Public App Logo
Profile Picture

Bankura Local News

@bankuralocalnews
1997Followers
2Following
আশা কর্মীদের উপর রীতিমতো রেগে ক্ষুব্ধ হয়ে শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরি কি বললেন শুনুন
শ্রীচন্দনপুর গ্রামে 'বিকশিত ভারত VB-G RAM G' প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল, উপস্থিত শালতোড়ার  বিধায়ক চন্দনা বাউরী
বাঁকুড়া জেলার তালডাংরা বিধানসভার সিমলাপাল ব্লকের আত্মা(A.T.M.A)কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলেন সৌরভ সৎপতি । তাকে সিমলাপাল বিজেপি কার্যালয়ে শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা প্রদান করে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানালেন তালডাংরার বিধায়ক সৌভিক পাত্র ।
সিন্ডিকেট, কাটমানি বন্ধ করতে হেল্পলাইন, টোল-ফ্রি নম্বর চালু করে দুর্নীতি বন্ধ করতে ফের জ়িরো টলারেন্স বার্তা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।
 দুর্নীতি বন্ধ করতে টোল ফ্রি নম্বর ঘোষণাকরলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ।
<nis:link nis:type=tag nis:id=suvenduadhikari nis:value=SuvenduAdhikari nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=bengalpolitics nis:value=BengalPolitics nis:enabled=true nis:link/> <nis:link nis:type=tag nis:id=zerotolerance nis:value=ZeroTolerance nis:enabled=true nis:link/>
বিকশিত ভারত - জী রাম জী
পঞ্চ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো বাঁকুড়ায় জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম হলে ।
উপস্থিত মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু সহ শালতোড়ার  বিধায়ক চন্দনা বাউরী , ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা সহ জেলার একাধিক বিধায়ক সহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা
মাসিক ৫ হাজার টাকা ভাতার দাবিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনী বাঁকুড়া জেলা ৭ তম সম্মেলন কে সামনে রেখে মিছিল বাঁকুড়া জেলার  বিষ্ণুপুরে। উপস্থিত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলি
🚨 বাঁকুড়ার উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ! ডিএম অফিসে মন্ত্রী সহ বিধায়ক-প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, আগামী দিনে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নের আশ্বাস!! 

বাঁকুড়া জেলার উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত করতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার বাঁকুড়া জেলা শাসকের দফতরে অনুষ্ঠিত হল একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা ও সমন্বয় বৈঠক। জেলার বিভিন্ন বিধানসভা এলাকার চলমান উন্নয়নমূলক কাজ, নতুন সরকারি প্রকল্প এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এই বৈঠকে।

বৈঠকে উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা নিজ নিজ এলাকার রাস্তা, সেতু, পানীয় জল, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সেচ, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাব জেলা প্রশাসনের সামনে তুলে ধরেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং সরকারি প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু,শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরী, ছাতনার বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখার্জি-সহ জেলার অন্যান্য বিধায়করা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তারা ।

বৈঠকে আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল জেলার সার্বিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া। বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোন কোন উন্নয়নমূলক কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সেই বিষয়েও আলোচনা হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে গৃহীত একাধিক সিদ্ধান্ত আগামী দিনে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে। এর ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকার পরিকাঠামো উন্নত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও জনপরিষেবার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলি দ্রুত বাস্তবায়িত হলে বাঁকুড়ার উন্নয়নের চাকা আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুফল আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।
এক নির্দেশেই ৯৯ BDO বদলি, বাঁকুড়ার ৬ ব্লকে নতুন মুখ

রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশে একসঙ্গে বদলি করা হয়েছে ৯৯ জন ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার বা বিডিও-কে। এই তালিকায় রয়েছে বাঁকুড়া জেলারও একাধিক ব্লক। জেলায় মোট ৬ জন বিডিওর বদলির নির্দেশ জারি হয়েছে।

প্রশাসনিক কাজে আরও গতি আনতে এবং বিভিন্ন ব্লকে নতুনভাবে দায়িত্ব বণ্টনের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে বিডিও বদলির নির্দেশিকা। রাজ্যজুড়ে মোট ৯৯ জন বিডিওর দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এই বদলির তালিকায় বাঁকুড়া জেলার ৬টি ব্লকও রয়েছে। নতুন দায়িত্ব অনুযায়ী—

* সুদীপ কুমার বসু বড়জোড়া ব্লকের বিডিও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
* পার্থ প্রতীম কীর্তনিয়া আসছেন রানীবাঁধ ব্লকের বিডিও হিসেবে।
* তুষার তরফদার দায়িত্ব নিচ্ছেন সিমলাপাল ব্লকের।
* উজ্জ্বল বিশ্বাস হচ্ছেন সোনামুখী ব্লকের নতুন বিডিও।
* শাহিদ আলি দায়িত্বে আসছেন বাঁকুড়া–২ ব্লকে।
* জিনিয়া সাহা নতুন বিডিও হিসেবে যোগ দেবেন বাঁকুড়া–১ ব্লকে।
শম্পা মুখার্জির উদ্যোগে বিহারীনাথ ধামগামী শিবভক্তদের সেবায় রাঙ্গামাটি গ্রামে মানবিকতার অনন্য নজির! শিবভক্তদের সেবায় রাত জেগে রাঙ্গামাটির সমাজকর্মীরা পাশে থাকার প্রয়াস করল 

🛕🔱শ্রাবণ মাস মানেই শিবের আরাধনা, ভক্তি আর আস্থার এক অনন্য মিলন। আর সেই ভক্তির পথকে আরও সহজ ও আনন্দময় করে তুলতে মানবিক উদ্যোগের নজির গড়লেন বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া ব্লকের রাঙ্গামাটি গ্রামের সমাজকর্মীরা।
রবিবার সন্ধ্যা থেকে  রাত ভোর । চারিদিকে “বোল বাম” আর “হর হর মহাদেব” ধ্বনিতে মুখরিত পথঘাট। বিহারীনাথ ধাম মন্দিরের উদ্দেশ্যে হাজার হাজার শিবভক্ত ও বোম ভোলে পূর্ণার্থীরা পদযাত্রা করে এগিয়ে চলেছেন।

এই দীর্ঘ যাত্রাপথে ক্লান্ত ভক্তদের পাশে দাঁড়াতে রাঙ্গামাটি গ্রামের দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় বিশেষ সেবাশিবিরের। সেখানে আগত শিবভক্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ঠান্ডা সরবত, মিষ্টি এবং জলখাবার। পাশাপাশি পানীয় জলেরও ব্যবস্থা করা হয়, যাতে যাত্রাপথে ভক্তদের কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়।

এই মানবিক উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন রাঙ্গামাটি গ্রামের সমাজকর্মী শম্পা মুখার্জি। তাঁর সঙ্গে গ্রামের আরও বহু সমাজকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক রাত জেগে নিষ্ঠার সঙ্গে শিবভক্তদের সেবা করেন। কেউ সরবত পরিবেশন করছেন, কেউ মিষ্টি দিচ্ছেন, আবার কেউ বিশ্রামের ব্যবস্থা করে ভক্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

শম্পা মুখার্জি জানান, শ্রাবণ মাসে শিবভক্তদের সেবা করাকে তাঁরা এক ধরনের পুণ্যকর্ম ও সামাজিক দায়িত্ব বলে মনে করেন। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও গ্রামের মানুষ একসঙ্গে এগিয়ে এসে এই উদ্যোগকে সফল করেছেন।

রাঙ্গামাটি গ্রামের এই উদ্যোগ শুধু আপ্যায়নেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা, মানবসেবা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। শিবভক্তদের মুখে হাসি ফোটাতেই তাঁদের এই ছোট্ট প্রয়াস, যা পথচলতি বহু মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
মানুষের পাশে মানুষ—এই বার্তাকেই সামনে রেখে রাঙ্গামাটি গ্রামের সমাজকর্মীদের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। শ্রাবণের পবিত্র আবহে শিবভক্তদের সেবায় এমন মানবিক উদ্যোগ আগামী দিনেও অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে—এমনটাই আশা সকলের।
গৌ সম্মান আহবান অভিযান বাঁকুড়ায় 

গো-সুরক্ষা, গো-সেবা এবং গো-সম্মানের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে রবিবার সকালে বাঁকুড়া শহরে অনুষ্ঠিত হলো ‘গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান’। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, ঢাক-ঢোলের বাদ্য, ধর্মীয় আবহ এবং শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে এদিন শহরের রাজপথ যেন ভরে উঠল এক ভিন্ন দৃশ্যে।
রবিবার সকালে বাঁকুড়া হিন্দু স্কুল ময়দান থেকে শুরু হয় গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান। হাতে ব্যানার, পতাকা ও হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে  সচেতনতামূলক বার্তা দিতে শোভাযাত্রায় অংশ নেন অসংখ্য মানুষ। গো-সুরক্ষার বার্তা তুলে ধরতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এই পদযাত্রা পৌঁছায় নির্ধারিত গন্তব্যে।
শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল সুসজ্জিত গো মাতার উপস্থিতি। ফুল ও ঐতিহ্যবাহী অলংকারে সাজানো গোমাতা কে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি ঢাকের তালে তালে এগিয়ে চলে শোভাযাত্রা, যা গোটা পরিবেশকে উৎসবমুখর করে তোলে।
অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য, ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে গোমাতার একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। তাই গো-সেবা, গো-সংরক্ষণ এবং প্রাণীর প্রতি মানবিক আচরণের বার্তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

এই শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলার বিশিষ্ট সমাজকর্মী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী এবং বহু সাধারণ মানুষ। তাঁরা একযোগে এই অভিযানে অংশ নিয়ে সচেতনতার বার্তা তুলে ধরেন।

শোভাযাত্রা চলাকালীন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষ দাঁড়িয়ে এই উদ্যোগকে প্রত্যক্ষ করেন। অনেকেই মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। গো-সম্মান এবং প্রাণী সংরক্ষণের বার্তা ঘিরে মানুষের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
আয়োজকদের দাবি, এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি সমাজে মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আগামী দিনেও বৃহত্তর পরিসরে এই অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে।

গো-সম্মান, গো-সেবা এবং সামাজিক সচেতনতার বার্তা নিয়ে বাঁকুড়ার রাজপথে অনুষ্ঠিত এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরবাসীর নজর কেড়েছে। ধর্মীয় আবেগ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক বার্তার সমন্বয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচি ঘিরে ছিল উৎসবের আবহ।
"গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান " কর্মসূচির মধ্য দিয়ে " গোরুকে ( গোমাতা কে)  " রাষ্ট্রমাতা ঘোষণা ও দেশ জুড়ে গো হত্যা বন্ধের দাবিতে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা করে  বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে দাবি পত্র পেশ

গরুকে (গোমাতা কে )রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতি এবং দেশজুড়ে গো-হত্যা সম্পূর্ণ বন্ধের দাবিতে রবিবার বাঁকুড়া শহরে অনুষ্ঠিত হলো ‘গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান’। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, ঢাক-ঢোলের বাদ্য, সুসজ্জিত গোমাতা এবং শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে শহরের রাজপথে উঠে এল গো-সংরক্ষণের বার্তা। শোভাযাত্রা শেষে বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়।

রবিবার সকালে বাঁকুড়া হিন্দু স্কুল ময়দান থেকে শুরু হয় গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান। হাতে ব্যানার, পতাকা ও বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন শতাধিক মানুষ। ঢাকের বাদ্য, ধর্মীয় সঙ্গীত এবং স্লোগানের মধ্য দিয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এই শোভাযাত্রা পৌঁছায় বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে।

শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফুল ও ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত গোমাতা। পাশাপাশি লোকসংস্কৃতির বাদ্যযন্ত্র, ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং ধর্মীয় আবহে গোটা কর্মসূচি হয়ে ওঠে বর্ণাঢ্য ও আকর্ষণীয়।

অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের মূল দাবি ছিল গরুকে( গোমাতা কে ) রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতি প্রদান এবং সারা দেশে গো-হত্যা সম্পূর্ণ বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতীয় সংস্কৃতি, কৃষি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গোমাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই গো-সংরক্ষণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে দেখার আহ্বান জানান তাঁরা।

এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলার বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ। সকলেই একসঙ্গে এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

শহরের বিভিন্ন রাস্তা অতিক্রম করার পর শোভাযাত্রা বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে পৌঁছায়। সেখানে প্রতিনিধিদল গোরুকে ( গোমাতা কে) রাষ্ট্রমাতা ঘোষণা এবং দেশজুড়ে গো-হত্যা বন্ধের দাবিতে জেলা শাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। তাঁদের আশা, এই দাবিগুলি দেশের সর্বোচ্চ স্তরে গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হবে।

পুরো কর্মসূচি জুড়ে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে শোভাযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন এবং মোবাইলে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় গোটা কর্মসূচি।

গরুকে  ( গোমাতা কে)রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতি এবং দেশব্যাপী গো-হত্যা বন্ধের দাবিকে সামনে রেখে বাঁকুড়ার রাজপথে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে জেলা শাসকের দফতরে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক বার্তার সমন্বয়ে এই কর্মসূচি ঘিরে শহরজুড়ে তৈরি হয় বিশেষ উৎসাহের পরিবেশ।
বাঁকুড়ায় জেলা পুলিশের উদ্যেগে "দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াডের " আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ সূচনা হল

নারী নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি বাড়াতে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। আধুনিক পুলিশিংয়ের পথে নতুন সংযোজন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল ‘দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড’। এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে আরও দ্রুত, আরও কার্যকর এবং আরও সংবেদনশীলভাবে নিরাপত্তা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

গতকাল এক গম্ভীর ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ‘দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ওয়েস্টার্ন জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ADG) শ্রী আনন্দ কুমার, IPS। তাঁর উপস্থিতিতে এই নতুন উদ্যোগের সূচনা বাঁকুড়া জেলার আইন-শৃঙ্খলা ও নারী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া রেঞ্জের ডিআইজি শ্রী অভিষেক মোদি, IPS, বাঁকুড়া জেলার পুলিশ সুপার শ্রী পি. ভি. জি. সতীশ, IPS, পাশাপাশি জেলার অন্যান্য উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক এবং বিশিষ্ট কর্মকর্তারা।

বর্তমান সময়ে নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই গড়ে তোলা হয়েছে দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড। এই বিশেষ দল জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার, বাসস্ট্যান্ড, জনবহুল এলাকা এবং সংবেদনশীল স্থানে নিয়মিত নজরদারি চালাবে। প্রয়োজনে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে এই স্কোয়াডের মূল দায়িত্ব।
পুলিশ প্রশাসনের আশা, এই উদ্যোগের ফলে শুধু অপরাধ প্রতিরোধই নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও বাড়বে। নারী ও শিশুদের জন্য আরও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে এই স্কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বাঁকুড়া জেলা পুলিশের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
নারীর নিরাপত্তাই সমাজের নিরাপত্তা। সেই বার্তাকেই সামনে রেখে বাঁকুড়া জেলায় শুরু হলো দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড-এর পথচলা। আগামী দিনে এই উদ্যোগ জেলার প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা প্রশাসনের।
দেশের প্রধানমন্ত্রী*কে নিয়ে কু*রু*চি*কর মন্তব্য করার ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষী ব্যক্তিদের আইন*গত ব্যবস্থা গ্রহণ করে অবিলম্বে গ্রে*প্তা*রের করার দাবিতে একটি বিশাল প্রতিবাদ মিছিল করা হয় মেজিয়ায় শালতোড়া মন্ডল ৩ বিজেপির তরফে এবং মেজিয়া থানায় অভি*যোগ দায়ের করে বিজেপি । এ বিষয়ে শালতোড়া বিধানসভার বিধায়ক শ্রীমতি চন্দনা বাউরী কি বললেন শুনুন
দেশের প্রধানমন্ত্রী*কে নিয়ে কু*রু*চি*কর মন্তব্য করার ঘটনার প্রতিবাদে শালতোড়া বিধানসভার বিধায়ক শ্রীমতি চন্দনা বাউরী কি বললেন শুনুন
দেশের প্রধানমন্ত্রী*কে নিয়ে কু*রু*চি*কর মন্তব্য করার ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষী ব্যক্তিদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে অবিলম্বে গ্রে*প্তা*রের করার দাবিতে একটি বিশাল প্রতিবাদ মিছিল করা হয় মেজিয়ায় শালতোড়া মন্ডল ৩ বিজেপির তরফে । উপস্থিত শালতোড়া বিধানসভার বিধায়ক চন্দনা বাউরী ও শালতোড়া মন্ডল ৩ বিজেপির সভাপতি বিপদতারন বাউরি সহ বিজেপির নেতৃত্ব ও কর্মীরা
রবিবার বাঁকুড়ায় এক্তেশ্বর মন্দিরে বাবা এক্তেশ্বরকে বরফ দিয়ে অত্যন্ত সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। ভক্তদের আন্তরিক ভক্তি ও সেবায় মন্দিরে এক অপূর্ব আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে । দেখুন সেই ছবি 

ছবি সৌজন্যে - এক্তেশ্বর ধাম
বাঁকুড়া
শালতোড়া ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি তপন কুমার বাউরী প্রয়াত !!!

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শালতোড়া ব্লকের সালমা অঞ্চলে বড়শাল (ইলামবাজার) গ্রামে নিজ বাড়িতে টুলু পাম্প চালানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তাঁর অকাল প্রয়াণে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শালতোড়া ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি তপন কুমার বাউরী প্রয়াত !!!

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শালতোড়া ব্লকের সালমা অঞ্চলে বড়শাল (ইলামবাজার) গ্রামে নিজ বাড়িতে টুলু পাম্প চালানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তাঁর অকাল প্রয়াণে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শালতোড়ায় সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হলো উল্টো রথযাত্রা উৎসব
শালতোড়ায় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত হল নতুন অধ্যায়। ধর্মীয় আচার, বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ এবং যজ্ঞ-যাগ্যের মধ্য দিয়ে উত্তর বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া খন্ড কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন ঘিরে দিনভর ছিল উৎসবের আবহ।ধর্মীয় আচার, বৈদিক যজ্ঞ এবং সাংগঠনিক ঐক্যের বার্তায় শালতোড়ার লেদ মোড়ে উদ্বোধন হল হিন্দু জাগরণ মঞ্চ উত্তর বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া খন্ড কার্যালয়ের
Big Breaking News 
তৃণমূল নেতা বারু গ্রে*ফ*তার শালতোড়া ব্লকের তথা
সালমা অঞ্চলের দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন সালমা অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বারাণসি গোঁফ ওরফে বারু গ্রেফতার !!! বারু কে পাবড়া মোড় থেকে শনিবার সকালে গ্রে*ফ*তার করল শালতোড়া থানার পুলিশ !!!
Big Breaking News 
তৃণমূল নেতা বারু গ্রে*ফ*তার
সালমা অঞ্চলের দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন সালমা অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বারাণসি গোঁফ ওরফে বারু গ্রেফতার !!!
দামোদর নদের উপর ঈশ্বরদা , কুকড়াকুড়ি ও কেশরকুড়ি  ফেরিঘাটের  অস্থায়ী তিনটি বাঁশের সেতু/ সাঁকো জলের তোড়ে ভেসে গেল, ফলে বিচ্ছিন্ন হল বাঁকুড়া জেলা  ও পশ্চিমবর্ধমানের আসানসোলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা , এখন পারাপারের একমাত্র মাধ্যম ফেরিঘাটের নৌকা অথবা ঘুরপথে মধুকুন্ডা হয়ে ডিসেরগড় ঘাটের ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত !!
তাই আরও জোরালো দাবী উঠেছে দামোদর নদের উপর পাকাসেতুর এমনই দাবি দামোদর বিহারীনাথ সেতু বন্ধন কমিটির !!!
প্রয়াত সেনা কর্মী বীর শহীদ বাঁকুড়া জেলার তালডাংরার ইন্দকাটা গ্রামের বাসিন্দা সৌমিত্র পালের কফিনে মালা দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন তালডাংরার  বিধায়ক সৌভিক পাত্র 

দেশমাতৃকার সেবায় জীবন উৎসর্গ করা এক বীর সন্তানের প্রতি শেষ শ্রদ্ধায় নত হল গোটা তালডাংরা। প্রয়াত সেনা কর্মী বীর শহীদ বাঁকুড়া জেলার তালডাংরা বিধানসভার ইন্দকাটা গ্রামের বাসিন্দা সৌমিত্র পাল-এর মরদেহ যখন কফিনবন্দি অবস্থায় তাঁর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়, তখন শোকের ছায়া নেমে আসে সমগ্র এলাকাজুড়ে। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য মানুষ শেষবারের মতো তাঁদের প্রিয় মানুষটিকে শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় জমান।
এই শোকাবহ মুহূর্তে উপস্থিত হয়ে কফিনে মাল্যদান করে প্রয়াত সেনা কর্মীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তালডাংরার বিধায়ক সৌভিক পাত্র। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমবেদনা জানান এবং বলেন, দেশের নিরাপত্তায় কর্তব্য পালন করতে গিয়ে যাঁরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। সৌমিত্র পালের অবদানও মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।
এদিন শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য এবং বহু সাধারণ মানুষ। সকলেই ফুল ও মাল্য অর্পণ করে বীর সেনা কর্মীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আবেগঘন পরিবেশে বারবার ধ্বনিত হয় দেশাত্মবোধক স্লোগান, আর চোখের জলে বিদায় জানান গ্রামের মানুষ।
দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চিরবিদায় নিলেন বীর শহীদ সৌমিত্র পাল। তাঁর আত্মত্যাগ, সাহস এবং দেশপ্রেম আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়ের মধ্য দিয়ে এক বীর সন্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানাল তাঁর গ্রাম, তাঁর জেলা এবং সমগ্র রাজ্য।
বাঁকুড়ার তালডাংরা বিধানসভার দুবরাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অরণ্য সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করলেন তালডাংরার বিধায়ক সৌভিক পাত্র । 
একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নির্মাণ করে একটি সুস্থ ও নিরাপদ আগামী। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৃক্ষরোপণ করে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলা গড়ার বার্তা তুলে ধরেন বিধায়ক সৌভিক পাত্র ।

১৮/০৭/২০২৬
শনিবার.
তালডাংরা, বাঁকুড়া ।