহেন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে বড় বদলের সাক্ষী থাকেন ভাঙড়ের মানুষ। তৃণমূল ছেড়ে যোগ দেন নওসাদ সিদ্দিকীর দল আইএসএফে। প্রার্থীও হয়েছিলেন। কিন্তু জয় আসেনি। এহেন পরিস্থিতিতে ক্রমশ আইএসএফে কোনঠাসা হয়ে পড়েন আরাবুল। মাত্র পাঁচমাসেই মোহভঙ্গ হয় তাঁর। এহেন পরিস্থিতিতে গত কয়েকদিন আগেই সমাজমাধ্যমে তোপ দেগে আইএসএফ ছাড়ার ঘোষণা করেন আরাবুল। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “আইএসএফের স্বৈরাচারী এবং একনায়কতন্ত্রকে আমি ধিক্কার জানাই। আইএসএফের লুম্পেন বাহিনীর হাতে ভাঙড় জুড়ে যেভাবে মানুষের উপরে অত্যাচার-অনাচার নেমে এসেছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এই দল থেকে আমি পদত্যাগ করলাম।” তার রেশ কাটতে না কাটতেই গত শনিবার তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। ছোড়া হয় ইট। এমনকী বো**মা নিক্ষেপ করা হয় বলেও অভিযোগ। কোনও রকমে প্রাণ বাঁচিয়ে এলাকা ছাড়েন আরাবুল। এরপরেও তাঁকে লক্ষ্য করে হা*মলা হয় বলে অভিযোগ। একের পর এক ঘটনায় আইএসএফ যুক্ত বলে দাবি করেন একসময়ের ভাঙড়ের ত্রাস। এরপরেই এদিন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
আগামী ২৮ আগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস (TMCP Foundation Day)। এবার তা নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়েছে দড়ি টানাটানি। দুই শিবিরের তরফেই মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে হাই কোর্টের কাছে। কিন্তু এখনও অনুমতি না মেলায় ফের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল কালীঘাট তৃণমূল। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে এই বিষয়ে দ্রুত শুনানির আবেদন জানান কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবীরা। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে। জানা গিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলা শুনবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ।
অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় এবার কলকাতা হাই কোর্টে স্বস্তি তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। সোমবার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলার শুনানিতে ফের হাই কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে। কেওয়াইসি আপডেট না থাকায় অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল ব্যাঙ্ক। তা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ। সোমবার সেই মামলারই নিষ্পত্তি করে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করল কলকাতা হাইকোর্ট।

অভিষেকের পক্ষে আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, কেওয়াইসি-র সময় তাঁর মক্কেলের কোনও ছবি নেওয়া হয়নি। অভিষেক কেওয়াইসি করাবেন না—এমন কথা কখনও বলেননি। কেওয়াইসি না হলে আংশিক ফ্রিজ করা যায়। তাও নোটিশ সহ। আরবিআই গাইডলাইন মেনে কাজ করতে হবে। ব্লক কেন করা হল? প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী ভট্টাচার্য। ভবিষ্যতে এমন কোনও পদক্ষেপ করতে না পারে, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করার আর্জিও জানান তিনি। এই প্রসঙ্গে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের তরফে আইনজীবী জানান, আমরা কখনও বলিনি ওঁনাকে (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) সশরীরে আসতে হবে। আমাদের তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হেনস্তার কোনও ইচ্ছা নেই। এটা টেম্পোরারি ব্লকিং।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সব অভিযোগ নস্যাৎ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রকল্পে শর্ত আরোপ নিয়ে মমতার অভিযোগ প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, আগের সরকারও শর্ত আরোপ করেছিল। ধর্ম, দল দেখে প্রকল্পের টাকা দিতেন মমতা। কিন্তু বর্তমান সরকার তা করবে না। সব যোগ্যরাই ধীরে ধীরে অন্নপূর্ণার টাকা পাবেন। তিনি আরও জানান, ১৯ লক্ষ ২০ হাজার মুসলিম মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ, দল দেখা হবে না বলে জানিয়ে দেন তিনি। মমতার উদ্দেশে তিনি বলেন, “ফেসবুকেই থাকুন বিকেলবেলা, রাস্তায় নামতে হবে না। রাস্তায় যাতে না বেরোতে পারেন সেই ব্যবস্থা করব।” তাঁকে বিশ্রামে থাকারও পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

সোমবার ফেসবুক লাইভে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগে কোনও শর্তের কথা বলেনি বিজেপি। কিন্তু পরে যোগ্য-অযোগ্য ভাগ করে শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। এই নিয়ে পালটা শুভেন্দু বলেন, বিগত সরকারও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে শর্ত আরোপ করেছিল। ২৫-৬০ বছর বয়সি মহিলাদের দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সব মহিলাকে দেওয়া হয়নি। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪৭২ জন যোগ্য মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। তাঁর মধ্যে ১৯ লক্ষ ২০ হাজার মুসলিম। অন্নপূর্ণার পোর্টালে এখনও পর্যন্ত সাড়ে ৪ লক্ষ অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে অনেকে অযোগ্যদের নাম বাদ দেওয়ার জন্যও আবেদন করেছেন। শুভেন্দু স্পষ্ট করে দেন, ধর্ম-বর্ণ দেখে অন্নপূর্ণার টাকা দেওয়া হবে না। তাঁর অভিযোগ, নন্দীগ্রামের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ৮৬ শতাংশ হিন্দু থাকেন। সেখানে ৫৪ জনকে আবাস যোজনার টাকা দিয়েছিল তৃণমূল সরকার। প্রাপকদের মধ্য়ে ৫২ জনই মুসলিম। মাত্র ২ জন হিন্দু। তাই কে ধর্মের ভিত্তিতে টাকা দিত তা স্পর্ষ। শুভেন্দুর কথায়, “বাছাবাছি, আমরা ওঁরা তো উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) করতেন। আমরা করি না। উনি ধর্ম দেখে করতেন।”
কলকাতার অন্যতম দর্শনীয় স্থানের মধ্যে অন্যতম কালীঘাট মন্দির (Kalighat Temple)। প্রতিনিয়ত হাজারে হাজারে ভক্তের সমাগম হয় কালীক্ষেত্রে। বিশেষ কোনও দিনে তো ঢল নামে মানুষের। শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তার বেষ্টনী আটসাঁট করতে তৎপর প্রশাসন। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি গঠনের পর এবার কালীঘাট মন্দিরে শুরু হল এনএসজি-র (NSG) মহড়া। সপ্তাহের শুরুর দিনেই কালীঘাট মন্দির ঘিরে ফেলল এনএসজি আধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশ, এসটিএফ, কলকাতা কমান্ডো ইউনিটও।
সোমবার ফেসবুক লাইভে সেই ইস্যুতেই একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “একটা ছোট্ট দুধের শিশুর খাবার তৈরি করছিল, দরিদ্রকে ঘৃণা করবেন না দয়া করে। যে মা রাস্তার উপর বাচ্চার জন্য দুধ ফোটাচ্ছে, সে অসহায়। দুধটা ফেলে দিতে খারাপ লাগল না? মনে রাখবেন মায়ের অভিশাপ, বড় অভিশাপ।” এরপরই মমতা বলেন, “আমি এই পরিবারটার দায়িত্ব নিতে তৈরি। ওনারা রাজি থাকলে আমি কোনও কর্মীর বাড়িতে ওদের থাকার ব্যবস্থা করে দেব। বাচ্চার পড়াশোনার দায়িত্বও নেব।” এই ইস্যুতেই মমতাকে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “উনি নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখছেন না কেন? হালিশহরে ওনার কর্মীর বাড়িতে ওনাকেই ঢুকতে দেয়নি। আমার সঙ্গে তো মৃতের পরিবার কথা বলেছে। অর্থ সাহায্য নিয়েছে। চাকরির কথা বলেছি, প্রয়োজনীয় নথিও দিয়েছেন।” শুভেন্দুর কথায়, “কর্মীরাই ওনাকে ভরসা করে না। এসব বলে কী লাভ!”
কলকাতার ফুটপাথে নাতির জন্য দুধ গরম করছিলেন বৃদ্ধা। যেকোনও মুহূর্তে বিপদ ঘটে যাওয়ার আশঙ্কায় তাঁকে সেই কাজে বাধা দেন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে গিয়ে কড়া সমালোচনার মুখে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। কীভাবে একজন মন্ত্রী দুধের শিশুর মুখের গ্রাস কেড়ে নিতে পারেন, সে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। সেই বিতর্ক প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন খোদ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তা শেয়ার করেন। ‘অনাবশ্যক সমালোচনা’ বন্ধের আর্জি জানান তিনি।

অগ্নিমিত্রা লেখেন, “কোনও বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি। সরে যেতে বলা হয়েছে। ওভাবে একটা ব্যস্ত রাস্তায় একটা বাচ্চা হামাগুড়ি দিচ্ছে – শুধু ওখানে নয়, এই দৃশ্য কলকাতার অনেক জায়গাতেই দেখা যায়। একটা দুর্ঘটনা যখন-তখন হয়ে যেতে পারে। কে দায় নেবে তার? যারা কাল থেকে মানবিকতার কথা বলছেন, তাঁরা? যে সরকার বছরের পর বছর ধরে ফুটপাথে মানুষদের বসিয়েছেন, কর্মসংস্থান করেননি, শুধু তোলাবাজি, ঘুষ আর যত রকমের দুর্নীতি হয়, সেগুলো করে গিয়েছেন গত ১৫ বছর ধরে – তাঁরা আজ জনদরদী?” বলে রাখা ভালো, এই ‘দুধ গরম’ বিতর্কের মাঝে রবিবার ওই ফুটপাথবাসী বৃদ্ধার সঙ্গে দেখা করেন ‘কালীঘাট তৃণমূলপন্থী’ বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সেখানে দাঁড়িয়ে বর্তমান রাজ্য সরকারের তুলোধোনাও করেন তিনি।

এছাড়াও অগ্নিমিত্রা আরও বলেন, “ফুটপাথ গরিব বা বড়লোককে আলাদা করে চেনে না। ফুটপাথে যারা হাঁটছেন, তাঁরা সবাই মানুষ। মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের রায় – ফুটপাথকে হাঁটাচলার উপযোগী করে তুলতে হবে। ফুটপাথ মানুষের হাঁটাচলার জন্য, বসবাস করার জন্য নয়।” মন্ত্রীর কথায়, “আমি জানি, আমাদের সরকার অনেক বড় ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছে, তাতে বিরোধীদের সমস্যা হওয়ারই কথা। ফুটপাথ থেকে হকার সরাতে গেলে আপনাদের অসুবিধা, অবৈধ পার্কিং সরাতে গেলে আপনাদের অসুবিধা, যারা রীতিমতো ফুটপাথকে বাসস্থান বানিয়ে ফেলেছেন, তাঁদের সরাতে গেলে আপনাদের অসুবিধা। আপনাদের সুবিধা বা অসুবিধা দেখে তো সরকার কাজ করবে না।”

আগামিদিন রাজ্যকে শিল্পবান্ধব করে তুলতে গেলে ফুটপাথ, রাস্তাঘাট ঢেলে সাজানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেই মত মন্ত্রীর। তাঁর কথায়, “আজ বিনিয়োগের কথা হচ্ছে, নতুন শিল্পপতিদের সঙ্গে কথা হচ্ছে, শিল্প আনার চেষ্টা চলছে। যাঁদের ডাকা হচ্ছে, তাঁরা এসে যদি দেখেন রাস্তাঘাট যানজটে ভরা, রাস্তাঘাটের অবস্থা খারাপ, শহরের এই পরিবেশ – তাঁরা কি আসবেন? রাস্তা থেকে ড্রেন, সবকিছু সংস্কারের কাজ চলছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত রাস্তা ঠিক করা হবে। ১৫ বছরে বাংলার যে অবস্থা হয়েছে, তা কোনওভাবেই ১০০ দিনে ঠিক করা সম্ভব নয়। এমনটা নয় যে কোনও মন্ত্রবলে সবকিছু হঠাৎ করে ঠিক হয়ে যাবে। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যা যা প্রতিশ্রুতি আমরা করেছি, তা বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব আমাদের এবং তা আমরা করব। আশা করি, সাধারণ মানুষ আমার এবং আমাদের সরকারের পাশে থাকবেন।”